মুহূর্তের দ্রুত এক চালেই আলোচনায় ইউজিন
গ্রুপের ছয় গানের EP Looks Can Kill প্রকাশের নির্ধারিত তারিখের মাত্র তিন দিন আগে, ২৩ অক্টোবর IVE-এর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে দলনেতা আন ইউজিনের দ্রুত কোরিওগ্রাফির একটি ক্লিপ শেয়ার করা হয়। এতে ভক্তদের একটি চ্যালেঞ্জে নতুন গতি আসে। টাইটেল গানে তাঁর আকস্মিক এই নড়াচড়া বারবার দেখার আগ্রহ তৈরি করেছে, সুপারহিরোর সঙ্গে মজার তুলনা টেনেছে এবং #QUICKJINCHALLENGE হ্যাশট্যাগে তা নকল করার চেষ্টা শুরু হয়েছে।
সূচিপত্র
১৯ অক্টোবর সিঙ্গেলটি প্রকাশের পর এবং ২২ অক্টোবর Mnet-এর M Countdown-এ গানটির প্রথম টেলিভিশন মিউজিক শো পরিবেশনার পর এই আগ্রহ দেখা দেয়। ভিডিওতে মুহূর্তের জন্য গ্লিচ হওয়ার মতো অবস্থান বদলের কারণে ভক্তরা ইউজিনকে "কুইকসিলভার ইউজিন" ও "গ্লিচিন" নামে ডাকছেন। তাঁদের বর্ণনায়, তাঁর অবস্থান বদল এত দ্রুত যে ভিডিওতে সাময়িক গ্লিচের মতো এক অবস্থান থেকে আরেক অবস্থানে চলে যান তিনি।
ছয় সদস্যের ব্যস্ত কোরিওগ্রাফিরই অংশ ইউজিনের এই বিশেষ মুহূর্ত: আন ইউজিন, গেউল, রেই, জাং ওনইয়ং, লিজ ও লিসো। এতে দ্রুত ফরমেশন বদল, একের পর এক সদস্যের করা নড়াচড়া এবং কাউকে বন্দুক তাক করতে দেখানোর মতো সমন্বিত অঙ্গভঙ্গি রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব খুঁটিনাটি পরিবেশনায় প্রকাশটির "গার্ল হিরো" ধারণাকে তুলে ধরে।
নাচের ক্লিপের বাইরেও গানটি নজর কাড়ছে। অডিও প্রকাশের পর টানা চার দিন এটি মেলনের Global-K চার্টের শীর্ষে ছিল, আর মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবের দৈনিক জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও চার্টে ১ নম্বরে পৌঁছায়। একই নামের পূর্ণাঙ্গ EP প্রকাশের তারিখ ২৬ অক্টোবর। ফলে অল্প ব্যবধানে প্রকাশ ও পরিবেশনার ধারাবাহিকতার মধ্যে চ্যালেঞ্জটিরও জায়গা হয়েছে।
যে কারণে ভক্তরা নড়াচড়াটি বারবার দেখছেন
চ্যালেঞ্জটির মূল আকর্ষণ ইউজিনের গতি। এক অবস্থান থেকে আরেকটিতে তিনি কত দ্রুত যান, তা নিয়েই দর্শকদের আগ্রহ; কেউ কেউ এই দৃশ্যের সঙ্গে টেলিপোর্টেশনের তুলনা করেছেন। "কুইকসিলভার ইউজিন" ডাকনামটি সেই ধারণাকে সুপারহিরোর প্রসঙ্গে তুলে এনেছে, যা গ্রুপের বর্তমান ভাবনার সঙ্গেও মানানসই।
অনলাইনে আলোচনায় সংগৃহীত ভক্তদের ১০টি প্রতিক্রিয়ায় বারবার তাঁর ক্ষিপ্রতা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েকজন মন্তব্যকারী বলেছেন, বারবার দেখেও তাঁরা নড়াচড়াটি বুঝতে পারেননি। আরেকজন মজা করে বলেছেন, তিনি এত দ্রুত নড়েছেন যে তাঁর চুলও তাল মেলাতে পারেনি।
এক মন্তব্যকারী আরও বলেছেন, ইউজিন নড়াচড়াটির পেছনের ক্ষমতাকে গোপন বলে বর্ণনা করেছিলেন। আলোচনায় সেই কথাটিও সুপারহিরো ভাবনার আরেকটি মজার অংশ হয়ে ওঠে। তাঁর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যার চেয়ে এই চালটি দেখে যে বিস্ময় তৈরি হয়, সেটিই ছিল মূল বিষয়।
হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে দর্শকেরা সেই প্রতিক্রিয়াকে অংশগ্রহণে রূপ দিতে পারছেন। ভক্তরা ইউজিনের গতির সঙ্গে তাল মেলানোর নিজেদের চেষ্টার ভিডিও শেয়ার করছেন। ফলে কোরিওগ্রাফির একটি ছোট অংশ দেখার, চেষ্টা করার ও তুলনা করার বিষয় হয়ে উঠেছে। চ্যালেঞ্জের পোস্ট, মোট ভিউ বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা জানানো হয়নি, তাই এটি কতটা ছড়িয়েছে তা পরিমাপ করা যাচ্ছে না।
একক মুহূর্তের পেছনে গ্রুপের কোরিওগ্রাফি
IVE-এর অফিসিয়াল ইউটিউব পারফরম্যান্স ভিডিওতে ছয় সদস্যকে "হিরো একাডেমি" আবহে দেখা যায়। এই প্রেক্ষাপট কোরিওগ্রাফিকে অ্যালবামের কাল্পনিক জগতের সঙ্গে যুক্ত করে, আর গ্রুপের ফরমেশন দেখায় বৃহত্তর পরিবেশনায় ইউজিনের দ্রুত অবস্থান বদলের জায়গাটি কোথায়।
কোরিওগ্রাফির প্রধান অঙ্গভঙ্গিটিকে বলা হয়েছে "স্নাইপার ডান্স": সদস্যরা আঙুল দিয়ে বন্দুকের আকার তৈরি করে হাত সামনে বাড়ান। "Looks can kill, we're so lethal" কথাটির সঙ্গে এই নড়াচড়া মিলে গানের শিরোনামের একটি সহজে চেনা দৃশ্যরূপ তৈরি করে।
২২ অক্টোবরের M Countdown পরিবেশনাতেও সদস্যদের সারিবদ্ধ হওয়া, একের পর এক নড়াচড়া করা এবং দ্রুত তালে ফরমেশন বদল দেখা যায়। একের পর এক নড়াচড়া বলতে বোঝায়, নৃত্যশিল্পীরা পালাক্রমে একই কাজ করেন, ফলে পুরো দলের মধ্যে দৃশ্যমান ঢেউয়ের মতো প্রভাব তৈরি হয়। এই অংশগুলোতে ছয়জন একসঙ্গে নড়াচড়া করার দৃশ্যের চেয়ে আলাদা আবহ তৈরি হয়।
ভারী বেজ, গতিশীল ড্রাম ও ইলেকট্রনিক শব্দের মাধ্যমে সংগীতেও এই বৈপরীত্য ফুটে ওঠে। বারবার ফিরে আসা কোরাস শ্রোতাদের জন্য পরিচিত একটি সংগীতমুহূর্ত তৈরি করে, আর বিন্যাসের পরিবর্তন পরিবেশকদের আবহ বদলের সুযোগ দেয়। শব্দ ও সমন্বিত নড়াচড়ার এই মিশেলে ইউজিনের দ্রুত চালটি নজরকাড়া একটি খুঁটিনাটি।
প্রকাশনা ও পরিবেশনার ব্যস্ত এক সপ্তাহ
IVE ধাপে ধাপে Looks Can Kill পরিচয় করিয়েছে: প্রথমে গানটি ও একটি ইভেন্টে পরিবেশনা, এরপর টেলিভিশনে প্রচার। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২২ অক্টোবরের M Countdown-এ পরিবেশনাটিই ছিল টেলিভিশনের কোনো মিউজিক শোতে প্রথম মঞ্চ পরিবেশনা; এর আগেও ভক্তদের গানটি পরিবেশিত হতে দেখার সুযোগ হয়েছিল।
প্রকাশনার সময়সূচির পাশাপাশি অনলাইন চ্যালেঞ্জের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তারিখ হলো:
- ১৯ অক্টোবর: সন্ধ্যা ৬টায় সংগীত প্ল্যাটফর্মগুলোতে Looks Can Kill প্রকাশিত হয়। সিউলের Arc Gangnam-এ Spotify DIVE ACADEMY-তে IVE-এর প্রথম পারফরম্যান্স উন্মোচনেরও কথা ছিল।
- ২২ অক্টোবর: Mnet-এর M Countdown-এ গানটির প্রথম টেলিভিশন মিউজিক শো পরিবেশনা করে IVE।
- ২৩ অক্টোবর: IVE-এর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে ইউজিনের কোরিওগ্রাফির ক্লিপ শেয়ার করা হয়। KBS2-তে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে Music Bank-এ উপস্থিতির কথা ছিল।
- ২৬ অক্টোবর: ছয় গানের Looks Can Kill EP প্রকাশের কথা রয়েছে।
অফিসিয়াল TikTok ক্লিপ ও ইউটিউবের পারফরম্যান্স ভিডিও সম্প্রচারের ফাঁকে কোরিওগ্রাফি দেখার আরও সুযোগ দেয়। ফলে দর্শকেরা একই গান দেখতে পারেন পুরো দলের পরিবেশনায়, ইউজিনকে নিয়ে তৈরি ছোট ক্লিপে, কিংবা কোনো ভক্তের চ্যালেঞ্জের প্রচেষ্টায়।
চার্টের পরিসংখ্যান যা বলছে
১৯ অক্টোবর অডিও প্রকাশের পর টানা চার দিন মেলনের Global-K চার্টে ১ নম্বরে ছিল Looks Can Kill। এই চার্টে বিশ্বজুড়ে K-pop শিল্পীদের প্রভাবের হিসাব রাখা হয়। ২০ অক্টোবর সকাল ৯টায় গানটি Bugs-এর রিয়েল-টাইম চার্টেও ৩ নম্বরে ওঠে।
মেলনের TOP100 চার্টে ২১ অক্টোবর বিকেল ৩টায় Looks Can Kill ছিল ৫০ নম্বরে। মেলনের দৈনিক চার্টে এর অবস্থান ১৯ অক্টোবরের ৬৩ নম্বর থেকে ২০ অক্টোবর ৫২ নম্বরে ওঠে। এই অবস্থানগুলো Global-K থেকে আলাদা চার্টের ফলাফল।
প্রকাশের পর ইউটিউবের বিশ্বব্যাপী মিউজিক ভিডিও ট্রেন্ডিং চার্টে ভিডিওটি ১ নম্বরে ওঠে। Starship Entertainment-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশের পর এটি YouTube Music Video Trending Worldwide-এর শীর্ষে ছিল। বিভিন্ন অঞ্চলেও এর ফল ছিল বিস্তৃত: ২০ অক্টোবর সকাল ৯টা পর্যন্ত ছয়টি দেশ ও অঞ্চলে চার্টের শীর্ষে, ১৮টিতে শীর্ষ ১০-এ এবং মোট ৩৪টির চার্টে জায়গা করে নেয়। ২১ অক্টোবর কোরিয়ার YouTube Trending-এও এটি ১ নম্বরে ছিল।
যে ছয়টি বাজারে ভিডিওটি ১ নম্বরে পৌঁছায় সেগুলো হলো দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা ও ব্রাজিল। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া ছিল শীর্ষ ১০-এ থাকা বাজারগুলোর মধ্যে। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শীর্ষ ১০-এ থাকা ১৮টি অবস্থান ভিডিওটি যে ৩৪টি দেশ ও অঞ্চলের চার্টে জায়গা করে নিয়েছে, তার অর্ধেকের কিছু বেশি।
ইউটিউবের ভিডিও র্যাঙ্কিং, মেলনের Global-K-এর ফল এবং ভক্তদের চ্যালেঞ্জের পোস্ট তিন ধরনের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে: ভিডিও দেখা, সংগীত প্ল্যাটফর্মে গান শোনা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ডে অংশ নেওয়া। সব মিলিয়ে প্রকাশনার প্রথম সপ্তাহে শ্রোতা-দর্শকেরা বিভিন্নভাবে গানটির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।
গার্ল হিরো বলতে IVE কী বোঝাচ্ছে
IVE-এর সুপারহিরো সাজে আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি উৎসাহ দেওয়ার বার্তাও রয়েছে। অ্যালবাম নিয়ে মন্তব্যে ইউজিন বলেন, গ্রুপটি আগে নিজের ওপর বিশ্বাস থেকে তাদের ভাবনাকে প্রসারিত করে যৌথ "আমরা"র দিকে নিয়েছিল। নতুন প্রকাশে একে অন্যকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করা এবং একসঙ্গে পরিবর্তন আনার মাধ্যমে সেই ভাবনা আরও এগিয়েছে।
জাং ওনইয়ং নায়কের ধারণাটিকে দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর কথায়, উৎসাহ দেওয়ার ছোট্ট একটি অঙ্গভঙ্গি অন্য কাউকে সাহস জোগাতে পারে। বার্তাটি হলো, মানুষ একে অন্যকে যে সমর্থন দেয়, তার মাধ্যমেই পরস্পরের নায়ক হয়ে উঠতে পারে।
হিরো একাডেমির আবহ ও অ্যাকশনধর্মী কোরিওগ্রাফি এই বার্তাকে নাটকীয় দৃশ্যরূপ দিয়েছে। ইউজিনকে ঘিরে ভক্তদের সুপারহিরো-ধাঁচের ডাকনামগুলোও এই দৃশ্যকল্পের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই মিলে যায়, যদিও তাঁদের তাৎক্ষণিক আগ্রহ তাঁর নড়াচড়ার গতিকে ঘিরে।
ইউজিন আরও বলেন, টাইটেল ট্র্যাকের আবহের পরিবর্তন ও মনে থাকার মতো সংগীতাংশগুলো শ্রোতারা উপভোগ করুন, সেটিই তিনি চান। লিসো শ্রোতাদের সংগীত ও পরিবেশনা একসঙ্গে উপভোগের আহ্বান জানান। মঞ্চে গানের অনুভূতি কীভাবে প্রকাশ করা যায়, সদস্যরা তা নিয়ে কাজ করেছেন বলেও তিনি জানান। তাঁদের কথায়, কোরিওগ্রাফি রেকর্ডিংয়ের চারপাশের সাজসজ্জা নয়; বরং প্রকাশনার কেন্দ্রীয় অংশ।
ছয় গানের EP-তে যা থাকছে
Looks Can Kill-এ ছয়টি গান রয়েছে: টাইটেল ট্র্যাক, Mirror Mirror, SNAKESKIN, CRUMBS, Girls Girls Girls ও Glow Motion। ২৬ অক্টোবরের প্রকাশনার মাধ্যমে আগের সিঙ্গেলকেন্দ্রিক সপ্তাহের পর শ্রোতারা পুরো প্রকল্পটি শুনতে পারবেন।
টাইটেল ট্র্যাকের গীতিকার হিসেবে রয়েছেন সিও জি-উম, লিল চেরি ও IVE সদস্য রেই। IVE-এর আগের কয়েকটি গান, যার মধ্যে ELEVEN, LOVE DIVE ও After LIKE রয়েছে, সেগুলোতেও কাজ করেছেন সিও জি-উম। রেই বলেন, গানের কথায় অবদান রাখার মাধ্যমে নতুন অ্যালবামের ভাবনা ও গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি।
CRUMBS-এর কথা লেখায় গেউল ও লিজও অংশ নিয়েছেন। অ্যালবামের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলার সময় দুজনই তাঁদের এই অবদানের কথা জানান। গেউল বলেন, গানটি গ্রুপের বর্তমান পরিচয় ও নিজস্ব ধরনকে তুলে ধরে।
লিজের বর্ণনায়, ছয়টি গানের প্রত্যেকটির আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে; কোনোটিতে জোরালো শক্তি, আবার কোনোটির সুর তুলনামূলক স্বচ্ছন্দে উপভোগ করা যায়। তাঁর কথায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ভারী বেজ ও তীব্র কোরিওগ্রাফির টাইটেল ট্র্যাকের বাইরেও EP-তে আবহের বৈচিত্র্য থাকবে।
বিশ্ব সফরের পর আরও বড় শ্রোতাগোষ্ঠী
দ্বিতীয় বিশ্ব সফর SHOW WHAT I AM-এর পর এই প্রকাশনা নিয়ে আসছে IVE। প্রথম বিশ্ব সফরে উত্তর আমেরিকার সূচিতে ছয়টি শহর ছিল, দ্বিতীয় সফরে তা বেড়ে আটটি হয়েছে। অর্থাৎ শহরের সংখ্যা বেড়েছে দুটি, বা প্রায় ৩৩ শতাংশ।
জাপানের Kyocera Dome ও Tokyo Dome-এও সব পরিবেশনার টিকিট শেষ হয়ে যায়। গেউল বলেন, Tokyo Dome-এ আবার পারফর্ম করা এবং প্রথমবার Kyocera Dome-এ মঞ্চে ওঠা তাঁর স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। আর যেসব শহরে আগে যায়নি, সেখানে দর্শকদের সঙ্গে গান গাইতে শোনার কথা বলেন ইউজিন।
লিসো বলেন, সফরে বারবার পারফর্ম করায় মঞ্চে আরও স্বচ্ছন্দ বোধ করেছেন এবং মুহূর্তটি উপভোগ করতে পেরেছেন। পারফরম্যান্স ঘিরে প্রাথমিক আগ্রহ তৈরি হওয়া এই কামব্যাকের প্রেক্ষাপট বুঝতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে আসে: ছয় সদস্যের দ্রুত ফরমেশন বদল সামলানো, নড়াচড়ায় সমন্বয় বজায় রাখা এবং একই কোরিওগ্রাফির মধ্যে নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করা।
পরবর্তী নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ২৬ অক্টোবরের EP প্রকাশ। তার আগে ইউজিনের সংক্ষিপ্ত নড়াচড়াটি প্রচারণায় সহজে আগ্রহ তৈরির একটি পথ করে দিচ্ছে। দর্শক প্রথমে কয়েক সেকেন্ডের কোরিওগ্রাফি দেখতে পারেন, তারপর সেই আগ্রহ থেকে পুরো পরিবেশনা ও ছয় গানের অ্যালবামের খোঁজ নিতে পারেন।
মূল তথ্য
- Looks Can Kill-এ আন ইউজিনের দ্রুত নড়াচড়া থেকে #QUICKJINCHALLENGE শুরু হয়েছে এবং তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে সুপারহিরো-ধাঁচের মজার ডাকনাম।
- ২৩ অক্টোবর IVE-এর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে কোরিওগ্রাফির একটি ক্লিপ শেয়ার করা হয়।
- ২২ অক্টোবর M Countdown-এ টেলিভিশনের কোনো মিউজিক শোতে প্রথম গানটি পরিবেশন করে গ্রুপটি।
- কোরিওগ্রাফিতে আঙুল দিয়ে বন্দুকের অঙ্গভঙ্গি, দ্রুত ফরমেশন বদল ও একের পর এক করা নড়াচড়া রয়েছে।
- মেলনের Global-K চার্টে গানটি টানা চার দিন শীর্ষে ছিল, আর ভিডিওটি ১৮টি দেশ ও অঞ্চলে শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নেয়।
- ছয় গানের Looks Can Kill EP ২৬ অক্টোবর প্রকাশের কথা রয়েছে; এতে রেই, গেউল ও লিজের গীতিকার হিসেবে অবদান রয়েছে।






