অর্থনৈতিক ক্ষতির অসম বোঝা
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে প্রায় তিন মাস ধরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য স্থগিত থাকায় অর্থনৈতিক ভারসাম্যে স্পষ্ট অসাম্য তৈরি হয়েছে। এতে প্রতিবেশী পাকিস্তানের তুলনায় আফগানিস্তান অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামাবাদে রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, কিন্তু অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান বলছে, ক্ষতির অসম বোঝা পড়ছে কাবুলের ওপর। বাণিজ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১০ অক্টোবর দমন অভিযান শুরুর পর থেকে আফগানিস্তানের রপ্তানি ক্ষতি প্রায় ১০ শতাংশে পৌঁছেছে। এর বিপরীতে, একই সময়ে পাকিস্তানের মোট রপ্তানি কমেছে মাত্র প্রায় ০.৬ শতাংশ।
সূচিপত্র
এই ব্যবধান আফগান অর্থনীতির জন্য পাকিস্তানের বাজারে প্রবেশাধিকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। আফগানিস্তান তার মোট রপ্তানির প্রায় ৪৬ শতাংশ পাকিস্তানে পাঠায়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য ওয়াগাহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে যায়। পাকিস্তান আফগানিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভরসা। এ কারণেই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন কাবুলের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। বিপরীতে, পাকিস্তানের বৈশ্বিক রপ্তানির মাত্র প্রায় ৩.৪৬ শতাংশ যায় আফগানিস্তানে। ফলে অর্থনৈতিক অচলাবস্থা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা ইসলামাবাদের অনেক বেশি। সীমান্তে ধারাবাহিক সংঘর্ষ এবং তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর বাণিজ্যপ্রবাহ স্থগিত হয়। এর পরিণতিতে নভেম্বরের শুরুতে পাকিস্তান ঘোষণা করে, আলোচনা কার্যত শেষ।
বাজারে অস্থিরতা ও আটকে পড়া পণ্য
সীমান্ত বন্ধের তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমান্তের দুই পাশের বাজারেই দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তানে আকস্মিকভাবে বাণিজ্য বন্ধ হওয়ায় পচনশীল পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে, ফলে দামে তীব্র ওঠানামা দেখা দিয়েছে। রপ্তানি করা আর সম্ভব না হওয়ায় সরবরাহ উদ্বৃত্ত হয়ে পড়েছে; এর ফলে পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে মুরগির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জীবিত মুরগির দাম অনেকটা পড়ে গেছে। একই সময়ে আফগানিস্তান থেকে আমদানি বন্ধ হওয়ায় শাকসবজি ও ফলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।
পোলট্রি পাইকার সমিতির প্রধান আবদুল বাসিত বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে চাহিদা ও সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, পাকিস্তানের বাজারে আলু, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার মতো নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সাম্প্রতিক বন্যায় স্থানীয় ফসল নষ্ট হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। এতে আফগানিস্তান থেকে আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছিল, কিন্তু এখন সেই পণ্য আর পাওয়া যাচ্ছে না।
আফগানিস্তানে সংকট তীব্র, তবে এর ধরন আলাদা। আফগানিস্তান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট জানিয়েছে, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যবোঝাই ১১ হাজার ৫০০টির বেশি ট্রাক বর্তমানে সীমান্ত পারাপারের স্থানগুলোতে আটকে আছে। এই অচলাবস্থায় ব্যবসায়ীদের দৈনিক আনুমানিক ২০ লাখ ডলার ক্ষতি হচ্ছে। আফগানিস্তানের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। ৫০ কেজি চালের বস্তার দাম এখন ৩ হাজার ৪০০ আফগানি, আর ময়দার দাম পৌঁছেছে ১ হাজার ৬০০ আফগানিতে। জ্বালানির দামও বেড়েছে, যা দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করা পরিবারগুলোর ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে।
গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট বাণিজ্যের সংকট
সরাসরি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের বাইরেও এই স্থগিতাদেশ ট্রানজিট বাণিজ্যের বিস্তৃত কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে, যা আফগানিস্তানের টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য। আফগানিস্তানের মোট আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশই ট্রানজিট বাণিজ্যের মাধ্যমে আসে। চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়ায় পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে আসা আফগান আমদানির মূল্য আগে থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল। বর্তমান স্থগিতাদেশে সেই অঙ্ক ১০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে, যা আফগানিস্তানের আমদানি রুটের পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত করবে।
আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর পাকিস্তানের নিজস্ব উচ্চাকাঙ্ক্ষাও থমকে যাচ্ছে। মধ্য এশিয়ার কয়েকটি রাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রানজিট বাণিজ্য চুক্তি করেছিল ইসলামাবাদ। তাদের আশা ছিল, এসব বাজারে প্রবেশের পথ হিসেবে আফগানিস্তানকে ব্যবহার করবে। কিন্তু বর্তমান বিঘ্নের কারণে মধ্য এশিয়া থেকে আসা তুলা ও অন্যান্য পণ্যবোঝাই কনটেইনার আফগানিস্তানের পাশে আটকে আছে। একইভাবে, মধ্য এশিয়ার বাজারের উদ্দেশে পাঠানো পাকিস্তানি ট্রানজিট পণ্যও আফগানিস্তানে জমে আছে।
সারহাদ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ইসহাক এর বিস্তৃত প্রভাব ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, পাঞ্জাবের বস্ত্রশিল্পের কিছু অংশ উজবেকিস্তানে কার্যক্রম সরিয়ে নিতে শুরু করেছিল, কিন্তু বর্তমান অনিশ্চয়তায় সেই প্রক্রিয়া থেমে গেছে। খাইবার পাখতুনখাওয়া ও পাঞ্জাবের শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তান থেকে তুলা ও কয়লা আমদানিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান হয়ে বিকল্প রুটটি অনেক দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল, ফলে পণ্যের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কমে যায়।
উত্তরের দিকে কৌশলগত মোড়
এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে তালেবান প্রশাসন বিকল্প বাণিজ্য অংশীদারদের দিকে ঝোঁকা দ্রুততর করছে। তালেবানের অর্থনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গনি বারাদার আফগান ব্যবসায়ীদের বিলম্ব এড়াতে পাকিস্তানের বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে হবে। সতর্ক করে তিনি জানান, তিন মাস পরও যারা পাকিস্তানের ওপর নির্ভর করবে এবং সমস্যায় পড়বে, সরকার তাদের সহায়তা করবে না।
বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনার এই উদ্যোগ শুধু বর্তমান সংকটের প্রতিক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক ধারার সঙ্গে মেলে। ১৯৪৯ থেকে ১৯৬৩ সালের মধ্যে বড় ধরনের কূটনৈতিক সংঘাতের সময় আফগানিস্তান পাকিস্তানের রুট এড়িয়ে যেতে নিয়মিত সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ইরানের দিকে ঝুঁকেছিল। ইতিহাস থেকে বোঝা যায়, পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিটি বড় ধরনের বিঘ্নই আফগানিস্তানকে তার প্রতিবেশীর ওপর নির্ভরতা কমাতে তাড়িত করে। বর্তমান পরিস্থিতিও সেই ধারার অনুসারী। কাবুল ক্রমেই উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানের মতো মধ্য এশীয় রাষ্ট্রগুলোর দিকে তাকাচ্ছে।
গমের ময়দা আমদানি এই পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ২০১৫ সালে আফগানিস্তান পাকিস্তান থেকে ৩২ কোটি ডলারের ময়দা আমদানি করেছিল। ২০২৪ সালে সেই অঙ্ক প্রায় শূন্যে নেমে আসে। ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তান এখন তার গমের ময়দার ৯৮ শতাংশের বেশি আমদানি করে উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তান থেকে। এতে বোঝা যায়, পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার থাকলেও প্রয়োজনের সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের আমদানির উৎস সফলভাবে বদলাতে পেরেছে আফগানিস্তান।
রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ব্যবসার বাস্তবতার সংঘাত
দুই দেশের ব্যবসায়ী মহল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাজনৈতিক নেতারা অনমনীয় সুরে কথা বলেছেন। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, বাণিজ্য বন্ধের ফলে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের জনগণই লাভবান হবে। তবে মাঠপর্যায়ের মূল্যায়নের সঙ্গে এই মতের বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির কাছে আর্থিক ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। এতে রপ্তানিকারকদের ওপর গুরুতর প্রভাব এবং সীমান্ত এলাকার সম্প্রদায়গুলোতে বাড়তে থাকা বেকারত্বের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে।
একসময় আফগানদের মালিকানাধীন দোকানে সরগরম পেশোয়ারের ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যবসা অর্ধেকে নেমে এসেছে। পেশোয়ারে একাধিক বেকারির আফগান মালিক হামিদ উল্লাহ আয়াজ ভয়ের পরিবেশের কথা বর্ণনা করে বলেন, আফগানরা বাইরে যেতে ভয় পাচ্ছেন। সীমান্ত পারাপারের ওপর নির্ভরশীল অনানুষ্ঠানিক খাত ও ঘনিষ্ঠ সম্প্রদায়গুলো রাজনৈতিক অচলাবস্থায় ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ছে।
আফগানিস্তান-পাকিস্তান যৌথ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খান জান আলোকোজাই জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, আফগান আমদানিকারকেরা ইতিমধ্যে সিমেন্ট ও ওষুধের অর্ডার ইরান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানে সরিয়ে নিচ্ছেন। সরবরাহব্যবস্থার এই কাঠামোগত পরিবর্তন পাকিস্তানি রপ্তানিকারকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি। একবার প্রতিযোগীদের কাছে এসব বাজার হারালে সেখানে আবার অবস্থান তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন।
বাণিজ্য দীর্ঘদিন স্থগিত থাকায় আফগান আমদানিকারকেরা ইতিমধ্যে পাকিস্তানের পরিবর্তে অন্য উৎস থেকে পণ্য কেনার অর্ডার দিতে শুরু করেছেন, বিশেষ করে সিমেন্ট ও ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে, বলেন আলোকোজাই।
দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক পরিণতি
বাণিজ্য দীর্ঘদিন স্থগিত থাকলে তাৎক্ষণিক আর্থিক হিসাবের বাইরেও নানা ঝুঁকি তৈরি হয়। CASA-1000 এবং তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান-ভারত (TAPI) পাইপলাইনের মতো বড় আঞ্চলিক অবকাঠামো প্রকল্প পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে স্থিতিশীল ট্রানজিট ব্যবস্থার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ইসলামাবাদ ও কাবুলের সহযোগিতা ছাড়া এসব প্রকল্প আরও বিলম্বিত হতে পারে, এমনকি ব্যর্থও হতে পারে।
দেশের অভ্যন্তরে বৈধতা জোরদার করতে তালেবান পাকিস্তানবিরোধী মনোভাবকেও কাজে লাগাচ্ছে। সীমান্ত বন্ধের কাছে নতি স্বীকারে অস্বীকৃতি জানিয়ে নেতৃত্ব নিজেদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরছে। এই রাজনৈতিক প্রদর্শনী কূটনৈতিক সমাধানকে জটিল করে তুলছে, কারণ অর্থনৈতিক ছাড়কে এখন আত্মসমর্পণের দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদেরা সতর্ক করছেন, সীমান্ত দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে গুরুতর পরিণতি হবে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে, তিন মাসের স্থগিতাদেশে আনুমানিক ১৫ কোটি থেকে ১৭ কোটি ডলারের তাৎক্ষণিক ক্ষতির বাইরেও লোকসান বাড়বে। খাইবার পাখতুনখাওয়ার শ্রম, পরিবহন ও শিল্প অর্থনীতি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত; সেগুলো এখন হুমকির মুখে। আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে, বিচ্ছিন্নতা দারিদ্র্য আরও বাড়াবে এবং পাকিস্তানকে স্থায়ীভাবে এড়িয়ে বিকল্প রুট খোঁজার প্রবণতা ত্বরান্বিত করতে পারে। এতে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ভূগোলের মৌলিক পরিবর্তন ঘটবে।
মূল বিষয়গুলো
- ১০ অক্টোবর থেকে আফগানিস্তানের রপ্তানি মূল্য প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে, যেখানে পাকিস্তানের ক্ষতি ০.৬ শতাংশ।
- পণ্যবোঝাই ১১ হাজার ৫০০টির বেশি ট্রাক সীমান্ত পারাপারের স্থানে আটকে আছে; এতে ব্যবসায়ীদের দৈনিক ২০ লাখ ডলার ক্ষতি হচ্ছে।
- গমের ময়দা আমদানি পাকিস্তান থেকে উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানে সরিয়ে নিতে আফগানিস্তান সফল হয়েছে, যা আরও বিস্তৃতভাবে বাণিজ্যের পথ বদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
- আমদানি বন্ধ হওয়ায় পাকিস্তানে ফল ও শাকসবজির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে রপ্তানির বাজার না থাকায় মুরগির দাম ধসে পড়েছে।
- তালেবান নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের পাকিস্তানি সরবরাহ রুটের বিকল্প খুঁজতে তিন মাসের সময়সীমা দিয়েছে।
- ইতিহাসের নজির বলছে, সীমান্ত দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে আফগানিস্তানের বাণিজ্য উত্তরের ও পশ্চিমের রুটের দিকে স্থায়ীভাবে সরে যায়।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের অস্থিতিশীলতার কারণে CASA-1000 ও TAPI-এর মতো বড় অবকাঠামো প্রকল্প ঝুঁকিতে রয়েছে।






