রোহিত পাউডেলের তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে লিগ ২-এ টিকে থাকার লড়াইয়ে কানাডাকে হারাল নেপাল

পড়তে 8 মিনিট
Rohit Paudel's Third ODI Century Powers Nepal Past Canada in League 2 Survival Race

২৪ রানের জয়ে কানাডাকে টপকে গেল নেপাল

রোহিত পাউডেলের ১২৭ বলে ১০১ রানের ইনিংসে ভর করে ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে কানাডাকে ২৪ রানে হারিয়েছে নেপাল। এতে আইসিসি পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ ২-এর পয়েন্ট তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে দলটি। ২৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৮.৪ ওভারে ২১১ রানে অলআউট হয় কানাডা। এর আগে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৩৫ রানে গুটিয়ে যায় নেপাল।

সূচিপত্র
  1. ২৪ রানের জয়ে কানাডাকে টপকে গেল নেপাল
  2. শুরুর ধাক্কার পর ইনিংস সামলালেন পাউডেল
  3. দ্রুত রান তোলার গতি বাড়ালেন ঝা
  4. তৃতীয় সেঞ্চুরিতে সবার ওপরে পাউডেল
  5. কয়েকজনের অবদান সত্ত্বেও হার কানাডার
  6. শীর্ষ চারের চেয়ে ষষ্ঠ স্থানের গুরুত্ব বেশি কেন
  7. নেপালের বাকি তিন ম্যাচ
  8. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

এই ফলে ওয়ানডে আন্তর্জাতিক মর্যাদা ধরে রাখার লড়াইয়ে থাকা দুই দলের অবস্থান বদলে গেছে। ম্যাচের আগে ৩২ খেলায় ২৪ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে ছিল নেপাল। ৩৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে এখন তারা ষষ্ঠ স্থানে। ৩৪ ম্যাচ শেষে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ থেকে সপ্তম স্থানে নেমেছে কানাডা।

পাউডেলের তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি তাঁকে ম্যাচসেরার পুরস্কার এনে দেয়। ইনিংসের দ্রুততম উল্লেখযোগ্য অবদানটি রাখেন গুলশন ঝা, ৩৪ বলে ৪৮ রান করে। বাসির আহমেদ করেন ৩০ এবং অর্জুন কুমাল করেন ২৩ রান। এরপর কানাডার জয় ঠেকাতে নেপালের চার বোলার দুটি করে উইকেট নেন।

এটি লিগ ২-এর শেষ সিরিজে নেপালের প্রথম ম্যাচ, ওমানে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ নয়। এর আগে স্বাগতিকদের কাছে ৪১ রানে হেরেছিল কানাডা। টানা দ্বিতীয় হারে প্রতিযোগিতায় তাদের হাতে রইল আর দুটি ম্যাচ; প্রতিটি দল খেলছে ৩৬টি করে ম্যাচ।

জয়ে দুই পয়েন্ট পেলেও শীর্ষ চারে শেষ করার পথ আর খুলল না নেপালের। সেই সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন তাদের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য শীর্ষ ছয়ে থাকা। ম্যাচ-প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে পাওয়া ওয়ানডে মর্যাদা ধরে রাখতে এই অবস্থানে থাকা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

শুরুর ধাক্কার পর ইনিংস সামলালেন পাউডেল

টস জিতে ওমান ক্রিকেট একাডেমি মিনিস্ট্রি টার্ফ ১ নামেও পরিচিত মাঠটিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কানাডা। ম্যাচের শুরুতেই সেই সিদ্ধান্তের সুফল পায় তারা: আখিল কুমারের বলে অ্যারন জনসনের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩ বলে ৪ রান করেন আসিফ শেখ। ইশান পাণ্ডে কোনো রান না করেই আউট হন।

৫৪ বলে ২৩ রান করেন কুমাল, তবে প্রতিরক্ষাযোগ্য স্কোর গড়তে নেপালের আরও বড় ইনিংস দরকার ছিল। আটটি চার ও একটি ছক্কায় ১২৭ বল ক্রিজে থেকে সেই দায়িত্ব পালন করেন পাউডেল। তাঁর ১০১ রান ছিল নেপালের ২৩৫ রানের প্রায় ৪৩ শতাংশ। এতে বোঝা যায়, ব্যাটিংয়ের বড় অংশের দায়িত্ব তাঁর ওপরই ছিল।

৫৭ বলে আহমেদের ৩০ রানও ছিল উল্লেখযোগ্য অবদান। দীপেন্দ্র সিং আইরি করেন ৬, আর করণ কেসি করেন ৮ রান। ফলে পাউডেল, ঝা, আহমেদ ও কুমাল মিলে করেন ২০২ রান, যা দলের মোট রানের প্রায় ৮৬ শতাংশ।

রানগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কারণ নেপালের স্কোর পুরো ব্যাটিং অর্ডারে সমানভাবে ছড়ানো অবদানে গড়ে ওঠেনি। সবচেয়ে বড় অংশ দেন পাউডেল; আহমেদ ও কুমাল তাঁকে সহায়তা করেন, আর ঝার রান তোলার গতি ছিল ভিন্ন। শেষ পর্যন্ত নেপালের ১০ উইকেটই পড়ে যায়; কানাডার বোলাররা লক্ষ্য ২৫০-এর নিচে রাখতে সক্ষম হন।

দ্রুত রান তোলার গতি বাড়ালেন ঝা

৩৪ বলে ঝার ৪৮ রানে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। বাউন্ডারিতে আসে তাঁর রানের ৩৪টি, অর্থাৎ ইনিংসের ৭০ শতাংশের কিছু বেশি। অর্ধশতক থেকে দুই রান দূরে থামলেও নেপালের প্রধান ব্যাটারদের মধ্যে তাঁর রান তোলার হার ছিল সর্বোচ্চ।

প্রতি ১০০ বলে করা রানের সংখ্যা দিয়ে হিসাব করা তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ১৪১.২। পাউডেলের ছিল প্রায় ৭৯.৫, আহমেদের ৫২.৬ এবং কুমালের ৪২.৬। একই ইনিংসে তাঁদের ভিন্ন ভূমিকা এই পরিসংখ্যানে স্পষ্ট: পাউডেল করেন সর্বোচ্চ রান, আর ঝা অনেক দ্রুত রান যোগ করেন।

পাউডেল ও ঝা মিলে করেন ১৪৯ রান, যা নেপালের মোট রানের প্রায় ৬৩ শতাংশ। শুরুর দিকের উইকেট পতন এবং অন্য কয়েকজন ব্যাটারের কাছ থেকে সীমিত রান পাওয়ার পরও তাঁদের জুটি বোলারদের রক্ষা করার মতো স্কোর এনে দেয়। কানাডার জয়ের জন্য ৩০০ বৈধ ডেলিভারিতে ২৩৬ রান দরকার ছিল; শুরুতে ওভারপ্রতি প্রয়োজনীয় রান ছিল ৪.৭২।

বিজ্ঞাপন

তৃতীয় সেঞ্চুরিতে সবার ওপরে পাউডেল

ওয়ানডে ক্রিকেটে পাউডেলের এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২২ সালের মার্চে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ১২৬ এবং ২০২৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ১০৯ রান করেছিলেন তিনি। কানাডার বিপক্ষে এই ইনিংসে সেই তালিকায় যুক্ত হলো আরেকটি প্রতিপক্ষ। নেপালের লিগ অবস্থানের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে এলো সেঞ্চুরিটি।

তিনটি ওয়ানডে সেঞ্চুরি নিয়ে কুশল ভুর্তেল ও দীপেন্দ্র সিং আইরিকে ছাড়িয়ে গেছেন পাউডেল। তাঁদের দুজনেরই এই সংস্করণে দুটি করে সেঞ্চুরি ছিল। ম্যাচে প্রকাশিত ক্যারিয়ার-পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফলে ওয়ানডেতে নেপালের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিদাতা হয়েছেন তিনি।

ইনিংস চলাকালে এক হালনাগাদে তাঁকে ১২৫ বলে ১০০ রানে দেখা যায়। ইনিংস শেষে তাঁর স্কোর ছিল ১২৭ বলে ১০১। তাই এই দুটি হিসাব ভিন্ন সময়ের, চূড়ান্ত স্কোর নিয়ে পরস্পরবিরোধী নয়। আটটি চার ও একটি ছক্কায় আসে ৩৮ রান; বাকি ৬৩ রান করেন অন্য শটে।

নেপালের অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে মতভেদ রয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে পাউডেলকে অধিনায়ক বলা হয়েছে, অন্যগুলোতে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপ লামিচানেকে। বিভ্রান্তি মেটানোর মতো আনুষ্ঠানিক দলীয় তালিকা না থাকায় ম্যাচে তাঁদের অবদান আলাদা করে বলাই ভালো: ব্যাটিংয়ে নেতৃত্ব দেন পাউডেল, আর দুটি উইকেট নেওয়া চার বোলারের একজন ছিলেন লামিচানে।

কয়েকজনের অবদান সত্ত্বেও হার কানাডার

কানাডার রান তাড়ায় এগিয়ে ছিলেন জনসন, ৪৯ বলে ৪৪ রান করে। শ্রেয়াস মোভা করেন ৩৪ বলে ২৬, অধিনায়ক হামজা তারিক করেন ২৯ বলে ২৬ এবং কুমার ৪০ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। কানাডার ইনিংসে কয়েকটি কার্যকর অবদান ছিল, তবে কোনো ইনিংসই পাউডেলের সেঞ্চুরির কাছাকাছি ছিল না।

৩৫ রান করা ব্যাটার কে, তা নিয়ে প্রতিবেদনগুলোতে মতভেদ রয়েছে। বেশিরভাগ প্রতিবেদনে ব্যাটার হিসেবে সামিত গোহেলের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তিনি ৫৯ বলে ৩৫ রান করেছেন; অন্য একটি প্রতিবেদনে এই রান করেছেন হর্ষ থাকের। দলের মোট রান ও হারের ব্যবধানের হিসাব মেলে, কিন্তু পরস্পরবিরোধী তথ্যের ভিত্তিতে ওই ব্যাটারের পরিচয় নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

নেপালের হয়ে করণ কেসি, ললিত রাজবংশী, নন্দন যাদব ও লামিচানে দুটি করে উইকেট নেন। তাঁদের সম্মিলিত আট উইকেট দেখায়, বোলারদের মধ্যে উইকেট ভাগাভাগি হয়েছে। বাকি দুটি আউটের বিবরণ ম্যাচের সারাংশগুলোতে নেই।

৪৮.৪ ওভারে অলআউট হয় কানাডা। অর্থাৎ ৪৮টি পূর্ণ ওভারের পর আরও চারটি বৈধ বল হয়েছে; ৪৮.৪ কোনো দশমিক সংখ্যা নয়। ১০টি বৈধ বল অব্যবহৃত ছিল। কানাডার ২১১ রান নেপালের ২৩৫ রানের চেয়ে ২৪ কম, যা ম্যাচের ঘোষিত জয়ের ব্যবধান; জিততে প্রয়োজনীয় ২৩৬ রানের চেয়ে কম ২৫।

কানাডার সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন কুমার; তিনি চারটি উইকেট নেন। সুখজিন্দর সিং নেন তিনটি। জহুর শিরজাদ, জাহিদ শিরজাদ অথবা জাহিদ সিরাজ নামে উল্লেখিত বোলারটির ঝুলিতে যায় দুটি উইকেট। প্রকাশিত এই হিসাবগুলোতে নেপালের নয়টি উইকেটের বিবরণ আছে; শেষ উইকেটটি কীভাবে পড়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

শীর্ষ চারের চেয়ে ষষ্ঠ স্থানের গুরুত্ব বেশি কেন

এই পর্যায়ে লিগ ২-এ দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পথে এগোনো এবং ওয়ানডে মর্যাদা ধরে রাখা। শীর্ষ চার দল সরাসরি চূড়ান্ত বাছাইপর্বে উঠবে। নিচের চার দলকে সেখানে যাওয়ার সুযোগ পেতে প্লে-অফ খেলতে হবে। তাই শীর্ষ চারে না থাকলেই বিশ্বকাপে ওঠার পুরো পথ বন্ধ হয়ে যায় না।

কানাডার বিপক্ষে নেপালের ম্যাচের আগে ৩৪ ম্যাচে ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। স্কটল্যান্ড ৩৬ ম্যাচে ৪৫ এবং নেদারল্যান্ডস ৩২ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ছিল পরের দুই স্থানে। এই তিন দল ইতিমধ্যে চূড়ান্ত বাছাইপর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। ২৯ ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ ছিল ওমান, আর ৩৫ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পেছনে ছিল নামিবিয়া।

কেন কানাডার বিপক্ষে জয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ওঠার সম্ভাবনা ফিরতে পারেনি, তা নেপালের অবস্থান থেকেই বোঝা যায়। কানাডার ম্যাচের আগে হাতে চার ম্যাচ নিয়ে তাদের পয়েন্ট ছিল ২৪। চারটিতেই জিতলেও হতো ৩২। ওমানের পয়েন্ট তখনই ছিল ৩৩। কানাডাকে হারানোর পরও নেপালের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য পয়েন্ট ৩২; হাতে তিন ম্যাচ নিয়ে তাদের বর্তমান পয়েন্ট ২৬।

এখন তাৎক্ষণিক লড়াই শীর্ষ দলগুলোর নিচের অবস্থান নিয়ে। নেপাল এখন কানাডার চেয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে এবং তাদের হাতে একটি ম্যাচ বেশি। এই পর্ব শুরুর সময় ৩১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। নেপালের ষষ্ঠ স্থানে ওঠা তাই গুরুত্বপূর্ণ, তবে বর্তমান অবস্থান মানেই অভিযান শেষ বা ওয়ানডে মর্যাদা ধরে রাখা নিশ্চিত হওয়া নয়।

এই জয়ের পর নেপালের সঠিক পয়েন্ট ৩৩ ম্যাচে ২৬। একটি প্রতিবেদনে আগের পয়েন্ট-সংক্রান্ত ভুল স্পষ্টভাবে সংশোধন করা হয়েছে। পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ: ম্যাচের আগে নেপালের পয়েন্ট ছিল ২৪, জয়ে যোগ হয়েছে দুই পয়েন্ট এবং তারা কানাডাকে টপকে গেছে।

নেপালের বাকি তিন ম্যাচ

নেপালের বাকি সূচিতে ওমানের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ এবং কানাডার বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচ রয়েছে। প্রকাশিত তারিখগুলো নেপালের পঞ্জিকা অনুযায়ী; পরের ম্যাচ মঙ্গলবার, असोज ২৭-এ। শনিবার, असोज ৩১-এ কানাডার বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচ, এরপর সোমবার, कार्तिक ২-এ ওমানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচ।

ফল ও সূচির ধারাবাহিকতা:

  • ১১ অক্টোবরের আগে: সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডাকে ৪১ রানে হারায় ওমান।
  • ১১ অক্টোবর: কানাডাকে ২৪ রানে হারিয়ে ষষ্ঠ স্থানে ওঠে নেপাল।
  • মঙ্গলবার, असोज ২৭: ওমানের বিপক্ষে খেলার কথা নেপালের।
  • শনিবার, असोज ৩১: কানাডার বিপক্ষে আবার খেলার কথা নেপালের।
  • সোমবার, कार्तिक ২: ওমানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করার কথা নেপালের।

ওয়ানডে মর্যাদা ধরে রাখার সমীকরণটি প্রতিবেদনগুলোতে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কানাডাকে আবার হারাতে হবে নেপালকে এবং ওমানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের অন্তত একটিতে জিততে হবে। আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেপালের বাকি তিন ম্যাচেই জেতা উচিত এবং কানাডার পরের ফলও চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে। এগুলো প্রয়োজনীয় ফলের ভিন্ন ব্যাখ্যা, নিশ্চিত একক কোনো বাছাই-সমীকরণ নয়।

পয়েন্টের হিসাবটি তুলনামূলক সরল। দুটি ম্যাচ জিতলে নেপালের পয়েন্ট ২৬ থেকে বেড়ে হবে ৩০; তিনটি জিতলে হবে ৩২। ২৫ পয়েন্ট ও হাতে দুটি ম্যাচ নিয়ে কানাডার সর্বোচ্চ পয়েন্ট হতে পারে ২৯। কানাডাকে আবার হারালে তাই দুই দলই সরাসরি প্রভাবিত হবে: নেপালের পয়েন্ট বাড়বে দুই, আর তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জয়ের সুযোগ হারাবে।

ওমানের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জটি আলাদা। কানাডাকে হারানোর আগেই স্বাগতিকরা চতুর্থ স্থানে ছিল এবং সরাসরি বাছাইপর্বে যাওয়ার বাকি জায়গাটির লড়াইয়ে রয়েছে। তাদের বিপক্ষে নেপালের দুটি ম্যাচ পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকের লড়াইকে টেবিলের ওপরের অংশের প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত করেছে।

বিজ্ঞাপন

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • ২৩৫ রান করার পর কানাডাকে ৪৮.৪ ওভারে ২১১ রানে অলআউট করে ২৪ রানে জিতেছে নেপাল।
  • রোহিত পাউডেল ১২৭ বলে ১০১ রান করেন। এটি তাঁর তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি; তিনি ম্যাচসেরা হন।
  • গুলশন ঝা ৩৪ বলে ৪৮ এবং বাসির আহমেদ ৩০ রান করেন।
  • করণ কেসি, ললিত রাজবংশী, নন্দন যাদব ও সন্দীপ লামিচানে দুটি করে উইকেট নেন।
  • ৩৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে ওঠে নেপাল; ৩৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে নামে কানাডা।
  • শীর্ষ চারে শেষ করতে পারবে না নেপাল; এখন তাদের লক্ষ্য ওয়ানডে মর্যাদা ধরে রাখার মতো অবস্থানে থেকে অভিযান শেষ করা।
  • নেপালের বাকি তিন ম্যাচের দুটি ওমানের বিপক্ষে, একটি কানাডার বিপক্ষে।
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন

আপনার পছন্দ হতে পারে