কী পরিবর্তন হয়েছে
জাপানের অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করেছে। এতে ইঞ্জিনিয়ার/মানবিক বিদ্যা/আন্তর্জাতিক পরিষেবা ভিসার নির্দিষ্ট কিছু আবেদনকারীকে জাপানি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। সাধারণত গিজিনকোকু নামে পরিচিত এই ভিসা শ্রেণিতে প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার বিদেশি বাসিন্দা রয়েছেন। স্থায়ী বাসিন্দাদের পর এটি জাপানে বিদেশি নাগরিকদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গোষ্ঠী।
সূচিপত্র
নতুন নীতিতে ভাষাগত দক্ষতার মানদণ্ড হিসেবে কমন ইউরোপিয়ান ফ্রেমওয়ার্ক অব রেফারেন্সের (CEFR) বি২ স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে। বিচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাপানি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষায় (JLPT) এন২ সনদ অর্জন করে অথবা বিজনেস জাপানিজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্টে (BJT) ৪০০ বা তার বেশি নম্বর পেয়ে আবেদনকারীরা এই শর্ত পূরণ করতে পারবেন। CEFR-এর বি২ স্তর উচ্চ-মধ্যম পর্যায়ের দক্ষতা বোঝায়। এ পর্যায়ে একজন ব্যক্তি মাতৃভাষীদের সঙ্গে যথেষ্ট স্বতঃস্ফূর্তভাবে কথা বলতে পারেন, যাতে উভয় পক্ষের ওপর চাপ না পড়ে নিয়মিত আলাপ চালানো সম্ভব হয়।
সব ভিসা আবেদনকারীর জন্যই ভাষার শর্ত বাধ্যতামূলক—প্রাথমিক প্রতিবেদনে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হলেও নীতিটি বাছাই করে প্রয়োগ করা হবে। শর্তটি কেবল ক্যাটাগরি ৩ ও ৪-এর প্রতিষ্ঠানে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্রযোজ্য। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ এবং সীমিত আর্থিক ইতিহাসসম্পন্ন নতুন ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়া, চাকরির বিবরণে আন্তব্যক্তিক যোগাযোগের জন্য জাপানি ভাষার দক্ষতা স্পষ্টভাবে চাওয়া হলেই কেবল নিয়মটি প্রযোজ্য হবে।
কারা ভাষাগত মানদণ্ড পূরণ করবেন
ভাষার শর্তটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য বিদেশ থেকে যোগ্যতার সনদের (Certificate of Eligibility) জন্য আবেদনকারী নতুনদের ক্ষেত্রে। জাপানি গ্রাহক, সহকর্মী বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হয়—এমন পদে কর্মরতরা এর আওতায় পড়বেন। অনুবাদ ও দোভাষী বিশেষজ্ঞ, স্থানীয় বাজারে বিপণন পেশাজীবী, বিক্রয় পরামর্শক এবং জাপানি গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হোটেলকর্মীদের মতো পদ সাধারণত এর আওতায় পড়বে।
গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হয়—এমন কারিগরি পদের ক্ষেত্রেও যাচাই হবে। জাপানি গ্রাহকদের জটিল কারিগরি বিষয় ব্যাখ্যা করতে হয়, সম্পূর্ণ জাপানি ভাষায় পরিচালিত বৈঠকে অংশ নিতে হয় অথবা জাপানি ডেভেলপমেন্ট টিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হয়—এমন সফটওয়্যার প্রকৌশলী বা ডেটা বিজ্ঞানীদের ভাষাগত সনদ জমা দিতে হতে পারে। কাজটি করার জন্য জাপানি ভাষার দক্ষতা প্রয়োজনীয় যোগ্যতা হিসেবে চাকরির বিবরণে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কি না, সেটিই মূল বিবেচ্য।
ক্যাটাগরি ৩-এর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আগের বছরের বিধিবদ্ধ উৎসে করের নথি জমা দেওয়া ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ। ক্যাটাগরি ৪-এর মধ্যে রয়েছে স্টার্টআপ বা সামান্য আর্থিক ইতিহাসসম্পন্ন ব্যবসা। প্রধানত এসব প্রতিষ্ঠানই নতুন নিয়মের আওতায় পড়বে। অভিবাসন পরিষেবা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জাপানে বিদেশি কর্মীদের ৩৬ শতাংশের বেশি ৩০ জনের কম কর্মী আছে—এমন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন; প্রায় ২০ শতাংশ কাজ করেন ৩০ থেকে ৯৯ জন কর্মী রয়েছে—এমন প্রতিষ্ঠানে। ছোট প্রতিষ্ঠানে বিদেশি মেধার এই কেন্দ্রীভবনই ব্যাখ্যা করে কেন সরকার প্রাথমিকভাবে এই শ্রেণিগুলোর ওপর নিয়ম প্রয়োগে জোর দিয়েছে।
কারা অব্যাহতি পাবেন
নতুন বিধির প্রভাব কমাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অব্যাহতি রাখা হয়েছে। জাপানে বর্তমানে পড়াশোনা করছেন—এমন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সরাসরি ইঞ্জিনিয়ার/বিশেষজ্ঞ ভিসার মর্যাদায় গেলে ভাষার শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবেন। এই অব্যাহতির যুক্তি হলো, আনুষ্ঠানিক পরীক্ষার সনদ না থাকলেও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় জাপানি ভাষার পরিবেশে থেকে দক্ষতা অর্জন করে থাকেন।
বর্তমান বিদেশি বাসিন্দাদের বিদ্যমান ভিসা নবায়ন বা বসবাসের মর্যাদা পরিবর্তনের জন্য JLPT এন২ সনদ পেতে তাড়াহুড়ো করতে হবে না। নীতিটি স্পষ্টতই প্রথমবারের আবেদনকারী, যারা বিদেশ থেকে জাপানে প্রবেশ করছেন, তাদের লক্ষ্য করে তৈরি; ফলে আগে থেকেই বসবাসকারীরা নতুন নথিপত্রের শর্তে পড়বেন না। ক্যাটাগরি ১ বা ২-এ শ্রেণিবদ্ধ বড় প্রতিষ্ঠান—সাধারণত উল্লেখযোগ্য আর্থিক নথিপত্রসম্পন্ন প্রতিষ্ঠিত বড় কোম্পানি—এ ধরনের বিধিনিষেধের আওতায় পড়বে না।
যেসব পদের জন্য জাপানি ভাষার দক্ষতা দরকার নেই, সেসব আবেদনকারীও শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবেন। কথোপকথনভিত্তিক ভাষা স্কুলে কর্মরত ইংরেজি শিক্ষক, বিদেশি বাজারকে লক্ষ্য করে কাজ করা আন্তর্জাতিক বিপণন পেশাজীবী এবং বৈশ্বিক কোম্পানিতে সম্পূর্ণ ইংরেজিভাষী দলের সঙ্গে কাজ করা কারিগরি বিশেষজ্ঞদের ক্ষেত্রে প্রবেশের পথে অতিরিক্ত ভাষাগত বাধা থাকার সম্ভাবনা কম। প্রতিদিনের কাজে জাপানি ভাষায় যোগাযোগ দরকার কি না এবং নির্দিষ্ট চাকরির বিবরণে কী বলা আছে, সেটিই মূল বিবেচ্য।
JLPT ছাড়া কীভাবে শর্ত পূরণ করবেন
সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত যোগ্যতা হলো JLPT এন২ সনদ। তবে CEFR বি২ স্তরের দক্ষতা প্রমাণের জন্য জাপান সরকার আরও কয়েকটি বিকল্প পথ গ্রহণ করে। চাহিদা অনুযায়ী অধিকাংশ পিয়ারসন কেন্দ্রে কম্পিউটারে বিজনেস জাপানিজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্ট (BJT) দেওয়া যায়; এ পরীক্ষায় অন্তত ৪০০ নম্বর পেতে হবে। বছরে মাত্র দুবার অনুষ্ঠিত JLPT-এর তুলনায় BJT-তে পরীক্ষা দেওয়ার সময়সূচি নির্ধারণে বেশি সুযোগ রয়েছে, যা জরুরি আবেদনকারীদের জন্য সুবিধাজনক।
গৃহীত অন্য পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে বছরে ছয়বার অনুষ্ঠিত NAT-TEST এবং বছরে সর্বোচ্চ দশবার নেওয়া জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্যাপাবিলিটি টেস্ট (JLCT)। J-CAT-এ অনলাইনে চাহিদা অনুযায়ী পরীক্ষা দেওয়া যায়, যা অভিবাসন-সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করার কথা। দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দাদের বিকল্প যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়া অথবা ভোকেশনাল কলেজের বিশেষায়িত কোর্স সম্পন্ন করা। জাপানে বাধ্যতামূলক শিক্ষা সম্পন্ন করে উচ্চবিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ ব্যক্তিরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ মানদণ্ড পূরণ করেন। একইভাবে, জাপানে ২০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাসিন্দা হিসেবে বসবাসকারীরাও তা পূরণ করেন।
এই নমনীয়তার মাধ্যমে স্বীকার করা হয়েছে যে প্রমিত পরীক্ষা ভাষাগত দক্ষতা পরিমাপের একমাত্র উপায় নয়। ব্যবহারিক শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং দীর্ঘ সময়ের ভাষাগত নিমজ্জনও সমানভাবে দক্ষতার প্রমাণ দিতে পারে। বিশেষ করে, এসব শর্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার আগে যেসব পেশাজীবী জাপানি কর্মপরিবেশে বছরের পর বছর কার্যকরভাবে কাজ করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য।
জাপান কেন নিয়ম কঠোর করছে
নীতি প্রণয়নের সঙ্গে পরিচিত এক সরকারি সূত্রের মতে, নিয়ম কার্যকরের সময় নির্ধারণে বিধি মেনে চলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটেছে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে নতুন নিয়ম কার্যকরের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে ওই কর্মকর্তা বলেন:
বিশেষায়িত জ্ঞান প্রয়োজন—এমন পেশার ভিসায় দেশে প্রবেশ করে, কিন্তু সেই ভিসায় অনুমোদিত নয় এমন অদক্ষ কাজে যুক্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই নীতি সংশোধন এবং যাচাই-বাছাই কঠোর করার পরিকল্পনা করছে।
এই কঠোর ব্যবস্থা শুধু ব্যক্তিগত আবেদনকারীদের নয়, নিয়োগদাতাদেরও লক্ষ্য করছে। শ্রম আইন লঙ্ঘনের কারণে—যেমন বেতন না দেওয়া বা কর্মক্ষেত্রে হামলার মতো ঘটনায়—প্রযুক্তিগত ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ বা নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী কর্মসূচিতে নিয়োগে আগে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া কোম্পানিগুলোর ওপর এখন অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কালো তালিকাভুক্ত এসব নিয়োগদাতা ইঞ্জিনিয়ার/বিশেষজ্ঞ ভিসার আওতায় কর্মী নিয়োগ করতে পারবে না। ভিসার শ্রেণি বদলে শাস্তি এড়ানোর যে পথ আগে খোলা ছিল, এর ফলে তা বন্ধ হবে।
জনসংখ্যাগত চাপও এসব পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ জাপানে বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা ৪১ লাখ ৩০ হাজারে পৌঁছায়, যা প্রথমবারের মতো ৪০ লাখ ছাড়ায়। বিভিন্ন খাতে শ্রমিকের ঘাটতির মধ্যে প্রয়োজনীয় বিদেশি কর্মীদের স্বাগত জানানো এবং তাঁদের যথাযথভাবে সমাজে অন্তর্ভুক্ত করা ও ভিসার শর্ত মানা নিশ্চিত করার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চাইছে সরকার। ভাষাগত দক্ষতা কর্মক্ষেত্রে একীভূত হওয়ার ব্যবহারিক যোগ্যতা হিসেবে কাজ করে; পাশাপাশি কর্মীদের অননুমোদিত কাজে পাঠানোর মতো শোষণমূলক চর্চা ঠেকাতেও এটি বাছাইয়ের মানদণ্ড হিসেবে ভূমিকা রাখে।
বিদেশি কর্মী ও নিয়োগদাতাদের জন্য এর অর্থ
বিদেশে থাকা সম্ভাব্য কর্মীদের জন্য এসব পরিবর্তনের ফলে জাপানে যাওয়ার সময়সীমা দীর্ঘ হবে। আগে ভাষার পরিবেশে থাকার অভিজ্ঞতা নেই—এমন শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় সাধারণত এন২ স্তরে পৌঁছাতে দুই বছর বা তার বেশি সময় লাগে। ফলে জাপানি ভাষা শেখায় আগে থেকেই উল্লেখযোগ্য সময় বিনিয়োগ না করা ব্যক্তিদের জন্য স্নাতক হওয়ার পরপরই চাকরিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এখন পেশাজীবীদের কারিগরি যোগ্যতার পাশাপাশি ভাষাশিক্ষারও পরিকল্পনা করতে হবে।
ছোট জাপানি কোম্পানিগুলো কর্মী নিয়োগে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। প্রার্থী কমে যাওয়ায় সীমিতসংখ্যক এমন বিদেশি পেশাজীবীদের আকৃষ্ট করতে ছোট ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে বেতন বাড়াতে হতে পারে, যাঁদের কারিগরি দক্ষতার পাশাপাশি এন২ সনদও আছে। অন্যদিকে, কঠোরতম যাচাই থেকে অব্যাহতি পাওয়া বড় প্রতিষ্ঠানের পদগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা কমতে পারে।
ইংরেজি শিক্ষাদান খাতে বিশেষ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনেক সহকারী ভাষাশিক্ষক এবং ইংরেজি কথোপকথন স্কুলের পদে কাজ মূলত ইংরেজিতে হলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগে প্রায়ই জাপানি ভাষা ব্যবহৃত হয়। চাকরির বিবরণে ভাষাগত শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে স্কুলগুলোকে। এর ফলে দুই স্তরের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পদের জন্য জাপানি ভাষায় দক্ষ শিক্ষকেরা অগ্রাধিকার পাবেন।
মূল কথা
- নির্দিষ্ট কিছু ইঞ্জিনিয়ার/বিশেষজ্ঞ ভিসা আবেদনকারীর জন্য নতুন ভাষাগত শর্ত ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে
- ক্যাটাগরি ৩ ও ৪-এর প্রতিষ্ঠানে জাপানি ভাষায় যোগাযোগ করতে হয়—এমন চাকরির জন্যই কেবল CEFR বি২ স্তর (JLPT এন২-এর সমতুল্য) বাধ্যতামূলক
- জাপানে থাকা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং মর্যাদা পরিবর্তন বা ভিসা নবায়নকারী বর্তমান বাসিন্দারা অব্যাহতি পাবেন
- বিকল্প যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে BJT-তে ৪০০ বা তার বেশি নম্বর, জাপানি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হওয়া অথবা ২০ বছর বসবাস
- ভিসার অপব্যবহার ঠেকানো এবং শোষণকারী নিয়োগদাতাদের বিদেশি কর্মী নিয়োগে বাধা দেওয়াই নীতির লক্ষ্য
- বর্তমানে প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার বিদেশি বাসিন্দার কাছে এ নিয়মে প্রভাবিত ভিসা রয়েছে






