নির্ধারিত বিদ্যুৎ রোটেশনে বদলাচ্ছে ইয়াঙ্গুনের দৈনন্দিন সরবরাহ
সীমিত উৎপাদনের সঙ্গে চাহিদার সমন্বয় করতে কর্তৃপক্ষ শহরটিকে গ্রুপ এ ও গ্রুপ বি-তে ভাগ করে ইয়াঙ্গুনে নির্ধারিত বিদ্যুৎ রোটেশন চালু করেছে। ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় প্রতিটি গ্রুপ চার ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ পাবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ ও গ্রিডের অবস্থার ওপর নির্ভর করে এ সময়সূচি বদলাতে পারে।
সূচিপত্র
৫ অক্টোবর থেকে এই রোটেশন কার্যকর হয়েছে। ইয়াঙ্গুনে দুই গ্রুপেরই রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা। দিনের বেলায়, ভোর ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত, দুই গ্রুপের মধ্যে সরবরাহ পালাক্রমে চলবে। ইয়াঙ্গুন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই করপোরেশন জানিয়েছে, পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে প্রকৃত সরবরাহের সময়ও সমন্বয় করা হতে পারে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘোষিত বৃহত্তর লোড ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ এই ব্যবস্থা। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, তীব্র এল নিনো পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বাভাবিক উচ্চ তাপমাত্রায় বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়েছে। একই সঙ্গে শুষ্ক মৌসুম শুরুর সময় জলবিদ্যুৎ বাঁধের জলাধারের পানির স্তর নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এই ব্যবস্থা সব গ্রাহকের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। ইয়াঙ্গুন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই করপোরেশন (ইয়েসসি) জানিয়েছে, শিল্পাঞ্চল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী মিয়াউংতাগার শিল্পাঞ্চলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং জরুরি সরকারি বিভাগগুলো ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ পাবে। ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের অন্যান্য এলাকায় পূর্ব, পশ্চিম, দক্ষিণ ও উত্তর অংশে দিনের বেলায় পালাক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, রাতে লোডশেডিং ছাড়া বিদ্যুৎ দেওয়া হবে।
এখন বিদ্যুৎ রেশনিং কেন?
গরম আবহাওয়ায় পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন নেটওয়ার্ক নির্ভরযোগ্যভাবে যতটা বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে, ব্যবহার তার চেয়ে বেশি হলে ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ রেশনিং করা হতে পারে। চাহিদা এভাবে পরিকল্পিতভাবে কমিয়ে আনার ব্যবস্থাকে লোড ব্যবস্থাপনা বলা হয়।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, বিদ্যুতের ব্যবহারকে বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং বৃহত্তর ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের ঝুঁকি কমানোই রোটেশনের উদ্দেশ্য। হঠাৎ ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা উচ্চ ভোল্টেজের সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি দেখা দিতে পারে। গুরুতর পরিস্থিতিতে গ্রিডের পরস্পর-সংযুক্ত অংশজুড়ে সমস্যা ছড়িয়ে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটতে পারে।
মিয়ানমার বিদ্যুতের জন্য অনেকাংশে জলবিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। এতে সংরক্ষিত বা প্রবাহিত পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বর্ষার বৃষ্টিতে সাধারণত জলাধারে পানির স্তর বাড়ে, তবে শুষ্ক মৌসুম সাধারণত অক্টোবর থেকে মে পর্যন্ত চলে। মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, আগামী কয়েক মাসে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের জলাধারগুলোর পানির স্তর কমে যেতে পারে। ফলে সংরক্ষিত পানির ব্যবস্থাপনা সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে।
এল নিনো একটি পুনরাবৃত্ত প্রাকৃতিক জলবায়ু ধরন, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্বাভাবিক উষ্ণ পানির সঙ্গে সম্পর্কিত। এর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দূরেও বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ধরন বদলে যেতে পারে। সূত্রে উদ্ধৃত পূর্বাভাস ও সরকারি সতর্কবার্তায় আসন্ন সময়কে অস্বাভাবিক গরম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মিয়ানমারের আবহাওয়া কর্মকর্তারাও অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত, ঝড়, খরা ও পানীয় জলের সংকটের আশঙ্কা জানিয়েছেন। স্থান ও ঋতুভেদে আবহাওয়ার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। তাই বিদ্যুৎ পরিকল্পনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাপের কারণে বেড়ে যাওয়া চাহিদার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ প্রতিফলিত হয়েছে।
সময়সূচির অর্থ বাসিন্দাদের জন্য কী?
পরিবারগুলোর জন্য সময়সূচি বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে আরও অনুমানযোগ্য করে তুলতে পারে, তবে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ আসবেই, এমন নিশ্চয়তা দেয় না। ইয়েসসি জানিয়েছে, উৎপাদন ও গ্রিডের অবস্থার ওপর নির্ভর করে রোটেশন বদলাতে পারে। অনিয়মিত সরবরাহে আগে থেকেই ভোগান্তিতে থাকা বাসিন্দাদের তাই বিদ্যুতের প্রাপ্যতা বদলানোর সঙ্গে রান্না, চার্জ দেওয়া ও ঘরের অন্যান্য কাজের সময় বারবার মিলিয়ে নিতে হতে পারে।
অতিরিক্ত প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকার দেওয়া বাসিন্দারা জানান, নতুন ব্যবস্থা চালুর আগেও কয়েকটি শহরে দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যেত। মোনিওয়ায় এক বাসিন্দা বলেন, মাসে প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার কিয়াত বিদ্যুৎ বিল দেওয়া সত্ত্বেও প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যেত। বিদ্যুৎ না থাকলে ঘরের ভেতরের গরমের কথা উল্লেখ করে ওই বাসিন্দা আরও বলেন, সাম্প্রতিক এক মেরামতের কারণে এলাকাটি দুই দিন বিদ্যুৎহীন ছিল।
ইয়াঙ্গুনের এক বাসিন্দা জানান, অল্প সময়ের জন্য বিদ্যুৎ এলে সেই সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে ভাত রান্না করতেন; কখনো কখনো ভোর হওয়ার আগেই খাবার তৈরি করতেন। অনিয়মিত বিদ্যুৎ কীভাবে ঘরের নিত্যকাজে প্রভাব ফেলে, এই অভিজ্ঞতা তা তুলে ধরে। বিশেষ করে তীব্র গরমে ঘরের পরিবেশ অসহনীয় হয়ে উঠলে এবং রান্না বা খাবার সংরক্ষণ কঠিন হলে সমস্যা আরও বাড়ে।
ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও হিমায়ন, যন্ত্রপাতি ও দৈনন্দিন কার্যক্রমের জন্য নির্ভরযোগ্য বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। অতিরিক্ত প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় এমন কিছু ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দামও বাড়ছে। ইয়াঙ্গুন ও ইরাবতী অঞ্চলের পানি সরবরাহকারী ও দোকানমালিকেরাও সতর্ক করেছেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে পরিচালন ব্যয় বাড়ে এবং বোতলজাত পানি ও বরফের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে।
অন্য এলাকার পরিস্থিতির সঙ্গে এই পরিকল্পনার তুলনা কেমন?
ইয়াঙ্গুনের জন্য ঘোষিত চার ঘণ্টার রোটেশন থেকে মিয়ানমারের প্রতিটি পরিবার কতটা বিদ্যুৎ পাবে, তা বোঝা যায় না। অঞ্চলভেদে জাতীয় পরিস্থিতি ভিন্ন, আর প্রতিবেদনগুলোতে কয়েকটি এলাকায় আরও কঠোর পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে। ইরাবতী অঞ্চলের একটি পৃথক প্রতিবেদনে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার সময়সূচির কথা বলা হয়েছে। যেখানে এ রোটেশন চালু, সেখানে বাসিন্দারা দিনে প্রায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান।
ওই প্রতিবেদনেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপাত্ত উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ইরাবতীর মাত্র প্রায় ২৮ শতাংশ পরিবার গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ পায়। নির্ভরযোগ্য গ্রিড সংযোগ না থাকা পরিবারগুলোর জন্য রেশনিংয়ের ফলে খাবার ও ওষুধ ঠান্ডা রাখা, ফ্যান চালানো এবং অন্যান্য মৌলিক সেবা পাওয়ার সীমাবদ্ধতা আরও বেড়ে যায়।
মিয়ানমারে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দীর্ঘদিনের ঘটনা; কখনো তা নির্ধারিত সময়ে, কখনো আবার আগাম ঘোষণা ছাড়াই ঘটে। অতিরিক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল থেকে কয়েকটি এলাকায় প্রতিদিন দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না এবং ২০২৫ সালের মার্চে ভূমিকম্পের পর ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছিল। এসব বিবরণে বোঝা যায়, বিদ্যুতের বৃহত্তর সংকটের কারণ শুধু সাময়িক গরম আবহাওয়া নয়।
অবকাঠামোর ক্ষতি এবং বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটও দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহকে প্রভাবিত করছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামত এবং সৌর ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর কাজ চলছে। এসব প্রকল্প উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে পারে, তবে বর্তমান ঘাটতির তাৎক্ষণিক সমাধান নয়। জলবিদ্যুতের উৎপাদনও পানির প্রাপ্যতার ওপর নির্ভরশীল।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক ব্যয়
তীব্র গরমে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া শুধু অসুবিধার বিষয় নয়। ঘরের ভেতর তাপের প্রভাব কমাতে ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার সহায়তা করে, আর হিমায়নে ওষুধ ও দ্রুত নষ্ট হয় এমন খাবার সংরক্ষিত থাকে। বয়স্ক, অসুস্থ বা ঘনবসতিপূর্ণ ঘরে বসবাসকারীরা শীতল রাখার ব্যবস্থা না থাকলে বিশেষ সমস্যায় পড়তে পারেন, বিশেষ করে রাতেও গরম থাকলে।
এক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের এক হিসাব অনুযায়ী, তীব্রতর এল নিনো পরিস্থিতিতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিয়ানমারে তাপ-সম্পর্কিত মৃত্যুর সংখ্যা ১,০০০ ছাড়াতে পারে। এটি একটি পূর্বাভাস, নিশ্চিত মৃত্যুসংখ্যা নয়; আবহাওয়া ও অন্যান্য বিষয়ের ওপর এর ফল নির্ভর করবে। তবু তীব্র গরমে স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি এটি তুলে ধরে, বিশেষত যাদের নির্ভরযোগ্য শীতলীকরণ বা নিরাপদ পানীয় জলের সুযোগ নেই।
বিদ্যুৎ ঘাটতি আয় ও জরুরি সেবাকেও প্রভাবিত করে। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসাগুলোকে কাজের সময় কমাতে, ব্যয়বহুল বিকল্প সরঞ্জাম ব্যবহার করতে বা বাড়তি পরিচালন ব্যয় গ্রাহকের ওপর চাপাতে হতে পারে। জেনারেটর ও ব্যাটারি কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে, কিন্তু সীমিত সামর্থ্যের পরিবারগুলোর পক্ষে এগুলো কেনা কঠিন। তাই বিদ্যুতের অনির্ভরযোগ্যতার বোঝা সবার ওপর সমানভাবে পড়ে না: বিকল্প ব্যবস্থা আছে এমন মানুষ কিছু সেবা চালু রাখতে পারেন, আর অন্যদের দীর্ঘস্থায়ী গরম ও দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাতের মুখে পড়তে হয়।
কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপের কথা বলছে
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌর ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামো মেরামতের কাজ চলছে। আগামী শুষ্ক মাসগুলোর কথা মাথায় রেখে জলাধারের পানি ব্যবস্থাপনা করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা। ২০২৭ সালের পরবর্তী বর্ষা মৌসুম পর্যন্ত সরবরাহ বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এসব পদক্ষেপ সমস্যার ভিন্ন ভিন্ন দিক মোকাবিলা করে। মেরামতের ফলে হারিয়ে যাওয়া উৎপাদন সক্ষমতা ফিরতে পারে, আর নতুন সৌর ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হলে উৎপাদন বাড়তে পারে। অন্যদিকে, রোটেশনের মাধ্যমে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় সীমিত করে তাৎক্ষণিকভাবে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এই পদ্ধতি কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে কতটা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রিড তা সরবরাহ করতে পারছে কি না এবং সময়সূচি কতটা নিয়মিতভাবে মানা হচ্ছে তার ওপর।
মন্ত্রণালয় বলেছে, বিদ্যমান উৎপাদন ও ব্যবহার সমন্বয় করে রোটেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিতরণ যতটা সম্ভব সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা হবে। ইয়াঙ্গুনের বাসিন্দাদের জন্য প্রকাশিত দিনের চার ঘণ্টার পালা ও রাতের সরবরাহ একটি কাঠামো দিচ্ছে। তবে সময়সূচি বদলাতে পারে বলে করপোরেশনের সতর্কবার্তার অর্থ, এ সময়সূচি শর্তসাপেক্ষ।
মূল কথা
- ৫ অক্টোবর থেকে ইয়াঙ্গুনে গ্রুপ এ ও গ্রুপ বি-র জন্য দিনের বেলায় চার ঘণ্টার বিদ্যুৎ রোটেশন শুরু হয়েছে।
- ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত দুই গ্রুপই বিদ্যুৎ পাবে; তবে গ্রিডের অবস্থার ওপর নির্ভর করে সময়সূচি বদলাতে পারে।
- রেশনিংয়ের কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ তাপের কারণে বেড়ে যাওয়া চাহিদা, সীমিত উৎপাদন এবং জলবিদ্যুৎ জলাধারের পানির স্তর নিয়ে উদ্বেগের কথা বলেছে।
- শিল্পাঞ্চল, মিয়াউংতাগারের নির্দিষ্ট এলএনজি-চালিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং জরুরি সরকারি বিভাগগুলো ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার তালিকায় রয়েছে।
- অন্য অঞ্চলের পরিস্থিতি ভিন্ন; ইরাবতীর কিছু এলাকায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার খবর এসেছে।
- বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অনিয়মিত বিদ্যুৎ ঘরের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটায়, পরিচালন ব্যয় বাড়ায় এবং গরমের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।






