প্রোবোলিঙ্গোতে বিকল্প রানওয়েতে চারটি উড়োজাহাজের পরীক্ষা
২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর পূর্ব জাভার পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গো টোল সড়কে দুটি এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন জেট এবং দুটি এমব্রায়ার ইএমবি-৩১৪ সুপার টুকানো উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। সাধারণত যানবাহন চলাচলে ব্যবহৃত এই সড়ক নিয়মিত বিমানঘাঁটি অচল হয়ে পড়লে সামরিক উড়ানের কাজে ব্যবহার করা যায় কি না, তা যাচাই করতেই এ পরীক্ষা চালানো হয়।
সূচিপত্র
- প্রোবোলিঙ্গোতে বিকল্প রানওয়েতে চারটি উড়োজাহাজের পরীক্ষা
- কখন টোল সড়ক রানওয়ে হিসেবে ব্যবহৃত হবে?
- উড়ানের দুই মাস আগে প্রস্তুতি শুরু
- রানওয়ের চেয়ে বিস্তৃত অংশে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হয়
- লাম্পুং থেকে পূর্ব জাভা
- আরও সড়ক মূল্যায়ন বা প্রস্তুতির আওতায়
- কাছের অ্যাসফল্ট পরীক্ষা ছিল ভিন্ন উদ্দেশ্যে
- নিখোঁজ মোটরসাইকেলের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ, দেখতে ভিড় করেন বাসিন্দারা
- মূল বিষয়গুলো
কিলোমিটার ৮৩৪ থেকে কিলোমিটার ৮৩৭+৫০০ পর্যন্ত অংশে এ মহড়া হয়। টোল রোড নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান নি কোমাং রাসমিনিয়াতি এর দৈর্ঘ্য ৩.৫ কিলোমিটার বলে জানান, আর বিমানবাহিনীর বিবরণে বলা হয় তিন কিলোমিটার। তবে কিলোমিটার চিহ্ন অনুযায়ী দূরত্ব ৩.৫ কিলোমিটার। নি কোমাং সড়কটির প্রস্থ ২৪.২ মিটার বলে জানান।
বিমানবাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ টনি হারজোনো বলেন, টোল সড়কে এ ধরনের পরীক্ষা ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয়। এর আগে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাম্পুংয়ে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। জরুরি পরিস্থিতিতে আকাশপথে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার বিকল্প বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
প্রোবোলিঙ্গোতে মহড়ার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে হারজোনো বলেন:
এই মহড়া টিএনআই এউ-এর পরিচালনাগত প্রস্তুতি যাচাই এবং বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যমান অবকাঠামো, বিশেষ করে টোল সড়ক, বিমানবাহিনীর অভিযানের বিকল্প রানওয়ে হিসেবে ব্যবহারের সক্ষমতা পরীক্ষার প্রচেষ্টার অংশ।
টিএনআই এউ নামে পরিচিত ইন্দোনেশীয় বিমানবাহিনী দুটি ঘাঁটি থেকে উড়োজাহাজ নিয়ে আসে। সুপার টুকানো বিমানগুলো মালাংয়ের আবদুলরাচমান সালেহ বিমানঘাঁটির ২১ নম্বর এয়ার স্কোয়াড্রন থেকে আসে। এফ-১৬গুলো আসে ইস্বাহজুদি বিমানঘাঁটির ৩ নম্বর এয়ার স্কোয়াড্রন থেকে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের জন্য মহড়ার অর্থ ছিল সড়ক চলাচলে সাময়িক পরিবর্তন। যানবাহনকে বিকল্প পথে পাঠানো হয়, কংক্রিটের মধ্যবর্তী বিভাজক সরানো হয় এবং সড়কটি স্বাভাবিক ব্যবহারে ফেরানোর আগে নিরাপত্তা সরঞ্জাম পুনরায় স্থাপন করতে হয়।
কখন টোল সড়ক রানওয়ে হিসেবে ব্যবহৃত হবে?
হারজোনো বলেন, সীমিত পরিস্থিতিতেই টোল সড়ক বিকল্প রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা হবে, বিশেষ করে যখন বিদ্যমান রানওয়ে, বিমানবন্দর বা বিমানঘাঁটি সামরিক উড়ানের উপযোগী থাকবে না।
বিকল্প রানওয়ে হলো উড়োজাহাজ অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য জরুরি বিকল্প স্থান। এ ক্ষেত্রে বিমানবাহিনী বিদ্যমান সড়কের নির্দিষ্ট কিছু অংশ পরীক্ষা করছে, যাতে স্বাভাবিক পরিচালনাস্থল ব্যবহার করা না গেলে আরেকটি বিকল্প থাকে।
কোন পরিস্থিতিতে এই বিকল্প কাজে লাগতে পারে, তা ব্যাখ্যা করে হারজোনো বলেন:
উদাহরণ হিসেবে, বিদ্যমান রানওয়ে, বিমানবন্দর বা বিমানঘাঁটি বিমানবাহিনীর অভিযানে আর ব্যবহার করা না গেলে আমরা বিকল্প হিসেবে টোল সড়ক ও অন্যান্য স্থানীয় অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করতে পারি।
বিমানবাহিনীর প্রধান বলেন, সম্ভাব্য প্রতিটি স্থানে জরিপ, সরেজমিনে পরীক্ষা এবং বিমান চলাচলের নিরাপত্তা মূল্যায়ন দরকার। তাই সড়ক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু দীর্ঘ ও সোজা অংশ খুঁজলেই হয় না। সড়কের পৃষ্ঠ, আশপাশের এলাকা এবং কর্মীদের প্রস্তুতিও মূল্যায়নের অংশ।
হারজোনো আরও বলেন, সড়কটির প্রধান উদ্দেশ্য জনসাধারণের যাতায়াত নিশ্চিত করা। সামরিক ব্যবহার হবে পরিস্থিতিনির্ভর; সড়ক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থই অগ্রাধিকার পাবে।
উড়ানের দুই মাস আগে প্রস্তুতি শুরু
পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গোতে প্রস্তুতি শুরু হয় ২০২৬ সালের আগস্টে। অক্টোবরের মহড়ার আগে দলগুলো সড়কের পৃষ্ঠ, চিহ্ন, আশপাশের পরিবেশ এবং অন্যান্য কারিগরি বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করে দেখে, ওই অংশে উড়োজাহাজ পরিচালনা সম্ভব কি না।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানায়, পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত অংশের যানবাহন চলাচলের লেন ও ভেতরের কাঁধে অনমনীয় পেভমেন্ট রয়েছে। অনমনীয় পেভমেন্ট বলতে সাধারণত অ্যাসফল্টের নমনীয় পৃষ্ঠের বদলে কংক্রিটের পৃষ্ঠ বোঝায়। মন্ত্রণালয় জানায়, উড্ডয়ন ও অবতরণের পরীক্ষার উপযোগিতা যাচাইয়ে সড়কাংশটি উত্তীর্ণ হয়েছে।
মহড়ার জন্য মাঝের বিভাজকের কংক্রিটের বাধা সরানো হয়। সড়ক নিরাপত্তার ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পানিভর্তি অস্থায়ী বাধা ব্যবহার করা হয়, আর পরে সড়কের পাশের স্টিলের গার্ডরেল পুনরায় বসানোর কথা ছিল।
বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, টোল সড়ক পরিচালনাকারী পিটি ট্রান্স জাওয়া পাসপ্রো জালান তোল, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার সমন্বয় করে। তাদের অংশগ্রহণ দেখায়, সড়ককে রানওয়ে হিসেবে ব্যবহারের মহড়া শুধু উড়োজাহাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এতে যানবাহন ব্যবস্থাপনা, বিমান চলাচলের সমন্বয় এবং সড়কটি বেসামরিক ব্যবহারে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও দরকার।
রানওয়ের চেয়ে বিস্তৃত অংশে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হয়
প্রোবোলিঙ্গো বারাত–প্রোবোলিঙ্গো তিমুর অংশটি ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ছিল। কিলোমিটার ৮২৯+০০০-এ প্রোবোলিঙ্গো বারাত টোল গেট থেকে কিলোমিটার ৮৪১+২০০-তে প্রোবোলিঙ্গো তিমুর টোল গেটের মধ্যবর্তী অংশে যানবাহনকে বিকল্প পথে পাঠানো হয়।
সড়কের কিলোমিটার চিহ্ন অনুযায়ী গেট দুটির দূরত্ব ১২.২ কিলোমিটার; উড়োজাহাজ পরীক্ষায় ব্যবহৃত অংশটির দৈর্ঘ্য ছিল ৩.৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ, যান চলাচলে প্রভাবিত টোল সড়কের অংশটি পরীক্ষার অংশের প্রায় সাড়ে তিন গুণ। চালকদের জাতীয় মহাসড়ক ও প্রস্তুত করা অন্যান্য বিকল্প পথে পাঠানো হয়।
নি কোমাং বলেন, মহড়া শেষ হলে সড়কটিকে জনসাধারণের চলাচলের প্রধান কাজে ফিরিয়ে দিতে হবে। টোল রোড নিয়ন্ত্রক সংস্থা ২২ অক্টোবর পশ্চিম ইন্দোনেশিয়া সময় ১৮:০০টায় সড়কটি খুলে দেওয়ার সময়সূচি নির্ধারণ করে। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তার ব্যবস্থাগুলোও পুনর্বহাল করার কথা ছিল।
এটি ছিল ঘোষিত পুনরায় খোলার সময়সূচি; ঠিক ওই সময়ে যান চলাচল শুরু হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করা হয়নি। সড়ক বন্ধ থাকার সময় চালকদের সাইনবোর্ড ও কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে, যাত্রার সময় সমন্বয় করতে এবং টোল পরিচালনাকারীর তথ্য অনুসরণ করতে বলা হয়।
লাম্পুং থেকে পূর্ব জাভা
পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গোর মহড়ার আগে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাম্পুংয়ের তেরবাংগি বেসার–পেমাতাং পাংগাং–কায়ু আগুং টোল সড়কে পরীক্ষা চালানো হয়েছিল, যা সাধারণত তেরপেকা নামে পরিচিত। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় লাম্পুংয়ের স্থানটিকে বিমানবাহিনীর উড্ডয়ন ও অবতরণ পরীক্ষার পাইলট এলাকা হিসেবে বর্ণনা করে।
এই ধারাবাহিকতা দেখায়, প্রাথমিক পরীক্ষার পর কর্মসূচি আরেকটি স্থানে গড়িয়েছে এবং পূর্ব জাভায় উড়ানের আগে কয়েক মাস ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে:
- ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: লাম্পুংয়ে টোল সড়কে প্রথমবারের মতো এ ধরনের পরীক্ষা চালায় বিমানবাহিনী।
- আগস্ট ২০২৬: পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গো মহড়ার প্রস্তুতি শুরু হয়।
- ১৯–২২ অক্টোবর, ২০২৬: কার্যক্রমের জন্য প্রোবোলিঙ্গো বারাত–প্রোবোলিঙ্গো তিমুর টোল সড়কের অংশ বন্ধ রাখা হয়।
- ২২ অক্টোবর, ২০২৬: দুটি এফ-১৬ ও দুটি সুপার টুকানো পূর্ব জাভায় উড্ডয়ন ও অবতরণ করে।
- ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১৮:০০টা: নিয়ন্ত্রক সংস্থা সড়কটি খুলে দেওয়ার সময় নির্ধারণ করে।
পূর্ব জাভার পরীক্ষায় একই প্রস্তুত করা সড়কাংশে দুটি স্কোয়াড্রনের উড়োজাহাজ অংশ নেয়। হারজোনো বলেন, উড়োজাহাজগুলো সফলভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণ করেছে। ফলে সড়ককে উড়ান পরিচালনার কাজে ব্যবহারের পরীক্ষা চালানো হয়েছে, এমন আরেকটি স্থান পেল বিমানবাহিনী।
আরও সড়ক মূল্যায়ন বা প্রস্তুতির আওতায়
বিমানবাহিনী জাকার্তা এলাকার একটি টোল সড়ক এবং পশ্চিম নুসা তেঙ্গারার লম্বকে পরিকল্পিত একটি সড়ককে পরবর্তী মূল্যায়নের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। হারজোনো বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে জরিপ চালানো হয়েছে।
মহড়ার পর হারজোনোর বক্তব্যে জাকার্তার সড়কটিকে চিবিতুং–চিলিনচিং হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে তাঁর ঘোষণার অন্য বিবরণে চিবিনং–চিলিনচিংয়ের নাম এসেছে। লম্বকের প্রস্তাবিত সড়কটি এখনো পরিকল্পনাধীন; ফলে অবকাঠামো পরিকল্পনার সময় সম্ভাব্য বিমান চলাচলের প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়া সম্ভব হবে।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আরও জানায়, তারা জাকার্তা–চিকামপেক দ্বিতীয় দক্ষিণ এবং বান্দা আচেহ–সিগলি টোল সড়ককে জরুরি রানওয়ে হিসেবে প্রস্তুত করছে। প্রস্তাবিত সড়কাংশ দুটির দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩.৫ কিলোমিটার ও প্রায় ৩.৮ কিলোমিটার। অর্থাৎ, প্রস্তাবিত বান্দা আচেহ–সিগলি অংশটি পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গোর পরীক্ষিত অংশের চেয়ে প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ।
হারজোনো বলেন, পরবর্তী ধাপে সড়ক উন্নয়ন ও মানচিত্র প্রণয়ন নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে:
আগামী দিনে আমরা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে টোল সড়ক উন্নয়ন ও মানচিত্র প্রণয়ন নিয়ে সমন্বয় অব্যাহত রাখব, যাতে নির্বাচিত টোল সড়কগুলো বিমানবাহিনীর অভিযানকে সহায়তার জন্য বিকল্প রানওয়ে হিসেবে প্রস্তুত করা যায়।
ভবিষ্যতের স্থানগুলো জরিপ, কারিগরি শর্ত, কর্মীদের প্রস্তুতি এবং বিমান চলাচলের নিরাপত্তা মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে। পরবর্তী মহড়াগুলোর কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
কাছের অ্যাসফল্ট পরীক্ষা ছিল ভিন্ন উদ্দেশ্যে
গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গোতে সড়ক নির্মাণসামগ্রীর পরীক্ষার কথাও জানায়। কিলোমিটার ৮৩৩+৮০০ থেকে ৮৩৪+০০০-এর মধ্যে ২০০ মিটার অংশে প্রিমিক্সড আসবুটন ব্যবহার করে আসপাল মেরাহ পুতিহ বিছানো হয়। আসবুটন হলো বুটন দ্বীপের প্রাকৃতিক অ্যাসফল্টভিত্তিক উপাদান।
অ্যাসফল্ট পরীক্ষার অংশটি ছিল ১১.৮ মিটার প্রশস্ত এবং যে কিলোমিটার চিহ্নে উড়োজাহাজ পরীক্ষার অংশ শুরু, সেখানে গিয়ে শেষ হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবরণ অনুযায়ী, বিমান চলাচলের পরীক্ষার অংশটির লেন ও ভেতরের কাঁধে অনমনীয় পেভমেন্ট রয়েছে।
সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে দেশীয় অ্যাসফল্টের ব্যবহার বাড়ানো এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সরকারি উদ্যোগের অংশ এই উপাদান পরীক্ষা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের গণপূর্ত বিধি নং ১০-এর কথা উল্লেখ করেছে। এতে শিল্পখাতের প্রস্তুতি, নির্মাণের মান ও ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াজাত বুটন অ্যাসফল্ট ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
গণপূর্তমন্ত্রী দোদি হাঙ্গোদো বলেন, টোল সড়ক একদিকে মানুষ ও পণ্যের দৈনন্দিন চলাচলে, অন্যদিকে জাতীয় প্রস্তুতিতে ভূমিকা রাখে। পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গোতে এসব লক্ষ্য পূরণে ভিন্ন ভিন্ন কাজ হয়েছে: উড়োজাহাজের উপযোগী সড়কাংশ পরীক্ষা, কাছেই দেশীয় সড়ক উপাদান যাচাই এবং জনসাধারণের জন্য পরিবহনসেবা সচল রাখা।
নিখোঁজ মোটরসাইকেলের অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ, দেখতে ভিড় করেন বাসিন্দারা
প্রোবোলিঙ্গো রিজেন্সির সচিব এইচ. উগাস ইরওয়ান্তো প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে এলাকার ভূমিকার প্রশংসা করেন। তবে তিনি বলেন, টোল সড়কটির প্রধান কাজ পরিবহনসেবা দেওয়া; প্রকৃত কোনো সংকটে জরুরি রানওয়েটির প্রয়োজন যেন কখনো না হয়, সেই আশাও প্রকাশ করেন।
উড়োজাহাজের কৌশল দেখার জন্য টোল সড়কের কাছে ভিড় করেন মানুষ। অনুষ্ঠানের সময় ওনোমের্তো জেলার পোহসাঙ্গিত তেঙ্গাহ গ্রামের বাসিন্দাদের দুটি মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের স্থান থেকে হারিয়ে গেছে বলে অভিযোগ ছড়ায়।
যান দুটিকে হোন্ডা বিট ও হোন্ডা সুপ্রা এক্স ১২৫ বলে উল্লেখ করা হয়। প্রোবোলিঙ্গো সিটি পুলিশের মুখপাত্র ইন্সপেক্টর জাইনুল্লাহ বলেন, কর্মকর্তারা তথ্য যাচাই করছেন এবং ওনোমের্তো পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত প্রোবোলিঙ্গো সিটি পুলিশ বা ওনোমের্তো পুলিশ, কোনো পক্ষই মালিকদের কাছ থেকে লিখিত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পায়নি। হারানো যানবাহনের মালিকদের অভিযোগ জানাতে বলেছে পুলিশ, যাতে কর্মকর্তারা তদন্ত করে সেগুলোর খোঁজ করতে পারেন।
মূল বিষয়গুলো
- ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর পাসুরুয়ান–প্রোবোলিঙ্গো টোল সড়কে দুটি এফ-১৬ ও দুটি সুপার টুকানো উড্ডয়ন ও অবতরণ সম্পন্ন করে।
- নিয়ন্ত্রক সংস্থা পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত অংশটির দৈর্ঘ্য ৩.৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ২৪.২ মিটার বলে জানায়।
- এর আগে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাম্পুংয়ে ইন্দোনেশিয়ায় এ ধরনের প্রথম পরীক্ষা হয়েছিল।
- ১৯–২২ অক্টোবর সড়ক বন্ধ থাকায় যান চলাচল বিকল্প পথে পাঠানো হয়; শেষ দিন ১৮:০০টায় সড়ক খোলার সময় নির্ধারিত ছিল।
- জাকার্তা এলাকা, আচেহ ও লম্বকসহ আরও কয়েকটি টোল সড়ক মূল্যায়ন বা প্রস্তুতির আওতায় রয়েছে।
- হারজোনো বলেন, সামরিক ব্যবহার জরুরি পরিস্থিতিতে সীমিত থাকবে; জনসাধারণের চলাচল ও সড়ক নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার পাবে।






