ফ্রি এজেন্ট চুক্তির খরচে বড় পরিবর্তন
নিপ্পন প্রফেশনাল বেসবল (এনপিবি) এবং জাপান প্রফেশনাল বেসবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এমন একটি ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে, যার কারণে কোনো খেলোয়াড়ের ক্লাব অন্য কাউকে চুক্তিবদ্ধ করায় ওই খেলোয়াড়কে দল বদল করতে হতে পারে। আগামী অফসিজন থেকে যোগ্য ফ্রি এজেন্টের দলবদলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বর্তমান খেলোয়াড়ের বদলে ড্রাফট পিক বা অর্থ দেওয়া হবে।
সূচিপত্র
- ফ্রি এজেন্ট চুক্তির খরচে বড় পরিবর্তন
- বর্তমান খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা যেভাবে কাজ করে
- বেতন-ক্রমের কোন অবস্থানে ক্ষতিপূরণ কমবে?
- অভিজ্ঞ খেলোয়াড়েরা আগেই ক্ষতিপূরণ থেকে অব্যাহতি পাবেন
- ড্রাফট পিক হস্তান্তরের অর্থ কী
- কেন ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা সমঝোতায় পৌঁছেছে
- সাম্প্রতিক এক দলবদলে ফুটে উঠেছে ব্যক্তিগত প্রভাব
- পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে কখন
- মূল বিষয়গুলো
এনপিবির নির্বাহী কমিটির অনুমোদিত এ সমঝোতায় কিছু দলবদলকে ক্ষতিপূরণের আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্তও রয়েছে। এ অফসিজন থেকেই ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়দের বেতন-ক্রম যা-ই হোক, কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। বেতন-ক্রমের পরিবর্তনে প্রতিটি ক্লাবে আরও দুজন খেলোয়াড় ক্ষতিপূরণের আওতার বাইরে থাকবেন; অষ্টম স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে শুধু অর্থ দিতে হবে।
এ পরিবর্তন দুটি সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করবে। খেলোয়াড়দের যুক্তি, ক্ষতিপূরণের কারণে ক্লাবগুলো ফ্রি এজেন্টদের চুক্তিবদ্ধ করতে কম আগ্রহী হয়। অন্যদিকে, নতুন চুক্তির ফলে অন্য একটি ক্লাব কোনো খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার অধিকার পেলে নিজেদের বর্তমান দলের কোন খেলোয়াড়দের সুরক্ষিত রাখা হবে, তা ঠিক করতে ক্লাবগুলোকে হিমশিম খেতে হয়।
নতুন কাঠামোটি ২০২৯ সালের অফসিজনে পর্যালোচনার শর্তে খেলোয়াড়দের সংগঠন এতে সম্মতি দিয়েছে। নির্ধারিত ওই পর্যালোচনায় খেলোয়াড়ের বদলে ড্রাফট পিক দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়োগ এবং খেলোয়াড়দের দলবদলে কী প্রভাব ফেলে, তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে।
বর্তমান খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা যেভাবে কাজ করে
বর্তমান ব্যবস্থায়, যোগ্য কোনো ফ্রি এজেন্টকে হারানো ক্লাব তাকে চুক্তিবদ্ধ করা দল থেকে একজন খেলোয়াড় পেতে পারে। ক্ষতিপূরণ প্রযোজ্য হবে কি না, তা নির্ভর করে ক্লাব ছেড়ে যাওয়া খেলোয়াড়ের সাবেক দলের বেতন-ক্রমে তার অবস্থানের ওপর।
চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাব ২৮ জন সুরক্ষিত খেলোয়াড়ের একটি তালিকা তৈরি করে। প্রযোজ্য ক্ষতিপূরণবিধিতে অনুমতি থাকলে সাবেক ক্লাব ওই তালিকার বাইরের যোগ্য খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে একজনকে বেছে নিতে পারে। এভাবে নির্বাচিত খেলোয়াড়ের দলবদল ঘটে অন্য একজনের চুক্তির সিদ্ধান্তের কারণে, ফ্রি এজেন্সিতে যাওয়ার নিজের সিদ্ধান্তে নয়।
তাই সম্ভাব্য খেলোয়াড়কে চুক্তিবদ্ধ করার সময় ক্লাবকে শুধু প্রস্তাবিত বেতন বিবেচনা করলেই চলে না। নিজেদের দলে থাকা কারও সম্ভাব্য ক্ষতিও হিসাব করতে হয়। শুধু বেতনের দিক থেকে সাশ্রয়ী মনে হওয়া কোনো খেলোয়াড়কে চুক্তিবদ্ধ করা অতিরিক্ত এই খরচ যোগ হলে কম আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
সুরক্ষিত খেলোয়াড়দের তালিকা চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাবকে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ফেলে। একজনকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে অন্য কেউ তালিকার বাইরে চলে যেতে পারেন; তিনি হতে পারেন পরিচিত কোনো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়, অথবা ক্লাবের বহু বছরের গড়ে তোলা তরুণ খেলোয়াড়। জনপ্রিয় কোনো খেলোয়াড়কে হারালে সমর্থকদের সমালোচনাও আসতে পারে।
নতুন সমঝোতায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে বর্তমান দলের খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ হচ্ছে। এতে চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাবকে কী ছাড়তে হবে তা বদলাবে, তবে কিছু ফ্রি এজেন্টের দলবদলে ক্ষতিপূরণ বহাল থাকবে।
বেতন-ক্রমের কোন অবস্থানে ক্ষতিপূরণ কমবে?
সংস্কারে বি শ্রেণির নিচের দিকটি বদলানো হচ্ছে, যেখানে দল বদলাতে চাওয়া খেলোয়াড়দের জন্য ক্ষতিপূরণ ছিল উদ্বেগের বিষয়। আগে কোনো ক্লাবের বেতন-ক্রমে দশম স্থানে থাকা খেলোয়াড় পর্যন্ত এ শ্রেণিতে পড়তেন।
আগের বি শ্রেণির সর্বনিম্ন দুটি অবস্থান, নবম ও দশম, সি শ্রেণিতে চলে যাবে। সি শ্রেণির খেলোয়াড়েরা ক্ষতিপূরণ ছাড়াই ফ্রি এজেন্সির মাধ্যমে ক্লাব বদলাতে পারবেন। অষ্টম স্থানে থাকা খেলোয়াড় ক্ষতিপূরণের আওতায় থাকবেন, তবে শুধু অর্থ দিতে হবে।
বেতনের ক্রমে অষ্টম থেকে দশম অবস্থানে থাকা খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে পরিবর্তনে দুটি ভিন্ন ফল হবে:
- অষ্টম স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের জন্য শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
- নবম ও দশম স্থানে থাকা খেলোয়াড়েরা সি শ্রেণিতে চলে যাবেন এবং তাঁদের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ লাগবে না।
এ অবস্থানগুলো একটি দলের ভেতরের বেতন-ক্রম অনুযায়ী, জাপানের বেসবলজুড়ে প্রযোজ্য কোনো একক বেতনসীমা নয়। ভিন্ন দুই ক্লাবে কাছাকাছি বেতন পাওয়া খেলোয়াড়ও নিজ নিজ দলের বেতন-তালিকায় ভিন্ন অবস্থানে থাকতে পারেন।
খেলোয়াড়দের সংগঠনের এক প্রতিনিধি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে আগের বি শ্রেণির নিচের দিকে থাকা খেলোয়াড়দের দলবদল অনেক বেশি সক্রিয় হবে। কারণটি সরল: ওই খেলোয়াড়দের কাউকে নিতে আগ্রহী ক্লাবকে কম ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, অথবা কিছুই দিতে হবে না।
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়েরা আগেই ক্ষতিপূরণ থেকে অব্যাহতি পাবেন
৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়েরা এ অফসিজন থেকেই ক্ষতিপূরণ থেকে অব্যাহতি পাবেন। খেলোয়াড়ের ক্ষতিপূরণের বদলে ড্রাফট পিক দেওয়ার ব্যবস্থা চালুর এক অফসিজন আগেই এ পরিবর্তন কার্যকর হবে। চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাবকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে কি না, তা আর ওই খেলোয়াড়ের বেতন-ক্রমের ওপর নির্ভর করবে না।
এ অব্যাহতি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বয়স ও বেতন-ক্রম আলাদা প্রশ্নের উত্তর দেয়। কোনো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের ক্লাবের বেতন-তালিকায় অবস্থান উঁচু হতে পারে, যদিও অন্য দল তাকে সীমিত ভূমিকার জন্য বিবেচনা করছে। ক্ষতিপূরণ তুলে দিলে ওই খেলোয়াড়কে চুক্তিবদ্ধ করার সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত খরচ কমে যায়।
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের দলবদল সহজ করাই এ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য। সম্ভাব্য নতুন ক্লাবকে এখনও বেতন ও চুক্তির শর্তে একমত হতে হবে, তবে অন্তত ৩৫ বছর বয়সী খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বাধ্যবাধকতা আর সিদ্ধান্তটির অংশ থাকবে না।
বয়সের ভিত্তিতে অব্যাহতির ব্যবস্থাটিকে জাপানের একচেটিয়া-বাণিজ্যবিরোধী আইনের সঙ্গে সাধারণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও বর্ণনা করা হয়েছে। আইনি আলোচনায় খেলোয়াড়ের পেছনে ক্লাবের অতীত অবদান এবং খেলোয়াড় চলে গেলে সেই মূল্য পুনরুদ্ধারের সক্ষমতার সঙ্গে ক্ষতিপূরণের সম্পর্ক বিবেচনা করা হয়। যোগ্য অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে বাস্তব পরিবর্তনটি সহজ: তাঁদের নতুন ক্লাবকে ফ্রি এজেন্টের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না।
ড্রাফট পিক হস্তান্তরের অর্থ কী
ড্রাফট পিকের মাধ্যমে কোনো ক্লাব ড্রাফটে নতুন খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়। নতুন কাঠামোয় যোগ্য কোনো ফ্রি এজেন্টকে হারানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ওই সুযোগ হস্তান্তর করা হবে।
পার্থক্য হলো, খরচ কখন এবং কোথায় পড়বে। খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণে চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাবের হয়ে ইতিমধ্যে অনুশীলন ও খেলা করা কাউকে হারাতে হতে পারে। ড্রাফট-ক্ষতিপূরণে প্রভাব পড়বে ভবিষ্যতে খেলোয়াড় নিয়োগের সুযোগে।
ফ্রি এজেন্টকে হারানো ক্লাব অন্য দলের বর্তমান স্কোয়াড থেকে কাউকে বেছে নেওয়ার বদলে ড্রাফটে খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ পাবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাব বর্তমান খেলোয়াড়দের ধরে রাখতে পারবে, তবে ভবিষ্যৎ নিয়োগের সক্ষমতার একটি অংশ ছেড়ে দেবে।
এখানে বর্ণিত ঘোষণায় ড্রাফটের কোন কোন রাউন্ড প্রযোজ্য হবে এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিস্তারিত পদ্ধতি কী, তা নির্দিষ্ট করা হয়নি। দল ছেড়ে যাওয়া ফ্রি এজেন্টের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হবে এবং কোন ড্রাফট নির্বাচন হস্তান্তর করা হবে, সেগুলো এখনও কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয়।
দলবদলের দুই পক্ষের জন্যই এ বিস্তারিত তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত আগের দিকের নির্বাচন পরের দিকের নির্বাচনের চেয়ে নতুন খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার বেশি সুযোগ দেয়। চুক্তির পূর্ণ খরচ হিসাব করার আগে ক্লাবগুলোকে জানতে হবে, কোন সুযোগটি তারা হারাতে পারে।
কেন ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা সমঝোতায় পৌঁছেছে
সংস্কার নিয়ে এনপিবি ক্লাব ও খেলোয়াড়দের সংগঠনের উদ্বেগ ছিল ভিন্ন। ক্লাবগুলো বর্তমান খেলোয়াড় হারানো এবং অজনপ্রিয় ক্ষতিপূরণ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পর সমালোচনা এড়াতে চেয়েছে। অন্যদিকে, খেলোয়াড়দের সংগঠন চেয়েছে ফ্রি এজেন্সি খেলোয়াড়দের জন্য সহজতর হোক।
২৮ জন সুরক্ষিত খেলোয়াড়ের তালিকাটি দুই পক্ষের উদ্বেগকে এক জায়গায় এনেছিল। কোনো ক্লাব পছন্দের ফ্রি এজেন্টকে দলে নেওয়ার পর আরেকজন মূল্যবান খেলোয়াড়কে হারানোর মুখে পড়তে পারত। সেই সম্ভাব্য ক্ষতির কারণেই আবার প্রথম থেকেই ফ্রি এজেন্টকে দলে নেওয়ার চেষ্টা নিরুৎসাহিত হতে পারত।
খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ তুলে দিলে বর্তমান স্কোয়াডে অস্থিরতা কমবে। আগের বি শ্রেণির নিচের দিকে থাকা খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ কমানো বা পুরোপুরি তুলে নেওয়া নিয়োগের খরচও কমাবে; বাজারে যাঁদের অবস্থান অতিরিক্ত বাধ্যবাধকতার কারণে বিশেষভাবে প্রভাবিত হতে পারে, তাঁরা এর আওতায় পড়বেন।
খেলোয়াড়দের সংগঠন জানিয়েছে, খেলোয়াড়েরা আগে খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন। নতুন ব্যবস্থার প্রতি সংগঠনের সমর্থনের পাশাপাশি, নিয়মগুলো কীভাবে কার্যকর হচ্ছে তা নিয়ে এনপিবির সঙ্গে আলোচনা এবং নতুন কাঠামোর ওপর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
সংগঠনটি ফ্রি এজেন্সিকে বহু বছরের প্রচেষ্টায় অর্জিত অধিকার হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের ঘোষিত লক্ষ্য, এ অধিকার প্রয়োগ আরও সহজ করা। নতুন ব্যবস্থা সহায়ক হচ্ছে কি না, তা মূল্যায়নের সুযোগ দেবে ২০২৯ সালের পর্যালোচনা।
সাম্প্রতিক এক দলবদলে ফুটে উঠেছে ব্যক্তিগত প্রভাব
দেনার তাকেরু ফুরুইচির ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ কীভাবে কোনো খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারকে প্রভাবিত করতে পারে, তার উদাহরণ। মাসাশি কুওয়াহারার ফ্রি এজেন্ট হিসেবে দলবদলের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্ষতিপূরণ হিসেবে তিনি দল বদলান এবং সাম্প্রতিক জাপান সিরিজে নজর কাড়েন।
তাঁর অভিজ্ঞতা দেখায়, বিষয়টি ফ্রি এজেন্ট ও আগ্রহী দলের মধ্যে চুক্তি আলোচনার গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়। খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থায় চুক্তিবদ্ধকারী ক্লাবের অন্য একজন খেলোয়াড়ও লেনদেনের অংশ হয়ে যেতে পারেন, যদিও অন্য কোথাও নতুন চুক্তি খুঁজছিলেন না তিনি।
ক্লাবের জন্য এমন দলবদল তাদের গড়ে তোলা স্কোয়াড বদলে দেয়। নির্বাচিত খেলোয়াড়ের জন্য এর অর্থ নতুন দল এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভিন্ন সুযোগ। আর সমর্থকদের জন্য বড় কোনো চুক্তি উদ্যাপনের পরপরই পরিচিত খেলোয়াড়কে হারানোর অর্থ হতে পারে।
সম্মত সংস্কারে অনিচ্ছাকৃত দলবদলের এই নির্দিষ্ট পথ বন্ধ হবে। যোগ্য দলবদলের ক্ষেত্রে অন্য উপায়ে ক্ষতিপূরণ বহাল থাকবে। তাই ফ্রি এজেন্টকে দলে নেওয়ার সুবিধার বিপরীতে অর্থ বা ড্রাফটে খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগের খরচ বিবেচনা করতে হবে ক্লাবগুলোকে।
পরিবর্তনগুলো কার্যকর হবে কখন
সমঝোতায় ধাপে ধাপে পরিবর্তনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথমে বয়স্ক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে, এরপর খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণের বদলে অন্য ব্যবস্থা চালু হবে এবং সবশেষে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা হবে।
- এ অফসিজন: বেতন-ক্রম যা-ই হোক, ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়েরা ক্ষতিপূরণ থেকে অব্যাহতি পাবেন।
- আগামী অফসিজন: খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ বাতিল হবে; এর বদলে ড্রাফট পিক হস্তান্তর বা আর্থিক ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা চালু হবে।
- ২০২৯ সালের অফসিজন: এনপিবি ও খেলোয়াড়দের সংগঠন নতুন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে।
বেতন-শ্রেণির পরিবর্তনও সমঝোতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ: আগের নবম ও দশম অবস্থানে থাকা খেলোয়াড়েরা ক্ষতিপূরণ থেকে অব্যাহতি পাবেন, আর অষ্টম স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে শুধু অর্থ দিতে হবে।
ব্যবস্থাটি কার্যকর হওয়ার পর ২০২৯ সালের পর্যালোচনায় এনপিবি ও সংগঠন এর কার্যকারিতা যাচাই করতে পারবে। ড্রাফট-ক্ষতিপূরণ বাস্তবে কীভাবে কাজ করবে এবং সংশোধিত খরচ ফ্রি এজেন্সির ব্যবহার সহজ করবে কি না, তা নিয়ে তাদের চলমান আলোচনায় সমাধান করতে হবে।
দল বদলের কথা ভাবছেন এমন খেলোয়াড়দের জন্য তাৎক্ষণিক প্রশ্ন হবে, তাঁদের অফসিজন ও বেতন-শ্রেণিতে কোন নিয়ম প্রযোজ্য। ক্লাবগুলোর ক্ষেত্রে হিসাবের কেন্দ্রবিন্দু বদলে যাবে: বর্তমান কোন খেলোয়াড় দল ছাড়তে পারেন, তা থেকে সরে এসে চুক্তির জন্য কত অর্থ বা ভবিষ্যতের কোন ড্রাফট-সুযোগ ছাড়তে হবে, সেটিই মুখ্য হবে।
মূল বিষয়গুলো
- আগামী অফসিজন থেকে ফ্রি এজেন্টের দলবদলে খেলোয়াড়-ক্ষতিপূরণ বাতিল করতে সম্মত হয়েছে এনপিবি ও খেলোয়াড়দের সংগঠন।
- যোগ্য খেলোয়াড় দল ছাড়লে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বর্তমান খেলোয়াড়ের বদলে ড্রাফট পিক বা অর্থ দেওয়া হবে।
- এ অফসিজন থেকে ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সী খেলোয়াড়দের কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না।
- আগের বেতন-ক্রমের নবম ও দশম অবস্থান সি শ্রেণিতে চলে যাবে এবং কোনো ক্ষতিপূরণ লাগবে না। অষ্টম স্থানে থাকলে শুধু অর্থ দিতে হবে।
- বর্তমান ব্যবস্থায় ২৮ জন সুরক্ষিত খেলোয়াড়ের তালিকা থাকে; ক্ষতিপূরণ হিসেবে অন্য যোগ্য খেলোয়াড়দের বেছে নেওয়া যায়।
- ২০২৯ সালের অফসিজনে নতুন ব্যবস্থা পর্যালোচনার কথা রয়েছে।






