নিয়মিত তল্লাশিতে শিল্প-পর্যায়ের জালিয়াতির সন্ধান
সন্দেহজনক একটি ট্রাকে নিয়মিত তল্লাশি চালাতে গিয়ে ভিয়েতনামের সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস অঞ্চলে বড়সড় নকল কফি তৈরির কারবারের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এতে বিশ্বের বৃহত্তম রোবাস্তা কফি উৎপাদক দেশের সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতাও সামনে এসেছে। সয়াবিন ও রাসায়নিক উপাদান দিয়ে গুঁড়ো কফি তৈরির অভিযোগে একটি গুদাম থেকে ৪.১ টন নকল কফিপণ্য এবং ৩ টন কাঁচামাল জব্দ করার পর লাম ডং প্রদেশের পুলিশ ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।
সূচিপত্র
জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানায়, এ সপ্তাহের শুরুর দিকে অভিযানটি চালানো হয়। এর আগে ১,০৫৬টি ব্যাগে ৫২৮ কেজি গুঁড়ো কফি বহনকারী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। ট্রাকটির সঙ্গে কোনো নথিপত্র ছিল না। এতে কর্তৃপক্ষ চালানটির উৎস খুঁজে লুওং ভিয়েত কিয়েম পরিচালিত একটি গুদামের সন্ধান পায়। জিজ্ঞাসাবাদে কিয়েম পুলিশকে জানান, তার প্রতিষ্ঠান স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য নকল গুঁড়ো কফি তৈরি করতে আসল কফিবীজের সঙ্গে সয়াবিন ও সুগন্ধি উপাদান মেশাত।
রোবাস্তা কফি উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম। আরাবিকার তুলনায় এই জাতের কফির স্বাদ তীব্র ও তিতা, আর ক্যাফেইনের পরিমাণও বেশি। লাম ডং ও পার্শ্ববর্তী প্রদেশগুলো নিয়ে গঠিত সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস অঞ্চলটি এই কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। দেশের বাজার এবং আন্তর্জাতিক ইনস্ট্যান্ট কফি প্রস্তুতকারকদের চাহিদার বেশির ভাগ কফিবীজ এখানেই উৎপাদিত হয়।
কফি জালিয়াতির অর্থনীতি
এই জালিয়াতি চলে সহজ কিন্তু লাভজনক একটি কৌশলে: আসল উপাদানের বদলে সস্তা উপাদান ব্যবহার। সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে বর্তমানে প্রতি কেজি কফিবীজের দাম প্রায় ১,০০,০০০ থেকে ১,০০,৫০০ ভিয়েতনামি ডং (৩.৮৬ ডলার), আর সয়াবিনের দাম এর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এই সস্তা ডালজাতীয় শস্যের সঙ্গে অল্প পরিমাণ আসল কফি মিশিয়ে রাসায়নিক সুগন্ধি ও রং যোগ করলে উৎপাদনকারীরা এমন পণ্য তৈরি করতে পারে, যা দেখতে গুঁড়ো কফির মতো, অথচ উৎপাদন খরচ অনেক কম।
দামের এই ব্যবধান ভেজাল মেশানোর প্রবল আর্থিক প্রণোদনা তৈরি করে। বিশেষ করে দেশের বাজারে, যেখানে মান নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা রপ্তানিপণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মের তুলনায় কম কঠোর হতে পারে। কফির দাম বাড়লে বা সরবরাহে টান পড়লে এই আর্থিক চাপ আরও তীব্র হয়। মুনাফার হার ধরে রাখতে তখন কিছু প্রক্রিয়াজাতকারী বিকল্প উপাদান খোঁজে।
পার্শ্ববর্তী ডাক লাক প্রদেশে কাজ করা কফি ব্যবসায়ী নুয়েন কুয়াং থোর মতে, এ ধরনের ভেজাল উদ্বেগজনকভাবে সাধারণ। তিনি বলেন, নকল কফিপণ্য বিরল নয়; সয়াবিন, ভুট্টা, এমনকি দুটো দিয়েই এগুলো তৈরি হতে পারে। সয়াবিন ও ভুট্টা দুটোই খাওয়ার উপযোগী হলেও কফির স্বতন্ত্র সুগন্ধ ও গাঢ় রং নকল করতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। থো আরও বলেন, এসব নকল কফিপণ্য পান করা স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ কি না, তা কে জানে—এতে খাদ্যশৃঙ্খলে অনিয়ন্ত্রিত পদার্থ প্রবেশের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে।
বাজারকে বোকা বানায় যেভাবে নকলকারীরা
বিশ্বাসযোগ্য নকল কফি তৈরি করতে শুধু সয়াবিন গুঁড়ো করলেই চলে না। কফিবীজের মতো গাঢ় রং আনতে প্রথমে ডালজাতীয় শস্য ভাজা হয়, এরপর কিছুটা আসল স্বাদ আনতে অল্প পরিমাণ আসল কফি মেশানো হয়। রাসায়নিক উপাদান দিয়ে গন্ধ ও স্বাদ বাড়ানো হয়, আর রং মিশিয়ে পণ্যটির চেহারা ক্রেতাদের প্রত্যাশার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া হয়।
পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ ছাড়া সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে এই মিশ্রণ শনাক্ত করা কঠিন। গুঁড়োর গঠন, গাঢ় রং ও সুগন্ধ খাঁটি কফির মতোই হতে পারে, বিশেষত ভিয়েতনামের কফি সংস্কৃতিতে প্রচলিত চিনি বা কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে তৈরি করলে। এই সূক্ষ্ম কৌশলের কারণে নকল পণ্য স্থানীয় বাজার, ছোট ক্যাফে ও অনানুষ্ঠানিক বিতরণব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত ক্রেতাদের হাতে পৌঁছায়।
আটক ট্রাকটির সঙ্গে কোনো নথিপত্র না থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, এই নকল পণ্যের বড় অংশই অনানুষ্ঠানিক সরবরাহব্যবস্থার মধ্য দিয়ে চলাচল করে। এতে ভোক্তাদের সুরক্ষার জন্য তৈরি মান নিয়ন্ত্রণের ধাপ ও পণ্যের উৎস শনাক্তকরণব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। পণ্যগুলো শেষ ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছানোর আগে একাধিকবার হাতবদল হওয়ায় এসব গোপন নেটওয়ার্কের কারণে আইন প্রয়োগের কাজ জটিল হয়ে পড়ে এবং পণ্যের উৎস আড়াল হয়।
সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে খাদ্য জালিয়াতির ইতিহাস
সাম্প্রতিক এই জব্দের ঘটনা ভিয়েতনামের কৃষি খাতে উদ্বেগজনক খাদ্য জালিয়াতির ইতিহাসের সর্বশেষ অধ্যায়। এর মাত্র কয়েক মাস আগে, ২০২৫ সালের জুনে, ডাক লাক প্রদেশের পুলিশ এক দম্পতির পরিচালিত আরও বড় একটি কারবার ভেঙে দেয়। কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের আগে তারা একাধিক প্রদেশে ২০ টনের বেশি নকল কফি বিতরণ করেছিল।
সেই ঘটনায় ৫২ বছর বয়সী ফান দান দুয়ং বাও এবং তার ৪৭ বছর বয়সী স্ত্রী হো থুই বিচ দান স্বীকার করেন, খান হোয়া প্রদেশে তাদের একটি উৎপাদনকেন্দ্র ছিল, যেখানে প্রতি ১০০ কেজি তৈরি পণ্যে তারা মাত্র ৩ থেকে ৯ কেজি আসল কফিবীজ ব্যবহার করতেন। বাকি অংশ ছিল ভাজা সয়াবিনের গুঁড়ো, যার সঙ্গে চিনি, রং ও স্বাদবর্ধক উপাদান মেশানো হতো। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে তাদের কারবার থেকে বিন দিন, লাম ডং ও ডাক লাক প্রদেশের বাজারে নকল পণ্য সরবরাহ করা হয়।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এসব পণ্য শুধু আর্থিক প্রতারণাই নয়, গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করে। মূলত পোড়া সয়াবিন ও রাসায়নিক উপাদানে তৈরি নকল কফি পরিপাকতন্ত্রে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে, যকৃৎ ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে এবং দীর্ঘদিন পান করলে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
অতীতেও এ অঞ্চলে আরও উদ্বেগজনক ভেজালের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালে সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ ছিল, তারা বর্জ্য কফিবীজে রং করতে ব্যাটারির রাসায়নিক ব্যবহার করে সেই বিষাক্ত মিশ্রণ কালো মরিচ হিসেবে বিক্রি করছিল। ওই ঘটনা দেখায়, কৃষিজ বর্জ্য থেকে লাভ করতে জালিয়াতরা কত দূর যেতে পারে: ফেলে দেওয়া উপাদানকে দামি মসলা হিসেবে চালাতে তারা মানুষের খাওয়ার অনুপযোগী শিল্পকারখানার রং ব্যবহার করেছিল।
ঝুঁকিতে ভিয়েতনামের বিশ্বজোড়া কফির সুনাম
বিশ্বের কফি বাণিজ্যে ভিয়েতনামের বিপুল প্রাধান্যের প্রেক্ষাপটে এসব কেলেঙ্কারি সামনে এসেছে। শুধু গত বছরই ভিয়েতনাম ১৬ লাখ টন কফি রপ্তানি করেছে, যার মূল্য ৮৯০ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে ১৮.৩ শতাংশ এবং মূল্য বেড়েছে ৫৮.৮ শতাংশ। অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে এই অবস্থান ধরে রাখতে মান নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।
ভিয়েতনামের রোবাস্তা কফিবীজ ইউরোপের বাজার থেকে এশিয়ার উৎপাদনকেন্দ্র পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে পান করা ইনস্ট্যান্ট কফিপণ্যের ভিত্তি। এই সরবরাহব্যবস্থায় নকল পণ্য মিশে গেলে তা শুধু ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, নির্ভরযোগ্য কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক হিসেবে দেশের সুনামের জন্যও হুমকি। বাণিজ্যিক অংশীদাররা ধারাবাহিক মান ও নিরাপত্তার ওপর নির্ভর করে। তাই খাদ্য জালিয়াতির ঘটনা বাজারে প্রবেশাধিকার ও দর-কষাকষির ক্ষমতার জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
ভিয়েতনামের কফি শিল্প নিয়ে একাডেমিক গবেষণায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কেলেঙ্কারিগুলো পণ্য উৎপাদনের আরও গভীর কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন। ভিয়েতনামের খাদ্য নিরাপত্তা নীতি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ মান নিয়ে বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছোট কৃষকের খণ্ডিত উৎপাদনব্যবস্থা এবং বিভিন্ন মাত্রার নজরদারিতে পরিচালিত শিল্প প্রক্রিয়াজাতকরণকেন্দ্র নিয়ে গড়ে ওঠা এই খাত নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রকে ধারাবাহিক সমস্যার মুখে পড়তে হয়। হাজার হাজার খামার ও স্থাপনায় রাসায়নিক উপকরণের ব্যবহার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের মান নিয়ন্ত্রণ করতে হয় কফির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। ভেজাল মেশানোর পেছনে থাকা আর্থিক চাপ এই কাজকে আরও জটিল করে তোলে।
স্বাস্থ্যঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ
জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, কর্তৃপক্ষ লাম ডংয়ের কারবারের সঙ্গে যুক্ত আরও উৎপাদনকেন্দ্র বা বিতরণ নেটওয়ার্কের সন্ধান পেতে পারে। লুওং ভিয়েত কিয়েমের গুদাম নিয়ে ফৌজদারি তদন্ত জোরালো আইন প্রয়োগের ইঙ্গিত দিলেও, নুয়েন কুয়াং থোর মতো ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে নকল কফি এখনও ব্যাপকভাবে রয়েছে।
নকল গুঁড়ো কফি শনাক্ত করতে ক্রেতাদের বিশেষ সমস্যায় পড়তে হয়, কারণ খাদ্যোপযোগী রং ও সুগন্ধি উপাদান দিয়ে চেহারা ও গন্ধ কৃত্রিমভাবে নকল করা যায়। পরীক্ষাগারে পরীক্ষা ছাড়া খাঁটি কফি ও সয়াবিন মেশানো পণ্যের পার্থক্য সাধারণ ক্রেতার পক্ষে বোঝা কঠিন। আটক ট্রাকে যথাযথ নথিপত্র না থাকায় বোঝা যায়, কীভাবে নকল পণ্য আনুষ্ঠানিক মান নিশ্চয়তা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যায়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সয়াবিন নিজে কোনো বিপদ ডেকে আনে না, তবে একে কফির বিকল্পে রূপ দিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক মিশ্রণ উদ্বেগজনক। অনিয়ন্ত্রিত উপাদানের মধ্যে থাকতে পারে খাদ্যে ব্যবহারের অনুমোদনহীন কৃত্রিম রং, শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত সুগন্ধি উপাদান এবং গরম পানীয়ে খাওয়ার জন্য নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়নি এমন সংরক্ষক। এসব পদার্থের সম্মিলিত প্রভাব নিয়ে গবেষণা খুবই সীমিত, ফলে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি সম্পর্কে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো নজরদারি জোরদারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি প্রদেশজুড়ে উৎপাদনকেন্দ্র ছড়িয়ে থাকায় নজরদারি কঠিন হয়ে পড়ে। ক্ষুদ্র কৃষক থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার কর্মী পর্যন্ত লাখ লাখ ভিয়েতনামি মানুষের কর্মসংস্থান এই কফি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। ফলে কঠোর আইন প্রয়োগের পদক্ষেপে জীবিকা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, যা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়।
মূল কথা
- ভিয়েতনামের লাম ডং প্রদেশে অভিযানে পুলিশ ৪.১ টন নকল কফিপণ্য ও ৩ টন কাঁচামাল জব্দ করেছে
- গুদামের মালিক লুওং ভিয়েত কিয়েম স্বীকার করেছেন, নকল গুঁড়ো কফি তৈরিতে তিনি কফিবীজের সঙ্গে সয়াবিন ও রাসায়নিক সুগন্ধি মেশাতেন
- নথিপত্রহীন ৫২৮ কেজি কফিপণ্য বহনকারী একটি ট্রাক আটকের পর তদন্ত শুরু হয়
- সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে কফিবীজের দাম সয়াবিনের প্রায় তিন গুণ, যা ভেজাল মেশানোর আর্থিক প্রণোদনা তৈরি করে
- ২০২৫ সালের জুনে একই ধরনের এক ঘটনায় একটি দম্পতি মাত্র ৩-৯ শতাংশ আসল কফিবীজ দিয়ে তৈরি ২০ টনের বেশি নকল কফি বিতরণ করেছিল
- স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, রাসায়নিক উপাদানযুক্ত নকল কফি যকৃৎ, কিডনি ও পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে
- ২০২৪ সালে ভিয়েতনাম ৮৯০ কোটি ডলার মূল্যের ১৬ লাখ টন কফি রপ্তানি করেছে। জাতীয় অর্থনীতির জন্য মান নিয়ন্ত্রণ তাই অপরিহার্য
- যে সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস অঞ্চলে অভিযানটি চালানো হয়েছে, সেখানেই ভিয়েতনামের বেশির ভাগ রোবাস্তা কফি উৎপাদিত হয়; ইনস্ট্যান্ট কফি তৈরিতে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জাত এটি






