হাসপাতালের হিসাব দিয়ে অর্থায়নের ঘাটতি মেটানো যাবে না
থাইল্যান্ডের হাসপাতাল অর্থায়ন নিয়ে বিরোধে রয়েছে দুটি স্পষ্ট পরিসংখ্যান: রক্ষণাবেক্ষণ তহবিলে অবশিষ্ট অর্থ ২০২৩ সালের ৬০.০৭৮ বিলিয়ন বাত থেকে ২০২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৪৬.৪৯৯ বিলিয়ন বাতে নেমেছে। অন্যদিকে, ইউনিভার্সিটি হসপিটাল নেটওয়ার্কের হিসাবে, একজন ভর্তি রোগীর চিকিৎসায় খরচ প্রায় ১৩,০০০ বাত, অথচ এর বিপরীতে পরিশোধ করা হয় ৮,৩৫০ বাত। কঠোর হিসাবরক্ষণ এই চাপগুলো স্পষ্ট করতে পারে, কিন্তু শুধু তা দিয়ে ঘাটতির অর্থ জোগানো সম্ভব নয়।
সূচিপত্র
- হাসপাতালের হিসাব দিয়ে অর্থায়নের ঘাটতি মেটানো যাবে না
- ছয়টি নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে
- হিসাবের ত্রুটি মানেই সব সময় তথ্য গোপন নয়
- চিকিৎসার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে কমেছে রিজার্ভ
- হাসপাতালের খরচের তুলনায় অর্থ ফেরত কম
- জাতীয় রিজার্ভ থাকলেই বিরোধের নিষ্পত্তি হয় না
- সেবার সুযোগ বজায় রেখে হাসপাতালগুলোর সক্ষমতাও রক্ষা
- দাবি যাচাইয়ের প্রযুক্তি ও অর্থ পরিশোধের সংস্কার ভিন্ন সমস্যা সমাধান করে
- সময়রেখা ও অমীমাংসিত সিদ্ধান্ত
- মূল তথ্য
এটাই অ্যাসোসিয়েশন অব রিজিওনাল অ্যান্ড জেনারেল হসপিটালসের সাবেক সভাপতি আনুকুল থাইথানান্দের মূল সতর্কবার্তা। তাঁর মতে, জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ছয়টি নির্দেশনা হাসপাতালের আর্থিক পরিস্থিতি আরও স্বচ্ছ করতে পারে, কিন্তু সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার এমন অর্থ পরিশোধের সংকট মেটাতে পারে না, যা প্রকৃত খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রোগীদের জন্য এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। তারল্য বলতে বিল পরিশোধের সময় হাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা বোঝায়। হাসপাতাল প্রত্যাশিত আয় হিসাবভুক্ত করতে পারে, তবু ওষুধ কেনা, সরবরাহকারীদের বিল পরিশোধ বা যন্ত্রপাতি বদলানোর মতো প্রয়োজনীয় নগদ অর্থের ঘাটতি থাকতে পারে। আনুকুল সতর্ক করে বলেছেন, হাতে নগদ খুব কম থাকা হাসপাতালগুলো যন্ত্রপাতি বদলানো পিছিয়ে দিতে পারে, অথবা ব্যয়বহুল কিন্তু প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবহার কমাতে পারে।
এই বিরোধের আরেকটি দিক হলো জবাবদিহি। মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শনে হিসাবের অনুপস্থিত নথিভুক্তি, রেকর্ড না করা দেনা এবং অনুমোদিত পরিকল্পনার বাইরে ব্যয়ের ঘটনা চিহ্নিত হয়েছে। হাসপাতাল প্রতিনিধিদের বক্তব্য, এসব সমস্যা তদন্ত করতে হবে, তবে প্রতিটি অর্থসংকটকে অব্যবস্থাপনার প্রমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়। একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করতে পারে: অপর্যাপ্ত পরিশোধের হার, অর্থ ফেরত পেতে বিলম্ব, দাবি প্রত্যাখ্যান এবং হাসপাতালের সামর্থ্যের বাইরে ব্যয়ের সিদ্ধান্ত।
ঘটনার কালানুক্রম সতর্কতার সঙ্গে বোঝা দরকার। এখানে বর্ণিত আর্থিক পরিসংখ্যান ও অর্থ ফেরত নিয়ে বিরোধ মূলত ২০২৫ সালের। ছয়টি নির্দেশনা নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, সেগুলো থাই বৌদ্ধ বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২৫৬৯ সালের ৯ অক্টোবর, অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৯ অক্টোবর স্বাক্ষরিত হয়; এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয় ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর। এগুলোকে ২০২৫ সালের পরিসংখ্যানের আগের পদক্ষেপ হিসেবে পড়া উচিত নয়।
ছয়টি নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে
জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ড. সোমরুয়েক জুংসামানের স্বাক্ষরিত নির্দেশনাগুলোতে হিসাবের নির্ভুলতা এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, দুই বিষয়ই রয়েছে। এগুলো স্বাস্থ্য অঞ্চল ১ থেকে ১২, প্রাদেশিক জনস্বাস্থ্য প্রধান এবং আঞ্চলিক ও সাধারণ হাসপাতালের পরিচালকদের উদ্দেশে জারি করা হয়। তদারকির শর্তগুলো কমিউনিটি হাসপাতালগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে।
- সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কভারেজের আওতায় চিকিৎসার পাওনা নির্ভুলভাবে ও দ্রুত হিসাবভুক্ত করতে হবে এবং তহবিল ও অন্যান্য দেনাদারের কাছে বকেয়া ক্ষতিপূরণ আদায়ে উদ্যোগ নিতে হবে।
- সরকারি ক্রয়বিধি মেনে পণ্য পরীক্ষা ও গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে সরবরাহকারীদের পাওনা হিসাবভুক্ত করতে হবে।
- সরকারি খাতের হিসাবরক্ষণ মান অনুসারে রাজস্বের প্রতিটি খাত নথিভুক্ত করতে হবে এবং অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া যাচাই করতে হবে।
- প্রযোজ্য বিধি, অনুমোদিত পরিকল্পনা এবং হাসপাতালের আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যে থেকে ব্যয় করতে হবে।
- রক্ষণাবেক্ষণ তহবিলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের পরিকল্পনা তৈরি, বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ এবং প্রতি মাসে ব্যবস্থাপনার কাছে ফলাফল জানাতে হবে।
- হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের আর্থিক শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত আইন ও বিধিবিধান মেনে চলতে হবে; এ ক্ষেত্রে প্রাদেশিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে তদারকি থাকবে।
হাসপাতালের পাওনা হলো হাসপাতালের কাছে অন্যদের দেনা, এর মধ্যে আদায় না হওয়া চিকিৎসা বাবদ অর্থও রয়েছে। আর প্রদেয় হলো সরবরাহকারীদের কাছে হাসপাতালের দেনা। এ দুটির কোনোটি হিসাবের বাইরে থাকলে আর্থিক চিত্র বিকৃত হতে পারে: পাওনা বাদ পড়লে প্রত্যাশিত আয় আড়ালে থাকে, আর প্রদেয় বাদ পড়লে হাসপাতালের হাতে বাস্তবের চেয়ে বেশি অর্থ আছে বলে মনে হয়।
আর্থিক প্রতিশ্রুতি গ্রহণের অনুমোদন পাওয়ার আগে সরঞ্জাম ব্যবহার বা ঠিকাদারকে কাজ শুরু করতে দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে নির্দেশনায়। অনুমোদিত পরিকল্পনার বাইরে নির্মাণ বা সংস্কার করে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর বিল পরিশোধে ঝুঁকি তৈরি করার বিরুদ্ধেও সতর্ক করা হয়েছে।
উল্লেখ করা আইনি কাঠামোর মধ্যে রয়েছে ২০১৮ সালের রাষ্ট্রীয় আর্থিক ও অর্থশৃঙ্খলা আইন এবং ২০১৭ সালের সরকারি ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা আইন। অবহেলার কারণে তারল্যসংকট বা জমে থাকা দায় তৈরি হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ব্যবস্থাপকদের দায়িত্বে বহাল থাকলে রোগীদের সেবার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে তাঁদের পদ থেকেও সরানো হতে পারে।
হিসাবের ত্রুটি মানেই সব সময় তথ্য গোপন নয়
মন্ত্রণালয়ের উদ্বেগের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা-সংক্রান্ত সমস্যা। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২০ অর্থবছর থেকে স্থায়ী সচিবের কার্যালয়ের আর্থিক বিবরণীর বিষয়ে রাষ্ট্রীয় নিরীক্ষা দপ্তর কোনো মতামত দিতে পারেনি, কারণ সহায়ক তথ্য অসম্পূর্ণ বা ভুল ছিল, কিংবা সরকারি খাতের হিসাবরক্ষণ মানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।
নিরীক্ষার মতামত দিতে অস্বীকৃতি জানানোর অর্থ, বিবরণী মূল্যায়নের জন্য নিরীক্ষকের কাছে পর্যাপ্ত ভিত্তি নেই। তবে শুধু এই কারণে প্রতিটি হিসাবের ভুলকে দুর্নীতি বলা যায় না। তারপরও অভ্যন্তরীণ পরিদর্শনে হালনাগাদ নয় এমন নথি, পাওনাদার ও দেনাদারের তথ্য হিসাবভুক্ত না করা এবং পরিকল্পনার বাইরে উল্লেখযোগ্য ক্রয়—বিশেষ করে নির্মাণ ও সংস্কারের—ঘটনা পাওয়া গেছে।
২০২৬ সালের ১১ অক্টোবরের ব্যাখ্যায় সোমরুয়েক বলেন, বার্ষিক ব্যয় পরিকল্পনা, যা ‘প্ল্যান ফিন’ নামে পরিচিত, প্রাদেশিক জনস্বাস্থ্য দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শকদের অনুমোদন নিতে হয়। ভবন, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদের হিসাব নথিভুক্ত করার সমস্যার কথাও তিনি বলেন এবং স্বীকার করেন, কিছু কমিউনিটি হাসপাতালে নির্দিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মী নেই। তাঁর বিশ্বাস, অধিকাংশ ভুল ইচ্ছাকৃত দুর্নীতি ছিল না।
পাওনাদারের তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়ার ঝুঁকি বোঝাতে সোমরুয়েক আগের মহা সারাখাম ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। অনিয়ম পাওয়া গেলে কোন আইন ও বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে, তা তাঁর আইনি দল তখনও একত্র করছিল। রাচাবুরির ফোথারাম হাসপাতালে বাজেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি অভিযোগও মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনাধীন ছিল, তবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
ইচ্ছাকৃত তথ্য গোপন করা এবং জরুরি চিকিৎসার সময় উদ্ভূত বিলম্বের মধ্যে আলাদা পার্থক্য করেছেন আনুকুল। তাঁর ভাষ্য, কোনো হাসপাতালে বিশেষ মাপের অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম জরুরি ভিত্তিতে লাগতে পারে, অথচ সরবরাহকারী তখনও সরবরাহসংক্রান্ত কাগজপত্র সম্পন্ন করেনি। এমন পরিস্থিতি হলে অসততার অনুমান না করে তা খতিয়ে দেখা উচিত। তবে হিসাবকে ভালো দেখাতে ইচ্ছাকৃতভাবে দায় গোপন করা হলে তদন্ত করে শাস্তি দিতে হবে।
চিকিৎসার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে কমেছে রিজার্ভ
২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল উপ-স্থায়ী সচিব ড. মনতিয়েন কানাসাওয়াত বাড়তে থাকা চিকিৎসাসেবার চাহিদার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল কমে যাওয়ার কথা জানান। আর্থিক দায় মেটানোর পর তহবিলে অবশিষ্ট অর্থ ২০২৩ সালের ৬০,০৭৮ মিলিয়ন বাত থেকে ২০২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৪৬,৪৯৮.৯ মিলিয়ন বাতে নেমে আসে; দ্বিতীয় প্রান্তিকটি ছিল জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত।
এই দুই সময়ের অঙ্কের পার্থক্য ১৩,৫৭৯.১ মিলিয়ন বাত, অর্থাৎ প্রায় ২২.৬ শতাংশ হ্রাস। একই বিবরণে হ্রাসের হার ৯.৫ শতাংশ বলা হয়েছে, যা উল্লেখিত অঙ্কের সঙ্গে মেলে না। অন্য কোনো তুলনামূলক সময়কাল বা ব্যাখ্যা না থাকলে একই হিসাবের ক্ষেত্রে দুটি হারই সঠিক হতে পারে না।
ভর্তি রোগীর চিকিৎসার সংখ্যা ২০২১ সালের ৬,৯২৭,৭১৪ থেকে ২০২৪ সালে ৭,৮৮৬,৪৭৭-এ বেড়েছে, অর্থাৎ ১৩.৮৪ শতাংশ। মন্ত্রণালয় গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ৪.৪২ শতাংশ বলেছে। মোট সমন্বিত আপেক্ষিক ভার—যা বিভিন্ন ধরনের ভর্তি রোগীর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সম্পদের পরিমাণ নির্দেশ করে—৭,৮৩৫,৭৫৭ থেকে বেড়ে ৯,৭৫৭,৯৩৭ হয়েছে, অর্থাৎ ২৪.৫৩ শতাংশ। এতে বোঝা যায়, শুধু রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়ার চেয়েও চিকিৎসার পরিমাপকৃত কাজের চাপ বেশি বেড়েছে।
বহির্বিভাগে রোগী দেখানোর সংখ্যা ২০২৩ সালের ১৪৯,৪৩০,০৭৭ থেকে ২০২৪ সালে ১৫৮,২৬০,৩৩৫-এ উঠেছে। বিবরণে বৃদ্ধির হার ৫.৫৮ শতাংশ বলা হয়েছে, যদিও ২০২৩ সালের মোট সংখ্যার ভিত্তিতে হিসাব করলে তা প্রায় ৫.৯১ শতাংশ হয়। এই পার্থক্যে প্রবণতার দিক বদলায় না, তবে আর্থিক তথ্য ও সেবার পরিসংখ্যান ধারাবাহিকভাবে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়।
মনতিয়েন সুদ, কর, অবচয় ও পরিশোধনের আগের আয় (ইবিটডিএ) ২০,০০৯ মিলিয়ন বাত বলে জানান, যা আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম। এই হিসাবি সূচক বিল পরিশোধের জন্য হাতে থাকা নগদ অর্থের সমতুল্য নয়। চারটি হাসপাতালকে আর্থিক সংকটের সর্বোচ্চ বর্ণিত স্তর ৭-এ রাখা হয়েছিল।
হাসপাতালের খরচের তুলনায় অর্থ ফেরত কম
ইউনিভার্সিটি হসপিটাল নেটওয়ার্কের হিসাবে, একজন ভর্তি রোগীর চিকিৎসায় ১৩,০০০ বাত খরচ হয়, অথচ জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা দপ্তর (এনএইচএসও) থেকে ফেরত পাওয়া যায় ৮,৩৫০ বাত। এই হিসাবে ঘাটতি ৪,৬৫০ বাত। অর্থাৎ আনুমানিক খরচের প্রায় ৬৪.২ শতাংশ ফেরত দেওয়া হয়, আর প্রায় ৩৫.৮ শতাংশই অপূরণ থাকে। এই অনুমান দিয়ে প্রতিটি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর খরচ বা অর্থ পরিশোধের পরিমাণ নির্ধারণ করা যায় না; তবে শুধু নির্ভুল হিসাবরক্ষণে কেন আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরবে না, তা বোঝায়।
কয়েকটি হাসপাতাল আরও তাৎক্ষণিক অর্থ পরিশোধ-সংকটের কথা জানিয়েছে। ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবরণে সুরাত থানি হাসপাতাল ৫২ মিলিয়ন বাতের পূর্ববর্তী সময়ের হিসাব সমন্বয় করে কেটে নেওয়ার কথা জানায়; সর্বশেষ স্থানান্তরিত অর্থ ছিল মাত্র ১৬১.৩৩ বাত। হাসপাতালটির হিসাবে, ওষুধ, সরঞ্জাম, পরীক্ষাগারের কাজ ও অন্যান্য প্রয়োজনে মাসে ১৭০ মিলিয়ন বাত ব্যয় হয়।
ফিতসানুলোকের বুদ্ধাচিনারাজ হাসপাতাল ২৩৮ মিলিয়ন বাতের বিলের বিপরীতে ১৫ মিলিয়ন বাত পেয়েছে বলে জানানো হয়। এই অর্থ বিলের প্রায় ৬.৩ শতাংশ। বাকি অর্থের কতটা স্থায়ীভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, কতটা নিয়ে বিরোধ রয়েছে এবং কতটা পরিশোধের অপেক্ষায়—তা বিবরণে স্পষ্ট নয়। তাই পুরো পার্থক্যকে চূড়ান্ত ক্ষতি হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।
সিনেটের জনস্বাস্থ্য কমিটির উপ-সভাপতি সিনেটর ড. ভিরাপুন সুওয়ান্নামাই পূর্ববর্তী সময়ের হিসাব সমন্বয় করে অর্থ কেটে নেওয়া, বিলম্ব এবং ক্ষতিপূরণের হার সংশোধনের জন্য দায়ী করেন। তাঁর সতর্কবার্তা, অর্থ ফেরতের সমস্যা চলতে থাকলে অনেক সরকারি হাসপাতাল তিন বছরের মধ্যে তাদের রিজার্ভ শেষ করে ফেলতে পারে। এটি ছিল সতর্কবার্তা, হাসপাতাল বন্ধ হওয়ার নিশ্চিত সময়সূচি নয়।
সমন্বিত আপেক্ষিক ভারে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের আনুমানিক চাহিদা অনুযায়ী আলাদা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এর মাধ্যমে জটিল অস্ত্রোপচার ও তুলনামূলক কম সম্পদপ্রয়োজনীয় ভর্তি চিকিৎসার মধ্যে পার্থক্য করা যায়। এই মানের বিপরীতে প্রদেয় হার বদলালে চিকিৎসা সম্পন্ন হওয়ার পরও হাসপাতালের আয় বদলে যেতে পারে, যা ব্যয় পরিকল্পনা ও সরবরাহকারীদের বিল পরিশোধকে জটিল করে তোলে।
জাতীয় রিজার্ভ থাকলেই বিরোধের নিষ্পত্তি হয় না
২০২৫ সালের জুনে সরকার অপেক্ষাকৃত আশাবাদী মূল্যায়ন তুলে ধরে। জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমসাক থেপসুতিন বলেন, দায় বাদ দেওয়ার পর হাসপাতালগুলোর হাতে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন বাত রিজার্ভ রয়েছে এবং গোল্ড কার্ড প্রকল্প আর্থিক সংকটে রয়েছে—এমন দাবি তিনি নাকচ করেন।
সোমসাক বলেন, প্রকল্পে নিবন্ধিত ১৩টি হাসপাতালের রিজার্ভ ঋণাত্মক ছিল এবং তাদের পরিস্থিতি তদন্তে দল পাঠানো হবে। এই সংখ্যাকে এপ্রিলে সংকটের স্তর ৭-এ থাকা চারটি হাসপাতালের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না। সময় ও শ্রেণিবিভাগ আলাদা; ঋণাত্মক রিজার্ভ এবং নির্দিষ্ট আর্থিক ঝুঁকির স্তর এক বিষয় নাও হতে পারে।
এনএইচএসও বোর্ডের সদস্য ড. উইচাই খোভাখায়াওয়াতও নিট রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন বাত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির তুলনায় গোল্ড কার্ডের অর্থ ফেরতের হার সাধারণত কম। তাই জাতীয় পর্যায়ের মোট পরিসংখ্যান সরকারের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে যে পুরো নেটওয়ার্কের সম্পদ শেষ হয়ে যায়নি; কিন্তু প্রতিটি হাসপাতাল নিজস্ব বিল মেটাতে পারবে, তা প্রমাণ করে না।
সেবার ব্যবহার নিয়ে হিসাবেও পার্থক্য রয়েছে। সোমসাক বলেন, ২০২৪ অর্থবছরে প্রকল্পের গ্রাহকদের ৩০৪ মিলিয়ন বহির্বিভাগীয় চিকিৎসার মধ্যে প্রায় ২২০ মিলিয়নের অর্থ এনএইচএসও ফেরত দিয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরের বিবরণে এনএইচএসওর নথির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ওই অর্থবছর আলোচ্য থাকা সময়ের শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয়েছে প্রায় ১৭৬ মিলিয়নবার এবং ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ মিলিয়ন।
এই মোট হিসাবগুলো ভিন্ন সময়কাল এবং সম্ভবত গণনার ভিন্ন সীমা নিয়ে তৈরি। কোনোটিকেই মন্ত্রণালয়ের হাসপাতাল-সেবার পরিসংখ্যানের সঙ্গে সরাসরি মিলিয়ে দেখা যায় না। সোমসাক আরও বলেন, হাসপাতালগুলো সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল, সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা এবং রোগীদের কাছ থেকেও আয় পায়। তাই হাসপাতালের আর্থিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে শুধু একটি স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি নয়, সব আয় ও দায় বিবেচনা করতে হবে।
সেবার সুযোগ বজায় রেখে হাসপাতালগুলোর সক্ষমতাও রক্ষা
সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পে প্রায় ৪৭ মিলিয়ন মানুষ সেবা পান। ২০২৫ সালের নভেম্বরের বিবরণে এর বার্ষিক বরাদ্দ ২৬৪ বিলিয়ন বাত বলা হয়েছে; এর মধ্যে হাসপাতালকর্মীদের বেতনের জন্য প্রায় ৬৫ বিলিয়ন বাত রয়েছে। অর্থাৎ বরাদ্দের প্রায় ২৪.৬ শতাংশই বেতনের জন্য। শিরোনামে উল্লেখ করা বাজেটটি শুধু চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ ফেরতের তহবিল নয়।
পরিবারগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টি এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চিকিৎসার ব্যয়ের কারণে দেউলিয়া হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়া মানুষের সংখ্যা ২০০২ সালের ৬৬৩,০০০ থেকে ২০২৩ সালে ৩৫৭,৬০০-তে নেমেছে। হ্রাস পেয়েছে ৩০৫,৪০০, অর্থাৎ প্রায় ৪৬.১ শতাংশ। এদিকে প্রকল্পের অধীনে সেবা দিতে জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হাসপাতালগুলো রিজার্ভ থেকে সর্বোচ্চ ১৮.৭৯ বিলিয়ন বাত ব্যয় করেছে বলে জানানো হয়েছে।
সারাবুরি হাসপাতালের পরিচালক ও থাইল্যান্ড আঞ্চলিক ও সাধারণ হাসপাতাল সমিতির সভাপতি ড. পাওয়িনি ইয়ামচান বলেন, চিকিৎসকেরা প্রকল্প বাতিল নয়, সংস্কার চান:
"কেউই প্রকল্পটি বাতিল করতে চান না। আমরা শুধু এর বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চাই," তিনি বলেন।
নতুন নীতি চালুর আগে পরামর্শের আহ্বান জানিয়েছেন পাওয়িনি, যাতে অর্থায়ন, জনবল ও বাস্তব সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে সুবিধাভোগীরা আরও বিস্তৃত পরিসরে চিকিৎসা নিতে পারবেন—এমন সম্প্রসারণের সমালোচকেরা বলেন, এতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ বেড়েছে। তাঁদের সতর্কবার্তা, চিকিৎসকের দেওয়া প্রতিটি চিকিৎসাই যে অর্থ ফেরত পাওয়ার যোগ্য হবে, বিস্তৃত সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ মানেই তা নয়।
এই উদ্বেগগুলো সেবাপ্রাপ্তির নীতিকে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে। কোনো সুবিধা রোগীদের সরাসরি খরচ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে, অথচ অর্থ ফেরতের নিয়মে যে খরচ মেটানো হয় না, তার দায় হাসপাতালের ওপরই থেকে যায়। আনুকুলের সতর্কবার্তা, আর্থিক চাপ অব্যাহত থাকলে শেষ পর্যন্ত রোগীরা বাস্তবে কী ধরনের সেবা পাবেন, তা প্রভাবিত হতে পারে।
দাবি যাচাইয়ের প্রযুক্তি ও অর্থ পরিশোধের সংস্কার ভিন্ন সমস্যা সমাধান করে
২০২৫ সালের এপ্রিলে মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়ার চারটি অংশ ছিল: জরুরি তারল্য ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, দাবি আরও দক্ষভাবে জমা দেওয়া, সম্পদ ও ক্রয়প্রক্রিয়ার উন্নত ব্যবহার এবং আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদার করা। উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ইউনিটগুলোর পরিস্থিতি প্রতি দুই সপ্তাহে পর্যবেক্ষণের কথা ছিল।
ফিন্যান্সিয়াল ডেটা হাবের পরিকল্পিত একটি সুবিধা, ‘এফডিএইচ স্মার্ট প্রি-অডিট ক্লেইম’, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে জমা দেওয়ার আগে তহবিলের শর্তের সঙ্গে নথিপত্র মিলিয়ে দেখবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমান, অসম্পূর্ণ বা ভুল দাবির কারণে সেবাদানকারী ইউনিটগুলো বছরে ১২ থেকে ১৮ শতাংশ রাজস্ব হারায় এবং ব্যবস্থাটি এই ক্ষতি সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ কমাতে পারে।
দুটি অনুমানই সঠিক হলে যে অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব, তা রাজস্বের আনুমানিক ৭.২ থেকে ১০.৮ শতাংশের সমান হবে। এটি মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাসের ভিত্তিতে দেওয়া একটি হিসাবি দৃষ্টান্ত, পরিমাপ করা ফল নয়। নথি যাচাইয়ের ব্যবস্থা এড়ানো সম্ভব এমন দাবি-সংক্রান্ত ভুল কমাতে পারে, কিন্তু সঠিকভাবে নথিভুক্ত চিকিৎসার বিপরীতে পরিশোধের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ায় না।
২০০১ সালে উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে প্রকল্পটির মূল নকশায় সহায়তা করা ড. সুরাপং সুভংলিও প্রযুক্তির আরও বিস্তৃত ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন: প্রকৃত খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ। প্রকল্প চালুর সময়ের তুলনায় বর্তমান প্রযুক্তির পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন:
"দুই দশকেরও বেশি আগে যখন আমরা প্রকল্পটি চালু করি, তখন এখনকার মতো প্রযুক্তি ছিল না। সর্বশেষ প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হলে প্রকৃত খরচের সঙ্গে ক্ষতিপূরণের আরও ভালো সামঞ্জস্য করা যাবে এবং ভুলও কমবে," তিনি বলেন।
২০২৫ সালের জুনে এনএইচএসওর মহাসচিব ড. জাদেত ঘোষণা করেন, বাজেট বরাদ্দ পর্যালোচনায় পিডব্লিউসি, ইওয়াই, ডেলয়েট ও কেপিএমজির পরিকল্পিত অংশগ্রহণ থাকবে এবং তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা। তিনি অর্থমন্ত্রী পিচাই চুনহাওয়ানকে সভাপতি করে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা তহবিলগুলোর অর্থ ফেরতের হার মূল্যায়নে একটি কমিটি গঠনের কথাও জানান। এখানে দেওয়া বিবরণ থেকে পর্যালোচনাটি সম্পন্ন হয়েছিল কি না, বা কমিটি কী পরিবর্তন গ্রহণ করেছিল, তা জানা যায় না।
সময়রেখা ও অমীমাংসিত সিদ্ধান্ত
আলাদা আর্থিক তথ্য প্রকাশ, সংস্কারের প্রস্তাব এবং পরবর্তী হিসাবরক্ষণ নির্দেশনার মধ্য দিয়ে এই বিতর্ক এগিয়েছে। এসব পর্যায় আলাদা করে দেখলে প্রতিশ্রুতিকে সম্পন্ন ব্যবস্থা বা পুরোনো হাসপাতালসংক্রান্ত হিসাবকে বর্তমান অনুসন্ধান বলে ভুল করার ঝুঁকি থাকে না।
- ২০২০ অর্থবছর থেকে: নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্থায়ী সচিবের কার্যালয়ের আর্থিক বিবরণী সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় নিরীক্ষা দপ্তর মতামত দিতে পারেনি।
- ২২ এপ্রিল ২০২৫: মনতিয়েন রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল কমে যাওয়া, সংকটের স্তর ৭-এ থাকা চারটি হাসপাতাল এবং দাবি যাচাইয়ের পরিকল্পিত প্রযুক্তির তথ্য প্রকাশ করেন।
- জুন ২০২৫: সোমসাক নিট রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন বাত এবং ঋণাত্মক রিজার্ভ থাকা ১৩টি হাসপাতালের কথা বলেন; জাদেত তিন মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকা বরাদ্দ পর্যালোচনার ঘোষণা দেন।
- ৫ নভেম্বর ২০২৫: প্রতিবেদনে সুরাত থানি ও বুদ্ধাচিনারাজ হাসপাতালের অর্থ পরিশোধ-সংক্রান্ত বিরোধ এবং অর্থ ফেরত সংস্কারের আহ্বান বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
- ৯ ও ১১ অক্টোবর ২০২৬: প্রতিবেদনগুলোতে এই তারিখে ছয়টি নির্দেশনা জারি এবং এরপর সোমরুয়েকের ব্যাখ্যা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি: পৃথক হাসপাতালগুলোর অর্থ পরিশোধ-সংক্রান্ত বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, প্রতিশ্রুত বরাদ্দ পর্যালোচনার ফল, দাবি যাচাইয়ের প্রযুক্তিতে প্রকৃত সাশ্রয় এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা তদন্তে আইনি সিদ্ধান্ত। ভবিষ্যতে কোনো শুনানি, ভোট বা বাস্তবায়নের সময়সীমা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি।
আরও পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ হলে সবচেয়ে গুরুতর আর্থিক সংকটে থাকা হাসপাতালের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন আনুকুল। ফলে নথিভুক্ত সংকট বৃদ্ধির পেছনে আর্থিক পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি নতুন করে স্বীকৃত দেনাও কারণ হতে পারে। মূল বিবেচ্য হলো, সংস্কার নির্ভরযোগ্য হিসাবের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা চালু রাখার মতো অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করছে কি না; একটিকে অন্যটির বিকল্প হিসেবে দেখছে কি না।
মূল তথ্য
- মন্ত্রণালয়ের ছয়টি নির্দেশনায় নির্ভুল হিসাব, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের রক্ষণাবেক্ষণ তহবিলের পরিকল্পনা মাসিক পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
- আনুকুল থাইথানান্দের মতে, চিকিৎসার খরচের চেয়ে কম অর্থ ফেরত পাওয়ার সমস্যা শুধু স্বচ্ছতা বাড়িয়ে মেটানো যাবে না।
- প্রকাশিত হিসাবে রক্ষণাবেক্ষণ তহবিলের অর্থ ৬০.০৭৮ বিলিয়ন বাত থেকে ৪৬.৪৯৯ বিলিয়ন বাতে নেমেছে; উল্লেখিত অঙ্কের ভিত্তিতে হ্রাস প্রায় ২২.৬ শতাংশ।
- ইউনিভার্সিটি হসপিটাল নেটওয়ার্ক ভর্তি রোগীর চিকিৎসায় খরচ ১৩,০০০ বাত এবং অর্থ ফেরত ৮,৩৫০ বাত বলে অনুমান করেছে।
- ২০২৫ সালের এপ্রিলে সংকটের স্তর ৭-এ থাকা চারটি হাসপাতাল এবং জুনে ঋণাত্মক রিজার্ভ থাকা ১৩টি হাসপাতাল—এ দুটি ভিন্ন পরিমাপ।
- দাবি যাচাইয়ের প্রযুক্তি নথিপত্রের ভুলজনিত ক্ষতি কমাতে পারে; আর পরিশোধের হার সংস্কার করলে খরচের ঘাটতি মোকাবিলা করা যায়।
- প্রকল্পে প্রায় ৪৭ মিলিয়ন মানুষ সেবা পান; হাসপাতাল প্রতিনিধিরা এটি বাতিলের বদলে সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন।






