৭ লাখের বেশি ডাউনলোডে চাপে টুজু
ব্যবহারকারীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেবা ব্যাহত হওয়ার পর টুজু নেভিগেশন অ্যাপটি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে মালয়েশিয়ার মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে সরকার মালয়েশীয়দের ওয়েজের স্থানীয় বিকল্পটি বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে। মালয়েশিয়ান হাইওয়ে অথরিটি (এলএলএম) ২২ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, সমস্যার কারণ শনাক্ত, সেবার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং সক্ষমতা বাড়াতে তারা অ্যাপটির ডেভেলপার প্রসিগন্যাল কনসোর্টিয়াম এসডিএন বিএইচডি (পিসিএসবি)-এর সঙ্গে কাজ করছে।
সূচিপত্র
- ৭ লাখের বেশি ডাউনলোডে চাপে টুজু
- চালকেরা এখনো যেসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন
- ব্যবহারকারী সামলানোর বাইরেও মেরামতের কাজ
- ওয়েজ ব্যবহারে নির্দেশনা কেন গুরুত্বপূর্ণ
- চালু হওয়া থেকে বিঘ্ন: ঘটনাপ্রবাহ
- দ্বিতীয় সংস্করণে যা থাকছে
- জরুরি প্রতিবেদন কীভাবে মহাসড়ক পরিচালকদের কাছে পৌঁছায়
- নিরাপত্তা, তথ্য এবং পরবর্তী হালনাগাদ
- মূল বিষয়গুলো
এলএলএমের অপারেশনবিষয়ক উপমহাপরিচালক ইর. ড. মোহাম্মদ রিদজুয়ান জাহিদিন সাইবারজায়ায় এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আগের দিন পর্যন্ত টুজুর ডাউনলোড ৭ লাখ ছাড়িয়েছে। ২৬ নভেম্বর, ২০২৫-এ চালু হওয়া অ্যাপটির ব্যবহারকারী বাড়ায় তাৎক্ষণিক চাপ তৈরি হয়েছে। অ্যাপটিতে নেভিগেশন, মহাসড়কের যান চলাচলের তথ্য এবং জরুরি সহায়তাসহ বিভিন্ন সেবা রয়েছে।
এই বিঘ্ন এমন এক সেবায় প্রভাব ফেলছে, যা এখন কিছু সরকারি কর্মচারীকে ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। ২০ অক্টোবরের সরকারি নির্দেশনায় দাপ্তরিক কাজে ওয়েজ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম সাধারণ জনগণকেও স্থানীয় নেভিগেশন অ্যাপ বিবেচনার আহ্বান জানান।
এলএলএমের ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সিস্টেমের উন্নয়নকাজ চলাকালে টুজুর নেভিগেশন সুবিধা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। মহাসড়কের লাইভ ক্যামেরা দেখা এবং অন্যান্য সচল সুবিধা ব্যবহার করা যাচ্ছে। নেভিগেশন পুরোপুরি পুনরুদ্ধারের কোনো তারিখ জানানো হয়নি। ফলে কর্তৃপক্ষ মেরামতের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় চালকদের নির্দিষ্ট সময়সূচির অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।
চালকেরা এখনো যেসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন
ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার জানিয়েছে, টুজুর সব সেবা বন্ধ হয়নি; বরং কিছু সুবিধা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ব্যবহারকারীদের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে কোন সুবিধাগুলো প্রভাবিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রটি বলেছে:
এই সময়ে নেভিগেশন সুবিধা সাময়িকভাবে ব্যাহত থাকবে। তবে সিসিটিভি দেখা এবং অন্যান্য সচল সুবিধা আগের মতোই ব্যবহার করা যাবে।
টুজুতে সাধারণত পথনির্দেশনা, পৌঁছানোর আনুমানিক সময়, টোলের তথ্য, যান চলাচলের হালনাগাদ এবং মহাসড়কের লাইভ সিসিটিভি ফিড একসঙ্গে পাওয়া যায়। এ ছাড়া বিশ্রাম ও সেবাকেন্দ্র, মহাসড়কের বিভিন্ন সুবিধা এবং জরুরি সহায়তার তথ্যও রয়েছে। নেভিগেশন উন্নয়নের কাজ চলাকালে চালকেরা নির্বাচিত মহাসড়ক এলাকার যান চলাচল ক্যামেরার ফিডে দেখতে পারেন।
এলএলএমের তাৎক্ষণিক কাজ হলো বাকি সেবাগুলো সচল রেখে নির্ভরযোগ্য পথনির্দেশনা ফিরিয়ে আনা। মহাসড়কে যাত্রার পরিকল্পনা করা কারও জন্য ক্যামেরার ফিড দেখা আর বিরতিহীন পথনির্দেশনা পাওয়া ভিন্ন প্রয়োজন মেটায়: একটি নির্দিষ্ট স্থানের পরিস্থিতি দেখায়, অন্যটি গন্তব্যে পৌঁছাতে চালককে পথ দেখায়।
ব্যবহারকারী সামলানোর বাইরেও মেরামতের কাজ
বিঘ্নের কারণ খুঁজে বের করা, সিস্টেমের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং আরও বেশি ব্যবহারকারীর চাপ সামলাতে অ্যাপটির সক্ষমতা বাড়ানো—এ তিনটি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার নিয়ে এলএলএম ও পিসিএসবি কাজ করছে। সক্ষমতা বলতে বোঝায়, একই সময়ে একটি সিস্টেম কতটা চাহিদা সামলাতে পারে; এর মধ্যে পথ ও যাতায়াতের তথ্যের অনুরোধও রয়েছে।
থ্রেডসসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অনির্ভরযোগ্য পথনির্দেশনা, ঘটনা ঘটার সময় যান চলাচলে বিঘ্নের তথ্য না পাওয়া এবং সফটওয়্যারের ত্রুটি নিয়ে অভিযোগ করেছেন। এসব উদ্বেগ শুধু অ্যাপ চালু হচ্ছে কি না বা সংযোগ থাকছে কি না, তা নিয়ে নয়। স্ক্রিনে দেখানো পথ ও সড়কের তথ্য উপযোগী এবং নির্ভুল হওয়াও চালকের জন্য জরুরি।
এলএলএম জানিয়েছে, তাদের মেরামত কর্মসূচিতে নেভিগেশন সুবিধা, পথের নির্ভুলতা এবং অ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উন্নত করা হবে। এক বিবৃতিতে কর্তৃপক্ষ এসব উন্নয়নের সঙ্গে জনসাধারণের আস্থার সরাসরি সম্পর্ক তুলে ধরেছে:
আমরা বুঝি, নির্ভরযোগ্য সেবার মাধ্যমেই ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করতে হয়। টুজুর উন্নয়ন শুধু সিস্টেমের স্থিতিশীলতায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। আমরা নেভিগেশন সুবিধা, তথ্যের নির্ভুলতা এবং ব্যবহারকারীদের চাহিদা মেটানোর সক্ষমতাও বাড়াব।
কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে তাই প্রযুক্তিগত নির্ভরযোগ্যতা এবং চালকেরা যে তথ্য পান—দুটিই অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির চাপে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর যাত্রাপথে কী ঘটে তা নিয়ে ওঠা অভিযোগ মোকাবিলায় উন্নত করা হবে পথনির্দেশনা ও যান চলাচলের তথ্য।
ওয়েজ ব্যবহারে নির্দেশনা কেন গুরুত্বপূর্ণ
আনোয়ারের সুপারিশে টুজু অনেক বেশি মানুষের নজরে এসেছে। ২০ অক্টোবর তার অ্যাপ বদলানোর আহ্বান আসে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকের পর। এতে তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে সরকারের বৃহত্তর আলোচনায় নেভিগেশন ডেটাও স্থান পায়।
সরকারি কর্মচারীদের ওপর এই বিধিনিষেধের কথা ২০ অক্টোবরের একটি চিঠিতে জানান সরকারের প্রধান সচিব তান শ্রী শামসুল আজরি আবু বকর। নির্দেশটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব-জেনারেল এবং দপ্তরপ্রধানদের অধীন কর্মকর্তাদের, সংশ্লিষ্ট সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদেরসহ, বিষয়টি জানাতে বলা হয়।
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসিএসএ) স্পষ্ট করেছে, এই বিধিনিষেধ দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের সময় সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ জনগণকে স্থানীয় বিকল্প বিবেচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাটি নিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না, তা বুঝতে পাঠকদের জন্য মূল পার্থক্য হলো—দাপ্তরিক কাজের সময় কর্মক্ষেত্রের নিয়ম আর অন্য চালকদের জন্য একটি সুপারিশ।
সরকার দাপ্তরিক তথ্য, ব্যক্তিগত উপাত্ত এবং মানুষের চলাচলসংক্রান্ত তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। ওয়েজের ইসরায়েলের সঙ্গে আইনি সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছে। ওয়েজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসরায়েলে, আর আনোয়ার বলেছেন, এই সেবা ইসরায়েলি আইনের অধীন।
অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য একটি গন্তব্যের চেয়েও বেশি কিছু প্রকাশ করতে পারে। বারবার করা যাত্রার তথ্য থেকে কারও দৈনন্দিন রুটিন, যেমন তিনি কোথায় কাজ করেন এবং নিয়মিত কোথায় যান, তা বোঝা সম্ভব। এই সংবেদনশীলতার কারণেই নেভিগেশন অ্যাপ জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের অংশ হয়ে উঠেছে, যদিও দৈনন্দিন ব্যবহারে এর উদ্দেশ্য কেবল মানুষকে পথ দেখানো।
চালু হওয়া থেকে বিঘ্ন: ঘটনাপ্রবাহ
টুজুর উন্নয়ন এবং সরকারের সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপ—দুটিই কয়েকটি তারিখজুড়ে ঘটেছে। ২০২৬ সালের অক্টোবরে সুপারিশটি নতুন করে নজর কাড়ে এবং চাহিদা বাড়ায়, তখন অ্যাপটি প্রায় ১১ মাস ধরে ব্যবহার করা যাচ্ছিল।
- ২৬ নভেম্বর, ২০২৫: পিসিএসবির তৈরি এবং এলএলএমের সহযোগিতায় চালু মহাসড়ক নেভিগেশন অ্যাপ হিসেবে টুজু পরিচিতি পায়।
- ২০ অক্টোবর, ২০২৬: আনোয়ার জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং স্থানীয় নেভিগেশন বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানান। শামসুল আজরি সরকারি কর্মচারীদের ওয়েজ ব্যবহার সীমিত করার চিঠি জারি করেন।
- জনসাধারণের প্রতি সুপারিশের পর: সিস্টেমের উন্নয়নকাজ চলাকালে টুজুর নেভিগেশন সুবিধা সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার কথা জানায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার।
- ২২ অক্টোবর, ২০২৬: এলএলএম দুঃখ প্রকাশ করে এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, সক্ষমতা বাড়ানো ও নেভিগেশনের নির্ভুলতা উন্নত করার কাজের কথা জানায়।
- ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষ: অ্যান্ড্রয়েডে প্রকাশের পর পরীক্ষা শেষে আইওএসের জন্য টুজুর দ্বিতীয় সংস্করণ আসার কথা ছিল।
এই সময়সূচিতে দুটি কাজ একসঙ্গে এগোচ্ছে: বাড়তি চাহিদার মধ্যে সেবা মেরামত এবং হালনাগাদ সংস্করণ চালু করা। এলএলএম জানিয়েছে, সেবা পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নসংক্রান্ত আরও তথ্য তাদের নিজস্ব এবং টুজুর আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে জানানো হবে।
দ্বিতীয় সংস্করণে যা থাকছে
এলএলএমের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের পরিচালক ইর. মোহদ শরীর আমিন আহমদ বলেন, টুজুর দ্বিতীয় সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েডে প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হলে ২০২৬ সালের অক্টোবরের শেষে আইওএস সংস্করণ আসার কথা ছিল।
হালনাগাদ সংস্করণে বৈদ্যুতিক গাড়ি, জনপ্রিয় গন্তব্য এবং ব্যবহারকারীদের নিয়মিত যাতায়াতের স্থান সংরক্ষণের সুবিধা যুক্ত হয়েছে। বড় পার্কিং এলাকাসহ যেখানে গাড়ি রাখা হয়েছে, তা খুঁজে পেতে সহায়ক একটি ফিচারের কথাও জানান মোহদ শরীর আমিন।
গন্তব্য সংরক্ষণ করলে বারবার যাতায়াতের ক্ষেত্রে একই ঠিকানা বারবার লেখার প্রয়োজন কমে। পার্কিংয়ের অবস্থান জানার সুবিধাটি যাত্রার আরেকটি ধাপে কাজে আসে; গন্তব্যে পৌঁছানোর পর ব্যবহারকারীকে গাড়ির কাছে ফিরে যেতে সাহায্য করে। বৈদ্যুতিক গাড়িসংক্রান্ত সুবিধার বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অ্যান্ড্রয়েডে সংস্করণটি প্রকাশ এবং আইওএসে প্রকাশের পরিকল্পনার কারণে দুই প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীরা নতুন সুবিধা ভিন্ন সময়ে পেতে পারেন। আইওএস সংস্করণের সময়সূচি পরীক্ষা শেষ হওয়ার ওপর নির্ভরশীল ছিল। আর বিঘ্নিত নেভিগেশন সেবা ফিরিয়ে আনার কাজটি এলএলএমের পৃথক উদ্যোগ হিসেবে চলছিল।
জরুরি প্রতিবেদন কীভাবে মহাসড়ক পরিচালকদের কাছে পৌঁছায়
মহাসড়কে সমস্যায় পড়া ব্যবহারকারীদের জন্য টুজুতে একটি এসওএস বোতাম রয়েছে। মোহাম্মদ রিদজুয়ান বলেন, এই সুবিধার মাধ্যমে পাঠানো তথ্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মহাসড়ক পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়।
সরকারের সঙ্গে চুক্তির অধীনে কোনো নির্দিষ্ট মহাসড়ক পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কোম্পানিকে কনসেশনিয়ার বলা হয়। সংশ্লিষ্ট পরিচালনাকারীর কাছে প্রতিবেদন পাঠালে সড়কের ওই অংশের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অনুরোধটির সংযোগ তৈরি হয়।
জরুরি সহায়তার সুবিধার পাশাপাশি রয়েছে যাতায়াতের তথ্য, মহাসড়কের বিভিন্ন সুবিধা এবং লাইভ ক্যামেরার ফিড। এসব সেবা মিলিয়ে টুজু শুধু পথ বেছে নেওয়ার একটি টুল নয়। মহাসড়কে যাত্রার সময় এটি তথ্য দেয় এবং সহায়তা চাওয়ারও সুযোগ করে দেয়।
নিরাপত্তা, তথ্য এবং পরবর্তী হালনাগাদ
এলএলএম জানিয়েছে, স্থানীয় নেভিগেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে তারা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এনএসিএসএ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে। সেবার নির্ভরযোগ্যতা ও নির্ভুলতার পাশাপাশি এই কাজের অংশ হিসেবে নিরাপত্তা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
তথ্য ব্যবস্থাপনা বলতে তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার, সংরক্ষণ ও সুরক্ষার নিয়ম এবং দায়িত্ব বোঝায়। নেভিগেশন সেবায় এসব সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পথনির্দেশনার জন্য অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য অপরিহার্য। ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব নিয়ে সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য হলো, যেসব ডিজিটাল সেবা ও তথ্যের ওপর মালয়েশিয়া নির্ভরশীল, সেগুলোর ওপর দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা।
চালকদের কাছে অগ্রগতির তাৎক্ষণিক মাপকাঠি হবে সুনির্দিষ্ট: নির্ভরযোগ্য নেভিগেশন, নির্ভুল পথের তথ্য এবং কার্যকর যান চলাচলের হালনাগাদ। এলএলএম অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং এলএলএম ও টুজুর আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে সেবা পুনরুদ্ধারের তথ্য প্রকাশ করবে।
ব্যবহারকারীরা [email protected] ঠিকানায় অভিযোগ বা মতামত পাঠাতে পারেন। পিসিএসবি ও এলএলএম সেবা পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় চালকদের সমস্যা জানানোর সরাসরি পথ এটি।
মূল বিষয়গুলো
- চাহিদা বেড়ে টুজুর সেবা ব্যাহত হওয়ার পর ২২ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে দুঃখ প্রকাশ করে এলএলএম।
- এলএলএমের এক কর্মকর্তা জানান, অ্যাপটির ডাউনলোড ৭ লাখ ছাড়িয়েছে।
- নেভিগেশন সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও লাইভ সিসিটিভি দেখা এবং অন্যান্য সচল সুবিধা ব্যবহার করা যাচ্ছিল।
- সক্ষমতা, স্থিতিশীলতা, পথের নির্ভুলতা এবং ব্যবহারকারীদের অভিযোগ নিয়ে কাজ করছে এলএলএম ও পিসিএসবি।
- দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের সময় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ওয়েজ ব্যবহারের বিধিনিষেধ প্রযোজ্য; সাধারণ জনগণকে স্থানীয় বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
- টুজুর দ্বিতীয় সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েডে প্রকাশ করা হয়েছে; পরীক্ষা শেষে অক্টোবরের শেষ নাগাদ আইওএস সংস্করণ আসার কথা।
- সেবা পুনরুদ্ধারের হালনাগাদ তথ্য এলএলএম ও টুজুর আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে জানানো হবে।






