সিউলে চীনা খাবারের নতুন ঢেউ
দক্ষিণ কোরিয়ার রেস্তোরাঁ খাতের চেহারা বদলে দিচ্ছে চীনা খাবারের ব্র্যান্ডগুলো। গাংনাম থেকে হংদে পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় আসল স্বাদের খাবার ও উচ্চাভিলাষী সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে হাজির হচ্ছে তারা। মালা হটপটের চেইন তাংহুও কুংফু মালাতাং এখন দেশজুড়ে ৫৬০টির বেশি শাখা পরিচালনা করছে। ২০১২ সালে সুওনে তাদের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি চালুর পর থেকে এটি নাটকীয় বৃদ্ধি। ২০২৪ সালে কোম্পানিটির বিক্রির পরিমাণ ছিল ২২২০ কোটি ওন, যা ২০২৩ সালের ১৮৩০ কোটি ওনের আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি। একই সময়ে পরিচালন মুনাফা ৯৪ কোটি ৩০ লাখ ওন থেকে বেড়ে ১০৫০ কোটি ওনে দাঁড়ায়।
সূচিপত্র
সাফল্য শুধু সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সিউলের উল্লেখযোগ্য পর্যটন ও বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে, যেমন গাংনাম স্টেশন, মিয়ংদং, হংদে, সংসু ও দেহাংনোতে তাংহুও কুংফুর শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ব্র্যান্ডটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি, প্রশিক্ষণ ও রয়্যালটি ফি মওকুফের পাশাপাশি বিনা মূল্যে খাবার পরিবেশনের বাটি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কোরিয়ায় দ্রুত বাড়তে থাকা মালাতাং খাতে বাজারের আরও বড় অংশ দখলের লক্ষ্যেই এই কৌশল। তাংহুও কুংফু কোরিয়ার এক কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেছেন, মালাতাং বাজারের প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিতে স্থানীয় রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন।
হটপটের প্রতিদ্বন্দ্বী হাইদিলাও শাখার সংখ্যা কম হলেও আর্থিক সাফল্যে আরও এগিয়ে। কোরিয়ায় মাত্র ১০টি শাখা থাকা সত্ত্বেও চেইনটি ২০২৪ সালে ৭৮১০ কোটি ওনের বিক্রি করেছে, যা ২০২০ সালের ১৩৯০ কোটি ওনের চেয়ে অনেক বেশি। শিল্পসংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ব্র্যান্ডটির বিক্রি ১০ হাজার কোটি ওন ছাড়িয়েছে। টেবিলের অপেক্ষায় থাকা গ্রাহকদের বিনা মূল্যে নখের নকশা, নাশতা ও বোর্ড গেম দেওয়ার মতো বিনোদননির্ভর সেবার জন্য আলাদা পরিচিতি রয়েছে হাইদিলাওয়ের।
চীনের অন্যান্য খাবারের ব্র্যান্ডও একই পথে এগোচ্ছে। ২০২০ সালে কোরিয়ায় প্রবেশের পর থেকে বানতিয়ানইয়াও গ্রিলড ফিশের শাখা বেড়ে ছয়টিতে দাঁড়িয়েছে। আর হাইদিলাও পরিচালিত বারবিকিউ স্কিউয়ার ব্র্যান্ড হাইহাই কাওচুয়ান চলতি বছরের জানুয়ারিতে মিয়ংদংয়ে তাদের প্রথম শাখা খুলেছে।
কোরিয়ার কফি সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে দুধ-চায়ের চেইন
রেস্তোরাঁ সম্প্রসারণের পাশাপাশি চীনা পানীয়ের চেইনগুলো কোরিয়ার কফিনির্ভর পানীয় বাজারে জোরালো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী চীনা সংস্কৃতি থেকে অনুপ্রাণিত প্রিমিয়াম দুধ-চায়ের ব্র্যান্ড চাগি জুনের শেষ নাগাদ সিউলে তিনটি শাখা খোলার পরিকল্পনা করেছে। চীনের বাইরে পূর্ব এশিয়ায় এটিই হবে তাদের প্রথম সম্প্রসারণ। বিশ্বজুড়ে কোম্পানিটির ৭৩০০টিরও বেশি চায়ের দোকান রয়েছে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে তাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি তৈরি হয়েছে।
চাগি একা নয়। কোরিয়ায় এখন প্রায় ২০টি দোকান পরিচালনা করছে চাবাইদো। হেইটি ও মিক্সুর শাখা রয়েছে যথাক্রমে ছয়টি ও ১৪টি। মিক্সুর বিস্তার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: শুধু চীনেই তাদের প্রায় ৫৩ হাজার শাখা রয়েছে। দেশটির তীব্র অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতাই এসব ব্র্যান্ডকে বিদেশে সম্প্রসারণে উৎসাহিত করছে। ২০১২ সালে সিউলে প্রবেশের পর বহু বছর ধরে কোরিয়ার দুধ-চায়ের বাজারে আধিপত্য ছিল তাইওয়ানের গং চায়ের। ২০১৭ সালে ব্র্যান্ডটির মালিকানা কোরীয়দের হাতে যায় এবং এখন দেশজুড়ে এর ৮৩৬টি শাখা রয়েছে।
কোরিয়ার তরুণদের ভোক্তা-অভ্যাসে পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখেই এই সম্প্রসারণ ঘটছে। ভিসা ছাড়া ভ্রমণ নীতির কারণে আরও বেশি কোরীয় নাগরিক চীন যেতে পারছেন এবং সেখানকার পণ্য সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে এসব ব্র্যান্ড দেশে আসার আগেই সেগুলোর সঙ্গে পরিচিতি তৈরি হচ্ছে। সিউলের সিনচন এলাকার স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী চোই ইয়ং-হি গত অক্টোবরে পরিবারের সঙ্গে সাংহাই ভ্রমণের সময় প্রথম চাগির সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি বলেন, “চাগির দুধ-চায়ের যে বিষয়টি আমার ভালো লেগেছে তা হলো, এটি খুব কড়া নয়, সুগন্ধি এবং সহজেই উপভোগ করা যায়। কোরিয়ায় এ রকম দুধ-চা আমি খুঁজে পাইনি।” গুগল ট্রেন্ডসের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে কোরিয়ায় “চাগি চা” লিখে অনুসন্ধান ১১০ শতাংশ বেড়েছে।
চীনের বাজারে ফিরছে কোরীয় ব্র্যান্ড
চীনা কোম্পানিগুলো যখন কোরিয়ায় প্রবেশ করছে, তখন কয়েক বছর প্রবেশাধিকার সীমিত থাকার পর কোরীয় ব্র্যান্ডগুলোরও একটি ঢেউ চীনে ফিরছে। এই উদ্যোগে এগিয়ে রয়েছে ফ্রায়েড চিকেনের চেইনগুলো। বিবিকিউ বেইজিং, ছিংদাও ও জিনানের মতো আটটি চীনা অঞ্চলে মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তি করেছে। ২০০৩ সালে প্রথম চীনে প্রবেশ করা ব্র্যান্ডটির একসময় ৪০০টিরও বেশি শাখা ছিল। ছেংদুতে সরাসরি পরিচালিত একটি ফ্ল্যাগশিপ শাখা চালুর পর তারা শাখার সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।
শেনঝেনে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান গঠন ও ছিয়ানহাই মিক্সসি শপিং মলে শাখা খোলার মাধ্যমে চীনে সম্প্রসারণ আবার শুরু করেছে কিয়োছন চিকেন। বর্তমানে কোম্পানিটির ১৮টি শাখা রয়েছে। বড় শহর থেকে প্রাদেশিক রাজধানীগুলোতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে তারা। তিন দশকের সস তৈরির অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গড়ে তোলা স্বতন্ত্র কোরীয় স্বাদের খাবার দিয়ে চীনা ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতে চায় কোম্পানিটি। হংকংয়ে উপস্থিতিকে ভিত্তি করে মূল ভূখণ্ডের চীনে প্রবেশের বিষয়টিও বিবেচনা করছে বিহাইচি গ্রুপ। আর চীনে প্রায় ২০০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি শাখা পরিচালনা করছে তু লে জুর।
২০১৭ সালে থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের পর কোরীয় সাংস্কৃতিক পণ্য রপ্তানিতে অনানুষ্ঠানিক বিধিনিষেধের এক সময় পেরিয়ে এই নতুন আগ্রহ দেখা দিয়েছে। হানকুক ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের অধ্যাপক কাং জুন-ইয়ং বলেন, তরুণ চীনা ভোক্তাদের মধ্যে কে-ফুডের চাহিদা এখনো শক্তিশালী এবং গত বছর থেকে বেইজিংয়ের অবস্থান কিছুটা নমনীয় হয়েছে। কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির স্থবিরতাও কোম্পানিগুলোকে বিদেশে প্রবৃদ্ধির সুযোগ খুঁজতে উৎসাহিত করেছে; দেশটিতে ভোক্তা-আস্থা এখনো নিরপেক্ষ মাত্রার নিচে। নতুন পণ্য বা শাখা চালু করা কোম্পানিকে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য চীন এখন “ফার্স্ট-লঞ্চ ইকোনমি” নীতি এগিয়ে নিচ্ছে।
বদলে যাওয়া দৃষ্টিভঙ্গিতে বাড়ছে চীনা ব্র্যান্ডের কদর
চীনা ব্র্যান্ডের আগমন প্রতিবেশী দেশটির পণ্য সম্পর্কে কোরীয় ভোক্তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগে চীনা পণ্যকে মূলত কম দামের বিকল্প হিসেবে দেখা হলেও এখন অনেক পণ্য গুণমান ও নকশার কারণে প্রিমিয়াম দাম পাচ্ছে। অলংকৃত রাজকুমারীসুলভ প্যাকেজিংয়ের জন্য পরিচিত চীনা প্রসাধনী ব্র্যান্ড ফ্লাওয়ার নোস মার্চে কোরিয়ার খুচরা বিক্রির দোকানগুলোতে প্রবেশ করেছে। তাদের পণ্যের দাম একই ধরনের কোরীয় পণ্যের চেয়ে বেশি। বানি গার্ডেন ৬-কালার মেকআপ প্যালেটের দাম ৩৭ হাজার ওন, যেখানে দেশীয় ব্র্যান্ড ক্লিওর একই ধরনের পণ্যের দাম ২৭ হাজার ওন।
পণ্যগুলো সস্তা নয়, তবে রঙের ঘনত্ব ও ব্যবহারের মান ভালো। নকশাটিও খুব সুন্দর এবং কোরীয় প্রসাধনী থেকে আলাদা।
ইনচনের ২৯ বছর বয়সী ভোক্তা লি গা-হিয়ন আগে বিদেশ থেকে সরাসরি পণ্য কিনে ফ্লাওয়ার নোসের প্রসাধনী ব্যবহার করতেন। কেনার আগে পণ্য সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়ে তিনি খুশি। এই পরিবর্তন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বৃহত্তর রূপান্তরকে তুলে ধরে: চীনা কোম্পানিগুলো এখন প্রতিষ্ঠিত বৈশ্বিক বিলাসপণ্যের ব্র্যান্ডের সমতুল্য ব্র্যান্ডমূল্য গড়ে তুলতে চাইছে।
শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে আগ্রহী চীনা ব্র্যান্ডগুলোর জন্য কোরিয়া কৌশলগত পরীক্ষাক্ষেত্র। দেশটির বিচক্ষণ ভোক্তা ও দ্রুত বদলে যাওয়া প্রবণতা বৃহত্তর বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের আগে পণ্য পরিমার্জনের আদর্শ পরিবেশ তৈরি করেছে। ডানকুক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসনের অধ্যাপক জং ইয়ন-সুং বলেন, সাংস্কৃতিক প্রভাব ও ক্রেতাদের উচ্চ প্রত্যাশার কারণে কোরিয়া মনোযোগ আকর্ষণ করে। চীনের অভ্যন্তরীণ বাজার অনেক খাতে স্যাচুরেশনে পৌঁছেছে। চায়ের বাজারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ২০২৩ সালের ৪৪ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালে আনুমানিক ১২.৪ শতাংশে দাঁড়াবে। ফলে বিদেশে সম্প্রসারণ অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
রেস্তোরাঁর গণ্ডি ছাড়িয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য
রেস্তোরাঁ খাতের সম্প্রসারণ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার হওয়ার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে ঘটছে। চীনে কোরীয় ইনস্ট্যান্ট নুডলস আরামদায়ক খাবারের নিয়মিত পছন্দ হয়ে উঠেছে; ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এর রপ্তানি মূল্য বেড়েছে ২৬৬ শতাংশ। বছরে ৪৩৮০ কোটি পরিবেশন নিয়ে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার। সেখানে কোরীয় ব্র্যান্ডগুলো প্রিমিয়াম অবস্থানে রয়েছে। তাওবাওর সর্বাধিক বিক্রীত পণ্যের তালিকায় বুলডাক অরিজিনাল ও এর কার্বোনারা সংস্করণ যথাক্রমে অষ্টম ও নবম স্থানে ছিল। নংশিমের শিন রামিয়ন ছিল ১৭তম স্থানে।
২০২৫ সালে চীনে দক্ষিণ কোরিয়ার সামুদ্রিক খাদ্য রপ্তানি ১৮ শতাংশ বেড়ে মোট ৩৩৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দুই দেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও জলজ পণ্যের বাণিজ্য নিয়ে সমঝোতা স্মারক সই করে। এতে রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে এবং কিছু স্বাস্থ্যগত মূল্যায়ন মওকুফ করা হয়েছে। চীন দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে রয়েছে; ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৮৯০ কোটি ডলার।
এই অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরতা দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত পেরোনো রেস্তোরাঁ ব্র্যান্ডগুলোর জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করছে। চীনা ভোক্তাদের মধ্যে কে-ফুডের চাহিদা বাড়ছে এবং কোরীয় ভোক্তারাও আসল চীনা খাবারের ব্র্যান্ড গ্রহণ করছেন; ফলে দুই বাজারের বিভাজন ক্রমেই ঝাপসা হচ্ছে। সামিয়াং ফুডস বর্তমানে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশে তাদের প্রথম বিদেশি কারখানা নির্মাণ করছে। এদিকে ওরিয়ন চীনে তাদের পাঁচটি কারখানার উৎপাদন সক্ষমতার ব্যবহার বাড়িয়েছে এবং জেলি ও আলুর ফ্লেকসের নতুন উৎপাদন লাইন স্থাপনে ২৫০০ কোটি ওন বিনিয়োগ করেছে।
মূল তথ্য
- তাংহুও কুংফু মালাতাংয়ের কোরিয়ায় এখন ৫৬০টিরও বেশি শাখা রয়েছে; ২০২৪ সালে বিক্রির পরিমাণ ছিল ২২২০ কোটি ওন
- মাত্র ১০টি শাখা নিয়েও হাইদিলাও ২০২৪ সালে কোরিয়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি ওনের বিক্রি করেছে
- চাগি, চাবাইদো, হেইটি ও মিক্সুসহ চীনা দুধ-চায়ের ব্র্যান্ডগুলো সিউলজুড়ে ডজনখানেক দোকান খুলছে
- বিবিকিউ ও কিয়োছনের মতো কোরীয় ফ্রায়েড চিকেন চেইনগুলোও বাণিজ্য বিধিনিষেধের কয়েক বছর পর একই সময়ে চীনে আবার সম্প্রসারিত হচ্ছে
- ২০১৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চীনে কোরীয় ইনস্ট্যান্ট নুডলসের রপ্তানি ২৬৬ শতাংশ বেড়েছে
- ভিসা ছাড়া ভ্রমণ নীতির কারণে চীনা ব্র্যান্ড সম্পর্কে কোরীয় ভোক্তাদের ধারণা উন্নত হয়েছে
- চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে স্যাচুরেশন ব্র্যান্ডগুলোকে কৌশলগত পরীক্ষাক্ষেত্র হিসেবে কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধির সুযোগ খুঁজতে উৎসাহিত করছে
- দুই দেশের মধ্যে খাদ্যপণ্যের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ২০২৪ সালে ৯০১ কোটি ডলারে পৌঁছেছে






