নীতির পরিবর্তনে বাজারে তোলপাড়
ভিয়েতনামের ব্যস্ত সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই একচ্ছত্র আধিপত্য হোন্ডার। দেশটির মোটরসাইকেল বাজারের ৮০%-এরও বেশি তাদের দখলে; লাখো মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই বাহন। তবে জাপানি এই প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পরিবেশগত জরুরি উদ্বেগের কারণে ভিয়েতনাম সরকার জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেল পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার লক্ষ্যে আকস্মিক ও কঠোর নীতি কার্যকর করেছে। নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় এই আকস্মিক পরিবর্তনে প্রচলিত নির্মাতারা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছে এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনে রূপান্তরের গতি দ্রুত করতে বাধ্য হয়েছে।
সূচিপত্র
বাজারে এই তোলপাড়ের সূত্রপাত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী ফাম মিন চিনের জারি করা এক নির্দেশনা থেকে। রাজধানী হ্যানয় থেকে পেট্রোলচালিত মোটরসাইকেল সরিয়ে নেওয়ার জন্য এতে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে এসব যান সড়ক ১-এর ভেতরে, অর্থাৎ শহরের কেন্দ্রে চলাচল করতে পারবে না। ২০২৮ সালের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হবে, আরও বড় এলাকা এর আওতায় আসবে এবং শেষ পর্যন্ত ২০৩০ সালের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়িও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হো চি মিন সিটিও একই ধরনের পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে ইঙ্গিত মিলছে, দেশজুড়ে পরিবহনের ভবিষ্যৎ নতুনভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চিত্রও বদলে দেবে।
হোন্ডার তাৎক্ষণিক সংকট
গত বছর ভিয়েতনামে ২৬ লাখ যানবাহন বিক্রি করা হোন্ডার জন্য নীতির এই পরিবর্তন এসেছে প্রায় কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই। অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনচালিত বাইকের বিপুল চাহিদা মেটাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল প্রতিষ্ঠানটি, কিন্তু রাতারাতি বদলে গেছে পরিস্থিতি। সরকারি ঘোষণার তাৎক্ষণিক আর্থিক প্রভাবের চিত্র উঠে এসেছে শিল্প খাতের তথ্যে। আগস্টে ভিয়েতনামে হোন্ডার বিক্রি জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ২২% কমেছে, আর বছরওয়ারি পতন হয়েছে ১৩%। এই হ্রাসে ক্রেতাদের আকস্মিক দ্বিধা স্পষ্ট হয়েছে: শহরাঞ্চলে শিগগিরই চলাচলে বিধিনিষেধ আসতে পারে, এমন পেট্রোলচালিত বাইক কেনার ঝুঁকি নিয়ে তারা ভাবছেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে হোন্ডাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। গত সপ্তাহেই প্রতিষ্ঠানটি ভিয়েতনামের বাজারের জন্য তাদের তৃতীয় বৈদ্যুতিক বাইক মডেল উন্মোচন করেছে। এতে স্পষ্ট, পূর্বের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুত বিদ্যুতায়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে তারা। নতুন মডেলটি স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে বাজারের অংশীদারত্ব রক্ষার বৃহত্তর কৌশলের অংশ; নতুন নিয়ম থেকে সুবিধা নেওয়ার অবস্থানে তারা তুলনামূলকভাবে ভালো। উৎপাদন লাইন ও সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হচ্ছে হোন্ডাকে, যা প্রচলিত পেট্রোল ইঞ্জিন প্রযুক্তিতে গভীরভাবে নির্ভরশীল একটি নির্মাতার জন্য জটিল লজিস্টিকসের কাজ।
ক্রেতাদের মনোভাব ও অপেক্ষার কৌশল
বাজারের বিভ্রান্তি ক্রেতাদের মধ্যেও স্পষ্ট। বড় শহরগুলোর বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য ক্রেতারা অপেক্ষা করে পরিস্থিতি দেখার কৌশল নিচ্ছেন। অদূর ভবিষ্যতে যেসব যানবাহনের মূল্য বা ব্যবহারযোগ্যতা কমে যেতে পারে, সেগুলোতে বিনিয়োগ করতে তারা দ্বিধায় রয়েছেন। এক বড় পরিবেশক জানান, এখন পেট্রোলচালিত বাইক কিনলে পরে চলাচলে বিধিনিষেধের মুখে পড়তে হবে কি না, নাকি বৈদ্যুতিক মডেলের দাম আরও সাশ্রয়ী হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো, তা নিয়ে মানুষ ভাবছেন। এই দ্বিধায় কার্যত বাজার থমকে গেছে, যা সামগ্রিক বিক্রি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
অনিশ্চয়তা থাকলেও ক্রেতাদের মনোভাব বদলাচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এশিয়া প্লাস ইনকরপোরেটেডের সেপ্টেম্বরে করা এক জরিপে দেখা গেছে, হ্যানয় ও হো চি মিন সিটির ৫৪% উত্তরদাতা পরের মোটরসাইকেল কেনার সময় বৈদ্যুতিক মডেল বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মাত্র ২৪% পেট্রোলচালিত মডেল কেনার কথা ভাবছেন। নিষেধাজ্ঞা প্রথমে কার্যকর হবে হ্যানয়ে; সেখানে বৈদ্যুতিক বাইকের প্রতি আগ্রহ বেড়ে ৬০%-এ দাঁড়িয়েছে। এই পরিবর্তনের প্রধান চালিকা শক্তি বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রতি সরকারের সমর্থন, যা জনসাধারণের আচরণ গড়ে তোলায় নীতির জোরালো ভূমিকার ইঙ্গিত দেয়।
স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের উত্থান
হোন্ডা যখন পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন ভিয়েতনামের নিজস্ব বৈদ্যুতিক যানবাহন নির্মাতা ভিনফাস্টের গতি বাড়ছে। বৈদ্যুতিক যানবাহনপন্থী সরকারি অবস্থান থেকে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্যভাবে লাভবান হতে পারে। শিল্প খাতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিনফাস্টের বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল বিক্রি চার গুণ হয়েছে এবং গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৭১ হাজার বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল সরবরাহ করেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেই ভিনফাস্ট ৭০ হাজার বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল ও সাইকেল বিক্রি করেছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৫৫% বেশি।
বাজার দখলে আগ্রাসী কৌশল নিয়েছে ভিনফাস্ট। দ্বৈত ব্যাটারি ব্যবহারের সুবিধা ও বিস্তৃত ব্যাটারি বদল নেটওয়ার্কসহ ভেরো এক্স, ফেলিজ ও ফেলিজ লাইটের মতো নতুন মডেল এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইয়াদিয়া, ড্যাট বাইক ও পেগার মতো অন্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানও বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে; এতে ঐতিহ্যগতভাবে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর দখলে থাকা বাজারের অংশ কমছে। এশিয়া প্লাসের জরিপে দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের ৫০% এখনো হোন্ডা কেনার কথা বিবেচনা করবেন, তবে ৩২% ভিনফাস্টের দিকে ঝুঁকছেন। হোন্ডার জন্য এই পরিসংখ্যান বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ জরিপে অংশ নেওয়া ৮০%-এরও বেশি উত্তরদাতার বর্তমানে হোন্ডার যানবাহন রয়েছে। এতে বোঝা যায়, নিয়মকানুনের পরিবর্তনে ব্র্যান্ডের প্রতি আনুগত্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শিল্প খাতের আপত্তি ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ
রূপান্তরের গতি জাপানি নির্মাতা ও শিল্প সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। হোন্ডা, ইয়ামাহা ও সুজুকি যৌথভাবে সতর্ক করেছে, আকস্মিক নিষেধাজ্ঞায় সরবরাহকারীরা দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে এবং উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। সেপ্টেম্বরে হ্যানয়ের জাপানি দূতাবাস ভিয়েতনাম সরকারকে চিঠি পাঠিয়ে বাস্তবায়ন পিছিয়ে দেওয়া এবং রূপান্তরের জন্য সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। জোটটির যুক্তি, উৎপাদন লাইন পুনর্বিন্যাস, চার্জিং নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা মান হালনাগাদ করতে শিল্প খাতের অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময় দরকার।
ভিয়েতনাম মোটরসাইকেল নির্মাতাদের সংগঠন (ভিএএমএম)-এর চেয়ারওম্যান এবং হোন্ডা ভিয়েতনামের পরিচালক সায়াকা আরাই লাখো বাসিন্দার ওপর এই রূপান্তরের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিননির্ভর ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল ২,০০০ বিক্রেতাকেন্দ্র, ২০০ সরবরাহকারী এবং কয়েক লাখ কর্মীর ওপর এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়তে পারে।
ঝুঁকিতে সরবরাহব্যবস্থা
অর্থনৈতিক ঝুঁকি বড় নির্মাতাদের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। শিল্প সংগঠনগুলোর হিসাব, নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ২,০০০ বিক্রেতাকেন্দ্র ও ২০০ যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। ২০২৭ সাল থেকে কার্যকর হতে যাওয়া ইউরো ৪ নির্গমন মানের মতো আসন্ন নিয়ম মেনে চলতে এসব ব্যবসা নতুন প্রযুক্তি ও সরঞ্জামে কয়েক লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে। বৈদ্যুতিক যানবাহনে আকস্মিক পরিবর্তনে সাম্প্রতিক এসব বিনিয়োগ অর্থহীন হয়ে যেতে পারে। ভিএএমএম সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে সতর্ক করেছে, আকস্মিক পরিবর্তনে উৎপাদন ও বিতরণ থেকে শুরু করে বিক্রয়-পরবর্তী সেবা পর্যন্ত পুরো মোটরসাইকেল ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও সামনে এগোনোর পথ
বৈদ্যুতিক যানবাহনে রূপান্তরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বড় বাধা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, রাইড-হেইলিং চালকেরা জীবিকার জন্য সাশ্রয়ী মোটরসাইকেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। গ্র্যাব ভিয়েতনামের তথ্য অনুযায়ী, রাইড-হেইলিং চালকদের ৭০%-এরও বেশি অনিয়মিত আয়ের ফ্রিল্যান্স কর্মী। যানবাহন বদলের ক্ষেত্রে শুরুতেই বেশি খরচ একটি বড় বাধা। গ্র্যাবের ৫৩%-এরও বেশি চালক জানিয়েছেন, বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের কিস্তিতে মাসে সর্বোচ্চ ৮০ ডলার দিতে পারবেন। এ ছাড়া প্রায় ৫৬% চালকের বাড়িতে চার্জ দেওয়ার সুবিধা নেই, যা প্রতিদিন যান চালানোর জন্য জরুরি।
এই বৈষম্য কমাতে গ্র্যাব প্রস্তাব দিয়েছে, যানবাহন বদলের জন্য শহর কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক চালককে অন্তত ৪০০ ডলার সহায়তা দিক। দরিদ্র ও দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ ৮০০ ডলার পর্যন্ত, খরচের ১০০% পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়ার সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সহায়তার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছে ভিয়েতনাম সরকার। বর্তমানে পেট্রোল বা ডিজেলচালিত মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন, এমন বাসিন্দাদের সরাসরি নগদ ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব করেছে হ্যানয়ের নির্মাণ বিভাগ। এ ছাড়া ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বিদ্যমান ভবনগুলোর অন্তত ১০% এবং নতুন ভবনগুলোর ৩০% পার্কিং স্থানে বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জার বসানোর লক্ষ্য নিয়েছে শহরটি।
হোন্ডার কৌশলগত পদক্ষেপ
চ্যালেঞ্জ থাকলেও কৌশল বদলে খাপ খাওয়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে হোন্ডা। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি হোন্ডা ইউসি৩ বাজারে এনেছে। নির্দিষ্ট ব্যাটারিচালিত এই যাতায়াতের মোটরসাইকেলকে ১১০ সিসি অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের মোটরসাইকেলের বৈদ্যুতিক বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ইউসি৩-তে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি চাকার পাশে স্থাপিত মোটর, আর একবার চার্জে এটি সর্বোচ্চ ১২২ কিলোমিটার চলতে পারে। হ্যানয়, হো চি মিন সিটি ও দা নাংয়ের মতো বড় শহরের বিক্রেতাকেন্দ্রে সিএইচএডিইএমও চার্জিং স্টেশন স্থাপন করে চার্জিং অবকাঠামোও বাড়াচ্ছে হোন্ডা।
২০২৫ সালের মে মাসে প্রকাশিত হোন্ডার বৈশ্বিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় মোটরসাইকেল পণ্য বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি অবশিষ্ট অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের মডেলগুলোর জ্বালানি সাশ্রয় বাড়ানোর অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে। শুধু বৈদ্যুতিক সংস্করণ হিসেবে তৈরি মডেলগুলোকে মডিউলভিত্তিক করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। পাশাপাশি ২০২৮ সালের মধ্যে ভারতে অত্যন্ত দক্ষ, বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের জন্য বিশেষায়িত কারখানায় উৎপাদন শুরু করবে তারা। আপাতত তাৎক্ষণিক মনোযোগ ভিয়েতনামকে ঘিরে, যেখানে কয়েক দশক ধরে সড়কে আধিপত্য বিস্তার করা পেট্রোলচালিত বাইকের মতো নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী হতে পারে, তা হোন্ডাকে তার অনুগত ক্রেতাদের বোঝাতে হবে।
মূল তথ্য
- ২০২৪ সালে ভিয়েতনামে ২৬ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রি করে বাজারের ৮০%-এরও বেশি দখলে রেখেছিল হোন্ডা।
- সরকারের নতুন নির্দেশনায় ২০২৬ সালের মাঝামাঝি থেকে হ্যানয়ের কেন্দ্রে পেট্রোলচালিত বাইক নিষিদ্ধ হবে; ২০২৮ সালের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা শহরজুড়ে বিস্তৃত হবে।
- নীতির ঘোষণার পর ২০২৫ সালের আগস্টে ভিয়েতনামে হোন্ডার বিক্রি প্রায় ২২% কমেছে।
- এশিয়া প্লাসের জরিপে দেখা গেছে, হ্যানয়ের ৬০% বাসিন্দা পরেরবার বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল কেনার পরিকল্পনা করছেন।
- নিয়মের পরিবর্তনের মধ্যে স্থানীয় বৈদ্যুতিক যানবাহন নির্মাতা ভিনফাস্টের বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল বিক্রি চার গুণ হয়েছে।
- শিল্প সংগঠনগুলোর সতর্কতা, নিষেধাজ্ঞায় ২,০০০ বিক্রেতাকেন্দ্র ও ২০০ সরবরাহকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
- স্থানীয় বিদ্যুতায়ন কৌশল দ্রুত করতে হোন্ডা তাদের তৃতীয় বৈদ্যুতিক বাইক মডেল এবং ইউসি৩ বৈদ্যুতিক যাতায়াতের মোটরসাইকেল উন্মোচন করেছে।






