অব্যবহৃত জায়গাকে ডিজিটাল অবকাঠামোয় রূপান্তর
আধুনিক নগরকেন্দ্রগুলোর বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠা এক বৈপরীত্যের মুখে টোকিও। শহরটি এশিয়ার প্রযুক্তিগত প্রাণকেন্দ্র, অথচ সেই প্রাণশক্তি জোগানো ডিজিটাল অবকাঠামো স্থাপনের মতো জায়গা সেখানে ফুরিয়ে আসছে। এই সংকট মোকাবিলায় টোকিউ গ্রুপের চারটি কোম্পানির একটি কনসোর্টিয়াম ২৩ মার্চ এক অভিনব সমাধানের ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে শহরের অন্যথায় অব্যবহৃত জমিকে কম্পিউটিং সক্ষমতায় রূপ দেওয়া হবে। ২০২৬ সালের জুন থেকে গ্রুপটি ওইমাচি লাইনের উড়ালপথের একটি অংশের নিচে মডুলার ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। বজ্রগর্জনের মতো শব্দ তুলে ট্রেন চলাচলের পাশেও সার্ভার অবকাঠামো নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করতে পারে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হবে।
সূচিপত্র
এই পরীক্ষা কেবল প্রকৌশলগত কৌতূহলের বিষয় নয়। ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোতে প্রচলিত নির্মাণ অর্থনৈতিকভাবে অসম্ভব হয়ে উঠলে ডিজিটাল অবকাঠামো স্থাপনের পদ্ধতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত এটি। রেলপথের উড়ালপথের নিচের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে টোকিউ জমির সংকট ও অনুমতিসংক্রান্ত বিলম্ব এড়াতে চায়, যা বর্তমানে জাপানের রাজধানীতে ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণকে বাধাগ্রস্ত করছে।
টোকিউ গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষ দক্ষতা একত্র করেছে এই কনসোর্টিয়াম। টোকিউ কনস্ট্রাকশন কনটেইনার-আকারের মডুলার ইউনিটটি তৈরি করছে। এতে এমন একটি আবরণ থাকবে, যার মধ্যে সার্ভার, শীতলীকরণ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সরঞ্জাম একত্রে থাকবে। প্রচলিত ভবন নির্মাণ ছাড়াই এটি স্থাপন করা যাবে। উড়ালপথের নিচে জায়গা দিচ্ছে টোকিউ ইলেকট্রিক রেলওয়ে, অর্থাৎ এমন জমি সরবরাহ করছে, যা থেকে বর্তমানে কোনো আয় হয় না। গ্রুপটির টেলিযোগাযোগ শাখা ইটস কমিউনিকেশন্স করপোরেশন রেলপথের করিডোর বরাবর আগে থেকেই বসানো অপটিক্যাল কেবলের মাধ্যমে ফাইবার সংযোগ দেবে। মূল প্রতিষ্ঠান হিসেবে টোকিউ করপোরেশন পুরো উদ্যোগের সমন্বয় করছে।
টোকিওর কম্পন সামলানো
এই স্থাপনার সামনে থাকা কারিগরি চ্যালেঞ্জগুলো বেশির ভাগ ডেটা সেন্টার প্রকৌশলীকেই ভাবিয়ে তুলবে। সচল রেলপথের উড়ালপথ সংবেদনশীল ইলেকট্রনিক সরঞ্জামের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ। প্রতিটি ট্রেনের চলাচলে কম্পন সৃষ্টি হয়, যা সংযোগ ঢিলা করতে পারে, হার্ড ড্রাইভ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সার্কিট বোর্ডের সোল্ডার করা সংযোগে চাপ ফেলতে পারে। সরাসরি সূর্যের আলোয় ইস্পাতের কাঠামো গরম হয়, আবার সন্ধ্যার ছায়ায় দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়, ফলে তাপমাত্রার ব্যাপক ওঠানামা ঘটে। চলন্ত ট্রেনের শব্দ সরঞ্জাম এবং প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণকর্মী—উভয়ের ওপরই বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।
পরীক্ষাকালে চারটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকারিতা মাপার পরিকল্পনা করেছে কনসোর্টিয়াম: শব্দ নিরোধের কার্যকারিতা, তাপ নিরোধের সক্ষমতা, কম্পন বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতা এবং এই বিশেষ পরিবেশে শীতলীকরণ ব্যবস্থার দক্ষতা। চলন্ত ইস্পাতের টন টন ভারের কয়েক মিটার নিচে স্থাপন করা হলেও মডুলার ব্যবস্থা সার্ভার হার্ডওয়্যারের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও স্থিতিশীলতার মান বজায় রাখতে পারে কি না, এসব পরিমাপ তা নির্ধারণ করবে।
ডেটা সেন্টারে সাধারণত পরিবেশের ওপর অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়। তাপমাত্রার ওঠানামায় হার্ডওয়্যার প্রসারিত ও সংকুচিত হতে পারে, ফলে যন্ত্রাংশ সময়ের আগেই বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘূর্ণায়মান ডিস্ক ড্রাইভ, এমনকি সলিড-স্টেট স্টোরেজ সিস্টেমের ক্ষেত্রেও কম্পন নির্দিষ্ট সীমার নিচে রাখতে হয়; এটি প্রায়ই মহাকর্ষীয় এককে মাপা হয়। টোকিওর এই পরীক্ষা কার্যত যাচাই করবে, শিল্পমানের বিচ্ছিন্নকরণ ব্যবস্থা শহরের রেল চলাচলের ছন্দময় ধাক্কা কতটা কমাতে পারে।
বিদ্যমান সংযোগপথ কাজে লাগানো
অন্য শহুরে প্রকল্পের তুলনায় রেলপথের এই স্থাপনাকে বিশেষভাবে বাস্তবসম্মত করে তুলেছে একটি কৌশলগত সুবিধা। টোকিউর রেললাইনের পাশ দিয়ে ইটস কমিউনিকেশন্স ইতিমধ্যেই উচ্চ সক্ষমতার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। এতে একটি উচ্চগতির ডিজিটাল মেরুদণ্ড গড়ে উঠেছে, যা সাধারণত স্থাপনের জন্য ব্যয়বহুল খননকাজ ও পৌরসভার অনুমতি প্রয়োজন করে। নতুন ফাইবার সংযোগ বসাতে শহরের রাস্তা খোঁড়ার বদলে, রেললাইনের নিচের এসব স্থাপনা সরাসরি বিদ্যমান টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।
এই সংযোগ কৌশলে ডেটা সেন্টার স্থাপনের সবচেয়ে সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল দিকগুলোর একটি এড়ানো যায়। ঘনবসতিপূর্ণ শহরে ফাইবার-অপটিক কেবলের জন্য যাতায়াত-অধিকার নিশ্চিত করতে প্রায়ই একাধিক জমির মালিক, নগর কর্তৃপক্ষ ও পরিষেবা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। আগে থেকেই শক্তিশালী যোগাযোগ লাইন থাকা রেল অবকাঠামো কাজে লাগালে মডুলার ইউনিটগুলো দ্রুত নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।
কনসোর্টিয়াম জানিয়েছে, পরীক্ষায় সফল হলে টোকিউ লাইনের নেটওয়ার্কজুড়ে আরও স্থাপনা গড়ে উঠতে পারে। সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিশেষভাবে শিবুয়া এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল অবকাঠামো কৌশলের ইঙ্গিত মেলে, যেখানে রেলপথের করিডোরকে শুধু পরিবহন অবকাঠামো নয়, বরং এজ কম্পিউটিং কেন্দ্রের জন্য তৈরি জমিসহ একটি সরলরৈখিক ডিজিটাল মহাসড়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জায়গার সংকটে শহর
এই অভিনব পরীক্ষার পেছনে রয়েছে টোকিওর ডেটা সেন্টার বাজারের তীব্র অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। গবেষণা প্রতিষ্ঠান মর্ডর ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে রাজধানীতে জমির দাম ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। ফলে অনেক পরিচালকের জন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে স্থাপনা নির্মাণের ব্যয় অসহনীয় হয়ে উঠেছে। শহরে ইতিমধ্যে ১৩২টি ডেটা সেন্টার চালু রয়েছে এবং আরও অন্তত ১৮টি নির্মাণাধীন। তবু চাহিদা সরবরাহের চেয়ে দ্রুত বাড়ছে।
আরও বড় সমস্যা হলো, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ডিজিটাল সম্প্রসারণের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না। এনটিটি গ্লোবাল ডেটা সেন্টার্সের জাপান ও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াসুও সুজুকি সম্প্রতি শিল্পবিষয়ক এক সাক্ষাৎকারে পরিস্থিতির গুরুতর চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, টোকিওর কেন্দ্রীয় এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রিডে সংযোগ পেতে পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। অবিলম্বে কম্পিউটিং সক্ষমতা প্রয়োজন এমন কোম্পানিগুলোর জন্য এটি এক অতিক্রম-অযোগ্য বাধা তৈরি করছে।
টোকিওর কেন্দ্রীয় এলাকায় বিদ্যুৎ গ্রিডে সংযোগ পেতে পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এই প্রতিবন্ধকতায় বাজার ছোট ও দ্রুত স্থাপনযোগ্য সমাধানের দিকে ঝুঁকছে। ২০৩১ সাল পর্যন্ত জাপানে মাঝারি আকারের ডেটা সেন্টার স্থাপনা বছরে চক্রবৃদ্ধি হারে ১২ শতাংশ বাড়ছে। বড় স্থাপনার তুলনায় এই প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, কারণ সীমিত জায়গার শহুরে পরিবেশে এগুলো দ্রুত স্থাপন করা যায়। টোকিউর প্রস্তাবিত মডুলার স্থাপনাগুলো এই প্রবণতার চরম উদাহরণ: প্রচলিত স্থাপনার আকারের বদলে দ্রুত স্থাপন ও অভিনবভাবে জমি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
কনটেইনার-আকারের কম্পিউটিং
এ ধরনের জায়গার সংকট মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে মডুলার ডেটা সেন্টারের ধারণা জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রচলিত স্থাপনায় যেখানে স্থাপত্য পরিকল্পনা, ভিত্তি নির্মাণ ও ভবন তৈরিতে বছরের পর বছর লাগে, সেখানে মডুলার ইউনিট আগে থেকে তৈরি কনটেইনারে সম্পূর্ণ সমন্বিত ব্যবস্থা নিয়ে আসে। অনুমতির প্রক্রিয়া চলার সময় এসব আবরণ অন্য স্থানে তৈরি করা যায়; পরে ক্রেন দিয়ে নির্ধারিত জায়গায় বসিয়ে বিদ্যমান পরিষেবা সংযোগের সঙ্গে যুক্ত করা যায়।
ওইমাচি লাইনের পরীক্ষার জন্য টোকিউ কনস্ট্রাকশনের নকশায় উন্নত কম্পন-শোষণ ব্যবস্থা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে স্প্রিং আইসোলেটর, রাবারযুক্ত মাউন্টিং প্ল্যাটফর্ম কিংবা সক্রিয় কম্পন-প্রতিরোধী প্রযুক্তি থাকতে পারে। ওপরের ইস্পাত কাঠামোতে সূর্যের তাপে পরিবেশের তাপমাত্রা বাড়া-কমার মধ্যেও শীতলীকরণ ব্যবস্থাকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। রেলপথের পরিবেশে সাধারণত বৃষ্টির ছিটা ও নগরদূষণ থেকে সুরক্ষার জন্য ইউনিটগুলোতে বিশেষ আবহাওয়ারোধী ব্যবস্থাও প্রয়োজন হবে।
রক্ষণাবেক্ষণের সুযোগ থাকলেও পরিচালনায় বাড়তি জটিলতা রয়েছে। ভূমিতলের স্থাপনায় কারিগরেরা যেকোনো দিক থেকে যেতে পারেন, কিন্তু রেললাইনের নিচে স্থাপিত ইউনিটে চলাচলের জায়গা সীমিত এবং বিদ্যুতায়িত রেললাইনের বিপজ্জনক নৈকট্য থাকতে পারে। কর্মীদের নিরাপত্তা ও রেল চলাচল—দুটিই অব্যাহত রাখতে কনসোর্টিয়ামকে নির্দিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ-পদ্ধতি তৈরি করতে হবে। এর মধ্যে কম ট্রেন চলাচলের সময়ে নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কিংবা বিশেষ প্রবেশমঞ্চের ব্যবস্থা থাকতে পারে।
ওইমাচি থেকে ভবিষ্যতের পথে
২০২৬ সালের জুনে ওইমাচি লাইনে স্থাপনাটি হবে এমন একটি ধারণার প্রমাণ, যা ভবিষ্যতে বড় নেটওয়ার্কে রূপ নিতে পারে। রেলপথের নিচে মডুলার ইউনিটগুলো গ্রহণযোগ্য বিকল হওয়ার হার ও তাপমাত্রার স্থিতিশীলতা দেখাতে পারলে, টোকিউ তার বিস্তৃত নেটওয়ার্কজুড়ে দ্রুত একই ধরনের স্থাপনা গড়ে তুলতে পারে। এতে রেললাইনের নিচের হাজার হাজার মিটার অব্যবহৃত জায়গা থেকে আয় করা সম্ভব হবে।
ভবিষ্যৎ স্থান হিসেবে শিবুয়াকে উল্লেখ করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। টোকিওর অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক ও পরিবহনকেন্দ্র শিবুয়ায় জমির মূল্য অনেক বেশি। সেখানে প্রচলিত পদ্ধতিতে ডেটা সেন্টার নির্মাণে আর্থিক ও লজিস্টিক বাধা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে। এত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মডুলার ইউনিট সফলভাবে স্থাপন করা গেলে, একই ধরনের জায়গার সংকটে থাকা হংকং থেকে ম্যানহাটন পর্যন্ত বিশ্বের অন্যান্য মহানগরেও এই ধারণার কার্যকারিতা প্রমাণিত হবে।
এই উদ্যোগ নগর অবকাঠামোর বিভিন্ন ব্যবহারের সমন্বয়ের বৃহত্তর প্রবণতাও তুলে ধরে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে রেল পরিচালকেরা তাদের সরলরৈখিক জমি ও স্থাপনার বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ খুঁজছেন। এর মধ্যে রয়েছে সৌর প্যানেল বসানো, বাণিজ্যিক দোকানঘর স্থাপন এবং এখন কম্পিউটিং সুবিধা গড়ে তোলা। বিদ্যমান ফাইবার নেটওয়ার্ক ও অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে টোকিউ কার্যত এমন একটি নতুন সম্পদশ্রেণি তৈরি করছে, যা পরিবহন ও টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোকে একসূত্রে বাঁধে।
পরীক্ষাটির সাফল্য এখনো প্রমাণিত হয়নি। কম্পনের কারণে হার্ডওয়্যার এত ঘন ঘন বিকল হতে পারে যে বাণিজ্যিকভাবে প্রকল্পটি লাভজনক হবে না। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। সচল রেললাইনের নিচে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় লাভের মার্জিন শেষ করে দিতে পারে। তবু এই উদ্যোগই শহুরে ডিজিটাল অবকাঠামোর প্রয়োজনীয় বিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ক্রমে ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে ওঠা বিশ্বের শহরগুলোর কম্পিউটিং চাহিদা শুধু নির্দিষ্ট জমিতে নতুন করে ডেটা সেন্টার নির্মাণের প্রচলিত মডেলে পূরণ করা যাবে না—এই বাস্তবতা এতে স্বীকার করা হয়েছে।
মূল বিষয়গুলো
- টোকিউ গ্রুপের চারটি কোম্পানি ২৩ মার্চ ঘোষণা করেছে, ২০২৬ সালের জুন থেকে টোকিওর ওইমাচি লাইনের নিচে একটি মডুলার ডেটা সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে
- সক্রিয় রেলপথের পরিবেশে সার্ভারের নির্ভরযোগ্যতা পরীক্ষা করা হবে; মাপা হবে কম্পন বিচ্ছিন্নকরণ, তাপ নিরোধ, শব্দ নিরোধ ও শীতলীকরণ কার্যকারিতা
- টোকিউ কনস্ট্রাকশন কনটেইনার-আকারের ইউনিট তৈরি করছে; বিদ্যমান রেলপথের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফাইবার সংযোগ দেবে ইটস কমিউনিকেশন্স
- টোকিওর ডেটা সেন্টার বাজার তীব্র সীমাবদ্ধতার মুখে: ২০২৪ সালে জমির দাম ৬৯ শতাংশ বেড়েছে এবং এনটিটি গ্লোবাল ডেটা সেন্টার্সের তথ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ গ্রিডে সংযোগ পেতে পাঁচ থেকে দশ বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে
- সফল হলে টোকিউর নেটওয়ার্কজুড়ে, শিবুয়াসহ, উড়াল রেলপথের নিচের অব্যবহৃত জায়গায় আরও স্থাপনা গড়ে উঠতে পারে
- জায়গার সংকটে থাকা শহুরে পরিবেশে দ্রুত স্থাপনের চাহিদায় ২০৩১ সাল পর্যন্ত জাপানে মাঝারি আকারের ডেটা সেন্টার বছরে ১২ শতাংশ হারে বাড়ছে






