রেকর্ড উচ্চতায় বন্ধ, মাইলফলক থেকে সামান্য দূরে তাইওয়ানের শেয়ারবাজার
৬ অক্টোবর ২০২৬ তাইওয়ানের শেয়ারবাজার ৫০,০০০ পয়েন্ট থেকে মাত্র ৩১.০৮ পয়েন্ট দূরে পৌঁছেছিল। তবে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় ঊর্ধ্বগতি ধীর হয়ে যায়। তবু তাইএক্স রেকর্ড ৪৯,৮২২.৫৫ পয়েন্টে লেনদেন শেষ করে, আগের চেয়ে ১১০.৫১ পয়েন্ট বা ০.২২ শতাংশ বেশি। লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৭৫.৯৪ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলার। তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি) এই বৃদ্ধিতে প্রায় ৮০ পয়েন্ট যোগ করে, যা দেখায় বৃহত্তম কোম্পানিটির ওপর সূচকটি কতটা নির্ভরশীল।
সূচিপত্র
- রেকর্ড উচ্চতায় বন্ধ, মাইলফলক থেকে সামান্য দূরে তাইওয়ানের শেয়ারবাজার
- ৫০,০০০-এর কাছাকাছি যাওয়ার ধাপগুলো
- টিএসএমসি সূচককে সমর্থন দিলেও অন্যান্য শেয়ারে ভিন্ন প্রবণতা
- মুনাফা বৃদ্ধি কি উচ্চ শেয়ারদরকে ন্যায্যতা দিতে পারে?
- এআই বিনিয়োগের গল্প চিপের বাইরেও বিস্তৃত
- তেলের দর অর্থনৈতিক ঝুঁকির ভারসাম্য বদলাচ্ছে
- সুদহার বৃদ্ধি শেয়ারে বিনিয়োগের যুক্তিকে জটিল করছে
- তিন থেকে সাত বছর মেয়াদি বন্ড কেন ব্যাংকের পছন্দ
- ডলারের সমর্থন কমতে পারে, সোনার ভূমিকা থাকবে
- পরের পরীক্ষা পূর্ণসংখ্যা নয়, কোম্পানির ফলাফল
- মূল কথা
এরপরের দরপতন বিনিয়োগকারীদের সামনে মূল প্রশ্নটি আরও স্পষ্ট করেছে: ঋণ নেওয়ার ব্যয় ও জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ার মুখে মুনাফা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা কি শেয়ারের দামকে সমর্থন করতে পারবে? ৭ অক্টোবর সূচকটি ৪৯,৮০৬.৩৭ পয়েন্টে বন্ধ হয়। এরপর ৮ অক্টোবর, ডাবল টেন ছুটির আগে, ৪৯২.৯৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪৯,৩১৩.৪৪ পয়েন্টে। রাতের লেনদেনে তাইওয়ান সূচকের ফিউচার আরও ৬৫২ পয়েন্ট হারায়।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের মতে, অস্থিরতা বাড়লেও করপোরেট মুনাফা তাইওয়ান সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করছে। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর তাদের হাউস ভিউজ-এ বৈশ্বিক শেয়ারবাজার ও তাইওয়ানের শেয়ারে বিনিয়োগ বেঞ্চমার্কের তুলনায় বেশি রাখার পরামর্শ বহাল রাখা হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা। ‘ওভারওয়েট’ বলতে বিনিয়োগ বেঞ্চমার্কে সাধারণত যতটা বরাদ্দ থাকে, তার চেয়ে কোনো সম্পদ বা বাজারে বেশি বিনিয়োগ করাকে বোঝায়।
এই অবস্থান থেকে তাইওয়ানের সূচক কবে ৫০,০০০ ছাড়াবে, সেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। বরং উচ্চ সুদহারের কিছু চাপ মুনাফা বৃদ্ধি সামাল দিতে পারবে, এমন মূল্যায়নই এতে প্রতিফলিত হয়েছে। এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশেষ করে ফিউচার লেনদেনে কোনো পূর্ণসংখ্যার মাইলফলকের সাময়িক ওপরে ওঠা থেকে প্রমাণ হয় না যে নগদ বাজারও সেখানে বন্ধ হবে এবং সেই অবস্থান ধরে রাখতে পারবে।
৫০,০০০-এর কাছাকাছি যাওয়ার ধাপগুলো
সূচকের উত্থানের শক্তি এবং মাইলফলকের কাছে পৌঁছে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা, দুটোই ধারাবাহিক ঘটনাপ্রবাহে দেখা যায়। ৫ অক্টোবর তাইএক্স ১,২৩৬.৩ পয়েন্ট বেড়ে ৪৯,৭১২.০৪-এ পৌঁছায়। এরপর রাতের লেনদেনে সূচক ফিউচার ৫০,২৬৫-এ ওঠে, যা নগদ বাজারের সূচকও শিগগিরই ওই স্তর ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা তৈরি করে।
- ২৮ আগস্ট ২০২৬: স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের তাইওয়ান বাজার পূর্বাভাসে অর্থনীতির মৃদু অবতরণের সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ ধরা হয় এবং তাইওয়ানের শেয়ার সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বহাল থাকে।
- ২৫ সেপ্টেম্বর: নতুন হাউস ভিউজে মৃদু অবতরণের সম্ভাবনা কমিয়ে ৪৫ শতাংশ করা হয় এবং তেলের পূর্বাভাস বাড়ানো হয়।
- ৫ অক্টোবর: তাইএক্স ১,২৩৬.৩ পয়েন্ট বাড়ে; রাতের লেনদেনে ফিউচার ৫০,০০০ পয়েন্ট ছাড়ায়।
- ৬ অক্টোবর: লেনদেন চলাকালে নগদ সূচক ৪৯,৯৬৮.৯২-এ পৌঁছায় এবং রেকর্ড ৪৯,৮২২.৫৫ পয়েন্টে বন্ধ হয়।
- ৭ অক্টোবর: স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড চতুর্থ প্রান্তিকের পূর্বাভাস প্রকাশ করে; তাইএক্স বন্ধ হয় ৪৯,৮০৬.৩৭ পয়েন্টে।
- ৮ অক্টোবর: সূচক নেমে আসে ৪৯,৩১৩.৪৪ পয়েন্টে; রাতের লেনদেনে ফিউচার আরও কমে।
- ১৫ অক্টোবর: টিএসএমসির নির্ধারিত বিনিয়োগকারী সম্মেলনে কোম্পানির ব্যবসা ও বিদেশে সম্প্রসারণ নিয়ে প্রত্যাশার বড় পরীক্ষা হবে।
ওপেনএআইয়ের আয় প্রত্যাশার চেয়ে কম হওয়ার খবর ছুটির আগে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে তোলে। পরে এ নিয়ে উদ্বেগ কমে আসে এবং ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের চারটি প্রধান শেয়ারসূচকই বাড়ে। এই পুনরুদ্ধারে বৈশ্বিক পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূল হয়, তবে তাইওয়ানের মুনাফার পূর্বাভাস টেকসই আরেক দফা উত্থানকে ন্যায্যতা দেবে কি না, তা মীমাংসিত হয়নি।
টিএসএমসি সূচককে সমর্থন দিলেও অন্যান্য শেয়ারে ভিন্ন প্রবণতা
৬ অক্টোবর টিএসএমসির শেয়ারদর ০.৩৯ শতাংশ বেড়ে ২,৫৮৫ তাইওয়ান ডলারে বন্ধ হয়। লেনদেনের সময় দর উঠেছিল ২,৫৯০ ডলারে। কোম্পানিটির বাজারমূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ৬৭.০৩ ট্রিলিয়ন তাইওয়ান ডলারে। বাজারের মোট মূল্যের ৪০ শতাংশের বেশি জুড়ে থাকা কোম্পানিটির প্রায় ৮০ পয়েন্টের অবদান তাইএক্সের ১১০.৫১ পয়েন্ট বৃদ্ধির প্রায় ৭২ শতাংশ।
কনকর্ড সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক কেরি হুয়াং মাইলফলকের কাছে শেয়ার বিক্রি এবং উত্থান ধরে রাখতে টিএসএমসির ভূমিকার কথা বলেন:
৫০,০০০ পয়েন্টের সীমার কাছাকাছি আসতেই কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা নিশ্চিত করতে শেয়ার বিক্রি করেছেন," বলেন হুয়াং। "সৌভাগ্যক্রমে, টিএসএমসি (তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি) স্থিতিশীল ছিল এবং দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ দর থেকে নেমে আসার পরও দর বেড়েই বন্ধ হয়। এতে সামগ্রিক বাজার আগের সর্বোচ্চ সমাপনী রেকর্ড ভাঙতে পেরেছে।
রেকর্ড গড়ার অর্থ এই নয় যে সব শেয়ারের দর বেড়েছে। মিডিয়াটেকের দর ৪.৭৪ শতাংশ এবং ইউনাইটেড মাইক্রোইলেকট্রনিকসের ৩.২৮ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে ডেল্টা ইলেকট্রনিকস ২.২৪ শতাংশ এবং হন হাই প্রিসিশন ইন্ডাস্ট্রি ০.৭৯ শতাংশ বেড়েছে। আর্থিক খাতের সূচক বেড়েছে ১.২৯ শতাংশ, যেখানে ইলেকট্রনিকস সূচক বেড়েছে মাত্র ০.০৫ শতাংশ। ছোট অনেক কোম্পানির প্রতিনিধিত্বকারী ওটিসি সূচক কমেছে ০.৩৭ শতাংশ।
সেদিন মূল বাজারে বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নিট ৬.৬৬ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলারের শেয়ার বিক্রি করেন। এদিকে ১,০০০ তাইওয়ান ডলারের বেশি দামের শেয়ারের সংখ্যা বেড়ে হয় ৫৬, যা আগের সর্বোচ্চ রেকর্ডের সমান। এই পরিসংখ্যানগুলো এমন এক বাজারের ছবি তুলে ধরে, যেখানে সামগ্রিক সূচক শক্তিশালী হলেও অংশগ্রহণ অসম; সব খাত বা কোম্পানি একইভাবে এগোয়নি।
মুনাফা বৃদ্ধি কি উচ্চ শেয়ারদরকে ন্যায্যতা দিতে পারে?
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড তাইওয়ানের ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট ব্যবসার বিনিয়োগ কৌশল বিভাগের প্রধান লিউ চিয়াহাওর মতে, শেয়ারদর বৃদ্ধির মূল্যায়ন মুনাফার সঙ্গে মিলিয়ে করা দরকার। উদাহরণ হিসেবে তিনি এনভিডিয়ার কথা বলেন: কোম্পানিটির মুনাফা বৃদ্ধি শেয়ারদরের বৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় মূল্য-আয় অনুপাত বছরের শুরুতে প্রায় ৩০ থেকে নেমে ২০ থেকে ২৫-এর মধ্যে এসেছে।
মূল্য-আয় অনুপাত দিয়ে মুনাফার প্রতি একক অর্জনে বিনিয়োগকারীরা কত দাম দিচ্ছেন, তা মাপা হয়। মুনাফা শেয়ারদরের চেয়ে দ্রুত বাড়লে শেয়ারদর বাড়লেও এই অনুপাত কমতে পারে। লিউর উদাহরণ ব্যাংকের এই যুক্তিকে সমর্থন করে যে বাজারের নতুন উচ্চতা মানেই মূল্যায়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যয়বহুল হয়ে যাওয়া নয়। তবে এতে প্রমাণ হয় না যে সব এআই কোম্পানির শেয়ার একই রকম আকর্ষণীয়।
অ্যালিয়াঞ্জ গ্লোবাল ইনভেস্টরস তাইওয়ান র্যালির পেছনে থাকা মুনাফা-প্রত্যাশার আরেকটি পরিমাপ দিয়েছে। তাদের পূর্বাভাস, তাইওয়ানের কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত মুনাফা ২০২৬ সালে ৮৪.০৭ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে আরও ৩৫.৫৬ শতাংশ বাড়বে। ইলেকট্রনিকস শিল্পে ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪৫ শতাংশ।
পরপর দুই বছরের বাজারভিত্তিক পূর্বাভাস তুলনাযোগ্য ভিত্তিতে পূরণ হলে, ২০২৭ সালে মুনাফা ২০২৫ সালের স্তরের প্রায় ২.৫ গুণ হবে। ৮৪.০৭ শতাংশ বৃদ্ধির পর আরও ৩৫.৫৬ শতাংশ বৃদ্ধির হিসাব এতে ধরা হয়েছে, শতাংশগুলো শুধু যোগ করা হয়নি। এগুলো পূর্বাভাস, প্রকাশিত ফল নয়। কোম্পানিগুলো আয় ও মুনাফার তথ্য প্রকাশ করার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
অ্যালিয়াঞ্জের ০০৯৮৪এ সক্রিয় ইটিএফের ব্যবস্থাপক লিয়াও বেনলং সতর্ক করে বলেছেন, প্রবৃদ্ধিশীল কিছু শিল্পে শেয়ারদর ইতিমধ্যে অনেক বেড়েছে এবং মূল্যায়নও উঁচু হয়েছে। তাদের ০০৯৯৩এ সক্রিয় ইটিএফের ব্যবস্থাপক গুও চিনফুর প্রত্যাশা, বিনিয়োগকারীরা রাজস্ব ও শেয়ারপ্রতি মুনাফা বৃদ্ধির আরও জোরালো প্রমাণ চাইবেন। ফলে কোনো শিল্পে চাহিদা শক্তিশালী থাকলেও সেই শিল্পের প্রতিটি শেয়ারের দর একইভাবে বাড়বে না।
এআই বিনিয়োগের গল্প চিপের বাইরেও বিস্তৃত
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক এআই মূলধনী ব্যয় বছরে গড়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ হারে চক্রবৃদ্ধি ভিত্তিতে বাড়তে পারে। তাদের চতুর্থ প্রান্তিকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের গতি ২০২৭ সালেও অব্যাহত থাকবে। সেমিকন্ডাক্টর, অপটিক্যাল যোগাযোগ ও প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডসহ বিস্তৃত সরবরাহ শৃঙ্খলের কারণে তাইওয়ান উপকৃত হতে পারে।
ব্যাংকটি এই বিস্তৃত পরিসরের সঙ্গে তুলনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার উচ্চ ব্যান্ডউইডথ মেমোরিতে অধিক কেন্দ্রীভূত অবস্থানের। এআই প্রসেসরের জন্য দ্রুত বিপুল পরিমাণ তথ্য আদান-প্রদানে এই ধরনের মেমোরি ব্যবহৃত হয়। তাইওয়ানের বিস্তৃত শিল্পভিত্তি বিনিয়োগকারীদের এই ব্যয়চক্রে অংশ নেওয়ার একাধিক পথ দেয়, যদিও এসব ব্যবসার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত এআই অবকাঠামোর একই মৌলিক চাহিদার ওপর নির্ভরশীল।
অ্যালিয়াঞ্জের তাইওয়ান দাবা ও তাইওয়ান টেকনোলজি তহবিলের ব্যবস্থাপক শিয়াও হুইচুং উত্তর আমেরিকার ক্লাউড সেবাদাতাদের বাড়তি মূলধনী ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। গ্রাফিকস প্রসেসর, কাস্টম চিপ এবং উন্নত অ্যাপ্লিকেশন প্রসেসরের চাহিদা উন্নত চিপ উৎপাদন ও প্যাকেজিংয়ের অর্ডার বাড়াচ্ছে।
অ্যালিয়াঞ্জের আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে চিপ নকশার মেধাস্বত্ব, কাস্টম চিপ, প্যাকেজিং ও পরীক্ষা, সার্কিট বোর্ড, চিপ সাবস্ট্রেট, কুলিং, ওয়াটার কুলিং মডিউল এবং অপটিক্যাল যোগাযোগ। এআই সার্ভার, শক্তিশালী কম্পিউটিং ব্যবস্থা, ভোক্তা ইলেকট্রনিকস ও গাড়িশিল্পে যন্ত্রাংশের চাহিদা বাড়ায় কিছু মাল্টিলেয়ার সিরামিক ক্যাপাসিটর এবং চিপ রেজিস্টরের সরবরাহ-চাহিদা আরও সংকুচিত হচ্ছে বলেও তারা জানিয়েছে।
এই ব্যয়চক্র বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎ গ্রিডের উন্নয়ন ও বিদ্যুতায়ন পর্যন্ত বিস্তৃত। ডেল্টা ইলেকট্রনিকসের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ব্যবসা এই বিস্তৃত সম্ভাবনার একটি উদাহরণ। বিশ্লেষক চেন চিহলিনও টিএসএমসির সম্মেলনের আগে উন্নত প্যাকেজিং, সেমিকন্ডাক্টর পরীক্ষা এবং কাওকোস সরবরাহ শৃঙ্খলকে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শক্তিশালী কম্পিউটিং ব্যবস্থায় প্রসেসর ও মেমোরি একত্র করার জন্য টিএসএমসির প্যাকেজিং প্রযুক্তির নাম কাওকোস। উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণের প্রত্যাশা কোম্পানির দিকনির্দেশনা ও ফলাফলের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া এখনো বাকি।
তেলের দর অর্থনৈতিক ঝুঁকির ভারসাম্য বদলাচ্ছে
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের নতুন আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাসে অর্থনীতির মৃদু অবতরণের সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য মন্দা ছাড়া প্রবৃদ্ধি জোরালো থাকার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ। মৃদু অবতরণ বলতে মন্দা ছাড়াই মূল্যস্ফীতি কমে আসাকে বোঝায়। প্রতিকূল পরিস্থিতির ২৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে মন্দার সঙ্গে স্থায়ী মূল্যস্ফীতিযুক্ত স্থবির-স্ফীতির ১৫ শতাংশ সম্ভাবনা এবং মন্দার ১০ শতাংশ সম্ভাবনা।
ব্যাংকটির ২৮ আগস্টের তাইওয়ান বাজার পূর্বাভাস-এর সঙ্গে এই হিসাবের পার্থক্য রয়েছে। আগের পূর্বাভাসে মৃদু অবতরণের সম্ভাবনা ছিল ৫০ শতাংশ, জোরালো প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকার ২৫ শতাংশ এবং প্রতিকূল ঝুঁকির ২৫ শতাংশ। আগের মূল্যায়নে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে মন্দার সম্ভাবনা ছিল ১৫ শতাংশ এবং স্থবির-স্ফীতির ১০ শতাংশ। ফলে পরের পূর্বাভাসে মূল পরিস্থিতিগুলোর সম্ভাবনা এবং প্রতিকূল ঝুঁকির গঠন, দুটোই বদলেছে।
দুই নথির মধ্যে তেলের পূর্বাভাসও বেড়েছে। আগস্টের পাতায় নিউইয়র্কের তেল ফিউচার তিন মাসের জন্য প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার এবং ১২ মাসের জন্য ৭০ ডলার ধরা হয়েছিল। সেপ্টেম্বরের হাউস ভিউজ ও অক্টোবরের ব্রিফিংয়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম যথাক্রমে ১০০ ও ৮০ ডলার ধরা হয়েছে। দুই সময়সীমাতেই প্রতি ব্যারেলে ১০ ডলার করে পূর্বাভাস বেড়েছে।
ব্যাংকটির মতে, ভূরাজনৈতিক সংঘাত ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়াই প্রধান ঝুঁকি। তাদের সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সংঘাত আরও বাড়লে এবং তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১২০ ডলারের ওপরে থাকলে স্থবির-স্ফীতি দেখা দিতে পারে। লিউ সতর্ক করেছেন, তেলের দাম ১২০ থেকে ১৫০ ডলারের মধ্যে গেলে মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধির ওপর আরও গুরুতর ধাক্কা আসতে পারে। এগুলো ঝুঁকির সীমা, ব্যাংকের মূল পূর্বাভাস নয়।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের আরও যুক্তি, অর্থনৈতিক উৎপাদনের তুলনায় তেলের ব্যবহার কম এবং মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করা জ্বালানির দাম বিবেচনায় বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের কিছু জ্বালানি-সংকটের তুলনায় কম গুরুতর। তবে এতে ঝুঁকি দূর হয় না: দাম দীর্ঘদিন বাড়তে থাকলে মূল্যস্ফীতি কমার গতি বিলম্বিত হতে পারে এবং ঋণ নেওয়ার খরচ উঁচু থাকতে পারে।
সুদহার বৃদ্ধি শেয়ারে বিনিয়োগের যুক্তিকে জটিল করছে
সেপ্টেম্বরের হাউস ভিউজে জুন ২০২৭-এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের আরও দুই দফা, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক দফা এবং জাপান ব্যাংকের তিন দফা সুদহার বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে প্রথমবারের মতো তিন ব্যাংকই একই মাসে সুদহার বাড়িয়েছে। ফেডের বৃদ্ধির পর নীতিসুদ দাঁড়ায় ৩.৭৫ থেকে ৪.০০ শতাংশে; ইসিবির আমানতের সুদ ২.৫০ শতাংশে পৌঁছায়; আর জাপান ব্যাংক সুদ ০.২৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়িয়ে ১.২৫ শতাংশ করে।
আগস্টের তাইওয়ান বাজার পূর্বাভাসের সঙ্গে এটির পার্থক্য রয়েছে। আগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালে ফেড সুদহার অপরিবর্তিত রাখবে। নতুন নথিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি ও শুল্কের প্রভাব কমে গেলে ২০২৭ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যে ফেড ও ইসিবি সুদ কমাতে পারবে। এটি মূল্যস্ফীতি কমার শর্তসাপেক্ষ পূর্বাভাস, ঘোষিত নীতিসূচি নয়।
অক্টোবরের ব্রিফিংয়ে লিউ যুক্তরাষ্ট্রের ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ ৫.২ থেকে ৫.৩ শতাংশ, পরবর্তী এক দশকে প্রত্যাশিত মূল্যস্ফীতি প্রায় ২.৩ শতাংশ এবং প্রকৃত সুদ প্রায় ২.৯৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের পর প্রকৃত সুদ এখন সর্বোচ্চ। প্রত্যাশিত মূল্যস্ফীতি সমন্বয়ের পর যে মুনাফা থাকে, তাকে প্রকৃত সুদ বলে।
উচ্চ সুদ দুইভাবে শেয়ারের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে: এতে ঋণের ব্যয় বাড়ে এবং ভবিষ্যতের করপোরেট মুনাফার তুলনায় বন্ডের মুনাফা বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের বিশ্বাস, মুনাফা বৃদ্ধি এই চাপ সামাল দিতে পারে, তবে তাদের পূর্বাভাসে এআই শেয়ারকে চাপমুক্ত বলা হয়নি।
তিন থেকে সাত বছর মেয়াদি বন্ড কেন ব্যাংকের পছন্দ
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড অনেক দীর্ঘ মেয়াদের সরকারি বন্ডে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের বদলে, যেগুলোর মেয়াদ শেষ হতে তিন থেকে সাত বছর বাকি, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়। সুদ বাড়লে সাধারণত বিদ্যমান বন্ডের দাম কমে। সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে বিনিয়োগকারীকে অর্থ পরিশোধ করে এমন বন্ডের দামে সুদহারের একই পরিবর্তনে বড় ওঠানামা হয়।
ব্যাংকটি বিশেষ করে মার্কিন ডলারে ইস্যু করা উদীয়মান বাজারের সরকারি ঋণপত্রকে পছন্দ করে, তবে উন্নত বাজারের সরকারি বন্ডের বিষয়ে সতর্ক। আগস্টের পূর্বাভাসে আকর্ষণীয় সুদকে এই পছন্দের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; পাশাপাশি ঋণগ্রহীতার ঋণমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতির ঝুঁকিও তুলে ধরা হয়েছে।
বিনিয়োগ-মানের এবং নিম্ন রেটিংয়ের করপোরেট বন্ড থেকে কুপন আয় পাওয়া যেতে পারে, তবে চতুর্থ প্রান্তিকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঋণঝুঁকির অতিরিক্ত সুদের ব্যবধান কম। ঋণঝুঁকি বলতে সরকারি বেঞ্চমার্ক বন্ডের বদলে কোনো ঋণগ্রহীতার পরিশোধের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য বিনিয়োগকারী যে বাড়তি সুদ পান, সেই ব্যবধান বোঝায়। ব্যবধান কম হলে ঝুঁকি বাড়লে ক্ষতিপূরণও কম থাকে।
তাই ব্যাংকের বিনিয়োগ-বার্তা শুধু সুরক্ষার জন্য বন্ড কেনার চেয়ে বেশি বাছাইমুখী। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ইস্যুকারীদের যাচাই, একাধিক ঋণগ্রহীতার মধ্যে বিনিয়োগ ছড়িয়ে দেওয়া এবং নির্ভরযোগ্য কুপন আয়ের দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেয়। ডলারে বন্ড কেনা ঋণঝুঁকি দূর করে না; তাইওয়ানি ডলারে মুনাফার হিসাব করা বিনিয়োগকারীরা বিনিময় হারের ওঠানামার ঝুঁকিতেও থাকেন।
ডলারের সমর্থন কমতে পারে, সোনার ভূমিকা থাকবে
ব্যাংকটির পূর্বাভাস, শুরুতে ডলারের দর সমর্থন পাবে, এরপর মূল্যস্ফীতি কমা ও সুদহারের ব্যবধান সংকুচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল হবে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের পূর্বাভাসে ডলার সূচক তিন মাসে ১০০.২ এবং ১২ মাসে ৯৮ ধরা হয়েছে। আগস্টের পূর্বাভাসে এই হার ছিল যথাক্রমে ১০১.৫ ও ৯৯। দুই মূল্যায়নেই দিকনির্দেশনা একই, তবে সংখ্যাগত লক্ষ্য আলাদা।
ইয়েনের ক্ষেত্রে অক্টোবরের ব্রিফিংয়ে তিন মাসের জন্য প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৫৭ ইয়েন এবং ১২ মাসের জন্য ১৫৩ ইয়েনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরের আনুষ্ঠানিক নথিতেও মধ্যমেয়াদি লক্ষ্য ১৫৩। সংখ্যাটি কমার অর্থ ডলারের বিপরীতে ইয়েন শক্তিশালী হওয়া। জাপানে আরও সুদ বৃদ্ধি ডলার সম্পদের মুনাফার সুবিধা কমিয়ে এই পরিবর্তনে সহায়তা করতে পারে।
আনুষ্ঠানিক নথি এবং অক্টোবরের ব্রিফিংয়ে সোনার দরের লক্ষ্য একই: তিন মাসে প্রতি আউন্স ৪,৭৫০ ডলার এবং ১২ মাসে ৫,০০০ ডলার। লিউ চীন ও পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনাকে সমর্থনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। দীর্ঘমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির সুযোগ সীমিত থাকাও সোনাকে সহায়তা করছে। এগুলো ভবিষ্যৎ দরের পূর্বাভাস, নিশ্চিত মুনাফার প্রতিশ্রুতি নয়।
পরের পরীক্ষা পূর্ণসংখ্যা নয়, কোম্পানির ফলাফল
১৫ অক্টোবর টিএসএমসির বিনিয়োগকারী সম্মেলনই সামনে সবচেয়ে স্পষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। হুয়াংয়ের প্রত্যাশা, বিনিয়োগকারীরা ব্যবসা নিয়ে কোম্পানির দিকনির্দেশনা এবং বিদেশে সম্প্রসারণের দিকে নজর দেবেন। মেগা ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের চেয়ারম্যান লিউ চেংইউও টিএসএমসির সেপ্টেম্বরের আয় এবং লারগান প্রিসিশনের বিনিয়োগকারী ব্রিফিংকে তাৎক্ষণিকভাবে নজরে রাখার বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
তাইশিনের তাইওয়ান ক্ষুদ্র ও মাঝারি কোম্পানির সক্রিয় ইটিএফের ব্যবস্থাপক শেন চিয়েনহুং বলেন, বার্ষিক মুনাফা প্রত্যাশা পূরণ করছে কি না এবং চতুর্থ প্রান্তিকেও প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকছে কি না, তা বাজার খতিয়ে দেখবে। নির্বাচিত শিল্পে শেয়ারদর বৃদ্ধি আরেক দফা উত্থানে সহায়তা করতে পারে, তবে তা ব্যবসার ফলাফলে প্রতিফলিত হলেই কেবল।
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নীতিগত অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে, যা বিনিয়োগকারীদের মনোভাব ও মূলধনের প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। তবু স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের মতে, বাজারের টেকসই গতির চালক হিসেবে নির্বাচনের ফলাফলের চেয়ে করপোরেট মুনাফা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পছন্দের কৌশলে বন্ডের তুলনায় শেয়ারে বেশি বিনিয়োগ, সময়ের ব্যবধানে কেনাকাটা, অঞ্চলভিত্তিক বিনিয়োগে বৈচিত্র্য এবং কিছু সোনা ও মাঝারি মেয়াদের বন্ড রাখা অন্তর্ভুক্ত।
তাইএক্স টেকসইভাবে ৫০,০০০ পয়েন্ট ছাড়াবে, এমন কোনো নিশ্চিত তারিখ দেওয়া হয়নি। মুনাফার পূর্বাভাসে আরও দরবৃদ্ধির যুক্তি রয়েছে, তবে সাম্প্রতিক শেয়ার বিক্রি দেখায় বিনিয়োগকারীরা ইতিমধ্যে প্রমাণ চাইছেন। পরবর্তী ধাপ নির্ভর করছে কোম্পানির ফলাফল ও দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে কি না এবং তেল বা সুদহারের বড় কোনো ধাক্কা আসছে কি না, তার ওপর।
মূল কথা
- ৬ অক্টোবর লেনদেনের সময় তাইএক্স ৪৯,৯৬৮.৯২ পয়েন্টে পৌঁছায় এবং রেকর্ড ৪৯,৮২২.৫৫ পয়েন্টে বন্ধ হয়।
- সেদিন সূচকের বৃদ্ধির প্রায় ৭২ শতাংশ আসে টিএসএমসি থেকে, আর ছোট কোম্পানির শেয়ার পিছিয়ে ছিল।
- অ্যালিয়াঞ্জের পূর্বাভাস, তাইওয়ানের করপোরেট মুনাফা ২০২৬ সালে ৮৪.০৭ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩৫.৫৬ শতাংশ বাড়বে।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সেপ্টেম্বরের পূর্বাভাসে অর্থনীতির মৃদু অবতরণের সম্ভাবনা ৪৫ শতাংশ এবং তাইওয়ানের শেয়ারে বিনিয়োগ বেঞ্চমার্কের তুলনায় বেশি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
- তাদের নতুন তেলের লক্ষ্য তিন মাসের জন্য প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার এবং ১২ মাসের জন্য ৮০ ডলার, যা আগস্টের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি।
- ব্যাংকটি মেয়াদ শেষ হতে তিন থেকে সাত বছর বাকি এমন বন্ডকে পছন্দ করে এবং সোনার প্রতি আউন্সের লক্ষ্য ৪,৭৫০ ও ৫,০০০ ডলার বহাল রেখেছে।
- মুনাফা ও বিনিয়োগের প্রত্যাশার পরবর্তী বড় পরীক্ষা হবে ১৫ অক্টোবর টিএসএমসির বিনিয়োগকারী সম্মেলন।






