গোল্ডিলকস যুগের অবসান
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতের প্রধান শেয়ারসূচক সেনসেক্স ৯ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। এতে বাজারমূল্য থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মুছে গেছে এবং বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে। কয়েক মাস ধরে ভারত সেই পরিস্থিতি উপভোগ করছিল, যাকে অর্থনীতিবিদেরা বলেন "গোল্ডিলকস" পর্যায়: শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি কমে আসা, রাজস্ব খাতে শৃঙ্খলা এবং বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের দৃঢ় অবস্থান দেশটিকে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যে নিরাপদ আশ্রয় করে তুলেছিল। তবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ দ্বিতীয় মাসে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সুবিধা মিলিয়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তাদের ভাষায়, জ্বালানি সরবরাহে ধাক্কা, বাণিজ্যে বিঘ্ন এবং আর্থিক বাজারের অস্থিরতা মিলে তৈরি হয়েছে এক নিখুঁত ঝড়।
সূচিপত্র
সংঘাতের কারণে কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি। এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল চালানের প্রায় ২০ শতাংশ এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল ভোক্তা ভারতের জন্য এটি অস্তিত্বের সংকট তৈরি করা অর্থনৈতিক হুমকি। দেশটির তেল আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং গ্যাস সরবরাহের ৮০ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। যুদ্ধের আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ক্রুডের ঝুড়ির দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫৭ ডলারে পৌঁছেছে। এর প্রভাব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
জ্বালানির গলার ফাঁস
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় শুধু জাহাজ চলাচলের সময়সূচিই ব্যাহত হয়নি। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার কর্মকর্তারা পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক তেলবাজারের ইতিহাসে সরবরাহের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন বলে বর্ণনা করেছেন। এর ফলে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, খুচরা জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং ভারতের শহরগুলোতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডার কেনার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে। কৌশলগত মজুতে প্রায় এক মাসের সরবরাহ রয়েছে বলে সরকারের আশ্বাস সত্ত্বেও রান্নার গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কায় হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলো বন্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কাঠামোগত এবং দেশটির অর্থনৈতিক ব্যবস্থার গভীরে প্রোথিত। দেশটি তার গ্যাসের ৮০ শতাংশের বেশি এবং তেলের সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে আমদানি করে। ফলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের মুখে ভারত বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। অঞ্চলের ট্যাংকারগুলোর জন্য অধিকাংশ সামুদ্রিক বীমাকারী যুদ্ধঝুঁকি সংক্রান্ত বিমা বাতিল করেছে। এতে জাহাজগুলোকে বিকল্প পথে চলতে হচ্ছে, সরবরাহে কয়েক সপ্তাহ দেরি হচ্ছে এবং ব্যয়ের চাপ বাড়ছে। মজুতদারি নিরুৎসাহিত করতে সরকার জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সংকট প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে নীতিনির্ধারকদের সতর্কভাবে বজায় রাখা ভারসাম্য নষ্ট করার হুমকি দিলেও সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
নয়াদিল্লিভিত্তিক থিংক ট্যাংক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হর্ষ ভি পান্ত সতর্ক করে বলেছেন, চলমান অস্থিরতার কারণে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্য চাপে রয়েছে। পান্ত বলেন, "জ্বালানির বাজার ইতিমধ্যে অস্থির, আর ব্যয় বাড়ছে। শেষ পর্যন্ত তা আরও বিস্তৃত অর্থনৈতিক ও মূল্যস্ফীতির চাপে রূপ নিতে পারে।" উদ্বেগ শুধু তাৎক্ষণিক জ্বালানি ব্যয়েই সীমাবদ্ধ নয়; এর মধ্যে রয়েছে সার তৈরির উপকরণ, শিল্পে ব্যবহৃত পেট্রোকেমিক্যাল এবং পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা। কৃষি ও উৎপাদন খাতে দাম কেমন হবে, এসব উপাদান সম্মিলিতভাবে তা নির্ধারণ করে।
৫০ বিলিয়ন ডলারের মানবিক যোগসূত্র
জ্বালানির বাইরেও এই সংঘাত এমন এক আর্থিক জীবনরেখার জন্য হুমকি, যা ভারতের লাখো পরিবারকে টিকিয়ে রেখেছে। বিশ্বে প্রবাসী আয় গ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ভারত শীর্ষে। সর্বশেষ অর্থবছরে দেশটি রেকর্ড ১৩৫.৪ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় পেয়েছে। এর প্রায় ৩৮ শতাংশ, অর্থাৎ আনুমানিক ৫১.৪ বিলিয়ন ডলার, এসেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত দেশগুলো—সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন—জুড়ে কর্মরত ৯০ লাখ ভারতীয় শ্রমিকের কাছ থেকে।
নির্মাণ, আতিথেয়তা, খুচরা বিক্রি ও তেলসেবা খাতে প্রধানত কর্মরত এসব শ্রমিকের উপার্জনে দেশে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ কোটি পরিবারের সদস্যের ভরণপোষণ হয়। সৌদি আরবে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত তালমিজ আহমদ অর্থনৈতিক ঝুঁকির মানবিক দিকটির ওপর জোর দিয়ে বলেন, "উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত প্রতিটি ভারতীয় দেশে অন্তত চার-পাঁচজন মানুষের ভরণপোষণ করেন।" প্রবাসী আয়ের এই প্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। এটি ভারতের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে সহায়তা করে এবং রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা জোগায়।
এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় শ্রমিকদের প্রাণহানি ঘটেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। এখনো ব্যাপকভাবে নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তবে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে। সাবেক রাষ্ট্রদূত আহমদ বলেছেন, ৯০ লাখ নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া সাম্প্রতিক ইতিহাসের নজিরবিহীন এক লজিস্টিক দুঃস্বপ্ন হবে। তবে জরুরি পরিকল্পনার নজির হিসেবে তিনি ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় ২ লাখ ভারতীয় নাগরিককে সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা উল্লেখ করেন।
গোল্ডম্যান স্যাকস ও সিটির বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, সংঘাত ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে চললে প্রবাসী আয় ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমতে পারে। এতে ভারতীয় অর্থনীতির বছরে ৫ থেকে ১৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হতে পারে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের প্রধান অর্থনীতিবিদ আলেকজান্দ্রা হারম্যান সতর্ক করে বলেছেন, প্রবাসী আয় তীব্রভাবে কমে যাওয়া এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়া একসঙ্গে ভারতের বৈদেশিক অবস্থার অবনতি ঘটাবে এবং রুপির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে।
বাজারে অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি
অবনতিশীল পরিস্থিতিতে আর্থিক বাজার দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। নিফটি ৫০ সূচক ১.২৪ শতাংশ কমে এক মাসের সর্বনিম্ন ২৪,৮৬৫.৭০-এ নেমেছে। বিএসই সেনসেক্স ১.২৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮০,২৩৮.৮৫-এ, যা ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ভারতীয় রুপির দর কমে মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় ৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। প্রথমবারের মতো মনস্তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সীমা অতিক্রম করায় অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়াকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সীমা কঠোর করতে হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ও রাজস্ব অনিশ্চয়তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা চাওয়ায় সরকারি বন্ডের ইল্ড দ্রুত বেড়েছে। মরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষকেরা স্থবির প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যবৃদ্ধির বিষাক্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি—স্থবির মূল্যস্ফীতির—ঝুঁকির কথা তুলেছেন। এমন পরিস্থিতি ভারতের প্রবৃদ্ধির গতিপথ ব্যাহত করতে পারে। বিনিয়োগ ব্যাংকটি বলেছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এখনো স্থিতিশীল এবং উচ্চ-ঘনত্বের সূচকে গাড়ি বিক্রি ও ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক শক্তি দেখা গেলেও দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন প্রবৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াবে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অবনতি ঘটাতে পারে।
মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হয়েছে। ভোক্তা মূল্যসূচকভিত্তিক সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারির ২.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে বার্ষিক ৩.২ শতাংশ হয়েছে। অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন, জ্বালানির দাম বেশি থাকলে জুন নাগাদ এটি ৬ শতাংশের মাঝামাঝি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বার্নস্টেইনের বিশ্লেষক ভেনুগোপাল গারে ও নিখিল আরেলা সতর্ক করে বলেছেন, অপরিশোধিত তেলের বড় আমদানিকারক হিসেবে স্বল্প মেয়াদে ভারত স্পষ্ট প্রতিকূলতার মুখে রয়েছে। সাম্প্রতিক এক গ্রাহক-বার্তায় তাঁরা লিখেছেন, "সামষ্টিক অর্থনীতির বড় উদ্বেগ হলো মূল্যস্ফীতির নতুন দফা, যা সুদের হার কমানো পিছিয়ে দিতে পারে এবং দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোগব্যয় সংকুচিত করতে পারে।"
রাজস্ব সামাল দেওয়ার তোড়জোড়
পরিবারগুলোকে ধাক্কা থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি রাজস্ব শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে সরকার কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে। রেটিং সংস্থা আইসিআরএ সতর্ক করেছে, এই সংঘাত ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ভারতের বাজেটের হিসাব জটিল করে তুলছে। এতে সার ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসে ভর্তুকির বোঝা বাড়তে পারে, অন্যদিকে করপোরেট কর আদায় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ থেকে আয় চাপে পড়তে পারে।
জুনিয়র অর্থমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী আইনপ্রণেতাদের বলেছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। পণ্যের উচ্চমূল্য ও পরিবর্তিত বাণিজ্যধারা প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। পেট্রোলিয়াম, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার খাতের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে সরকার মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ সচিবদের নিয়ে সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে। রাজস্ব খাতে ধাক্কা সামাল দিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তহবিল ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। তিনি বলেছেন, বিপুলসংখ্যক প্রবাসী ভারতীয় এবং নৌপথের ওপর নির্ভরতার কারণে পশ্চিম এশিয়া ভারতের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন।
রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ৫.২৫ শতাংশ নীতিসুদে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছিল। এখন প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়া সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় সুদের হার বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। এই নীতিগত দ্বিধা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ ও ভোগব্যয়কে আরও সীমিত করতে পারে।
মূল বিষয়গুলো
- ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতের প্রধান সূচক সেনসেক্স ৯ শতাংশের বেশি কমেছে, আর মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির দর নেমে প্রায় ৯৫-এ দাঁড়িয়েছে
- ভারতের তেল আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশ এবং গ্যাসের ৮০ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে
- উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত ৯০ লাখ ভারতীয় বছরে আনুমানিক ৫১.৪ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় পাঠান। এটি ভারতের মোট প্রবাসী আয়ের ৩৮ শতাংশ এবং জিডিপির প্রায় ৩.৫ শতাংশ
- সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। ভারতীয় ক্রুডের ঝুড়ির দাম পৌঁছেছে ব্যারেলপ্রতি ১৫৭ ডলারে
- অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করেছেন, বছরের মাঝামাঝি মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মাঝামাঝি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। প্রবৃদ্ধি ধীর হলেও এতে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া সুদের হার বাড়াতে বাধ্য হতে পারে
- জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থা ও সারের প্রাপ্যতা সামলাতে এবং রাজস্ব খাতের সুরক্ষা প্রস্তুত করতে সরকার সাতটি ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠী গঠন করেছে
- গোল্ডম্যান স্যাকস ও মরগান স্ট্যানলি স্থবির মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে। সংঘাত চলতে থাকলে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসে শূন্য দশমিক ৩ থেকে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত নিম্নমুখী ঝুঁকি দেখা দিতে পারে






