হঠাৎ করে বহু মানুষের বেরিয়ে আসা
দেশটিতে সক্রিয় বহু বিলিয়ন ডলারের মানবপাচার নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে আন্তর্জাতিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার পর, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কম্বোডিয়ার বিভিন্ন প্রতারণাকেন্দ্র থেকে হাজারো মানুষ পালিয়েছেন বা মুক্তি পেয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান যাচাই করা ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, অতিমাত্রায় সুরক্ষিত এসব স্থাপনা থেকে মানুষ বেরিয়ে আসছেন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে, প্রায়ই কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা বা সহায়তা ছাড়াই। নমপেনে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাস জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া ১,৪৪০ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এদিকে, সহায়তা চেয়ে দূতাবাসের বাইরে চীনা নাগরিকদের বড় ভিড় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
সূচিপত্র
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অন্তত ১০টি পৃথক প্রতারণাকেন্দ্রের ভিডিও যাচাই করে জানিয়েছে, মুক্তি পাওয়া মানুষের সংখ্যা হাজারের ঘরে। সংস্থাটির আঞ্চলিক গবেষণা পরিচালক মন্টসে ফেরের বলেন, এসব মুক্তির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। কিছু ভিডিওতে কর্মকর্তাদের দেখা যায়, আবার অন্যগুলোতে তারা অনুপস্থিত। এই সমন্বয়হীনতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এত বিপুলসংখ্যক কর্মীর দ্রুত চলে যাওয়ায় মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। সুশৃঙ্খল সহায়তা ব্যবস্থা না থাকায়, কনস্যুলার সহায়তার অপেক্ষায় অনেক ভুক্তভোগীকে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে অথবা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। যথাযথ সুরক্ষা না পেলে তাদের অন্য প্রতারণাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হতে পারে, কিংবা তারা ভিন্ন অপরাধী নেটওয়ার্কের শিকার হতে পারেন—এমন বাস্তব আশঙ্কা রয়েছে।
মুক্তি পাওয়া কর্মীদের ঝুঁকি নিয়ে মন্টসে ফেরের বলেন, "আমরা দেখেছি, মানুষকে অন্য কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করা হয়। কেউ পালিয়ে গেলেও কোথায় যাবে বা এরপর কী করবে, তা না জানলে শেষ পর্যন্ত সে আরেকটি কেন্দ্রে গিয়ে পড়তে পারে।"
প্রতারণা শিল্পের ভেতরের চিত্র
কম্বোডিয়াজুড়ে যেসব স্থাপনা খালি হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রসারিত একটি বিশাল শিল্পের অংশ। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, শুধু কম্বোডিয়াতেই এসব কেন্দ্রে প্রায় ১ লাখ মানুষ কাজ করেন। উচ্চ বেতনের আইটি বা গ্রাহকসেবা-সংক্রান্ত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায়ই কর্মীদের নিয়োগ করা হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয় এবং অনলাইন জালিয়াতিতে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়।
এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণত প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি জালিয়াতি জড়িত; এগুলোকে প্রায়ই "পিগ বুচারিং" প্রতারণা বলা হয়। এসব কৌশলে কর্মীরা অনলাইনে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ভুয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রতারণামূলক প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগে রাজি করান। এই জালিয়াতির ব্যাপকতা বিস্ময়কর। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এফবিআইয়ের ইন্টারনেট ক্রাইম কমপ্লেইন্ট সেন্টার জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিনিয়োগ জালিয়াতিতে ক্ষতির পরিমাণ ৪.৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। ওই বছর ক্রিপ্টোকারেন্সি-সম্পর্কিত জালিয়াতি ৫৩ শতাংশ বেড়েছিল।
কেন্দ্রগুলোর ভেতরের জীবন নিষ্ঠুর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে বা আদেশ অমান্য করার চেষ্টা করলে কর্মীদের ওপর নির্যাতন, মারধর ও বৈদ্যুতিক শক প্রয়োগ করা হয়। থাকার জায়গা গাদাগাদি ও অস্বাস্থ্যকর। কাঁটাতারের বেড়া ও নজরদারি ক্যামেরা দিয়ে ঘেরা কারাগারের মতো স্থাপনায় প্রায়ই ভুক্তভোগীদের রাখা হয়। সাম্প্রতিক মুক্তির ঘটনাগুলো দাসত্বের এই আধুনিক রূপের ব্যাপকতা সম্পর্কে ধারণা দেয়।
বিশ্বের নিষেধাজ্ঞায় দমন অভিযান
এসব কেন্দ্র থেকে হঠাৎ করে এত মানুষের বেরিয়ে যাওয়ার পেছনে আন্তর্জাতিক নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা জোরদার হওয়ার সরাসরি প্রভাব রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এশিয়া সেন্টারের ভিজিটিং ফেলো এবং আন্তর্দেশীয় অপরাধবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যাকব সিমস সাম্প্রতিক মুক্তির ঘটনাগুলোকে নজিরবিহীন বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন বিদেশি সরকারের ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে এই পরিবর্তন ঘটেছে।
এই চাপের বড় একটি অনুঘটক ছিল চেন ঝির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ পদক্ষেপ। চীনে জন্ম নেওয়া কম্বোডীয় ধনকুবের এবং প্রিন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান চেন ঝিকে গত বছরের অক্টোবরে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে দেশ দুটি। অনলাইন বিনিয়োগ জালিয়াতির মাধ্যমে "আন্তর্দেশীয় অপরাধী সাম্রাজ্য" পরিচালনার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ফ্লোরিডার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে ৬২টি অভিযোগসংবলিত একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করে। তাঁর বিরুদ্ধে অর্থপাচার, তারের মাধ্যমে জালিয়াতি এবং ব্যাংক জালিয়াতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চেন ঝি ও তাঁর সহযোগীরা ৮০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অবৈধ অর্থ আয় করেছেন এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ও বিলাসবহুল সম্পদের মাধ্যমে তা পাচার করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে চেন ঝিকে গ্রেপ্তার করে চীনে প্রত্যর্পণ করা হয়। কম্বোডিয়ায় সক্রিয় অপরাধী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে জোরালো পদক্ষেপগুলোর একটি এটি। এর মাধ্যমে অন্য অপরাধী চক্রগুলোকে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, এই শিল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে।
সরকারি যোগসাজশের অভিযোগ
কম্বোডিয়া সরকার সাইবার প্রতারণা নির্মূলের অঙ্গীকার করলেও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, দেশটির কর্মকর্তারা অতীতে এ বাণিজ্যকে উপেক্ষা করেছেন, এমনকি এতে সক্রিয়ভাবে অংশও নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২৪ সালের মানবপাচারবিষয়ক প্রতিবেদনে কম্বোডিয়াকে সর্বনিম্ন, টিয়ার ৩-এ রাখা হয়েছে। এর অর্থ, মানবপাচার নির্মূলে সরকার ন্যূনতম মান পূরণ করছে না এবং তা করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপও নিচ্ছে না।
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সরকারের কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও উপদেষ্টার এমন সম্পত্তি রয়েছে, যেগুলো অনলাইন প্রতারণাকারীরা ব্যবহার করেন। এ সম্পৃক্ততার কারণে আইন প্রয়োগে বাছাই করা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা মানবপাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করেছে। আর্থিক প্রণোদনাও শক্তিশালী। যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্টিটিউট অব পিসের হিসাব অনুযায়ী, কম্বোডিয়ায় সাইবার প্রতারণা থেকে বছরে ১২.৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় হয়, যা দেশটির আনুষ্ঠানিক মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক।
জ্যাকব সিমস বলেন, এই শিল্প "শাসকগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হয়েছে"। অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অভিজাতদের সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক থাকায় প্রকৃত অর্থে আইন প্রয়োগ কঠিন হয়ে পড়েছে। জোরপূর্বক শ্রমের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবাধিকার লঙ্ঘনে ভূমিকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় কম্বোডীয় সিনেটর ও ধনকুবের লি ইয়ং ফাত, তাঁর ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এল.ওয়াই.পি. গ্রুপ এবং ও-স্মাচ রিসোর্টের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এতে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে।
মুক্তি পাওয়া ভুক্তভোগীদের মানবিক সংকট
কেন্দ্রগুলো থেকে বেরিয়ে আসার পর ভুক্তভোগীরা নতুন ধরনের বিপদের মুখে পড়ছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সতর্কতা, যথাযথ যাচাই ও সহায়তা না পেলে এসব মানুষের আবারও পাচারের শিকার হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কম্বোডীয় কর্তৃপক্ষ প্রায়ই কর্মীদের মধ্যে মানবপাচারের লক্ষণ আছে কি না, তা যাচাই করতে ব্যর্থ হয়। বরং তাদের অনথিভুক্ত অভিবাসী বা অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য আটক রাখা হয়েছে এবং মুক্তির জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে মানবিক ও মানবাধিকার সংকট হিসেবে অভিহিত করে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা জোর দিয়ে বলেছেন, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের প্রত্যাবর্তন অবশ্যই সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদা বজায় রেখে হতে হবে। তবে মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, বর্তমানে অনেক ভুক্তভোগী মৌলিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী, আশ্রয় বা আইনি নথি ছাড়াই আটকে আছেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল কম্বোডিয়া সরকারকে এসব মানুষের ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পাওয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে, নির্যাতনের ঝুঁকি আছে এমন দেশে ভুক্তভোগীদের জোর করে ফেরত পাঠানো যাবে না। অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে। সমন্বিত সহায়তা নেটওয়ার্কের অভাবে হাজারো মানুষ অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন।
আঞ্চলিক উত্তেজনা ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকি
কম্বোডিয়ায় দমন অভিযান প্রতারণাকারী চক্রের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আঞ্চলিক লড়াইয়ের অংশ। ইন্টারপোল ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার চাপের পর মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাও বিভিন্ন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়েছে। তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের পর কেন্দ্রগুলো দ্রুত আবার চালু হয়। সীমান্তপারের উত্তেজনা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে, থাইল্যান্ড সম্প্রতি কম্বোডিয়া সীমান্তবর্তী ও-স্মাচ শহরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। থাইল্যান্ডের দাবি, লক্ষ্যবস্তুগুলো ছিল সামরিক ঘাঁটি। তবে স্থানীয়রা সেগুলোকে বিদেশি কর্মীদের রাখা প্রতারণাকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
অন্য দেশগুলোও পদক্ষেপ নিচ্ছে। কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো কয়েক ডজন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ। কম্বোডিয়াভিত্তিক প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করেছে জাপানি কর্তৃপক্ষ। তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা, কম্বোডিয়ায় চাপ বাড়লে অপরাধী নেটওয়ার্কগুলো দুর্বল আইন প্রয়োগের অঞ্চল, যেমন লাওস বা মিয়ানমারের প্রত্যন্ত এলাকায়, তাদের কার্যক্রম সরিয়ে নিতে পারে।
এগিয়ে যাওয়ার পথের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখা জরুরি। জ্যাকব সিমসের মতে, সাম্প্রতিক মুক্তির ঘটনাগুলো আশাব্যঞ্জক হলেও চাপ বজায় না থাকলে সমস্যাটি আবার ফিরে আসবে। এই শিল্প প্রমাণ করেছে যে এটি টিকে থাকতে সক্ষম এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। অব্যাহত কূটনৈতিক ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা এবং ভুক্তভোগীদের জন্য জোরালো সহায়তা না থাকলে মানবপাচারের চক্র চলতেই থাকবে।
মূল বিষয়গুলো
- আন্তর্জাতিক চাপের পর কম্বোডিয়ার প্রতারণাকেন্দ্রগুলো থেকে হাজারো মানুষ মুক্তি পেয়েছেন বা পালিয়েছেন।
- যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ধনকুবের চেন ঝির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়; পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে চীনে প্রত্যর্পণ করা হয়।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ধারণা, সাম্প্রতিক মুক্তির ঘটনায় অন্তত ১০টি কেন্দ্রের হাজারো মানুষ জড়িত।
- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, কম্বোডিয়ার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন সম্পত্তি রয়েছে, যা প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা, যথাযথ সহায়তা ও যাচাই না পেলে মুক্তি পাওয়া ভুক্তভোগীদের আবারও পাচারের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
- কম্বোডিয়ায় প্রতারণা শিল্প থেকে বছরে আনুমানিক ১২.৫ বিলিয়ন ডলার আয় হয়, যা দেশটির আনুষ্ঠানিক মোট দেশজ উৎপাদনের অর্ধেক।






