বিমানে না চড়ে প্রথমবার সিঙ্গাপুর ভ্রমণ
কিউ নামে পরিচিত ১৬ বছর বয়সী এক থাই কিশোর ট্রেন, বাস ও হেঁটে তাঁর দাদাকে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যান। ভ্রমণটি সম্ভব করতে তিনি কম খরচের পরিবহন ও প্রতিবেশী মালয়েশিয়ায় সাশ্রয়ী আবাসন বেছে নেন। তাঁর জানানো দুটি ভাড়ার মধ্যে ছিল পাসির মাস থেকে জোহর বাহরু পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট জনপ্রতি প্রায় ৩৯০ বাথ এবং সিঙ্গাপুরে যাওয়ার বাসভাড়া জনপ্রতি ৫০ বাথ।
সূচিপত্র
গন্তব্য ছিল সিঙ্গাপুর, তবে এই ভ্রমণের কেন্দ্রীয় মুহূর্তটি ছিল মারলায়নের সামনে দাদার সঙ্গে তোলা একটি ছবি। বয়স্ক মানুষটির জন্য সেটিই ছিল দেশটিতে প্রথম যাওয়া। আর কিউয়ের জন্য, যিনি ২০২২ সালে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন, এটি ছিল ১৩ বছর বয়স থেকে যার সঙ্গে ভ্রমণ করছেন, তাঁর সঙ্গে আবার সেখানে ফেরার সুযোগ।
ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট kollawat_2626-এ ভ্রমণের নথি তুলে ধরা কিউ একটি ক্যাপশনে নিজের পরিস্থিতি ও যাত্রার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন:
ধনী পরিবারের ছেলে নই, ১৬ বছর বয়সে দাদাকে নিয়ে প্রথমবার ট্রেনে ২,০০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সিঙ্গাপুরে গিয়েছি।
ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয় এবং এতে কয়েক লাখ লাইক পড়ে। কিউ বলেন, ব্যাপক সাড়া পাবেন এমনটা ভেবে নয়, বরং সুখের স্মৃতি ধরে রাখতেই তিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছিলেন। দর্শকেরা তাঁর ভ্রমণের আরও ভিডিও দেখতে চাওয়ায় পরে তিনি คิวพาลุย নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলার ঘোষণা দেন।
তিন দেশের মধ্যে তাঁদের যাত্রাপথ
সিঙ্গাপুরে সরাসরি ট্রেনে যাওয়া নয়, বরং যাত্রাটি ছিল কয়েকটি আলাদা পর্বে বিভক্ত। কিউ ও তাঁর দাদা নাখন পথম প্রদেশ থেকে নরাথিওয়াত প্রদেশের সুঙাই কোলক জেলায় তৃতীয় শ্রেণির ট্রেনে ওঠেন। জেলাটি মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছে। তৃতীয় শ্রেণিকে সবচেয়ে সস্তা আসনের ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে বৃহত্তর ভ্রমণের সূচনাস্থল হিসেবে কাঞ্চনাবুরির কথাও বলা হয়েছে, আবার দক্ষিণমুখী ট্রেনে দুজন নাখন পথম থেকে উঠেছিলেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর বিবরণে কিউ নিজেও কাঞ্চনাবুরি থেকে যাত্রার কথা বলেছেন।
সুঙাই কোলকে পৌঁছে তাঁরা হেঁটে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন এবং কেলান্তানের পাসির মাস রেলস্টেশনে বাসে যান। সেখান থেকে ট্রেনে মালয়েশিয়ার শহর জোহর বাহরুতে যান, যেখানে তাঁরা রাত কাটান।
শেষ আন্তর্জাতিক যাত্রাপর্বে তাঁরা জোহর বাহরু ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সড়ক ও রেল সংযোগপথ কজওয়ে পেরিয়ে উডল্যান্ডসে বাসে যান। ফলে তাঁদের যাত্রায় দুটি দেশের সীমান্ত পেরোতে হয়েছে এবং ট্রেন, বাস ও হাঁটার মধ্যে যাতায়াত বদলাতে হয়েছে।
এই ভ্রমণের কৃতিত্ব বর্ণনা করার সময় বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কিউ একে ট্রেনযাত্রা বললেও, পথটি নির্ভর করেছে কয়েক ধরনের পরিবহনের ওপর। প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যে দূরত্বের কথা বলা হয়েছে, তা পুরো স্থলপথের অভিযানের হিসাব; একটানা চলা কোনো রেলসেবার নয়।
ভাড়া কম, তবে যাত্রার সময় দীর্ঘ
কম খরচের এই পথে যাতায়াতেই অনেক ঘণ্টা লেগেছে। একটি বিবরণ অনুযায়ী, নাখন পথম থেকে সুঙাই কোলক পর্যন্ত ট্রেনযাত্রায় প্রায় ১৭ থেকে ১৮ ঘণ্টা লেগেছে। এরপর পাসির মাস থেকে জোহর বাহরু পর্যন্ত ট্রেনে লেগেছে প্রায় ১৫ ঘণ্টা।
এই দুটি রেলপথে মোট সময় প্রায় ৩২ থেকে ৩৩ ঘণ্টা। এর মধ্যে বাসযাত্রা, হাঁটা, সীমান্ত পারাপার এবং পরবর্তী সংযোগের জন্য অপেক্ষার সময় ধরা হয়নি। আরেকটি বিবরণে বলা হয়েছে, পুরো যাত্রায় প্রায় দুই দিন লেগেছিল। দীর্ঘ রেলযাত্রার সঙ্গে এই হিসাব সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও, সুনির্দিষ্ট যাত্রা শুরুর ও পৌঁছানোর সময় জানা যায়নি।
যাত্রা শেষ করার সন্তুষ্টির কথা বলার পাশাপাশি ক্লান্তির কথাও স্বীকার করেন কিউ। কিশোরটি বলেন:
কাঞ্চনাবুরি থেকে বিমানে না চড়ে ট্রেনে সিঙ্গাপুর গিয়েছি। ১৬ বছর বয়সে সত্যিই এটা করতে পেরেছি। সব ক্লান্তি যেন মুহূর্তেই উধাও হয়ে গেল।
তাঁর বিবরণে ভ্রমণটি অর্থ ও সময়ের মধ্যে সচেতন সমঝোতার এক উদাহরণ। তাঁরা বিমানে না চড়ে দীর্ঘ পরিবহনযাত্রার পর যাত্রা করে এমন এক গন্তব্যে পৌঁছেছেন, যেখানে তাঁর দাদা আগে কখনো যাননি।
প্রকাশিত খরচে যা অন্তর্ভুক্ত
কিউ তাঁর পোস্টের মন্তব্যে কয়েকটি খরচের কথা জানান, যা ভ্রমণ বাজেটের একটি দরকারি, তবে অসম্পূর্ণ ধারণা দেয়। অঙ্কগুলো আনুমানিক এবং যাত্রার নির্দিষ্ট কয়েকটি অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত:
- পাসির মাস থেকে জোহর বাহরু পর্যন্ত ট্রেন: জনপ্রতি প্রায় ৩৯০ বাথ, দুই যাত্রীর জন্য ৭৮০ বাথ।
- জোহর বাহরু থেকে উডল্যান্ডস পর্যন্ত বাস: জনপ্রতি প্রায় ৫০ বাথ, দুজনের জন্য ১০০ বাথ।
- জোহর বাহরুতে আবাসন: প্রতি রাতে প্রায় ২,০০০ বাথ।
তাই সিঙ্গাপুর অভিমুখে এই দুই পরিবহন পর্বে দুজনের মোট খরচ প্রায় ৮৮০ বাথ। এটি পুরো ভ্রমণের খরচ নয়। থাইল্যান্ডের ট্রেনের টিকিট, পাসির মাস যাওয়ার বাসভাড়া, ফিরতি যাতায়াত, খাবার এবং কিউয়ের উল্লেখ না করা অন্যান্য খরচ এতে নেই।
একই খরচের মুদ্রা রূপান্তরে প্রতিবেদনগুলোতে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ৩৯০ বাথের ট্রেনভাড়াকে প্রায় ১৪.৮০, ১৫ বা ১৬ সিঙ্গাপুর ডলার বলা হয়েছে। আর কক্ষভাড়ার অঙ্কটি প্রায় ৭৬ বা ৮০ সিঙ্গাপুর ডলার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাথের অঙ্কগুলো মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ; রূপান্তরিত অঙ্কগুলোকে সঠিক মূল্য না ধরে গোল করে বলা আনুমানিক হিসাব হিসেবে দেখা উচিত।
প্রকাশিত দুটি পরিবহনভাড়ার যোগফলের চেয়ে আবাসনের খরচ বেশি ছিল। প্রায় ২,০০০ বাথের হিসাবে, এক রাতের আবাসনভাড়া দুজনের উল্লেখিত ৮৮০ বাথের ভাড়ার প্রায় ২.৩ গুণ। এই তুলনা থেকে পুরো বাজেট জানা যায় না, তবে প্রকাশ করা খরচের মধ্যে আবাসন যে বড় অংশ ছিল তা বোঝা যায়।
কেন তাঁরা জোহর বাহরুতে রাত কাটান
সিঙ্গাপুরকে গন্তব্য করলেও কিউ ও তাঁর দাদা সেখানে রাতে থাকেননি। খরচ কমাতে তাঁরা মালয়েশিয়ার পাশে আবাসন বেছে নিয়ে জোহর বাহরুতে ফিরে যান।
এই ব্যবস্থায় তাঁদের ভ্রমণে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরতে হয়েছে। পাশাপাশি, যে জায়গাটি তাঁরা দেখতে চেয়েছিলেন এবং যে জায়গায় তাঁদের পক্ষে ঘুমানোর ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল, সেগুলো আলাদা হয়ে যায়। সিঙ্গাপুরের কোনো হোটেলের তুলনীয় দাম জানানো হয়নি, তাই সুনির্দিষ্ট সাশ্রয়ের হিসাব করা সম্ভব নয়।
কিউ বলেন, বড় ভাইয়ের মতো মনে করেন এমন একজন তাঁদের আবাসন খরচে সাহায্য করেছিলেন। ওই ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে বিবরণে পার্থক্য রয়েছে: একটি বিবরণে তাঁকে বয়স্ক ব্যক্তি বলা হয়েছে, অন্যগুলোতে কিউয়ের শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাইয়ের মতো একজন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাঁর পরিচয়, বয়স এবং কিশোরটির সঙ্গে সম্পর্ক নিশ্চিত করা যায়নি।
তবে একটি বিষয়ে মিল রয়েছে: কিউ আবাসন খরচে সহায়তা পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। ভ্রমণটি সাশ্রয়ী ছিল, কিন্তু কিশোরটি বলেননি যে পুরো খরচ তিনি একাই বহন করেছেন। যাত্রার উদ্দেশ্য নিয়ে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লিখেছেন:
এটি একটি বাজেট ভ্রমণ, যার মূল লক্ষ্য জীবনের এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সবার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।
চেনা এক স্থাপনা, অন্য রকম স্মৃতি
ভিডিওতে দেখা যায়, মারলায়নের সামনে দাঁড়িয়ে কিউ ও তাঁর দাদা ছবি তুলছেন। ক্যামেরায় ধারণ করার সময় দাদাকে স্বাভাবিকভাবে থাকতে বলতেও শোনা যায় কিউ। ক্যামেরার সামনে আনুষ্ঠানিক ভঙ্গি নয়, বরং মুহূর্তটিকেই ধরে রাখতে চেয়েছিলেন তিনি।
দুজনের কাছে এই ভ্রমণের অর্থ ছিল আলাদা। কিউ ২০২২ সালেই সিঙ্গাপুর ও মারলায়ন পার্ক ঘুরে এসেছিলেন। তাঁর দাদা প্রথমবার দেশটি দেখছিলেন। ফলে তাঁদের একসঙ্গে তোলা ছবিগুলো বয়স্ক মানুষটির নতুন অভিজ্ঞতার স্মারক হয়ে ওঠে।
সিঙ্গাপুর ভ্রমণটি তাঁদের আগে থেকেই থাকা ভ্রমণ-সঙ্গেরও অংশ। পরে কিউ দাদার সঙ্গে তোলা পুরোনো ছবি শেয়ার করে বলেন, তাঁর বয়স যখন ১৩, তখন থেকে তাঁরা একসঙ্গে ভ্রমণ শুরু করেন। ১৬ বছর বয়সে এসে তিনি প্রায় তিন বছর ধরে গড়ে ওঠা সেই অভ্যাসকে আরও এগিয়ে নেন।
সিঙ্গাপুরে তাঁরা কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, তার পূর্ণাঙ্গ প্রকাশ্য ভ্রমণসূচি নেই। মারলায়নই তাঁদের সফরের স্পষ্টভাবে নথিবদ্ধ স্থান। অনেক দর্শনীয় স্থানের তালিকার বদলে সেখানকার তাঁদের ছবিই ভ্রমণের মূল স্মারক হয়ে ওঠে।
লাখ লাখ মানুষ দেখেছেন, তবে পোস্টের তারিখ নিয়ে ভিন্ন তথ্য
কিউয়ের প্রত্যাশিত ব্যক্তিগত দর্শকগণ্ডি ছাড়িয়ে ভিডিওটি ব্যাপক সাড়া পায়। একটি বিবরণে ভিডিওটির ৭৯ লাখের বেশি ভিউ, ৮ লাখ ১৩ হাজার লাইক এবং ৪,৪০০ মন্তব্যের কথা বলা হয়েছে। অন্য বিবরণগুলোতে লাইকসংখ্যা ৬ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি, ৭ লাখ ৬০ হাজার, ৭ লাখ ৯২ হাজার বা ৮ লাখ ১৬ হাজারের বেশি বলা হয়েছে। মন্তব্যের সংখ্যা ৩,৭০০ থেকে ৪,০০০-এর বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সংখ্যাগুলো ভিন্ন সময়ে নথিবদ্ধ আলাদা হিসাব, একসঙ্গে যোগ করার মতো মোট সংখ্যা নয়। এগুলো ভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হিসাব বা আলাদা পোস্টের হতে পারে, তবে সুনির্দিষ্টভাবে তা নিশ্চিত করা যায়নি। মূল পোস্ট প্রকাশের তারিখের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা প্রযোজ্য: প্রতিবেদনগুলোতে ৬, ৭ ও ৮ অক্টোবরের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখিত ধারাবাহিকতা হলো:
- ২০২২: দাদার সঙ্গে ভ্রমণের আগে কিউ সিঙ্গাপুর ও মারলায়ন পার্ক ঘুরে আসেন।
- ৩০ সেপ্টেম্বর: কিউ ভ্রমণটি নিয়ে পোস্ট দেওয়া শুরু করেছিলেন বলে মনে হয়।
- ৬ থেকে ৮ অক্টোবর: বহুল শেয়ার হওয়া পোস্ট বা ভিডিওটি এই সময়ের বিভিন্ন তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ভিডিওটি নজর কাড়ার পর: দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে এবং তাঁদের পরামর্শে কিউ নিজের ইউটিউব চ্যানেলের ঘোষণা দেন।
অনেক মন্তব্যকারী যাত্রাটি বাস্তবায়নের জন্য কিউয়ের প্রশংসা করেন, তাঁর দাদার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন এবং দুজনকে একসঙ্গে ভ্রমণ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। অন্যরা ইউটিউব চ্যানেল খোলার পরামর্শ দেন এবং আরও অভিযান দেখবেন বলে জানান।
সাড়া কতটা বড় ছিল, তা দেখে অবাক হয়েছেন বলে জানান কিউ। তাঁর คิวพาลุย চ্যানেল ঘোষণাই ছিল পরবর্তী সবচেয়ে স্পষ্ট পদক্ষেপ। তবে পরের ভ্রমণ বা ভবিষ্যৎ ভিডিও প্রকাশের কোনো তারিখ জানানো হয়নি। দাদার নাম ও বয়স, ভ্রমণের মোট খরচ এবং সুনির্দিষ্ট যাত্রার তারিখও অপ্রকাশিত রয়েছে।
মূল তথ্য
- ১৬ বছর বয়সী থাই কিশোর কিউ ট্রেন, বাস ও হেঁটে তাঁর দাদাকে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যান।
- পথটি সুঙাই কোলক, পাসির মাস ও জোহর বাহরু হয়ে উডল্যান্ডস দিয়ে সিঙ্গাপুরে প্রবেশ করে।
- মালয়েশিয়ার ট্রেন ও সিঙ্গাপুরের বাসের প্রকাশিত ভাড়া একমুখী যাত্রায় দুজনের জন্য মোট প্রায় ৮৮০ বাথ; অন্য খরচ এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
- আবাসনের জন্য তাঁরা জোহর বাহরুতে প্রতি রাতে প্রায় ২,০০০ বাথ খরচ করেন; আবাসনভাড়ায় তাঁরা সহায়তাও পেয়েছিলেন।
- কিউ ২০২২ সালে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন, তবে তাঁর দাদার জন্য এটিই ছিল দেশটিতে প্রথম যাওয়া।
- ভিডিওটি লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে। পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সাড়া-সংক্রান্ত হিসাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- দর্শকদের উৎসাহে পরে কিউ คิวพาลุย নামে ইউটিউব চ্যানেল খোলার ঘোষণা দেন।






