অপরাজিত ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকায় মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে হারিয়ে বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। এর ফলে টুর্নামেন্টের শুরুতে বাংলাদেশকে ৩৪ গোলের ব্যবধানে হারানো ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হবে স্বাগতিক দল।
সূচিপত্র
- অপরাজিত ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা
- শুরুর চাপ সামলে বাংলাদেশের পাল্টা আক্রমণ
- গোলসংগ্রহে সানজিদার নেতৃত্ব, সতীর্থদেরও অবদান
- পদকের ম্যাচে চার দলের ওঠার পথ
- ভারতের প্রথম জয়ই কঠিন মানদণ্ড তৈরি করেছে
- আন্তর্জাতিক ম্যাচের ঘাটতির কথা বলছেন খেলোয়াড়েরা
- প্রস্তুতির সময়ও ব্যবধানের একটি কারণ
- আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্সকে ঘিরে ফাইনাল
- মূল বিষয়গুলো
পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে মোসাম্মৎ সানজিদা আক্তার আটটি গোল করেন এবং ম্যাচসেরার পুরস্কার পান। পরের পর্বে উঠতে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে জিততেই হতো স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধে দাপুটে পারফরম্যান্স তাদের এতটাই এগিয়ে দেয় যে বিরতির পর মালদ্বীপের উন্নত পারফরম্যান্স সামলেও জয় নিশ্চিত করতে পেরেছে বাংলাদেশ।
সংশোধিত সূচি অনুযায়ী ফাইনাল বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর বিকেল ৩টায় শুরু হবে। ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে বুধবার, ২১ অক্টোবর দুপুর ২টায় মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও নেপাল। দুটি সময়ই বাংলাদেশের স্থানীয় সময়।
মঙ্গলবার নেপালকে ২৬-১১ গোলে হারিয়ে তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে লিগ পর্ব শেষ করেছে ভারত। দুই জয় ও এক হার নিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। নেপালকে একই ৩৩-২০ ব্যবধানে হারানোর পর সোমবার ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে হেরেছিল তারা।
কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া ও তাঁর খেলোয়াড়দের কাছে মঙ্গলবারের ফল স্বাগতিক দেশের শিরোপার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে। তবে বৃহস্পতিবারের চ্যালেঞ্জ অনেক কঠিন: এমন প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথ খুঁজে বের করা, যাদের গতি, প্রস্তুতি ও নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ ইতিমধ্যে কোর্টে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।
শুরুর চাপ সামলে বাংলাদেশের পাল্টা আক্রমণ
প্রথমে গোল করে শুরুতে বাংলাদেশকে চাপে রাখার চেষ্টা করে মালদ্বীপ। গ্যালারি থেকে খেলা দেখা নেপালের খেলোয়াড়েরা মালদ্বীপের শুরুর গোলকে স্বাগত জানান, কারণ বাংলাদেশ হারলে ফাইনালে ওঠার তাদের নিজেদের পথ খোলা থাকত।
দ্রুত পাল্টা আক্রমণে শিগগিরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। নিজেদের গোলপোস্ট রক্ষা করা থেকে দ্রুত প্রতিপক্ষের প্রান্তে আক্রমণে চলে যায় তারা। তাদের গতি বারবার মালদ্বীপের রক্ষণভাগে ফাঁক তৈরি করে, বিরতির আগেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
বিরতির স্কোর কোথাও ১৭-৫, আবার কোথাও ১৬-৫ উল্লেখ করা হয়েছে; সেই হিসাবে দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের গোলসংখ্যা ১৬ অথবা ১৭। তবে ম্যাচের চূড়ান্ত স্কোর ৩৩-২০ এবং দ্বিতীয়ার্ধে মালদ্বীপের ১৫ গোলের হিসাব মিলে যায়। তাই বিরতিতে বাংলাদেশ অন্তত ১১ গোলে এগিয়ে ছিল এবং শেষ পর্যন্ত ১৩ গোলের ব্যবধানে জিতেছে।
বিরতির পর মালদ্বীপের পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়। প্রথমার্ধের পাঁচ গোলের বিপরীতে দ্বিতীয়ার্ধে তারা ১৫ গোল করে। বাংলাদেশও প্রতিপক্ষের প্রায় সমান গতিতে গোল করতে থাকে, ফলে বিরতির আগে তৈরি বড় ব্যবধান কমাতে পারেনি সফরকারীরা।
সোমবারের বড় হারের পর এই ম্যাচে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো জরুরি ছিল। ওই হারের প্রভাব নির্ণায়ক লিগ ম্যাচে পড়তে না দিয়ে স্বাগতিকরা আক্রমণের ছন্দ ফিরে পায় এবং পরের পর্বে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় জয় নিশ্চিত করে।
গোলসংগ্রহে সানজিদার নেতৃত্ব, সতীর্থদেরও অবদান
বাংলাদেশের মোট ৩৩ গোলের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে সানজিদার আট গোল থেকে। ডান দিক থেকে তাঁর আক্রমণ স্বাগতিকদের সাফল্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি ছিল, আর এই অবদানের জন্যই তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কার পান।
মিষ্টি খাতুন ও সাকিবা শাম্মী চারটি করে গোল করেন, অধিনায়ক ইসমেতারা নিশি যোগ করেন তিনটি। সানজিদাসহ এই চার খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা ১৯, যা বাংলাদেশের মোট গোলের অর্ধেকের বেশি।
মালদ্বীপের ফাতিমাথ জুনা করেন নয়টি গোল, ম্যাচে কোনো এক খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা। দলের ২০ গোলের ৪৫ শতাংশই আসে তাঁর কাছ থেকে। বাংলাদেশ স্কোরের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও আক্রমণে সফরকারীদের বড় ভরসা ছিলেন তিনি।
এবার ফাইনালেও এই আক্রমণাত্মক সাফল্যের আরও বেশি অংশ ধরে রাখতে হবে বাংলাদেশকে। লিগ পর্বে ভারতের বিপক্ষে পুরো দল মিলে মাত্র ১৩ গোল করেছিল, মালদ্বীপের বিপক্ষে সানজিদা একাই তার চেয়ে পাঁচটি বেশি গোল করেন।
পদকের ম্যাচে চার দলের ওঠার পথ
চার দল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলেছে, অর্থাৎ প্রতিটি দল অন্য সব দলের বিপক্ষে একবার করে খেলেছে। লিগ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচেই ঠিক হওয়ার কথা ছিল স্বাগতিকরা শিরোপার লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গী হবে কি না।
প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছিল ভারত। মালদ্বীপকে হারিয়ে বাংলাদেশ ফাইনালে ওঠে, আর নেপাল ও মালদ্বীপকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ ফল ও বাকি সূচি:
- উদ্বোধনী ম্যাচ: বাংলাদেশ নেপালকে ৩৩-২০ গোলে হারায়।
- সোমবার, ১৯ অক্টোবর: ভারত বাংলাদেশকে ৪৭-১৩ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে।
- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর: মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ; নেপালকে ২৬-১১ গোলে হারিয়ে অপরাজিত লিগ পর্ব শেষ করে ভারত।
- বুধবার, ২১ অক্টোবর, দুপুর ২টা: ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে মালদ্বীপের মুখোমুখি হবে নেপাল।
- বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, বিকেল ৩টা: ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত।
বাংলাদেশের দুই জয়ই এসেছে ১৩ গোলের ব্যবধানে। ভারতের কাছে হার ৩৪ গোলের ব্যবধানে, যা ফাইনালিস্টদের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে লিগ পর্বের অন্য প্রতিপক্ষদের পার্থক্য স্পষ্ট করে।
ভারতের প্রথম জয়ই কঠিন মানদণ্ড তৈরি করেছে
সোমবার প্রথমার্ধে বাংলাদেশকে ২৪-৮ গোলে এগিয়ে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৭-১৩ ব্যবধানে জেতে ভারত। ভবনা করেন ১৩ গোল, যা বাংলাদেশের মোট গোলসংখ্যার সমান; তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও পান।
বিরতির পর গোলের ব্যবধান আরও বাড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে ভারত ২৩টি গোল করে, বাংলাদেশ করে পাঁচটি। ফাইনালে উন্নতি করতে হলে স্বাগতিকদের ভারতের আক্রমণ থামানোর পাশাপাশি নিজেদের গোল করার আরও নির্ভরযোগ্য উপায় খুঁজতে হবে।
মঙ্গলবার নেপালকে ২৬-১১ গোলে হারিয়ে সেই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা রাখে ভারত। তিন জয়ে পদকের ম্যাচে একমাত্র অপরাজিত দল হিসেবে নামছে তারা।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি না দিয়ে প্রতিপক্ষের শক্তির কথা স্বীকার করেছেন। সানজিদা বলেছেন, দেশের মাটিতে সেরা পারফরম্যান্স দেওয়া এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়াই দলের লক্ষ্য। সাকিবা জান্নাত শাম্মীও ভারতের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচকে তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন, পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ তাদের হারাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
আন্তর্জাতিক ম্যাচের ঘাটতির কথা বলছেন খেলোয়াড়েরা
সোমবারের হারের পর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সীমিত অংশগ্রহণকে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন গোলরক্ষক সুমাইয়া বানু। তিনি বলেন, নেপালের বিপক্ষে টুর্নামেন্টের শুরুতে দাপুটে জয় পেলেও বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও অভিজ্ঞ ভারতীয় দল।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগের পার্থক্য তুলে ধরে সুমাইয়া বলেন:
আমরা সবাই জানি, ভারতীয় দল সব সময়ই ভালো। তবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল ভালো খেলার। তারা অনেক বেশি নিয়মিত টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। বাংলাদেশে আমরা এত বেশি টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাই না।
দুই দলের ব্যবধান বোঝাতে তিনি ভারতের ১০তম এবং বাংলাদেশের ৪৮তম র্যাঙ্কিংয়ের কথা বলেন। সাকিবাও ভারতের বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও উচ্চতর র্যাঙ্কিংয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, অন্য দেশের বিপক্ষে খেলার সুযোগ বাংলাদেশের কম।
দক্ষিণ এশীয় গেমস ও ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে আগের অংশগ্রহণের পর সিনিয়র পর্যায়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দীর্ঘ বিরতির কথাও জানান সুমাইয়া:
আমরা খুব কম টুর্নামেন্ট খেলি। ২০১৯ সালে আমরা একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট, সাউথ এশিয়ান গেমস খেলেছিলাম, এরপর ছিল ইসলামিক সলিডারিটি গেমস। তারপর সিনিয়র পর্যায়ে আর কোনো খেলা হয়নি, তাই আমাদের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।
নিয়মিত ম্যাচ খেললে চাপের মধ্যে অপরিচিত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুশীলন হয়। সুমাইয়ার উদ্বেগটি স্পষ্ট: টুর্নামেন্টের মধ্যবর্তী সময়ে সেই অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কম।
প্রস্তুতির সময়ও ব্যবধানের একটি কারণ
ফ্রাগুয়া বলেন, ভারত সারা বছর নিবিড় অনুশীলন করেছে, আর এই প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতির সময় ছিল প্রায় তিন মাস। সানজিদার ভাষ্য, বাংলাদেশে সাধারণত প্রস্তুতি ক্যাম্প চলে চার থেকে পাঁচ মাস; অন্যদিকে ভারত সারা বছর ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।
দুই বক্তব্যেই প্রতিযোগিতার আগে বাংলাদেশের তুলনামূলক স্বল্প সময়ের প্রস্তুতির বিষয়টি উঠে এসেছে। সানজিদা বলেন, দলটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচও খুব কম খেলে, ফলে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রশিক্ষণে শেখা বিষয় কাজে লাগানোর সুযোগ খেলোয়াড়দের কম থাকে।
বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ ফ্রাগুয়া শারীরিক সক্ষমতা ও হ্যান্ডবল দক্ষতাকে এমন ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যেখানে তাঁর খেলোয়াড়েরা ভারতের চেয়ে পিছিয়ে। সোমবারের হারের পর তিনি বলেন, দুই দেশের প্রস্তুতির পার্থক্য ম্যাচেও প্রতিফলিত হয়েছে।
আগামী মাস ও বছরগুলোতে উন্নতি করে ভারতের সঙ্গে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণভাবে খেলার লক্ষ্য জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবারের ফাইনাল এই টুর্নামেন্টের মধ্যেই অগ্রগতি যাচাই করার তাৎক্ষণিক সুযোগ দিচ্ছে, যদিও ফ্রাগুয়ার বর্ণিত বৃহত্তর পরিবর্তনের জন্য ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও আরও বেশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া জরুরি।
আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পারফরম্যান্সকে ঘিরে ফাইনাল
মালদ্বীপের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে শিরোপার ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ, তবে বৃহস্পতিবারের জন্য খেলোয়াড়দের নিজেদের বক্তব্যে সংযত লক্ষ্যই উঠে এসেছে। সানজিদা বলেছেন, ঘরের মাঠে সেরা হ্যান্ডবল খেলতে এবং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দেশের মর্যাদা রক্ষা করতে চায় দল।
সোমবারের স্কোরই কাজটির কঠিনতা বোঝায়। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৪৭ গোল হজম করে, করে ১৩টি; মালদ্বীপের বিপক্ষে করে ৩৩টি, হজম করে ২০টি। ভারতের সঙ্গে প্রথম লড়াইয়ের তুলনায় দুই প্রান্তেই আরও কার্যকর পারফরম্যান্স দেখাতে হবে স্বাগতিকদের।
ভারতের কাছে হারের পরপরই পরের ম্যাচে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন সুমাইয়া:
আজ যা হয়েছে, তা অতীত; আমরা আগামীকালের ম্যাচে মনোযোগ দেব। আগামীকাল জিতলে অবশ্যই ফাইনালে খেলব।
মঙ্গলবার সেই জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার মালদ্বীপের বিপক্ষে পাওয়া আত্মবিশ্বাসকে টুর্নামেন্টের অপরাজিত দলের বিপক্ষে আরও শক্তিশালী লড়াইয়ে কাজে লাগানো তাদের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ; বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্ধারিত হবে শিরোপা।
মূল বিষয়গুলো
- ২০ অক্টোবর ঢাকায় মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে হারিয়ে আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ।
- মোসাম্মৎ সানজিদা আক্তার আটটি গোল করে ম্যাচসেরা হয়েছেন।
- লিগ পর্বে তিন জয় নিয়ে অপরাজিত অবস্থায় ফাইনালে উঠেছে ভারত; এর মধ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৭-১৩ গোলের জয়ও রয়েছে।
- ফাইনাল শুরু হবে বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, বাংলাদেশের সময় বিকেল ৩টায়।
- বুধবার, ২১ অক্টোবর দুপুর ২টায় ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও নেপাল।
- সীমিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও স্বল্প প্রস্তুতির সময়কে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও কোচ।






