অভূতপূর্ব আর্থিক ধাক্কা
টাটা গ্রুপের মালিকানায় এয়ার ইন্ডিয়া সবচেয়ে গভীর আর্থিক সংকটে পড়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবছরে (এফওয়াই২৬) সংস্থাটি ২২০ বিলিয়ন রুপির বেশি (প্রায় ২.৪ বিলিয়ন ডলার বা ৩.২ বিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার) বার্ষিক লোকসান করেছে। এয়ারলাইনটির অভ্যন্তরীণ হিসাব সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বছরের শুরুতে কোম্পানিটির ১.৬ বিলিয়ন ডলার লোকসানের যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তার তুলনায় এ অঙ্ক অনেক বেশি। এই ব্যবধান থেকে বোঝা যায়, অর্থবছরের শেষ কয়েক মাসে পরিচালন পরিস্থিতি কত দ্রুত অবনতি হয়েছে। ফলে এয়ারলাইনটি পরিচালন পর্যায়ে সমতা অর্জনের লক্ষ্য পরিত্যাগ করতে এবং তাৎক্ষণিক নগদসংকট মোকাবিলা করতে বাধ্য হয়েছে। লোকসানের এ ব্যাপকতা ২০২২ সালে সরকারি মালিকানা থেকে এয়ারলাইনটি অধিগ্রহণ করা টাটা গ্রুপের ওপর নজিরবিহীন চাপ তৈরি করেছে। তখন বৈশ্বিক এয়ারলাইন হিসেবে এর অবস্থান ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল গোষ্ঠীটি। অর্থবছরের প্রথম কয়েক মাসে এয়ারলাইনটির পরিচালন মুনাফা হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তী লোকসানে সেই অগ্রগতির সবটাই কার্যত মুছে গেছে।
সূচিপত্র
বাহ্যিক ধাক্কায় পুনরুদ্ধারের পথে বাধা
ভূরাজনৈতিক সংঘাত, নিয়ন্ত্রক বিধিনিষেধ এবং পরিচালনগত মর্মান্তিক ব্যর্থতার সম্মিলিত প্রভাবে এয়ারলাইনটির আর্থিক পতন ঘটেছে। এসব ঘটনা এফওয়াই২৬-এ ঘটেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহগুলোতে পরিচালন মুনাফা দিয়ে বছরটি আশাব্যঞ্জকভাবে শুরু হলেও, মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বল্পস্থায়ী সামরিক সংঘাতের পর পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ভারতীয় এয়ারলাইনগুলোর জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিলে এয়ার ইন্ডিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপগামী ফ্লাইটের পথ উল্লেখযোগ্যভাবে দীর্ঘ করে নিতে হয়। এতে জ্বালানি খরচ ও পরিচালন ব্যয় বেড়েছে, পাশাপাশি উড়োজাহাজের ব্যবহার হার কমেছে। বিধিনিষেধের কারণে পূর্বমুখী ফ্লাইটগুলোকে আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের ওপর দিয়ে দক্ষিণের পথ ধরতে হয়েছে। এতে ভারতের বড় শহরগুলো থেকে উত্তর আমেরিকার গন্তব্যে যেতে স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা বেশি সময় লাগছে।
প্রাণহানি ও নিরাপত্তার ক্ষতি
জুনে আহমেদাবাদে উড্ডয়নের সময় বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিধ্বস্ত হয়ে ২৪০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটলে সংকট আরও গভীর হয়। সাম্প্রতিক ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী এই বিমান দুর্ঘটনার পরপরই এয়ারলাইনটি নেটওয়ার্কে ফ্লাইট কমিয়ে দেয় এবং যাত্রীদের আস্থায় বড় ধরনের ধস নামে। দুর্ঘটনার পর ভারতের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বার্ষিক নিরাপত্তা নিরীক্ষা চালায়। নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়াকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রাখা হয়। দুর্ঘটনা ও পরবর্তী নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এয়ারলাইনটি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় ধরনের ফ্লাইট কমাতে বাধ্য হয়। এতে গ্রীষ্মের গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ মৌসুমে আয় আরও কমে যায়। এ ঘটনায় উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের সঙ্গে এয়ারলাইনটির সম্পর্কও জটিল হয়েছে, যা ভবিষ্যতের বহর পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণবিধি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। নিরাপত্তা রেটিং কমে যাওয়ায় বিমা সরবরাহকারী ও লিজদাতাদের সঙ্গে আলোচনা আরও কঠিন হয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ সরবরাহ নিয়ে আলোচনা চলার পাশাপাশি বর্তমান বহর রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বেড়েছে।
বৈশ্বিক প্রতিকূলতা ও জ্বালানি ব্যয়
এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিচালন অঞ্চলে বিঘ্ন ঘটেছে। সংঘাতের কারণে এমন একটি অঞ্চলে কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা এয়ারলাইনটির মোট সক্ষমতার ১৬ শতাংশ। বিশেষ করে উপসাগরীয় গন্তব্যে ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব গন্তব্য ভারতীয় প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। একই সময়ে, সংঘাতপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলায় ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী ফ্লাইটগুলোকে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে, ঠিক যখন বিশ্ববাজারে জেট জ্বালানির দাম তীব্রভাবে বেড়েছে। বাণিজ্যনীতিও আরেক দফা চাপ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভারতীয় রপ্তানির ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছে এবং বিদেশি কর্মীদের ভিসা সীমিত করেছে, যা ক্রুদের সময়সূচি ও আন্তর্জাতিক আয়ের ধারাকে প্রভাবিত করেছে। এসব কারণ একত্রে এমন ব্যয় কাঠামো তৈরি করেছে, যেখানে বাইরে থেকে মূলধন না পেলে এয়ারলাইনটির ব্যবসায়িক মডেল টেকসই রাখা সম্ভব নয়। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত রুটগুলোতে আরও দক্ষ বহরের প্রতিদ্বন্দ্বীরা বাজারের অংশ দখল করায় চাপ আরও বেড়েছে।
শেয়ারহোল্ডারদের কঠিন সিদ্ধান্ত
দায় বাড়তে থাকায় এয়ার ইন্ডিয়া তার প্রধান শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে জরুরি অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। ২০২২ সালে সরকারি মালিকানা থেকে এয়ারলাইনটি অধিগ্রহণ করে নিয়ন্ত্রণকারী অংশীদার হওয়া টাটা গ্রুপ আলোচনায় রয়েছে। ২০২৪ সালে ভিস্তারা এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার পর ২৫.১ শতাংশ অংশীদারত্ব নেওয়া সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসও (এসআইএ) আলোচনায় অংশ নিচ্ছে। সূত্রের ভাষ্য, উভয় পক্ষই তাৎক্ষণিক মূলধন জোগানোর প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করলেও আলোচনাধীন অর্থের পরিমাণ এয়ারলাইনটির পূর্ণ আর্থিক চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। এই ঘাটতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এয়ার ইন্ডিয়া শিগগিরই অতিরিক্ত ঋণ অথবা বিকল্প অর্থায়নের পথ খুঁজতে পারে। এতে শেয়ার মালিকানার অংশ কমে যাওয়া বা করপোরেট পরিচালন কাঠামোতে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। টাটা ও এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা আলোচনা নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি। সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসও নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
অস্থিরতার মধ্যে নেতৃত্বে পরিবর্তন
আর্থিক জরুরি পরিস্থিতির সঙ্গে ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের অস্থিরতাও দেখা দিয়েছে। টাটা অধিগ্রহণের পর চার বছর ধরে উচ্চাকাঙ্ক্ষী রূপান্তর পরিকল্পনায় নেতৃত্ব দেওয়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাম্পবেল উইলসন ২০২৬ সালের শেষ দিকে পদ ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। এয়ারলাইনটি যখন নগদসংকট মোকাবিলায় দৃঢ় কৌশলগত দিকনির্দেশনা খুঁজছে, ঠিক তখনই তাঁর বিদায়ে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হচ্ছে। উইলসনের বিদায়ের সময়টি গুরুত্বপূর্ণ অর্থায়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিলে গেছে। ফলে তাঁর উত্তরসূরিকে এমন একটি আর্থিক অবস্থা সামলাতে হবে, যার অবিলম্বে মেরামত প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ব্যর্থতা ও আর্থিক অনিশ্চয়তায় কর্মীদের মনোবলও ভেঙে পড়েছে। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন বিশেষভাবে নজরদারির মুখে রয়েছেন। আগের প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছিল, গোষ্ঠীটির নেতৃত্বে তাঁর তৃতীয় মেয়াদের অনুমোদন পেতে লোকসান বন্ধ করাকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাহী নেতৃত্বে পরিবর্তন ও আর্থিক জরুরি পরিস্থিতির এই সমন্বয়ে বেসরকারিকরণের পর সবচেয়ে কঠিন সময়ে এয়ারলাইনটি স্থিতিশীল দিকনির্দেশনা ছাড়া পড়েছে।
ভারতের বিমান চলাচলে কৌশলগত গুরুত্ব
এয়ার ইন্ডিয়ার বিপুল লোকসান দক্ষিণ এশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক বিমান চলাচলের বাজারে পূর্ণাঙ্গ পরিষেবা দেওয়া এয়ারলাইন পরিচালনার সম্ভাব্যতা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন তুলেছে। পুরোনো বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও অভ্যন্তরীণ রুটে স্বল্পব্যয়ী প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপ সামলানোর পাশাপাশি, ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য এয়ার ইন্ডিয়ার বহর আধুনিক করা জরুরি, কিন্তু বর্তমান সংকট সেই মূলধনী বিনিয়োগকে আরও কঠিন করে তুলেছে। এয়ারলাইনটির দুরবস্থা দেখায়, পুরোনো কোনো এয়ারলাইনকে বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বীতে রূপান্তর করা কতটা কঠিন, যখন বাইরের ধাক্কায় পরিচালনগত সামান্য অগ্রগতিও দ্রুত মুছে যেতে পারে। ভারতের প্রবৃদ্ধিশীল বাজারে কৌশলগত প্রবেশের পথ হিসেবে ভিস্তারা একীভূতকরণকে বিবেচনা করেছিল সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস। এখন এয়ার ইন্ডিয়ার অবনতিশীল কার্যক্রমের কারণে তাদের সম্মিলিত আয়ও কমছে, যা ওই অংশীদারত্বের সময় ও কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সামনে কী
টাটা ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস আংশিক অর্থায়নে এগোলে, এয়ার ইন্ডিয়া সম্ভবত কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি ২০২৭ সাল থেকে বহর আধুনিক করার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। পর্যাপ্ত মূলধন না পেলে রুট পুনর্বিন্যাস, সম্পদ বিক্রি বা প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আনার প্রয়োজন হতে পারে। এতে ভারতের আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের প্রবৃদ্ধি কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে বাজারের অংশ ছেড়ে দিতে হতে পারে। দেশের বিমান চলাচল কৌশলের জন্য এয়ারলাইনটির পুনরুদ্ধারের পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন ব্যবসায়িক কেন্দ্রের মধ্যে জরুরি সংযোগ বজায় রাখে এয়ার ইন্ডিয়া। নতুন প্রধান নির্বাহীকে বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রক, উড়োজাহাজ নির্মাতা ও অংশীদার এয়ারলাইনগুলোর সঙ্গে জটিল সম্পর্ক সামলাতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম অস্থির এবং আঞ্চলিক উত্তেজনায় সর্বোত্তম রুট ব্যাহত হওয়ার এই পরিস্থিতিতে এয়ারলাইনটির ঋণের বোঝা কমিয়ে লাভজনকতা ফিরিয়ে আনতে হবে। আপাতত অগ্রাধিকার হলো নগদ প্রবাহ স্থিতিশীল করা এবং পরিচালন নির্ভরযোগ্যতা ও যাত্রীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম নতুন প্রধান নির্বাহী খুঁজে বের করা।
মূল বিষয়গুলো
- এয়ার ইন্ডিয়া এফওয়াই২৬-এ ২.৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি লোকসান করেছে, যা ১.৬ বিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীণ পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি
- পাকিস্তানের আকাশসীমা বন্ধ, ২৪০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির বোয়িং ৭৮৭ দুর্ঘটনা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি থেকে সংকটের সূত্রপাত
- টাটা গ্রুপ ও সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস জরুরি অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করছে, তবে অর্থের পরিমাণ পূর্ণ চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে
- প্রধান নির্বাহী ক্যাম্পবেল উইলসন এ বছরের শেষ দিকে পদ ছাড়ার কথা জানিয়েছেন, যা আর্থিক সংকটের মধ্যে নেতৃত্বের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে
- জুনে আহমেদাবাদে দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তা নিরীক্ষায় দেশীয় এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়াকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রাখা হয়েছে
- তৃতীয় মেয়াদের অনুমোদন পেতে লোকসান বন্ধ করার চাপের মুখে রয়েছেন টাটা চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন
- এয়ারলাইনটি এফওয়াই২৬-এ সমতা অর্জনের লক্ষ্য পরিত্যাগ করেছে এবং শেয়ারহোল্ডারদের অর্থায়নের বাইরেও ঋণ নিতে হতে পারে






