ভূমিকা: হংকংয়ে ইংরেজি শিক্ষার নতুন অধ্যায়
হংকংয়ের শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে, যা নগরীর শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা করেছে। ২০২৪ সালে প্রকাশিত নতুন নির্দেশিকায় দেশপ্রেম ও জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহত্তর নীতিগত পরিবর্তনের প্রতিফলন এটি। এই নিবন্ধে পরিবর্তনগুলোর পেছনের কারণ, নতুন পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তু, শিক্ষাবিদদের প্রতিক্রিয়া এবং হংকংয়ের তরুণ ও সমাজের ওপর এর বৃহত্তর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।
সূচিপত্র
- ভূমিকা: হংকংয়ে ইংরেজি শিক্ষার নতুন অধ্যায়
- ইংরেজি পাঠ্যক্রমে কী পরিবর্তন এসেছে?
- কেন এই পরিবর্তন? রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
- ইংরেজি পাঠে জাতীয় নিরাপত্তা কীভাবে শেখানো হয়?
- শিক্ষাবিদ ও জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া
- বৃহত্তর শিক্ষাসংস্কার: উদার শিক্ষা থেকে নাগরিকত্ব
- বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও সহায়তার উদ্যোগ
- তরুণদের পরিচয়বোধ ও সমাজের ওপর প্রভাব
- সংক্ষেপে
ইংরেজি পাঠ্যক্রমে কী পরিবর্তন এসেছে?
সর্বশেষ “প্রাথমিক প্রথম থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি ভাষা শিক্ষা: মূল শিক্ষাক্ষেত্রের পাঠ্যক্রম নির্দেশিকা” ২০১৭ সালের আগের সংস্করণটির জায়গা নিয়েছে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য পৃথক নির্দেশিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। ইংরেজি ভাষা শিক্ষার সামগ্রিক কাঠামো অপরিবর্তিত থাকলেও হালনাগাদ নির্দেশিকায় চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে: মূল্যবোধ শিক্ষা, মূল্যায়ন-সাক্ষরতা, ই-লার্নিং ও তথ্য-সাক্ষরতা এবং পাঠাভ্যাস।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে মূল্যবোধ শিক্ষায়। আগের নির্দেশিকায় ইংরেজি শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার, সমান সুযোগ, টেকসই উন্নয়ন ও দায়িত্ববোধসহ মূল্যবোধ-সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় অনুসন্ধানে উৎসাহিত করতে বলা হয়েছিল। নতুন নির্দেশিকায় এসবের বদলে অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রাণীর অধিকার ও সুরক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিষয় রাখা হয়েছে। মানবাধিকার ও সমান সুযোগের সুস্পষ্ট উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে। আইনের শাসন, সাংস্কৃতিক অন্তর্ভুক্তি, বহুত্ববাদের প্রতি শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতার উল্লেখও আর নেই।
এর পরিবর্তে পাঠ্যক্রমে এখন জাতীয় শিক্ষা, সংবিধান ও মৌলিক আইনবিষয়ক শিক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ঘোষিত লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের “জাতীয় পরিচয়বোধসম্পন্ন, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইন মেনে চলে—এমন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, যাতে তারা জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।”
কেন এই পরিবর্তন? রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট
হংকংয়ের স্কুলের পাঠ্যক্রমে জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষা (এনএসই) অন্তর্ভুক্ত করা নগরীটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের সরাসরি প্রতিক্রিয়া। ২০১৯ সালের সামাজিক অস্থিরতা এবং এর পর বেইজিংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের পর কর্তৃপক্ষ তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয় পরিচয়বোধ জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। ইংরেজি পাঠ্যক্রম হালনাগাদে শিক্ষা ব্যুরোর পদক্ষেপ জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ।
শিক্ষা ব্যুরোর মতে, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা করা হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের (এইচকেএসএআর) সাংবিধানিক দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়ে সচেতনতা ও আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়াতে ব্যুরো সক্রিয়ভাবে এনএসই প্রচার করছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত ‘হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষার পাঠ্যক্রম কাঠামো’ এবং ২০২৫ সালে এর পরবর্তী হালনাগাদগুলো ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসব পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করেছে।
ইংরেজি পাঠে জাতীয় নিরাপত্তা কীভাবে শেখানো হয়?
ইংরেজি পাঠে জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষাসামগ্রীর প্যাক তৈরি করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষার জন্য ইংরেজি ভাষার শিক্ষাসামগ্রীর প্যাক-এ চারটি প্রধান শিক্ষাবিষয় রয়েছে: সাংস্কৃতিক নিরাপত্তা, পরিবেশগত নিরাপত্তা, খাদ্যনিরাপত্তা এবং মহাকাশ নিরাপত্তা। পাঠ, ভিডিও দেখা ও নানা ইংরেজি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানে:
- চীনের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর লোকনৃত্য
- দেশের মহাকাশ প্রযুক্তির সাফল্য
- বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ
- দৈনন্দিন জীবনে জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখার উপায়
উদাহরণস্বরূপ, একটি পাঠদান কার্যক্রমে ‘হাইব্রিড ধানের জনক’ ইউয়ান লংপিং সম্পর্কে পড়ে খাদ্যনিরাপত্তা ও জাতীয় উন্নয়নে তাঁর অবদান বোঝার বিষয় রয়েছে। এ ধরনের পাঠের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশের প্রতি আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো।
শিক্ষকদের আরও বলা হয়েছে, পাঠদানের উপকরণে জাতীয় ও হংকংয়ের পতাকা এবং প্রতীকের আঁকা ছবি নয়, বরং আনুষ্ঠানিক ছবি ব্যবহার করতে। এতে জাতীয় প্রতীকের যথার্থতা ও মর্যাদার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া
পাঠ্যক্রমের পরিবর্তন শিক্ষাবিদদের কাছ থেকে নানা প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। অভিজ্ঞ ইংরেজি শিক্ষক পলিন চৌ লো-সাইয়ের মতে, “জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় বিষয়”; কার্যকর শিক্ষাসামগ্রী তৈরিতে স্কুলগুলোর শিক্ষা ব্যুরোর কাছ থেকে আরও সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক স্কুল এখনও পাঠ্যবইয়ের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ইংরেজি পাঠে শিক্ষার্থীদের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে আরও নমুনা উপকরণ পেলে তারা উপকৃত হবে।
কিছু শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক মূল্যবোধ শিক্ষার পরিসর সংকুচিত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন, বিশেষ করে মানবাধিকার ও সমান সুযোগের মতো বিষয় বাদ দেওয়ায়। সমালোচকদের যুক্তি, নতুন এই মনোযোগ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ এবং সমালোচনামূলক চিন্তার দক্ষতা সীমিত করতে পারে; আগের পাঠ্যক্রমে এসব উৎসাহিত করা হতো।
অন্যদিকে, পরিবর্তনের সমর্থকদের যুক্তি, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নগরীর ভবিষ্যতের জন্য জাতীয় পরিচয়বোধ এবং আইন মেনে চলার প্রবণতা গড়ে তোলা জরুরি। তাঁদের মতে, হংকংয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
বৃহত্তর শিক্ষাসংস্কার: উদার শিক্ষা থেকে নাগরিকত্ব
ইংরেজি পাঠ্যক্রমের পরিবর্তন হংকংয়ের শিক্ষাব্যবস্থার বৃহত্তর পুনর্গঠনের অংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিক্ষা ব্যুরো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিতর্কিত “উদার শিক্ষা” বিষয়টি বাদ দিয়ে “নাগরিকত্ব ও সামাজিক উন্নয়ন” চালু করেছে। এই বিষয়টিতে আইন মেনে চলা, দেশপ্রেম এবং চীনের জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কে জানার ওপর জোর দেওয়া হয়। নতুন বিষয়টিতে গণতন্ত্র, সততা ও সামাজিক ন্যায়বিচারবিষয়ক আগের বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন ও মৌলিক আইনের আইনি কাঠামোর ওপর মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে, আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে পড়ানো “জীবন ও সমাজ” বিষয়টি ধীরে ধীরে তুলে দিয়ে জাতীয় পরিচয় ও নিরাপত্তায় জোর দেওয়া নতুন কোর্স চালু করা হচ্ছে। ব্যুরো চীনা সংস্কৃতি ও সংবিধান বিষয়ে পাঠদানের সময়ও বাড়িয়েছে। এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়ের এক-চতুর্থাংশ এসব বিষয়ের জন্য বরাদ্দ।
অনেকের মতে, পুরোনো পাঠ্যক্রম তরুণদের উগ্রপন্থায় ঝুঁকে পড়া এবং ২০১৯ সালের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য দায়ী—এমন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় এসব সংস্কার আনা হয়েছে। সরকার শিক্ষকদের আচরণবিধিও সংশোধন করেছে। এতে শিক্ষকদের জাতীয় শিক্ষা এগিয়ে নেওয়া এবং বেআইনি বা “নৈতিকভাবে বিচ্যুত” কর্মকাণ্ডের প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও সহায়তার উদ্যোগ
নীতিগত দিকনির্দেশনা স্পষ্ট হলেও জাতীয় নিরাপত্তা শিক্ষা বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ১,১৬০টি স্কুলের মধ্যে ১৬৯টি পরিদর্শন করে দেখা যায়, এনএসই অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা “সন্তোষজনক নয়”। এর পর শিক্ষা ব্যুরো স্কুল ও শিক্ষকদের সহায়তায় আরও বিস্তৃত নির্দেশিকা, শিক্ষাসামগ্রীর প্যাক এবং নমুনা পাঠদানের উপকরণ দিয়েছে।
ব্যুরো বিদ্যমান বিষয়গুলোর সঙ্গে এনএসইর “স্বাভাবিক সংযুক্তি” ও “স্বাভাবিক যোগসূত্র” তৈরির ওপর জোর দিচ্ছে। শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ও বাইরে শেখার পাশাপাশি পুরো স্কুলকে এ কাজে যুক্ত করতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। মূল্যবোধ শিক্ষায় পরিবার ও স্কুলের অংশীদারত্ব জোরদার করতে সুপারিশ করা পাঠ্য ও ভিডিও নিয়ে সন্তানদের সঙ্গে যুক্ত হতে অভিভাবকদেরও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তরুণদের পরিচয়বোধ ও সমাজের ওপর প্রভাব
হংকংয়ের স্কুলগুলোতে জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশপ্রেমভিত্তিক শিক্ষার দিকে ঝোঁকের ফলে তরুণদের পরিচয়বোধ এবং নগরীর ভবিষ্যতের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে। একাডেমিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন পাঠ্যক্রমের লক্ষ্য হলো আগের সমালোচনামূলক চিন্তা ও ভিন্ন মূল্যবোধের প্রতি সহনশীলতার ওপর জোরের বদলে জাতির প্রতি আত্মিক সম্পর্ক ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলা।
কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, এসব পরিবর্তনে হংকংয়ের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং মুক্তমনা ও বহুত্ববাদী ঐতিহ্য ক্ষয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে “এক দেশ, দুই ব্যবস্থা” কাঠামোর আওতায় নগরীটির স্বায়ত্তশাসনের মেয়াদ ২০৪৭ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকায়। অন্যদের যুক্তি, দ্রুত পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিবেশে সামাজিক সংহতি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এসব সংস্কার জরুরি।
শেষ পর্যন্ত, এসব সংস্কারের সাফল্য নির্ভর করবে জাতীয় পরিচয়বোধ জোরদারের পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা ও সমালোচনামূলক চিন্তা বিকাশের মধ্যে স্কুলগুলো কতটা কার্যকর ভারসাম্য রাখতে পারে তার ওপর। এসব লক্ষ্য অর্জনে উচ্চমানের পাঠদানের উপকরণ এবং শিক্ষাবিদদের পেশাগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সংক্ষেপে
- হংকংয়ের শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি পাঠ্যক্রম সংশোধন করে জাতীয় নিরাপত্তা ও দেশপ্রেমভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিয়েছে।
- মানবাধিকার ও সমান সুযোগের মতো বিষয় বাদ দিয়ে অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রাণীর অধিকার এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মতো বিষয় রাখা হয়েছে।
- ২০১৯ সালের সামাজিক অস্থিরতা ও জাতীয় নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের পর শিক্ষাকে জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ এই পরিবর্তন।
- ইংরেজি পাঠে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষায়িত শিক্ষাসামগ্রীর প্যাক ও পাঠদানের উপকরণ তৈরি করা হয়েছে।
- শিক্ষাবিদ ও জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া মিশ্র; মূল্যবোধ শিক্ষার পরিসর সংকুচিত হওয়া এবং তরুণদের পরিচয়বোধের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
- উদার শিক্ষার বদলে নাগরিকত্বকেন্দ্রিক বিষয় চালুসহ হংকংয়ের শিক্ষাব্যবস্থার বৃহত্তর পুনর্গঠনের প্রতিফলন এই সংস্কার।
- বাস্তবায়নে এখনও চ্যালেঞ্জ রয়েছে; নতুন পাঠ্যক্রমের সাফল্য নির্ভর করবে শিক্ষক ও স্কুলগুলোকে কার্যকর সহায়তা দেওয়ার ওপর।






