শুরুর দুই রানে এগিয়ে যায় দেইনা
১১ অক্টোবর ২০২৬ টোকিও ডোমে ইয়োমিউরি জায়ান্টসকে ৪-১ গোলে হারিয়ে সেন্ট্রাল লিগ ক্লাইম্যাক্স সিরিজের প্রথম ধাপে দুই ম্যাচের সিরিজ জিতে নেয় ইয়োকোহামা দেইনা বেস্টার্স। রুকি ওয়াতারাই হোম রান দিয়ে খেলা শুরু করেন, একই ইনিংসে কেইতা সানো রান-তোলা হিট করেন, আর দেইনা আর কখনো লিড হারায়নি।
সূচিপত্র
এই ফলে সেন্ট্রাল লিগে দ্বিতীয় হওয়া জায়ান্টসের মৌসুম শেষ হয়। তৃতীয় স্থানে থাকা দেইনার চেয়ে নিয়মিত মৌসুমে পাঁচ গেমে এগিয়ে ছিল তারা। তবে নিয়মিত মৌসুমের সেই সুবিধা প্লে-অফে জয়ে রূপ নেয়নি: ইয়োমিউরি প্রথম ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে হারে এবং নির্ধারক ম্যাচেও মাত্র এক রান করে।
নিপ্পন প্রফেশনাল বেসবলের সরকারি ম্যাচ রেকর্ডে ৪-১ স্কোর, ৪২,২৪৮ দর্শক এবং তিন ঘণ্টা এক মিনিট খেলার সময়ের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। খেলা শুরু হয় দুপুর ২টায় এবং শেষ হয় বিকেল ৫টা ১ মিনিটে। জয়ের কৃতিত্ব পান ইউতারো ইশিদা, আর রেনল্ডস সিরিজে নিজের দ্বিতীয় সেভটি করেন।
জাপান সিরিজে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্যে ১৪ অক্টোবর সেন্ট্রাল লিগ চ্যাম্পিয়ন হানশিনের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল দেইনার। এই সুইপে তৃতীয় ম্যাচের প্রয়োজন পড়েনি এবং জায়ান্টসের বিপক্ষে প্লে-অফে জয়ের ধারাও অব্যাহত থাকে: দুই দলের মধ্যে ক্লাইম্যাক্স সিরিজের চারটি লড়াইয়েই জিতেছে ইয়োকোহামা।
প্রথম ইনিংসে ওয়াতারাই ও সানোর আঘাত
ওয়াতারাইয়ের লিডঅফ হোম রানেই জায়ান্টসের নবাগত স্টার্টার কাজুয়ুকি তাকেমারু চাপে পড়ে যান। এরপর শুগো মাকি ডাবল মারেন এবং দুই আউটে সানো গুরুত্বপূর্ণ হিট করে স্কোর ২-০ করেন। জায়ান্টস ব্যাট করতে নামার আগেই দেইনা দুইটি এক্সট্রা-বেস হিট ও রান-তোলা সিঙ্গেলকে লিডে রূপ দিয়েছিল।
ওয়াতারাইয়ের প্রথম ইনিংসের হোম রানটি ছিল প্রথম ম্যাচে তাঁর আরেকটি নির্ধারক হোম রানের পর। আগের সেই হিটের সুনির্দিষ্ট প্রভাব নিয়ে প্রতিবেদনে মতভেদ রয়েছে: একটিতে বলা হয়েছে, নবম ইনিংসে ১-১ সমতায় তিনি এগিয়ে দেওয়ার হোম রানটি করেন; অন্যটিতে সেটিকে সমতাসূচক হোম রান বলা হয়েছে। তবে দুই বিবরণেই প্রথম ম্যাচে দেইনার শেষ দিকের আক্রমণে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচের সরকারি রেকর্ডে তাঁর লিডঅফ হোম রানটি সিরিজে তাঁর দ্বিতীয় হোম রান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিয়মিত মৌসুমে ১১টি জয়ে জায়ান্টসকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাকেমারু। কিন্তু প্লে-অফে তাঁর স্টার্ট স্থায়ী হয় মাত্র দুই ইনিংস ও ২৯ পিচ পর্যন্ত। প্রথম ইনিংসের দুই রানই তিনি দেন। এরপর ইয়োমিউরি খেলার নাগালে থাকতে বুলপেনে ভরসা করে তাঁকে তুলে নেয়।
ম্যাচ শেষে দেইনাকে শুরুতেই এগিয়ে যেতে দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তাকেমারু। তাঁর জাপানি মন্তব্যের অনুবাদ:
শুরুতেই রান করতে দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত।
তাঁর সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতে জায়ান্টসের রিলিভারদের ওপর চাপ বেড়ে যায়, যদিও তাৎক্ষণিক সমস্যাটি সামাল দেওয়ার মতোই ছিল। দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ ইনিংস পর্যন্ত দেইনাকে রান করতে না দেওয়ায় শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার সময় পেয়েছিল ইয়োমিউরি।
ডালবেক ব্যবধান কমালেও থেমে যায় জায়ান্টস
চতুর্থ ইনিংসে ইশিদার বলে একক হোম রান করে জায়ান্টসের একমাত্র রানটি করেন ববি ডালবেক। এতে স্কোর হয় ২-১, আর সপ্তম ইনিংস পর্যন্ত লড়াই থাকে হাড্ডাহাড্ডি। সরকারি রেকর্ডে এই হোম রানকে সিরিজে ডালবেকের প্রথম হোম রান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ইয়োমিউরি আরও কিছু রান করার সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। ডালবেকের হোম রানের পর আর রান যোগ করতে না পারা প্রথম ম্যাচের মূল সমস্যাটিই আবার সামনে আনে: জায়ান্টস লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারলেও ফল বদলানোর মতো যথেষ্ট আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
দুই ম্যাচে দেইনা ইয়োমিউরির চেয়ে ৬-২ ব্যবধানে বেশি রান করে। প্রতি ম্যাচে জায়ান্টসের গড় রান ছিল এক, আর বেস্টার্সের তিন। দ্বিতীয় ম্যাচে দেইনার দুইটি একক হোম রানেই পুরো জায়ান্টস দলের চেয়ে বেশি রান আসে।
তুলনাটি ব্যাখ্যা করে, তুলনামূলক কম ব্যবধানের একটি ম্যাচ কীভাবে সিরিজে নির্ধারক হারে পরিণত হলো। কয়েক ইনিংস ধরে ইয়োমিউরি মাত্র এক রানে পিছিয়ে ছিল, কিন্তু প্রতিটি হাতছাড়া সুযোগেই দেইনার শুরুর লিড অক্ষত থাকে। বেস্টার্স আবার রান করার পর এমন এক প্রত্যাবর্তন দরকার ছিল, যা দুই ম্যাচের কোনোটিতেই জায়ান্টসের আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি।
শেষের দিকের রান স্বস্তি এনে দেয় দেইনাকে
জায়ান্টসের চতুর্থ পিচার এইতো তানাকার বিপক্ষে সপ্তম ইনিংসের শুরুতেই ডাবল মেরে দেইনার রান করার সুযোগ তৈরি করেন সানো। দুই আউট ও তৃতীয় বেসে রানার থাকা অবস্থায় ইয়োমিউরি শুনিয়া মোরিতাকে নামায় তোমোতাকা তোবাসিরার মুখোমুখি হতে। ক্যাচারটি আরবিআই সিঙ্গেল মেরে বেস্টার্সের লিড ৩-১ করেন।
অষ্টম ইনিংসে মোরিতার বলে একক হোম রান করে আরও এক রান যোগ করেন মাকি। ইনিংস পেরিয়েও মোরিতা খেলায় ছিলেন। সরকারি রেকর্ডে এটি সিরিজে মাকির দ্বিতীয় হোম রান। তাঁর প্রথম ইনিংসের ডাবল ও অষ্টম ইনিংসের হোম রান বিকেলের দুই প্রান্তেই দেইনার এক্সট্রা-বেস হিট এনে দেয়।
চার ব্যাটারের মধ্যে রান ভাগ হয়ে যায়: ওয়াতারাই ও সানো লিড গড়ে দেন, তোবাসিরা তা বাড়ান এবং মাকি রান করা সম্পূর্ণ করেন। সানো দুইটি আলাদা আক্রমণেও অবদান রাখেন; প্রথমে রান করেন, পরে ডাবল মেরে নিজেকে রান করার অবস্থানে নিয়ে যান।
দেইনা পাঁচজন পিচার ব্যবহার করে: ইশিদা, ইওয়াতা, ইসে, হামাচি ও রেনল্ডস; ক্যাচিংয়ে ছিলেন তোবাসিরা। জায়ান্টস ব্যবহার করে ছয়জন: তাকেমারু, শিরোকি, নাকাগাওয়া, তানাকা, মোরিতা ও মার্টিনেজ; হোম প্লেটে ছিলেন ওশিরো। রেনল্ডস জয় নিশ্চিত করেন, আর সরকারি রেকর্ডে হারের দায় তাকেমারুর ওপর দেওয়া হয়।
ইয়োকোহামার কাছে প্লে-অফে চতুর্থ হার
এই বিদায়ে ক্লাইম্যাক্স সিরিজে দেইনার বিপক্ষে জায়ান্টসের কঠিন রেকর্ড আরও দীর্ঘ হলো। দুই দল ২০১৬, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে মুখোমুখি হয়েছে এবং প্রতিবারই পরের ধাপে উঠেছে ইয়োকোহামা।
এই ধারায় বিভিন্ন ধাপের এবং বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের সিরিজ রয়েছে। ২০১৬ সালের প্রথম ধাপে ইয়োমিউরি ২-১ ব্যবধানে, ২০২৪ সালের ফাইনাল স্টেজে ৪-২ ব্যবধানে এবং ২০২৫ সালের প্রথম ধাপে টানা দুই ম্যাচে হারে। এবারের সুইপে টানা তিন মৌসুমে জায়ান্টসের প্লে-অফ অভিযান শেষ করল দেইনা।
এবারের হারটি বিশেষভাবে তীক্ষ্ণ ছিল, কারণ প্রথম ধাপে জায়ান্টস ছিল উচ্চতর র্যাঙ্কের দল এবং ম্যাচগুলো খেলেছে টোকিও ডোমে। দেইনার চেয়ে পাঁচ গেমে এগিয়ে থেকে নিয়মিত মৌসুম শেষ করায় দুই দলের মধ্যে স্পষ্ট ব্যবধান ছিল। কিন্তু সংক্ষিপ্ত সিরিজের নিষ্পত্তি হয় বেস্টার্সের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাটিং এবং ইয়োমিউরির সীমিত রানসংখ্যায়।
ম্যাচ শেষে ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার হিদেকি হাশিগামি, কোচ ও খেলোয়াড়েরা প্রথম বেসের পাশের দর্শকদের অভিবাদন জানাতে গেলে তাঁদের উদ্দেশে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়। হানশিনের সঙ্গে লিগ শীর্ষস্থানের লড়াই করে দ্বিতীয় হওয়া এবং এরপর প্লে-অফে কোনো ম্যাচ জিততে না পারার মৌসুমের পর এই প্রতিক্রিয়া আসে।
পরস্পরবিরোধী ম্যাচ-বিবরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ
অন্য একটি বিবরণে প্রথম ধাপের নির্ধারক ম্যাচের সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে: ১১ ইনিংসে দেইনার ৭-৬ জয়, যেখানে দুই আউটে তাকুমা হায়াশি স্কোর সমতায় আনার পর তাতসুও এবিনার ওয়াক-অফ সিঙ্গেলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়। সেখানে দর্শকসংখ্যা ৩৩,৭৬৭, খেলার সময় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা এবং দুই দলের মিলিয়ে ব্যবহৃত পিচার ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বিবরণগুলো ১১ অক্টোবর ২০২৬-এর সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মেলে না। এনপিবির রেকর্ড অনুযায়ী টোকিও ডোমে দেইনা ৪-১ ব্যবধানে জেতে; প্রথম, সপ্তম ও অষ্টম ইনিংসে রান করে, দর্শক ছিল ৪২,২৪৮ জন এবং ১১ জন পিচার ব্যবহৃত হয়। পরস্পরবিরোধী বিবরণে নির্ধারক ইনিংসের নিচের অর্ধে দেইনাকে ব্যাট করতে দেখানো হয়েছে, অথচ সরকারি ম্যাচে বেস্টার্স ছিল সফরকারী দল।
প্যাসিফিক লিগের তথ্যেও পার্থক্য রয়েছে। অতিরিক্ত ইনিংসের বিবরণে বলা হয়েছে, নিপ্পন-হাম ওরিক্সকে সুইপ করেছে। অন্যদিকে ১১ অক্টোবরের ফলের সঙ্গে থাকা বিবরণে বলা হয়েছে, নিপ্পন-হাম সেবুকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় এনেছে।
তাই ৭-৬-এর বিবরণকে নিশ্চিত ৪-১ ফলের সঙ্গে মেলানো উচিত নয়। সেখানকার শেষ মুহূর্তের প্রত্যাবর্তন, খেলোয়াড়দের উদ্ধৃতি ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে এই ম্যাচের ঘটনা হিসেবে ধরা যাবে না। এখানে উল্লেখ করা স্কোর, ভেন্যু, দর্শকসংখ্যা, পিচিং-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও হোম রানের ভিত্তি হলো সরকারি রেকর্ড।
ফাইনাল স্টেজে অপেক্ষায় হানশিন
এরপর দেইনার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল নিয়মিত মৌসুমের সেন্ট্রাল লিগ চ্যাম্পিয়ন হানশিনের; ১৪ অক্টোবর শুরু হওয়ার কথা ছিল ফাইনাল স্টেজ। বিজয়ী দল জাপান সিরিজে যায়, যেখানে সেন্ট্রাল লিগের প্রতিনিধি প্যাসিফিক লিগের প্রতিনিধির মুখোমুখি হয়।
নিয়মিত মৌসুমের পর ক্লাইম্যাক্স সিরিজ ক্লাবগুলোকে জাপান সিরিজে যাওয়ার আরেকটি পথ দেয়। প্রথম ধাপে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা দল তিন ম্যাচের সিরিজে লড়ে। দুই ম্যাচে জিতলেই সেই লড়াই শেষ হয়। তাই ১১ অক্টোবর দেইনার জয়ে ইয়োমিউরির বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচের প্রয়োজন পড়েনি।
ফাইনাল স্টেজে লিগ চ্যাম্পিয়ন সরাসরি এক ম্যাচের সুবিধা নিয়ে নামে। ফলে দেইনার পরবর্তী চ্যালেঞ্জ সদ্য শেষ হওয়া প্রথম ধাপের চেয়ে আলাদা: প্রথম হওয়া দলটির জন্য নিয়মে রাখা সুবিধা পেরিয়ে যেতে হবে বেস্টার্সকে।
সেই সময়ের প্লে-অফ সূচি ছিল:
- ১০ অক্টোবর: জায়ান্টসের বিপক্ষে সেন্ট্রাল লিগের প্রথম ধাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে জেতে দেইনা।
- ১১ অক্টোবর: টোকিও ডোমে দ্বিতীয় ম্যাচে ৪-১ ব্যবধানে জিতে সুইপ সম্পন্ন করে দেইনা। প্যাসিফিক লিগের প্রথম ধাপের সিরিজ ১-১ সমতায় আনতে সেবুকে ১-০ ব্যবধানে হারায় নিপ্পন-হাম।
- ১২ অক্টোবর: নিপ্পন-হাম ও সেবুর প্রথম ধাপের নির্ধারক ম্যাচ খেলার কথা ছিল।
- ১৪ অক্টোবর: হানশিনের বিপক্ষে সেন্ট্রাল লিগের ফাইনাল স্টেজ শুরু করার কথা ছিল দেইনার।
১১ অক্টোবরের ম্যাচের ভিত্তিতে হানশিনের বিপক্ষে কোনো ফল নির্ধারিত হয়নি। দেইনা যা নিশ্চিত করেছিল তা হলো পরের ধাপে ওঠা; শুরুতে রান, শেষের দিকে বাড়তি রান এবং দুই ম্যাচেই জায়ান্টসকে এক রানে আটকে রাখা পিচিংয়ের মাধ্যমে তারা তা অর্জন করে।
মূল বিষয়গুলো
- ১১ অক্টোবর ২০২৬ টোকিও ডোমে জায়ান্টসকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম ধাপ দুই ম্যাচে জেতে দেইনা।
- ওয়াতারাই প্রথম ইনিংসে হোম রান করেন, সানো রান-তোলা হিট করেন, তোবাসিরা সপ্তম ইনিংসে আরবিআই সিঙ্গেল মারেন এবং মাকি অষ্টম ইনিংসে হোম রান করেন।
- চতুর্থ ইনিংসে ডালবেকের হোম রানটিই ছিল জায়ান্টসের একমাত্র রান।
- এনপিবির হিসাবে দর্শক ছিল ৪২,২৪৮ জন এবং খেলার সময় ছিল তিন ঘণ্টা এক মিনিট।
- সিরিজে জায়ান্টস দুই রান করে এবং দেইনার বিপক্ষে ক্লাইম্যাক্স সিরিজের চারটি লড়াইতেই হেরেছে।
- ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল ফাইনাল স্টেজে দেইনার হানশিনের মুখোমুখি হওয়া।
- অতিরিক্ত ইনিংসে ৭-৬ জয়ের একটি আলাদা বিবরণ সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মেলে না এবং নিশ্চিত ৪-১ ম্যাচটির বিবরণ নয়।






