উপস্থিতি বৃদ্ধিতে বেশি সুফল মিললেও কম দরিদ্র শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাচ্ছে খাবার
ইন্দোনেশিয়ার বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচিতে দরিদ্র পরিবারের তুলনায় সচ্ছল পরিবারের বেশি শিক্ষার্থী খাবার পাচ্ছে। অথচ সরকারি এক গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে খাবার পাওয়া শিক্ষার্থী ও অন্য শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ব্যবধান বিশেষভাবে বড়।
সূচিপত্র
- উপস্থিতি বৃদ্ধিতে বেশি সুফল মিললেও কম দরিদ্র শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাচ্ছে খাবার
- জাতীয় জরিপে যা পরীক্ষা করা হয়েছে
- বিতরণে কোথায় পরিবর্তন চায় ডেন
- সবচেয়ে দরিদ্রদের মধ্যে উপস্থিতির ব্যবধান ছিল সবচেয়ে বড়
- খাবার পাওয়ার হার বেশি হলে অনুপস্থিতিও কমেছে
- খাবারের মানের ওপর নির্ভর করছে ৯৫ শতাংশের হিসাব
- কর্মসূচির দুটি অগ্রাধিকার
- মূল বিষয়গুলো
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ, যা ডেন (DEN) নামে পরিচিত, ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর জাকার্তার মেরদেকা প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর কাছে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিতরণের তথ্য বিশ্লেষণ করে পরিষদ আরও দেখতে পায়, গ্রামীণ এলাকার বদলে শহরাঞ্চলে খাবার পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।
ডেনের সদস্য মোচামাদ ফিরমান হিদায়াত দরিদ্র জনগোষ্ঠী, গ্রামীণ স্কুল এবং ইন্দোনেশিয়ার অনুন্নত, সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান। শিক্ষার্থীদের ক্ষুধা ও শেখার আগ্রহের সঙ্গে খাবারের গুণগত মানের সম্পর্ক পেয়েছে গবেষণাটি। তাই পরিষদ খাবারের মান উন্নত করারও সুপারিশ করেছে।
ইন্দোনেশিয়ায় মাকান বারগিজি গ্রাতিস বা এমবিজি (MBG) নামে পরিচিত কর্মসূচিটি নিয়ে গবেষণার ফলাফলে দুটি উদ্বেগ উঠে এসেছে। খাবার পাওয়ার সঙ্গে স্কুলে উপস্থিতি এবং শেখার আগ্রহ বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে, অথচ খাবার পাওয়ার সুযোগ সচ্ছল শিক্ষার্থী ও শহরাঞ্চলের দিকে বেশি ঝুঁকে আছে। যেসব পরিবারের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে বিশেষভাবে বড় ব্যবধান দেখা গেছে, তাদের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছাতে চায় ডেন।
জাতীয় জরিপে যা পরীক্ষা করা হয়েছে
ডেন ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান সংস্থা বা বিপিএসের (BPS) পাশাপাশি আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জাতীয় আর্থসামাজিক জরিপ, সুসেনাসে (Susenas), একটি বিশেষ মডিউল তৈরি করে। কোনো নির্দিষ্ট বিষয় যাচাই করতে জরিপে অতিরিক্ত কিছু প্রশ্ন যুক্ত করাকে মডিউল বলে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নগুলো ছিল স্কুলে উপস্থিতি, পড়াশোনার আগ্রহ এবং স্কুলের সময়ে ক্ষুধা লাগা নিয়ে।
প্রেসিডেন্টের দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মডিউলটির কাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এবং এতে পুরো ইন্দোনেশিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। দেশজুড়ে তথ্য সংগ্রহের ফলে ডেন বিভিন্ন স্থান ও পরিবারের আর্থিক অবস্থাভেদে পার্থক্য পরীক্ষা করতে পারে। পাশাপাশি খাবার পাওয়া শিক্ষার্থী এবং তখনও খাবার না পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পার্থক্যও দেখা হয়।
তারিখগুলো জরিপের প্রশ্ন চালুর সময়, ডেনের আলোচনায় আসা বিতরণের তথ্য এবং প্রেসিডেন্টের কাছে ফলাফল উপস্থাপনের সময় নির্দেশ করে:
- সেপ্টেম্বর ২০২৫: সুসেনাসের বিশেষ মডিউলে এমবিজি, উপস্থিতি, পড়াশোনার আগ্রহ এবং ক্ষুধা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০২৬: ফিরমানের উদ্ধৃত বিতরণের তথ্যে দেখা যায়, খাবার পাওয়া শিক্ষার্থীরা শহরাঞ্চলে বেশি কেন্দ্রীভূত; দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের চেয়ে সচ্ছল পরিবারের বেশি শিক্ষার্থী খাবার পাচ্ছে।
- ২০ অক্টোবর ২০২৬: ডেন মেরদেকা প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট প্রবোওর কাছে ফলাফল তুলে ধরে এবং ফিরমান সংবাদ সম্মেলনে সেগুলো ব্যাখ্যা করেন।
ফলাফল জনসমক্ষে তুলে ধরার সময় প্রধান পর্যবেক্ষণগুলোর দিকনির্দেশনা দেওয়া হলেও আয়গোষ্ঠী বা অবস্থানভেদে খাবার পাওয়া শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা, উপস্থিতির সুনির্দিষ্ট হার, ক্ষুধা কমার সংখ্যাগত পরিমাপ কিংবা সুপারিশ বাস্তবায়নের সময়সূচি জানানো হয়নি।
বিতরণে কোথায় পরিবর্তন চায় ডেন
শিশুরা কোথায় থাকে এবং তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা কেমন—এই দুই দিকেই ভারসাম্যহীনতার কথা বলেছেন ফিরমান। গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের তুলনায় শহরের শিক্ষার্থীরা বেশি খাবার পেয়েছে। একইভাবে, দরিদ্র পরিবারের তুলনায় সচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা বেশি খাবার পেয়েছে।
ডেনের প্রস্তাব, দরিদ্র জনগোষ্ঠী, গ্রামীণ এলাকা এবং ইন্দোনেশিয়ার ৩টি (3T) নামে পরিচিত অঞ্চলগুলোকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হোক। এই সংক্ষিপ্ত নামের অর্থ অনুন্নত, সীমান্তবর্তী ও প্রত্যন্ত অঞ্চল। কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এসব এলাকায় আরও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে পরিষদ।
প্রেসিডেন্টের কাছে ফলাফল তুলে ধরার পর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরমান এই সুপারিশের কথা বলেন:
বিশেষ করে ৩টি (3T) অঞ্চল, গ্রামীণ এলাকা ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আরও ভালোভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এই সুপারিশ বিতরণের বিষয়টিকে গবেষণার শিক্ষাসংক্রান্ত ফলাফলের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যেসব পরিবারের ক্ষেত্রে খাবার পাওয়া ও না-পাওয়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ব্যবধান বিশেষভাবে বড়, সেই পরিবারের আরও বেশি শিশুর কাছে খাবার পৌঁছাতে চায় ডেন। এসব এলাকার পরিবারের জন্য তাৎক্ষণিক প্রশ্ন হলো, তাদের সন্তানেরা স্কুলে এই কর্মসূচির খাবার পাবে কি না।
সবচেয়ে দরিদ্রদের মধ্যে উপস্থিতির ব্যবধান ছিল সবচেয়ে বড়
গবেষণার ফলাফল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ফিরমান বলেন, এমবিজি পাওয়া শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, এমবিজি না-পাওয়া শিক্ষার্থীদের চেয়ে কম ছিল। সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের গোষ্ঠীতে, যাদের প্রথম ডেসাইল বলা হয়েছে, এই ব্যবধান ছিল বিশেষভাবে স্পষ্ট।
কোনো সূচক, যেমন পরিবারের আর্থিক অবস্থা, অনুসারে সাজানো জনগোষ্ঠীকে সমান দশটি ভাগে ভাগ করাকে ডেসাইল বলে। প্রথম ডেসাইল হলো সেই তালিকার সবচেয়ে নিচের ১০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে এটি গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারের গোষ্ঠীকে নির্দেশ করে।
ফিরমান বলেন, ওই গোষ্ঠীর যেসব শিশু এমবিজি পায়নি, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি স্কুল কামাই করেছে; আর যারা খাবার পেয়েছে, তারা নিয়মিত স্কুলে গেছে। দরিদ্র পরিবারগুলোকে বিতরণ কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়ার ডেনের আহ্বানের পেছনে এই ফলাফল একটি সুনির্দিষ্ট কারণ তুলে ধরে।
শিশুদের নিয়মিত স্কুলে যাওয়া মানে শ্রেণিকক্ষে বেশি সময় থাকা এবং কম পাঠ বাদ পড়া। তাই পরিষদের গবেষণা খাবার কর্মসূচিকে শেখার একটি মৌলিক শর্তের সঙ্গে যুক্ত করেছে: পাঠদানের সময় স্কুলে উপস্থিত থাকা।
কারা খাবার পাবে, সেই আলোচনায় ডেনের সুপারিশ শ্রেণিকক্ষের এই সুফলকে সামনে এনেছে। পরিষদের উদ্বেগ শুধু কত শিশুর কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে তা নিয়ে নয়; বিতরণ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যাদের, তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়েও।
খাবার পাওয়ার হার বেশি হলে অনুপস্থিতিও কমেছে
স্কুলে এমবিজি সরবরাহের মাত্রার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির সম্পর্কের কথাও বলেছেন ফিরমান। খাবার পাওয়ার মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনুপস্থিতি কমার হারও বেড়েছে।
এতে সুযোগ পাওয়ার প্রশ্নের সঙ্গে খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে। শিশুরা এমবিজি পেয়েছে কি না, তা গবেষণায় দেখা হয়েছে। ফিরমানের ব্যাখ্যায় কর্মসূচিটি তাদের স্কুলে কতটা বা কত ঘন ঘন পৌঁছেছে, সেই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সবচেয়ে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ধরন এবং খাবার পাওয়ার মাত্রার সঙ্গে তার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে ফিরমান বলেন:
তারা এমবিজি না পেলে প্রায়ই স্কুলে অনুপস্থিত থাকে। অন্যদিকে, এমবিজি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্কুল কামাই করার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। তাদের স্কুলে এমবিজি সরবরাহের মাত্রা যত বাড়ে, অনুপস্থিতি কমার হারও তত বাড়ে।
খাবার পৌঁছে দেওয়ার বাস্তব প্রক্রিয়ায় মনোযোগ দেওয়ার আরেকটি কারণ দিয়েছে এই ফলাফল। স্কুলে খাবার পৌঁছানো এবং নিয়মিত সরবরাহ বজায় রাখা—দুটিই পরিষদের বর্ণিত উপস্থিতির ধরনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।
খাবারের মানের ওপর নির্ভর করছে ৯৫ শতাংশের হিসাব
খাবারের মানের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। যেসব খাবার পাওয়া শিক্ষার্থী খাবারকে খুব ভালো বলে মূল্যায়ন করেছে, তাদের ৯৫ শতাংশ জানিয়েছে, পড়াশোনার আগ্রহ বেড়েছে। সহজভাবে বললে, খাবারের মানকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা প্রতি ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জনের আগ্রহ বেড়েছে।
পরিষদের বিবরণ অনুযায়ী, যারা খাবারের মানকে খারাপ বলেছে, তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ার কথা জানানোর সম্ভাবনা ছিল অনেক কম। এই পার্থক্যের কারণে প্রেসিডেন্টের কাছে ডেনের সুপারিশে খাবারের মেনুর মান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
পরিবেশন করা খাবারের দিকে সরকারের মনোযোগ দেওয়া কেন জরুরি, তা ব্যাখ্যা করে ফিরমান বলেন:
প্রেসিডেন্টের কাছে আমাদের একটি সুপারিশ ছিল, এমবিজির মেনুর মানের দিকে নজর দিতে হবে, কারণ এর সঙ্গে স্কুলে শিশুদের ক্ষুধা এবং শেখার আগ্রহের সম্পর্ক রয়েছে।
৯৫ শতাংশের এই ফলাফলটি সেই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ সম্পর্কে, যারা খাবারের মানকে খুব ভালো বলেছে। জরিপে উপস্থিতি ও ক্ষুধার বিষয় আলাদাভাবে যাচাই করা হয়েছে। ফলে কর্মসূচি সম্পর্কে শিশুদের অভিজ্ঞতা বোঝার জন্য ডেনের হাতে একাধিক সূচক রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে খাবারের মানের এই ফলাফলটি তারা বাস্তবে যে খাবার পায়, তা নিয়ে। ডেনের বক্তব্য হলো, খাবার পাওয়া কতটা সহজলভ্য, তার পাশাপাশি খাবারের উপাদানও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, খাবার সম্পর্কে ভালো মূল্যায়নের সঙ্গে পড়াশোনার আগ্রহ সম্পর্কিত ছিল।
কর্মসূচির দুটি অগ্রাধিকার
যেসব জনগোষ্ঠী সেবা কম পাচ্ছে, তাদের কাছে আরও বেশি খাবার পৌঁছানো এবং খাবারের মান উন্নত করা—ডেনের সুপারিশে এই দুটি বিষয় একসঙ্গে এসেছে। বিতরণের তথ্য দরিদ্র পরিবার, গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এবং ৩টি (3T) অঞ্চলের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলছে। আর পড়াশোনার আগ্রহসংক্রান্ত ফলাফল মেনু উন্নত করার প্রয়োজনের দিকে ইঙ্গিত করছে।
এই অগ্রাধিকারগুলো স্কুলের একই দিনের ভিন্ন দুটি দিককে সামনে আনে। কোনো শিশু খাবার পাবে কি না, তা নির্ধারণ করে খাবারের প্রাপ্যতা। আর খাবারের মান শিশুর সেই খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতাকে প্রভাবিত করে; এর সঙ্গে ক্ষুধা ও শেখার আগ্রহের কথাও সম্পর্কিত ছিল। ফিরমানের বর্ণনা অনুযায়ী, খাবার সরবরাহের মাত্রার সঙ্গেও উপস্থিতির সম্পর্ক ছিল।
প্রেসিডেন্ট প্রবোওর কাছে তুলে ধরা ফলাফলে কর্মসূচিটির সুফল এবং বাস্তবায়নের ঘাটতি—দুটিই চিহ্নিত হয়েছে। ডেনের প্রস্তাবিত পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো দরিদ্র ও কম সেবা পাওয়া এলাকার আরও বেশি শিশুর কাছে এই সুফল পৌঁছে দেওয়া এবং ইতিমধ্যে বিতরণ করা খাবারের মান উন্নত করা।
মূল বিষয়গুলো
- ডেনের হিসাবে, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের চেয়ে সচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমবিজি পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি; বিতরণ শহরাঞ্চলে বেশি কেন্দ্রীভূত।
- গবেষণায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া দেশজুড়ে সুসেনাস মডিউল ব্যবহার করা হয়েছে।
- খাবার পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতি কম ছিল; সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে ব্যবধান ছিল বিশেষভাবে বড়।
- স্কুলে খাবার পাওয়ার মাত্রা বেশি হলে অনুপস্থিতি কমার হারও বেশি ছিল।
- খাবারকে খুব ভালো বলেছে এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ জানিয়েছে, পড়াশোনার আগ্রহ বেড়েছে।
- ডেন উন্নত মেনুর পাশাপাশি দরিদ্র পরিবার, গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও ৩টি (3T) অঞ্চলকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।






