কাং ডং-সুর দুই জয়ে জাপানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এশীয় টেবিল টেনিস ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া

পড়তে 7 মিনিট
South Korea Stuns Japan 3-1 to Reach Asian Table Tennis Final as Kang Wins Two Matches

তাশখন্দে অপ্রত্যাশিত জয়ে নেতৃত্ব দিলেন কাং ডং-সু

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫৮ নম্বরে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাং ডং-সু দুটি এককের ম্যাচ জিতেছেন এবং টমোকাজু হারিমোতোর বিপক্ষে একটি গেমে কোনো পয়েন্ট না দিয়েই জয় পেয়েছেন। তাঁর দল ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ উজবেকিস্তানের তাশখন্দে জাপানকে ৩-১ ব্যবধানে হারায়। এই জয়ে ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো ২৯তম এশীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষ দলগত ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

সূচিপত্র
  1. তাশখন্দে অপ্রত্যাশিত জয়ে নেতৃত্ব দিলেন কাং ডং-সু
  2. যেভাবে এগোল সেমিফাইনাল
  3. কাংয়ের দুই জয় কেন গুরুত্বপূর্ণ
  4. শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংয়ের খেলোয়াড়কে হারালেন পার্ক গিউ-হিউন
  5. এশিয়ান গেমসের ফলের উল্টো চিত্র
  6. দুটি প্রতিযোগিতা, দুটি ভিন্ন মাইলফলক
  7. শুরুর সময় নিয়ে অসংগতি, ফাইনালে অপেক্ষায় চীন
  8. ব্রোঞ্জ নিয়ে শেষ করল কোরীয় নারী দল
  9. মূল তথ্য

জাপান দলে ছিলেন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর সোরা মাতসুশিমা এবং তিন নম্বর হারিমোতো। তা সত্ত্বেও চারটি এককের ম্যাচের তিনটিতেই জেতে দক্ষিণ কোরিয়া। ৮০ নম্বরে থাকা পার্ক গিউ-হিউন মাতসুশিমাকে ৩-০ গেমে হারান, আর কাং হারান হিরোতো শিনোজুকা ও হারিমোতোকে।

আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে খেলা দলের শীর্ষ খেলোয়াড় জাং উ-জিন ও লিম জং-হুনকে ছাড়াই এই জয় পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। শীর্ষ দলের বাইরের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলটি এবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে চীনের, যারা অন্য সেমিফাইনালে তাইওয়ানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে।

সাম্প্রতিক এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালের ফলও পাল্টে দিল এই জয়। সেই ম্যাচে জাপান দক্ষিণ কোরিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল। তাশখন্দে নির্বাচিত কোরীয় খেলোয়াড়দের জন্য এই জয় এনে দিয়েছে মহাদেশীয় ফাইনালে খেলার সুযোগ এবং চীনের বিপক্ষে শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা।

যেভাবে এগোল সেমিফাইনাল

স্যামসাং লাইফ ইনস্যুরেন্সের হয়ে খেলা কাং শুরুতেই মুখোমুখি হন র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০ নম্বরে থাকা শিনোজুকার। র‌্যাঙ্কিংয়ে দুজনের ব্যবধান ছিল ১৩৮ ধাপ, কিন্তু কাং সরাসরি তিন গেমে ১১-৮, ১১-৭, ১৯-১৭ ব্যবধানে জেতেন।

সেমিফাইনালের সবচেয়ে দীর্ঘ গেম ছিল তৃতীয়টি। টেবিল টেনিসে সাধারণত ১১ পয়েন্টে পৌঁছানো প্রথম খেলোয়াড় গেম জেতেন, তবে জিততে হলে দুই পয়েন্টের ব্যবধান থাকতে হয়। তাই ১১ পয়েন্ট পেরিয়েও খেলা চলতে থাকে; শেষ পর্যন্ত ম্যাচ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় দুই পয়েন্টের ব্যবধান গড়ে তোলেন কাং।

বিজ্ঞাপন

এরপর ৪৬ নম্বরে থাকা পার্ক কাং-হিউনকে তিন গেমে হারিয়ে জাপানকে সমতায় ফেরান হারিমোতো। প্রথম গেমে পার্ক তাঁকে সবচেয়ে বেশি চাপে ফেলেন; গেমটি শেষ হয় ১৪-১২ ব্যবধানে। এরপর হারিমোতো পরের দুটি গেম জেতেন ১১-৯ ও ১১-৬ ব্যবধানে।

দলীয় স্কোর ১-১ থাকতেই পার্ক গিউ-হিউন মাতসুশিমাকে ১১-৪, ১১-৮, ১১-৯ ব্যবধানে হারান। চতুর্থ এককের ম্যাচে ফিরে এসে কাং হারিমোতোকে ১১-২, ১২-১৪, ১১-০, ১১-৮ ব্যবধানে হারিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার তৃতীয় ম্যাচ জয় নিশ্চিত করেন এবং সেমিফাইনালের সমাপ্তি টানেন।

  • প্রথম একক: কাং ডং-সু হিরোতো শিনোজুকাকে ৩-০ গেমে হারিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
  • দ্বিতীয় একক: টমোকাজু হারিমোতো পার্ক কাং-হিউনকে ৩-০ গেমে হারিয়ে জাপানকে ১-১ সমতায় ফেরান।
  • তৃতীয় একক: পার্ক গিউ-হিউন সোরা মাতসুশিমাকে ৩-০ গেমে হারিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
  • চতুর্থ একক: কাং হারিমোতোকে ৩-১ গেমে হারিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।

কাংয়ের দুই জয় কেন গুরুত্বপূর্ণ

দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি জয়ের মধ্যে দুটি এনে দেন কাং। তাঁর প্রথম জয়ে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে জাপান; দ্বিতীয় জয়টি পঞ্চম এককের ম্যাচের প্রয়োজন হওয়ার আগেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার নিষ্পত্তি করে। এই দলগত ফরম্যাটে প্রথম যে দেশ তিনটি ব্যক্তিগত ম্যাচ জেতে, তারাই টাই জেতে।

হারিমোতোর বিপক্ষে প্রথম গেম ১১-২ ব্যবধানে জেতেন কাং, কিন্তু দ্বিতীয় গেমে ১৪-১২ ব্যবধানে হেরে যান। এরপর তৃতীয় গেমে ১১-০ ব্যবধানে জবাব দিয়ে শেষ গেমটি ১১-৮ ব্যবধানে জেতেন। হারিমোতো এক গেম করে সমতায় ফেরার ঠিক পরেই স্কোরহীন গেমটি হওয়ায় ঘটনাটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

দুটি ম্যাচ মিলিয়ে ছয়টি গেম জিতেছেন কাং, হেরেছেন মাত্র একটি। হারিমোতোর বিপক্ষে ম্যাচের ব্যক্তিগত পয়েন্ট যোগ করলে কাংয়ের পক্ষে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪৫-২৪। এই হিসাব তাঁর জয়ের ব্যবধান কতটা বড় ছিল তা বোঝায়, যদিও ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয়েছে গেমের ভিত্তিতে, সব পয়েন্ট যোগ করে নয়।

কাংয়ের দুই প্রতিপক্ষের র‌্যাঙ্কিংয়েও ছিল ভিন্ন ব্যবধান। শিনোজুকা তাঁর চেয়ে ১৩৮ ধাপ এগিয়ে ছিলেন, আর হারিমোতো ছিলেন ১৫৫ ধাপ এগিয়ে। একই দলগত প্রতিযোগিতায় দুজনকেই হারিয়েছেন কাং।

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ র‌্যাঙ্কিংয়ের খেলোয়াড়কে হারালেন পার্ক গিউ-হিউন

দক্ষিণ কোরিয়ার এগিয়ে যাওয়ার জন্য পার্ক গিউ-হিউনের জয়টিও সমান জরুরি ছিল। হারিমোতো জাপানের শুরুর দিকের ঘাটতি মিটিয়ে দেওয়ার পর দলীয় স্কোর সমতায় থাকা অবস্থায় মাতসুশিমার মুখোমুখি হন পার্ক। সরাসরি তিন গেমে তাঁর জয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আর মাত্র একটি ম্যাচ জেতা বাকি ছিল।

মিরে অ্যাসেট সিকিউরিটিজের খেলোয়াড় পার্ক তিন গেমে ২১ পয়েন্ট দেন, আর নিজে করেন ৩৩ পয়েন্ট। তৃতীয় গেমে মাতসুশিমা সবচেয়ে কাছে পৌঁছান, তাঁর পয়েন্ট হয় ৯। তবে ম্যাচটি চতুর্থ গেমে গড়াতে না দিয়েই জয় নিশ্চিত করেন পার্ক।

তাই দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি জয়ের মধ্যে দুটি আসে কোনো গেম না হেরেই: শিনোজুকার বিপক্ষে কাংয়ের প্রথম ম্যাচ এবং মাতসুশিমার বিপক্ষে পার্কের জয়। পুরো সেমিফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়া জেতে নয়টি গেম, জাপান চারটি।

মিরে অ্যাসেট সিকিউরিটিজের আরেক খেলোয়াড় পার্ক কাং-হিউন হারিমোতোর বিপক্ষে ম্যাচে হেরে যান। এরপর তাঁর সতীর্থের জয় নিশ্চিত করে যে জাপানের একমাত্র সফল এককের ম্যাচটি ঘুরে দাঁড়ানোর সূচনা হতে পারেনি।

এশিয়ান গেমসের ফলের উল্টো চিত্র

প্রায় এক মাস আগে আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের একই পর্যায়ে জাপানের কাছে হেরেছিল দক্ষিণ কোরিয়া। সেই ০-৩ ব্যবধানের সেমিফাইনাল হারে খেলেছিলেন জাং উ-জিন, আন জে-হিউন ও ও জুন-সুং; এতে কোরীয় দলকে ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।

ফাইনালে চীনকে হারিয়ে জাপান সোনা জেতে। ১৯৬৬ সালের ব্যাংকক গেমসের পর এশিয়ান গেমসে পুরুষ দলগত বিভাগে এটি ছিল তাদের প্রথম সোনা; ব্যবধান ৬০ বছরের। তাই তাশখন্দে মাতসুশিমা ও হারিমোতো এসেছিলেন বড় এক দলগত সাফল্যের পর।

এশিয়ান গেমসে শিরোপাজয়ী জাপান দলের সদস্য হারিমোতো সেই জয়ের পর নিজের পারফরম্যান্স এবং জিততে যে মানের খেলা দরকার, তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।

আমি প্রতিটি পয়েন্টেই আধিপত্য বিস্তার করছিলাম

পূর্ণ সক্ষমতায় না খেলেও জেতা সম্ভব বলে তাঁর বিশ্বাসের কথাও বলেছিলেন তিনি।

আমার মনে হয়, শতভাগ না খেলেও জেতা যায়, এটা সত্য

তাশখন্দে হারিমোতো পার্ক কাং-হিউনকে হারালেও কাংয়ের কাছে হেরে যান। জাপানের ঝুলিতে ছিল এককের মাত্র একটি জয়, আর ভিন্ন খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া কোরীয় দলটি ফাইনালে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

দুটি প্রতিযোগিতা, দুটি ভিন্ন মাইলফলক

এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রত্যাবর্তনে পাঁচ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো। এর আগে ২০২১ সালে তারা ফাইনালে উঠেছিল এবং তাইওয়ানকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে চীন সেই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি।

এশিয়ান গেমসের রেকর্ডটি আলাদা প্রতিযোগিতার। সাম্প্রতিক সেমিফাইনালে জাপানের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার হার এশিয়ান গেমসে পুরুষ দলগত ফাইনালে টানা ১১ বার ওঠার ধারার অবসান ঘটায়। তাদের পদক ইতিহাসে রয়েছে ১৯৮৬ সালের সিউল ও ১৯৯০ সালের বেইজিংয়ে সোনা, এরপর ১৯৯৪ সালের হিরোশিমা গেমস থেকে ২০২২ সালের হাংজু গেমস পর্যন্ত টানা আটটি রুপা।

তাশখন্দের জয় এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের আরেকটি সুযোগ এনে দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকে; এবার ফাইনালে অপেক্ষায় চীন। ২০২১ সালের সঙ্গে পার্থক্যটি স্পষ্ট: সেবার প্রতিপক্ষ ছিল তাইওয়ান, আর চীন ছিল প্রতিযোগিতায় অনুপস্থিত।

  • ২০২১: এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তাইওয়ানকে হারায় দক্ষিণ কোরিয়া।
  • তাশখন্দের সেমিফাইনালের প্রায় এক মাস আগে: আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে জাপান দক্ষিণ কোরিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় এবং পরে সোনার জন্য চীনকে পরাজিত করে।
  • ২২ অক্টোবর ২০২৬: তাশখন্দে জাপানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠে দক্ষিণ কোরিয়া।

শুরুর সময় নিয়ে অসংগতি, ফাইনালে অপেক্ষায় চীন

তাইওয়ানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষ বিভাগের ফাইনালে উঠেছে চীন; জাপানের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়ের ব্যবধানও ছিল একই। কয়েকজন শীর্ষ খেলোয়াড় ছাড়া কোরীয় দলটির মুখোমুখি হবে সেই দল, যারা ২০২১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বশেষ শিরোপা জয়ের সময় প্রতিযোগিতায় ছিল না।

ফাইনাল ২২ অক্টোবর হওয়ার কথা ছিল, তবে ঘোষিত সময়ে অসংগতি রয়েছে। কোরীয় সময়ের তালিকায় রাত ৯টা ৪৫ মিনিট বলা হয়েছে, অন্য একটি তালিকায় বলা হয়েছে তাশখন্দের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৪৫ মিনিট। উজবেকিস্তানের চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়া চার ঘণ্টা এগিয়ে থাকায় এ দুটি সময় এক নয়। নিশ্চিত শুরুর সময় ও ফাইনালের ফল জানা যায়নি।

জাপানের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে দুই খেলোয়াড় মিলে তিনটি এককের ম্যাচ জিতেছেন। কাং প্রথম ও নির্ণায়ক জয় এনে দেন, আর পার্ক গিউ-হিউন জাপানের সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংয়ের খেলোয়াড়কে হারান। তাঁদের পারফরম্যান্সেই কোরীয় দল শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ব্রোঞ্জ নিয়ে শেষ করল কোরীয় নারী দল

তাশখন্দে দক্ষিণ কোরিয়ার নারী দলও সেমিফাইনালে উঠেছিল, তবে চীনের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে শেষ করেছে। শীর্ষ খেলোয়াড়দের একজন শিন ইউ-বিনকে ছাড়াই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় দলটি।

সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার দুই দলের ফল তাই ছিল ভিন্ন। নারী দল ব্রোঞ্জ নিয়ে তাদের দলগত অভিযান শেষ করেছে, আর পুরুষ দল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য চীনের মুখোমুখি হতে ফাইনালে উঠেছে।

মূল তথ্য

  • ২২ অক্টোবর তাশখন্দে জাপানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো এশীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষ দলগত ফাইনালে উঠেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
  • বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫৮ নম্বরে থাকা কাং ডং-সু শিনোজুকা ও হারিমোতোকে হারিয়েছেন; হারিমোতোর বিপক্ষে একটি গেম জিতেছেন ১১-০ ব্যবধানে।
  • ৮০ নম্বরে থাকা পার্ক গিউ-হিউন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর মাতসুশিমাকে সরাসরি তিন গেমে হারিয়েছেন।
  • দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে উঠতে তাইওয়ানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে চীন।
  • শিন ইউ-বিনকে ছাড়া খেলতে নামা দক্ষিণ কোরিয়ার নারী দল চীনের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ পেয়েছে।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে