স্যামসনের ৬৭ ও শেষ দিকে ধীরের ছক্কায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের রেকর্ড রান তাড়া করে জয়

পড়তে 8 মিনিট
Samson's 67 and Dhir's Late Six Seal India's Record Chase Against New Zealand

শেষ দুই বল বাকি থাকতেই ২৩০ রান ভারতের

সাঞ্জু স্যামসনের ৩৩ বলে ৬৭ এবং নমান ধীরের ১৫ বলে অপরাজিত ৪২ রানের সুবাদে ভারত ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়েছে। ভারত ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩০ রান করে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে।

সূচিপত্র
  1. শেষ দুই বল বাকি থাকতেই ২৩০ রান ভারতের
  2. স্যামসন ও শর্মার পাওয়ারপ্লে ঝড়ে মজবুত ভিত্তি
  3. নিউজিল্যান্ডের স্পিনে আবার নাগালে আসে রান তাড়া
  4. আইয়ার ভারতের ইনিংস সামলে নেন, পরে দায়িত্ব নেন ধীর
  5. নিউজিল্যান্ডকে বড় সংগ্রহ এনে দেন ফিলিপস
  6. শিশিরে বদলে যায় অধিনায়কদের সিদ্ধান্ত
  7. দল নির্বাচন ও ক্রাইস্টচার্চে পরের পরীক্ষা
  8. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

স্যামসন ও অভিষেক শর্মা মাত্র ৩৫ বলে ৯৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে তাড়া শুরু করেন। এরপর স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ও মাইকেল ব্রেসওয়েল ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। ফলে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল ও ধীরকে এমন এক রান তাড়া শেষ করতে হয়, যা শুরুতে যতটা সহজ মনে হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠেছিল।

এর আগে গ্লেন ফিলিপসের অপরাজিত ৪০ বলে ৮২ রানে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান করে নিউজিল্যান্ড। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা দুই দল এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত আবারও নিউজিল্যান্ডকে হারানোর মতো ব্যাটিং শক্তি দেখায়।

২২৬ রানের লক্ষ্যকে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের সফলভাবে তাড়া করা সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে: ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগের সর্বোচ্চ লক্ষ্য ২১১ বলা হয়েছে, অন্যদিকে একটি পরিসংখ্যান তালিকায় সেই লক্ষ্য ২০৭ উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ২০২৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করার কথাও রয়েছে।

বিসিসিআই ম্যাচ সেন্টার নিশ্চিত করেছে, ২২ অক্টোবর ২০২৬ হ্যাগলি ওভালে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান করে এবং ভারত ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩০ রান তুলে দুই বল বাকি থাকতে চার উইকেটে জেতে।

স্যামসন ও শর্মার পাওয়ারপ্লে ঝড়ে মজবুত ভিত্তি

ছয় ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৯৪, একই সময়ে নিউজিল্যান্ডের ছিল ১ উইকেটে ৬৫। অর্থাৎ শুরুর পাওয়ারপ্লেতে সফরকারীরা ২৯ রানে এগিয়ে যায়। এ সময় ফিল্ডিংয়ের বিধিনিষেধে সীমানার কাছে ফিল্ডারের সংখ্যা সীমিত থাকে।

বিজ্ঞাপন

শর্মা ১২ বলে ২৯ রান করেন, যার মধ্যে ছিল তিনটি ছক্কা। চতুর্থ ওভারে অ্যাডাম মিলনেকে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। এতে নিজেদের চতুর্থ ওভার শেষ হওয়ার আগেই নিউজিল্যান্ডের ছয় ওভারের রান পেরিয়ে যায় ভারত।

ম্যাট হেনরির করা নিজের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলটিও ছক্কায় পাঠান শর্মা। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এমনভাবে শুরু করার এটি তাঁর সপ্তম নজির, যা আফগানিস্তানের শফিকুল্লাহ শিনওয়ারির ছয়বারের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। ব্রেসওয়েলের বলে শর্ট থার্ডম্যানে মিলনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৫.৫ ওভারে ভারতের সংগ্রহ তখন ১ উইকেটে ৯৩।

২৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন স্যামসন। তাঁর ইনিংসে ছিল আটটি চার ও চারটি ছক্কা, অর্থাৎ বাউন্ডারিতেই আসে ৬৭ রানের ৫৬। তিনি বারবার সোজা ব্যাটে আক্রমণ করেন। লকি ফার্গুসনের বলে তাঁর এক ফ্লিক লং অনের ওপর দিয়ে সীমানা পার হয়।

ভারতের উদ্বোধনী ব্যাটার ও উইকেটকিপার স্যামসন শর্মার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া সহজ কৌশলটি এভাবে বর্ণনা করেন:

মাঝে আমাদের অনেক কথা হয়, কিন্তু আসলে কোনো কথারই তেমন মানে হয় না।

এ বছর ২৬টি টি-টোয়েন্টি ইনিংসে অন্তত ৫০ রানের এটি ছিল তাঁর অষ্টম স্কোর। এতে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পান তিনি। দ্রুত রান তোলায় হিসাবও বদলে যায়: ছয় ওভার শেষে বাকি ৮৪ বলে ভারতের দরকার ছিল ১৩২ রান, অর্থাৎ শুরুতে প্রতি ওভারে ১১ রানের বেশি তোলার চাপ আর ছিল না।

নিউজিল্যান্ডের স্পিনে আবার নাগালে আসে রান তাড়া

পাঁচ ওভারে চার উইকেট নিয়ে ভারতের দাপট থামান স্যান্টনার ও ব্রেসওয়েল। বিনা উইকেটে ৯৩ থেকে ১১তম ওভারে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১২২। এই সময়ের মধ্যে সাত রানের ব্যবধানে তিনটি উইকেট পড়ে।

নবম ওভারে স্যান্টনারের বলে স্টাম্পে বল লাগিয়ে বোল্ড হন স্যামসন। সীমানা পার করার চেষ্টা করতে গিয়ে আউট হন ঈশান কিষান ও তিলক বর্মাও। উদ্বোধনী ব্যাটারদের সামলাতে নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণ হিমশিম খেলেও ধীরগতির বোলাররা ভারতকে নতুন করে ইনিংস গড়তে বাধ্য করেন।

বিজ্ঞাপন

মাঝের ওভারগুলোতে তিন ওভার নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন স্যান্টনার। তাঁর স্পেল দ্রুত রান তাড়াকে এমন লড়াইয়ে পরিণত করে, যেখানে প্রতি আক্রমণাত্মক শটের ঝুঁকির সঙ্গে আরেকটি উইকেট হারানোর মূল্যও ভারতকে হিসাব করতে হচ্ছিল।

নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক স্যান্টনার বলেন, শুরুতে ভারতীয়দের ঝড়ের পর তাঁর দল ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। তবে প্রথম ছয় ওভারে আরও ভালো করার প্রয়োজন ছিল বলেও স্বীকার করেন তিনি:

আমার মনে হয়, মাঝের ওভারগুলোতে আমরা ওদের চাপে রাখতে পেরেছিলাম, এরপরও ম্যাচটা ছিল টানটান।

ম্যাচের গতিপথ বদলে যাওয়ায় ফেরার সুযোগ পায় নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্যে পৌঁছানোর মতো সময় ভারতের হাতে তখনও ছিল, কিন্তু শুরুতে চার ব্যাটারকে হারানোয় আইয়ার ও তাঁর পরের ব্যাটারদের ওপর দায়িত্ব বেড়ে যায়।

আইয়ার ভারতের ইনিংস সামলে নেন, পরে দায়িত্ব নেন ধীর

আইয়ার ২৮ বলে ৪২ রান করেন এবং প্যাটেলের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৪৫ রানের জুটি গড়েন। প্যাটেল করেন ২৪ রান। শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সুযোগ তৈরি করে তাঁদের জুটি ভারতকে প্রয়োজনীয় রান তোলার হারের কাছাকাছি রাখে।

১৫তম ওভারে ফিন অ্যালেন কঠিন একটি ক্যাচ ফেলে আইয়ারকে জীবন দেন। শেষ ৩০ বলে পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ভারতের দরকার ছিল ৫৫ রান, অর্থাৎ প্রতি ওভারে ১১ রান।

ধীরই ম্যাচের নির্ণায়ক গতি এনে দেন। ১৫ বলে তাঁর অপরাজিত ৪২ রান আসে ২৮০ স্ট্রাইক রেটে, অর্থাৎ প্রতি ১০০ বলে ২৮০ রান করার সমতুল্য গতিতে। শেষের আগের ওভারে আইয়ার আউট হলেও কাজ শেষ করতে ধীর ক্রিজে টিকে থাকেন।

হেনরির করা শেষ ওভারে ভারতের দরকার ছিল আট রান। ধীর প্রথম বলটি চারে পাঠান। এরপর দুটি সিঙ্গেলের পর চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকান তিনি, যা ছিল ভারতের ইনিংসের ১৩তম ছক্কা। সেই জয়সূচক শটে ২৩০ রানে পৌঁছে যায় ভারত, লক্ষ্যমাত্রাও পেরিয়ে যায়।

জয়ের পর পুরো ব্যাটিং দলকে কৃতিত্ব দেন স্যামসন:

আজ সত্যিই এটা ছিল দলগত খেলা।

এই রান তাড়া তিন ধরনের অবদানের ওপর নির্ভর করে: উদ্বোধনী ব্যাটাররা রান তোলার চাপ কমান, আইয়ার ও প্যাটেল ইনিংস সামলে নেন এবং ধীর কঠিন সমাপ্তিকে জয়ে পরিণত করেন।

বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ডকে বড় সংগ্রহ এনে দেন ফিলিপস

অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংসে আটটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেন ফিলিপস। পেসারদের বিপক্ষে জোরালো কাট ও পুলের পাশাপাশি উইকেটের মধ্যে দ্রুত দৌড়েও রান তোলেন তিনি।

সিঙ্গেল ঠেকাতে ফিল্ডারদের ব্যাটারের কাছাকাছি আসতে বাধ্য করে সেই দৌড়। এরপর জোরালো শটে তাঁদের পেছনের ফাঁকা জায়গা কাজে লাগান ফিলিপস। ফলে ফিল্ড সাজানোর সময় ভারতকে একাধিক বিষয় সামলাতে হয়।

অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট নিউজিল্যান্ডকে ভালো সূচনা এনে দেন। ৪৯ রান যোগ করার পর পঞ্চম ওভারের শেষ বলে মায়াঙ্ক যাদবের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ১৭ বলে ২৪ করা সেইফার্ট। ছয় ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৬৫।

২৪ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান অ্যালেন। অষ্টম ওভারে লং অফের ওপর দিয়ে বল পাঠানোর চেষ্টা করতে গিয়ে প্যাটেলের বলে আউট হন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ড্যারিল মিচেল ২৮ রান করেন। ১৬ রানে শর্মা তাঁর ক্যাচ ফেললেও পরে অর্শদীপ সিংয়ের বলে ব্যাটের ওপরের কিনারায় লেগে আউট হন তিনি।

বেভন জ্যাকবস ১৬ বলে ৩১ রান যোগ করেন। অর্শদীপের বলে তাঁর মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলটি ৯৬ মিটার দূরে ছক্কা হয়ে যায়, যা মিডল অর্ডার থেকে তাৎক্ষণিক আক্রমণাত্মক বার্তা দেয়।

শেষ পাঁচ ওভারে ৬৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ভুবনেশ্বর কুমার চার ওভারে ৪৯ রান দেন, আর প্যাটেল খরচ করেন ৫১ রান। ফলে ভারতের সামনে এমন লক্ষ্য দাঁড়ায়, যেখানে সতর্ক শুরুর বদলে ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দরকার ছিল।

শিশিরে বদলে যায় অধিনায়কদের সিদ্ধান্ত

টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আইয়ার। তাঁর আশা ছিল, সন্ধ্যার শিশির ভারতের রান তাড়ায় সহায়তা করবে। আর্দ্রতায় বোলারদের পক্ষে বল আঁকড়ে ধরা কঠিন হতে পারে এবং পিচে পড়ার পর বল ব্যাটে আরও সহজে আসতে পারে।

আইয়ার বলেন, শুরুতে উইকেট মন্থর আচরণ করছিল; কিছু বল পিচে পড়ে থেমে যাচ্ছিল। নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের সময় শিশির নামার পর বল তুলনামূলক সহজে ব্যাটে আসতে শুরু করে এবং স্বাগতিকরা গতি পায়।

বিজ্ঞাপন

ইনিংসের বিরতিতে পরিস্থিতির পরিবর্তনের কথাও জানান স্যামসন। উইকেটকিপিং করার সময় পিচ সম্পর্কে আগেভাগে ধারণা পেয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যাট করতে নেমে পরিস্থিতি ছিল আলাদা: বাতাসে সুইং থাকলেও বল ব্যাটে তুলনামূলক স্বচ্ছন্দে আসছিল।

মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে বৃহস্পতিবারের প্রথম ম্যাচের আগে মাত্র একবার অনুশীলন করে ভারত। এর পাঁচ দিনেরও কম আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ করেছিল তারা।

খেলার আগে স্বল্প প্রস্তুতির সময় নিয়ে উদ্বেগ উড়িয়ে দেন ভারতের অধিনায়ক আইয়ার:

কোনো অভিযোগ নেই, আমরা সবাই পেশাদার।

দল নির্বাচন ও ক্রাইস্টচার্চে পরের পরীক্ষা

ভারত একাদশে নীতীশ কুমার রেড্ডি ও মায়াঙ্ক যাদবকে অন্তর্ভুক্ত করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বেঙ্গালুরু ম্যাচের শিবম দুবে ও প্রিন্স যাদবের বদলে তাঁদের নেওয়া হয়। সেইফার্টকে আউট করে মায়াঙ্ক শুরুতেই সাফল্য এনে দেন।

চোটের কারণে রাচিন রবীন্দ্র না থাকায় নিউজিল্যান্ড মিচেলকে তিন নম্বরে খেলায় এবং মিডল অর্ডারে জ্যাকবসকে নেয়। দলে সুযোগ পাননি ডেভন কনওয়ে ও জশ ক্লার্কসন। স্বাগতিকরা নাথান স্মিথ, হেনরি, মিলনে ও ফার্গুসনকে নিয়ে চার পেসার খেলায়; কাইল জেমিসন, জ্যাকব ডাফি ও ব্লেয়ার টিকনারকে বাইরে রাখে।

তবে প্রথম ম্যাচের মোড় ঘুরেছে পেসের পাশাপাশি স্পিনেও। বল হাতে স্যান্টনার ও ব্রেসওয়েল নিউজিল্যান্ডের সেরা সময়টি এনে দেন, আর ভারতের পাওয়ারপ্লেতে পেসাররা প্রচুর রান খরচ করেন।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর হ্যাগলি ওভালে সিরিজের পরের ম্যাচ। শুরুর ওভারগুলোকে উন্নতির জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্যান্টনার। স্যামসন ও শর্মার গড়ে দেওয়া সুবিধার অনেকটাই হারানোর পর মাঝের ওভারগুলোতে আরও নির্বিঘ্ন ব্যাটিং চাইবে ভারত।

  • মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর: প্রথম ম্যাচের আগে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছে ভারত একটি অনুশীলন সেশন করে।
  • বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর: ক্রাইস্টচার্চে প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ভারত চার উইকেটে জেতে।
  • শনিবার, ২৪ অক্টোবর: হ্যাগলি ওভালে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

পরে সফর গড়াবে দীর্ঘতর সংস্করণের ক্রিকেটে। ভারত ইতিমধ্যে ওয়ানডে অধিনায়কত্বে পরিকল্পিত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। টেস্টের প্রস্তুতিতে গিল ব্যস্ত থাকায় প্রথম তিন ম্যাচে নেতৃত্ব দেবেন শুভমান গিল, শেষ দুই ম্যাচে দায়িত্ব নেবেন আইয়ার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান করার পর ২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ভারত ১৯.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩০ রান করে এবং সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
  • স্যামসন ৩৩ বলে ৬৭ এবং শর্মা ১২ বলে ২৯ রান করেন; উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৯৩ রান।
  • মাঝের ওভারগুলোতে স্যান্টনার ও ব্রেসওয়েল ম্যাচে ফেরার সুযোগ এনে দেন নিউজিল্যান্ডকে।
  • আইয়ার করেন ৪২, প্যাটেল যোগ করেন ২৪ এবং ধীর ১৫ বলে অপরাজিত ৪২ রান করে শেষ করেন।
  • নিউজিল্যান্ডের হয়ে ফিলিপস ৪০ বলে অপরাজিত ৮২ রান করেন।
  • দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচটি শনিবার, ২৪ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে