দুপুর ও মধ্যরাতে গড়ে উঠছে নতুন জুটি
সেভেনটিনের জংহান ও জশুয়া জুটি হিসেবে তাঁদের প্রথম ইপি ‘ড্রিমস্কেপ’ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন। সাতটি গান এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন সেগুলো মিলে একটি নিরবচ্ছিন্ন গল্প বলে। প্লেডিস এন্টারটেইনমেন্ট জানিয়েছে, ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় ইপিটি প্রকাশিত হবে। এর প্রধান গান “12 o'clock”—দুপুর থেকে মধ্যরাতের মধ্যে স্বপ্নের পেছনে ছুটে চলা নিয়ে একটি ডান্স-রক গান।
সূচিপত্র
এই প্রকল্পে একসঙ্গে মিলেছে তাঁদের জীবনের দুটি ভিন্ন মাইলফলক। জুনে সামাজিক সেবাকর্মী হিসেবে বাধ্যতামূলক বিকল্প সামরিক সেবা শেষ করার পর এটিই জংহানের প্রথম অ্যালবাম; আর অভিষেকের পর জশুয়ার প্রথম সাবইউনিট প্রকল্প। সাবইউনিট হলো আগে থেকে থাকা কোনো দলের সদস্যদের নিয়ে গড়া ছোট দল, যেখানে তাঁরা ভিন্ন ধরনের সাউন্ড ও কাজের সম্পর্ক খতিয়ে দেখার সুযোগ পান।
এই জুটির মূল ভাবনা হলো স্বপ্নের দ্বৈত অর্থ: ঘুমের মধ্যে দেখা দৃশ্য এবং জেগে থেকে বাস্তবায়নের জন্য তাড়া করা আকাঙ্ক্ষা। এই যোগসূত্রই গানের সুর, ট্র্যাকগুলোর ক্রম এবং এক অদ্ভুত ট্রেন ও বিস্তীর্ণ তৃণভূমিসহ দৃশ্যজগতকে গড়ে তুলেছে।
সেভেনটিনের সদস্য এবং নতুন জুটির একজন জশুয়া প্লেডিস এন্টারটেইনমেন্টের প্রকাশ করা মন্তব্যে ধারণাটি ব্যাখ্যা করেছেন:
অ্যালবামটি ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন এবং বাস্তব জীবনে পূরণ করতে চাওয়া স্বপ্নের গল্প বলে। তাই পুরো অ্যালবামজুড়েই এমন উপাদান আছে, যা কল্পনা ও বাস্তবতার সীমারেখাকে ঝাপসা করে দেয়।
একটি গল্প বলার জন্য সাজানো সাতটি গান
জংহান বলেন, সাতটি গান যেন পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত মনে হয়, সে লক্ষ্যেই জুটিটি ইপিটি সাজিয়েছে। তাই শোনার ক্রমও প্রকল্পের অংশ: জশুয়া প্রথম গান থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত শুনতে বলেছেন, যেন গায়কদের সঙ্গে এক যাত্রায় শামিল হওয়া যায়।
অ্যালবামটি কীভাবে তৈরি হয়েছে তা বলতে গিয়ে জংহান শ্রোতাদের একটি নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা অনুসরণ না করে নিজেদের মতো করে অর্থ খুঁজে নিতে আমন্ত্রণ জানান:
আমরা অ্যালবামটি এমনভাবে সাজিয়েছি, যাতে সাতটি গানই একটি নিরবচ্ছিন্ন গল্পের অংশ বলে মনে হয়। আমার মনে হয়, প্রতিটি গানের অর্থ নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করলে এবং পথে লুকানো রূপকগুলো খুঁজে বের করলে আপনারা আরও বেশি উপভোগ করবেন।
রূপক হলো একটি ছবি বা ধারণা দিয়ে অন্য কিছুকে প্রকাশ করা। এখানে ঘুমের স্বপ্ন ও বাস্তব আকাঙ্ক্ষার মধ্যে যাতায়াত শ্রোতাদের গানগুলোর অর্থ খুঁজে দেখার একটি সূচনা দেয়, আবার ব্যক্তিগতভাবে ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সুযোগও রাখে।
“12 o'clock”–এর সাউন্ড যেভাবে তৈরি হলো
সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, “12 o'clock”–এ ডান্স-রকের সঙ্গে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকের ডিস্কো ও ফাঙ্কের আধুনিক ব্যাখ্যা মিশেছে। ডিস্কোতে স্থির নাচের ছন্দের ওপর জোর দেওয়া হয়; অন্যদিকে ফাঙ্কে বিশেষ গুরুত্ব পায় গ্রুভ—যে ছন্দের ধরন সংগীতে চলমানতার অনুভূতি তৈরি করে।
জংহান বলেন, গানটি প্রথমে ব্যান্ড ট্র্যাক হিসেবে শুরু হয়েছিল, পরে প্রযোজনার সময় চূড়ান্ত রূপ পায়। সেই প্রক্রিয়া দেখেই গানটির প্রতি তাঁর বিশেষ টান তৈরি হয়। প্রকাশের আগে তিনি সেভেনটিনের অন্য সদস্যদেরও গানটি শুনিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, তাঁরা গানটি দুজনের সঙ্গে মানিয়েছে বলে উৎসাহ দিয়েছেন।
প্রধান গানটিতে গায়কদের দেখা যায় দুপুর থেকে মধ্যরাতের মধ্যে তাঁদের স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত বস্তুর পেছনে ছুটতে। ঘড়িতে এই দুই সময়েই একই সংখ্যা থাকলেও দিনের সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি পর্বকে বোঝায়। ফলে কল্পনা ও বাস্তবতার মেলবন্ধন অ্যালবামে একটি স্পষ্ট চিত্র পায়।
জশুয়া বলেন, মঞ্চ পরিবেশনাও গানটির আকর্ষণের আরেকটি দিক। প্রকাশনার জন্য তৈরি কোরিওগ্রাফি নিয়ে তিনি বলেন:
আমরা এমন কোরিওগ্রাফি তৈরি করেছি, যা আমাদের চেহারার সৌন্দর্য ও পারস্পরিক রসায়নকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।
নড়াচড়ার ওপর জুটির জোরের ফলে রেকর্ডিং ও মিউজিক ভিডিওর পাশাপাশি পরিবেশনাও প্রধান গানটি উপভোগের আরেকটি উপায় হয়ে উঠেছে।
অতিবাস্তব ট্রেনে তৈরি দৃশ্যজগৎ
১৮ অক্টোবর প্রকাশিত মিউজিক ভিডিওর টিজারে সাপের আঁশে ঢাকা বলে মনে হয় এমন একটি ট্রেনের পাশাপাশি ছবির মতো দেখতে একটি তৃণভূমি দেখা যায়। ট্রেনটির অস্বাভাবিক উপরিভাগ এবং খোলা প্রান্তর পুরো গল্প সামনে আসার আগেই স্বপ্নের ধারণাটিকে দৃশ্যমান করে তোলে।
টিজারে পরিচিত একটি বস্তু—ট্রেনকে—অচেনা রূপে দেখানো হয়েছে। কল্পনা ও বাস্তবতার মিলন ঘটে এমন এক জগতের কথা জশুয়া যেভাবে বলেছেন, এই পছন্দ তার সঙ্গে মেলে: দর্শকেরা যা দেখছেন তা চিনতে পারবেন, আবার দৈনন্দিন জীবনে অদ্ভুত লাগত এমন কিছুর মুখোমুখিও হবেন।
এই দৃশ্যকল্প অ্যালবামের যাত্রার জন্য একটি দৃশ্যমান পটভূমিও তৈরি করে। “12 o'clock”–এর বদলে যাওয়া সময় এবং সাতটি যুক্ত গানের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি, ট্রেনটি জুটির তৈরি জগতের মধ্য দিয়ে ভ্রমণের আরেকটি ছবি তুলে ধরে।
দুজনের নিজস্ব সাউন্ড খুঁজে পাওয়া
প্লেডিস এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রশ্নোত্তরে জংহান ও জশুয়া প্রযোজনা, কণ্ঠ ধারণ এবং তাঁদের বন্ধুত্ব নিয়ে কথা বলেছেন।
জংহান বলেন, সেভেনটিনের বিদ্যমান ইউনিটগুলোর বৈচিত্র্যের মধ্যে জংহান X জশুয়ার স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠা করাই ছিল প্রধান চ্যালেঞ্জ। ইপিটি তৈরির সময় তাঁরা সম্ভাব্য ধারণা ও সংগীতধারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছেন এবং কর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘ কথাবার্তাও বলেছেন।
জশুয়া বলেন, প্রযোজনায় তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এবং গান তৈরির সময় নানা ধারণা দিয়েছেন। তাঁদের কাজ করা কিছু গান শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত ট্র্যাক তালিকায় জায়গা পায়নি। সাতটি গান বেছে নেওয়া হয়েছে, যেগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলে জানান।
তাঁদের মন্তব্যে এমন এক প্রকল্পের ছবি উঠে আসে, যেখানে কী রাখা হবে, সেই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি কী বাদ যাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বৃহত্তর দলটির সঙ্গে পরিচিত শ্রোতাদের জন্য এই জুটি তাঁদের কণ্ঠ ও ব্যক্তিত্বের আরও নিবিড় যুগলবন্দি তুলে ধরছে।
রেকর্ডটি তৈরির ব্যক্তিগত প্রভাবের কথা বলতে গিয়ে জশুয়া বলেন:
এই অ্যালবামে কাজ করতে গিয়ে আমার নতুন স্বপ্ন তৈরি হয়েছে এবং পুরোনো উদ্দীপনা ফিরে এসেছে। অভিজ্ঞতাটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং আরও বেড়ে উঠতে সাহায্য করেছে।
এই প্রতিক্রিয়া অ্যালবামের মূল ভাবনার সঙ্গে এর পেছনের কাজের যোগসূত্র তৈরি করে। ‘ড্রিমস্কেপ’ যেখানে আকাঙ্ক্ষার পেছনে ছুটে চলার গল্প বলে, সেখানে জশুয়ার কথায়, অ্যালবামটি তৈরির কাজও তাঁর নিজের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা জাগিয়েছে।
দুই গায়কই কণ্ঠ নিয়ে নিরীক্ষা করেছেন
সেভেনটিনের ভোকাল টিমের সদস্য জংহান ও জশুয়া রেকর্ডিং সেশনকে নিজেদের কণ্ঠের ধরন বদলে দেখার সুযোগ হিসেবেও নিয়েছেন। জংহান বলেন, তিনি স্বাভাবিকের চেয়ে পূর্ণ ও দৃঢ় স্বর ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন এবং গানভেদে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে নিরীক্ষা করেছেন।
জশুয়া বলেন, আরও গভীর ও পরিণত সাউন্ড তৈরির জন্য রেকর্ডিংয়ের সময় তিনি নিজের কণ্ঠ নিয়ে কাজ করেছেন। প্রধান গানটিতে তাঁদের স্বচ্ছন্দ, পরিণত কণ্ঠের সঙ্গে নাচের ছন্দের মেলবন্ধন ঘটেছে। ফলে গায়কির ধরনও জুটির সংগীত পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে।
পূর্ণ কণ্ঠস্বর বলতে সাধারণত বেশি সমৃদ্ধ বা ভারী শোনায় এমন কণ্ঠকে বোঝায়, কেবল জোরে গাওয়াকে নয়। দুই গায়কই তাঁদের কণ্ঠের টেক্সচার ও বৈশিষ্ট্যের দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন। ফলে দীর্ঘদিনের ভক্তদের জন্য ইপির গানগুলোতে খেয়াল করার মতো নির্দিষ্ট কিছু থাকছে।
বছরের পর বছর বন্ধুত্বের জোরে প্রত্যাবর্তন
জুনে সেবা শেষ করার পর জংহান আবার অ্যালবাম প্রচারে ফিরছেন। ভক্তদের সঙ্গে ফের দেখা করার প্রস্তুতির সময় তাঁর মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের পাশাপাশি প্রবল আগ্রহও ছিল বলে জানান:
সামরিক সেবা থেকে ফেরার পর এটিই আমার প্রথম অ্যালবাম প্রকল্প বলে একটু নার্ভাস লাগছে। তবে সবকিছুর চেয়ে বেশি, আমাদের ভক্তদের আবার দেখার জন্য তর সইছে না।
জশুয়ার মাইলফলকটি ভিন্ন: ২০১৫ সালে সেভেনটিনের সঙ্গে অভিষেকের পর এটিই তাঁর প্রথম সাবইউনিট প্রকল্প। দলটি প্লেডিস এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে যাত্রা শুরু করে; প্রতিষ্ঠানটি এখন হাইবের একটি লেবেল। সেভেনটিনে ১৩ জন সদস্য রয়েছেন। এই প্রকাশনায় তাঁদের দুজনকে সামনে আনা হয়েছে।
জংহান বলেন, তিনি ও জশুয়া প্রায় একই সময়ে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর তাঁদের এমন সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যেখানে তাঁরা একে অপরের ওপর নির্ভর করেন এবং পরস্পরকে উৎসাহ দেন। তিনি জশুয়াকে এমন একজন হিসেবে বর্ণনা করেন, যিনি নিজের সংগীত পরিচয়কে ক্রমাগত এগিয়ে নিচ্ছেন। কোনো সমস্যা বা উদ্বেগের মুখে পড়লে তাঁরা একে অপরের কাছে যান বলেও জানান।
জশুয়া বলেন, অ্যালবামের প্রস্তুতি চলাকালে তিনি জংহানের স্নেহ অনুভব করেছেন এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের দলগত কাজের ছাপ সংগীতে শোনা যাবে বলে বিশ্বাস করেন। তাঁদের বর্ণনায়, নতুন ইউনিটটির শিকড় এই প্রকাশনার অনেক আগের বন্ধুত্বে।
টিজার থেকে ছয় শহরে কনসার্ট
এই প্রকাশনার মধ্য দিয়ে পরিবেশনার সূচিও শুরু হচ্ছে। জংহান ও জশুয়া ৩০ অক্টোবর থেকে কোরিয়া ও বিদেশের ছয়টি শহরে কনসার্ট করবেন। এখানে বর্ণিত ঘোষণায় শহরগুলোর নাম ও পরবর্তী পরিবেশনার তারিখ জানানো হয়নি।
প্রকল্পটির গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলোতে জংহানের প্রত্যাবর্তন, মিউজিক ভিডিওর প্রথম ঝলক এবং ভক্তদের সামনে পরিবেশনার পরবর্তী সুযোগ একসূত্রে গাঁথা:
- জুন: জংহান তাঁর বাধ্যতামূলক বিকল্প সামরিক সেবা শেষ করেন।
- ১৮ অক্টোবর: “12 o'clock” মিউজিক ভিডিওর টিজারে অতিবাস্তব ট্রেন ও তৃণভূমি দেখানো হয়।
- ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা: প্লেডিস ‘ড্রিমস্কেপ’ ও এর প্রধান গান প্রকাশের সময় নির্ধারণ করে।
- ৩০ অক্টোবর: জুটির কনসার্টের সূচি শুরু হওয়ার কথা; কোরিয়া ও বিদেশের ছয়টি শহরে পরিবেশনা হবে।
প্রকাশনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দুই গায়কই সেভেনটিনের আনুষ্ঠানিক ফ্যান ক্লাবের নাম ‘কারাটস’-এর সদস্যদের উদ্দেশে কথা বলেছেন। জংহান বলেন, নতুন কিছু তৈরি করতে তাঁরা অনেক সময় ও যত্ন দিয়েছেন। জশুয়া জানান, ভক্তদের প্রতিক্রিয়া শুনতে তিনি আগ্রহী। সামনে আসন্ন পরিবেশনাগুলোকে তিনি প্রকল্পের পরবর্তী ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মূল তথ্য
- ‘ড্রিমস্কেপ’ জংহান X জশুয়ার জুটি হিসেবে প্রথম ইপি; সাতটি গান একটি নিরবচ্ছিন্ন গল্পের মতো সাজানো হয়েছে।
- প্লেডিস জানিয়েছে, ইপিটি ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত হবে।
- প্রধান গান “12 o'clock”–এ ডান্স-রকের সঙ্গে ডিস্কো ও ফাঙ্কের প্রভাব মিশেছে।
- অ্যালবামটি ঘুমের স্বপ্নকে বাস্তব জীবনে পূরণ করতে চাওয়া আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- দুই গায়কই আরও পূর্ণ বা পরিণত কণ্ঠস্বর নিয়ে নিরীক্ষা করেছেন।
- এই প্রকাশনা সেবা শেষে জংহানের প্রথম অ্যালবাম এবং অভিষেকের পর জশুয়ার প্রথম সাবইউনিট প্রকল্প।
- কোরিয়া ও বিদেশের ছয়টি শহরে কনসার্ট ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়ার কথা।






